রবিবার, ২৯ মার্চ ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

বাঙালি নদী ভাঙনে প্রায় ১২০ বিঘা ফসলি জমি নদীগর্ভে বিলীন, হুমকিতে পাঁচটি গ্রাম

সেলিম রেজা, শেরপুর (বগুড়া) প্রতিনিধিঃ বগুড়ার শেরপুর উপজেলার খানপুর ইউনিয়নের সীমান্তবর্তী গ্রাম বরিতলী। ঐ বরিতলী গ্রামের পাশ দিয়ে বয়ে গেছে বাঙালি নদী। উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে বাঙালি নদী ভাঙনের ফলে গ্রামের শত শত বিঘা ফসলি জমি নদীতে বিলীন হয়ে যাচ্ছে। ফলে হুমকির মুখে পড়েছে পাঁচটি গ্রামসহ ৩০০ বিঘা ফসলি জমি ও বেশ কয়েকটি […]

প্রতিনিধি ডেস্ক

২৩ জুলাই ২০২৫, ১৮:৪৯

সেলিম রেজা, শেরপুর (বগুড়া) প্রতিনিধিঃ

বগুড়ার শেরপুর উপজেলার খানপুর ইউনিয়নের সীমান্তবর্তী গ্রাম বরিতলী। ঐ বরিতলী গ্রামের পাশ দিয়ে বয়ে গেছে বাঙালি নদী। উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে বাঙালি নদী ভাঙনের ফলে গ্রামের শত শত বিঘা ফসলি জমি নদীতে বিলীন হয়ে যাচ্ছে।

ফলে হুমকির মুখে পড়েছে পাঁচটি গ্রামসহ ৩০০ বিঘা ফসলি জমি ও বেশ কয়েকটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। এসবের মধ্যে রয়েছে বরিতলী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়,

নয়াপাড়া বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, বরিতলী জামে মসজিদ, নুরানি মাদ্রাসা, কবরস্থান ও মক্তব। নদী ভাঙনের আতংকে আছে এলাকার ৮ হাজার মানুষের ঘরবাড়ি। 

সরেজমিনে উপজেলার খানপুর ইউনিয়নের ভাঙন এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, বরিতলী গ্রামের প্রায় ৩০০ মিটার ও বিলনোথার গ্রামের প্রায় ৪০০ মিটার এলাকা জুড়ে শুরু হয়েছে নদীভাঙন।

গত ১৫ জুলাই থেকে নদীভাঙনে বিলীন হয়েছে ওই এলাকার অন্তত ১২০ বিঘা ফসলি জমি। হুমকির মুখে আছে বরিতলী, বিলনোথার, নবীনগর, শৈলমারি ও শান্তিনগর গ্রাম। এই এলাকা জুড়ে বাঙালি নদীর ভাঙন আতঙ্কে অনেকেই বাড়িঘর সরিয়ে নিচ্ছেন।

প্রতিবছর নদীভাঙন রোধে নেওয়া কোনো ব্যবস্থাই কাজে আসছে না। স্থানীয়রা আশঙ্কা করছেন, ভাঙন অব্যাহত থাকলে আরও অনেক বাড়িঘর নদীতে বিলীন হয়ে যেতে পারে।

বরিতলী গ্রামের কৃষক রুহুল আমিন বলেন, ‘আমার বাবাসহ আমি ৭ বার এই বাঙালি নদীর ভাঙনের শিকার হয়েছি।

একটা পরিবার ৭ বার যদি ভাঙনের শিকার হয়, তাহলে তার আর কী থাকে?’ তিনি দুঃখ প্রকাশ করে আরও বলেন, ‘গত বছরও বাড়ির পাশের ৫ বিঘা জমি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। এবারও ভাঙন শুরু হয়েছে। এখন দেখছি, আমার মাথা গোঁজার ঠাঁই বাড়িটিও চলে যাবে।’

বিলনোথার গ্রামের বাসিন্দা হোসেন আলী বলেন, ‘একসময়ে আমার বাপ-দাদার অনেক জমি ছিল। আজ আমরা জমিহারা। এই বাঙালি নদী আমাদের সেই রাজত্ব ধ্বংস করে ফকির বানিয়ে দিয়েছে।

বাঙালি নদীর উপর্যুপরি ভাঙনের পর ভিটেমাটি হারিয়ে আমার আপন ভাই এখন ঢাকায় গার্মেন্টসে কাজ করেন। ভিটেমাটি হারানোর দুঃখে তিনি আর এলাকাতে বেড়াতেও আসেন না।’

শৈলমারি গ্রামের ষাটোর্ধ্ব বৃদ্ধ আবুল ফজল বলেন, ‘১৯৮৮ সালের পর থেকে আমি দেখেছি, এই বাঙালির ভয়াবহতা। আমার নানার অনেক জমি ছিল। সব জমি ভেঙে গেছে।

মায়ের কাছে শোনা, নানার বাড়ি ১২ বার ভেঙেছে। আমার ভিটেবাড়ি সরিয়েছি সাতবার। তাই কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন, এ এলাকার বাঙালি নদীর ভাঙন প্রতিরোধে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা গ্রহণ করা হোক।’

গত বছর বাঙালি নদীর বরিতলী পয়েন্টে নদীভাঙন শুরু হলে পানি উন্নয়ন বোর্ড ৫০ লাখ টাকা ব্যয়ে ১৫ হাজার জিও ব্যাগ দিয়ে অস্থায়ী বাঁধ নির্মাণ করে দেয়। তবে প্রতিনিয়ত নদীভাঙনের মুখে কাজে আসছে না সেই বাঁধও। স্থানীয়দের দাবি, ভাঙন প্রতিরোধে দ্রুত কার্যকরী ব্যবস্থা নেওয়া হোক।

এ বিষয়ে বগুড়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী নাজমুল হক বলেন, ‘বগুড়ার শেরপুর উপজেলাধীন বরিতলী গ্রামে বাঙালি নদীর ডান তীরের বেশ কিছু এলাকায় ভাঙনের সৃষ্টি হয়েছে। পানি উন্নয়ন বোর্ডের তরফ থেকে ভাঙনস্থল পরিদর্শন করা হয়েছে।

পরিদর্শন শেষে দেখা গেছে, এই দেড়শ মিটার কাজ বাস্তবায়ন করতে ৫০ লাখ টাকার মতো ব্যয় হবে। এর প্রতিবেদন আমরা প্রস্তুত করেছি। শিগগিরই কর্তৃপক্ষ বরাবর পাঠাব। বরাদ্দ পেলে দ্রুতই কাজ শুরু করব।’

উল্লেখ্য গত সপ্তাহে এ উপজেলায় ভোর থেকে সারা দিন ভারী বর্ষণের ফলে ভাঙন আরও প্রকোট আকার ধারণ করেছে।

সারাদেশ

শেরপুর-৩ আসনের জামায়াতের প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল মারা গেছেন

জামায়াতে ইসলামীর শেরপুর জেলা শাখার সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী–ঝিনাইগাতী) আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল (৫১) মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত আনুমানিক ৩ টার দিকে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শেরপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি আবুল কালাম আজাদ। পরিবার সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার […]

শেরপুর-৩ আসনের জামায়াতের প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল মারা গেছেন

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৫:০৬

জামায়াতে ইসলামীর শেরপুর জেলা শাখার সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী–ঝিনাইগাতী) আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল (৫১) মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত আনুমানিক ৩ টার দিকে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শেরপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি আবুল কালাম আজাদ।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার রাত ১০টার দিকে হঠাৎ শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যায় গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন নুরুজ্জামান বাদল। তাৎক্ষণিকভাবে তাকে শ্রীবরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। পরে সেখান থেকে দ্রুত ময়মনসিংহ স্বদেশ হাসপাতালে নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়।

ময়মনসিংহ নেওয়ার পথে রাত ৩ টার দিকে শহরের প্রবেশমুখ ব্রিজ এলাকায় পৌঁছালে তার অবস্থার অবনতি ঘটে এবং সেখানে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। পরে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।

পরিবারের পক্ষ থেকে মৃতের ভাই মাসুদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এছাড়াও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নিজেদের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে দেওয়া ওই পোস্টে বলা হয়, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী শেরপুর জেলা শাখার সম্মানিত সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ সংসদীয় আসনে জামায়াত মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী জনাব আলহাজ্ব নুরুজ্জামান বাদল আনুমানিক আজ রাত ৩টায় কিডনিজনিত রোগে হাসপাতালে ভর্তি অবস্থায় ইন্তেকাল করেছেন। ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।

পোস্টে আরও উল্লেখ করা হয়, আল্লাহ তা’য়ালা তাকে জান্নাতুল ফেরদাউস দান করুন এবং তার শোকসন্তপ্ত পরিবার-পরিজন ও সহকর্মীদের ধৈর্য ধারণের তৌফিক দান করুন।

সারাদেশ

নিখোঁজের ২ দিন পর মেঘনায় ভেসে উঠলো পুলিশ সদস্যের নিথর দেহ

লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি: ভোলার লালমোহন উপজেলায় মৎস্য অভিযানে গিয়ে লঞ্চের ধাক্কায় স্পিডবোট উল্টে নিখোঁজ হওয়ার দুইদিন পর পুলিশ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের সন্ধান মিলেছে। শুক্রবার বিকেলে দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পড়েছিল ওই পুলিশ কনস্টেবলের নিথর দেহ। তিনি লালমোহন উপজেলার মঙ্গলসিকদার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে কর্মরত ছিলেন। বিষয়টি নিশ্চিত করে লালমোহন থানার […]

নিখোঁজের ২ দিন পর মেঘনায় ভেসে উঠলো পুলিশ সদস্যের নিথর দেহ

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২০ মার্চ ২০২৬, ২৩:০২

লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি:

ভোলার লালমোহন উপজেলায় মৎস্য অভিযানে গিয়ে লঞ্চের ধাক্কায় স্পিডবোট উল্টে নিখোঁজ হওয়ার দুইদিন পর পুলিশ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের সন্ধান মিলেছে। শুক্রবার বিকেলে দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পড়েছিল ওই পুলিশ কনস্টেবলের নিথর দেহ। তিনি লালমোহন উপজেলার মঙ্গলসিকদার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে কর্মরত ছিলেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করে লালমোহন থানার ওসি মো. অলিউল ইসলাম বলেন, গত বুধবার সন্ধ্যার পর মঙ্গলসিকদার লঞ্চঘাট এলাকা থেকে মেঘনা নদীতে মৎস্য অভিযানের জন্য মৎস্য অফিসের ৩ সদস্য ও একজন পুলিশ অফিসারসহ ৩ জন কনস্টেবল স্পিডবোটে করে মেঘনা নদীতে রওয়ানা দেন।

এ সময় যাত্রীবাহী লঞ্চ কর্ণফুলী-১২ এর সঙ্গে ধাক্কা লেগে স্পিডবোটটি উল্টে যায়। এ ঘটনায় ওই স্পিডবোটে থাকা সবাই তীরে উঠতে পারলেও নদীতে ডুবে নিখোঁজ হয়ে যান কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলাম। তাকে উদ্ধার করতে গত দুইদিন ধরে কাজ করেছেন নৌবাহিনী, কোস্টগার্ড ও ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দলের সদস্যরা।

তিনি আরও বলেন, শুক্রবার বিকেলে খবর পাওয়া যায় দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পুলিশের পোশাক পরিহিত এক ব্যক্তির মরদেহ পড়েছিল।

স্থানীয়রা বিষয়টি দেখতে পেয়ে দৌলতখান থানায় খবর দেন। পরে পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করেন। দৌলতখান থানা পুলিশের দেওয়া তথ্যে আমরা নিশ্চিত হই ওই মরদেহটি নিখোঁজ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

সারাদেশ

এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা আসাদুল্লাহ গ্রেপ্তার

চেক ডিজঅনারের একটি মামলায় পাবনা-২ আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ‘হ্যাঁ’ ভোটের অ্যাম্বাসেডর ও দলের যুব সংগঠন যুবশক্তির কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) গভীর রাতে সুজানগর উপজেলার হাটখালী ইউনিয়নের সৈয়দপুর গ্রামে নিজ বাড়ি থেকে তাকে আটক করে কামালপুর পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা। পরে তাকে সুজানগর থানায় হস্তান্তর করা হয়। তিনি […]

এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা আসাদুল্লাহ গ্রেপ্তার

এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা আসাদুল্লাহ গ্রেপ্তার

নিউজ ডেস্ক

১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১১:০৫

চেক ডিজঅনারের একটি মামলায় পাবনা-২ আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ‘হ্যাঁ’ ভোটের অ্যাম্বাসেডর ও দলের যুব সংগঠন যুবশক্তির কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) গভীর রাতে সুজানগর উপজেলার হাটখালী ইউনিয়নের সৈয়দপুর গ্রামে নিজ বাড়ি থেকে তাকে আটক করে কামালপুর পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা। পরে তাকে সুজানগর থানায় হস্তান্তর করা হয়। তিনি ওই গ্রামের আকমল শিকদারের ছেলে।

পুলিশ জানায়, ২০২৪ সালে জামালপুর জেলার একটি চেক ডিজঅনার মামলায় তিনি এক মাসের কারাদণ্ড ও তিন লাখ টাকা অর্থদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি ছিলেন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের গণভোটে ‘হ্যাঁ’ পক্ষে প্রচারণা শেষে বাড়িতে অবস্থানকালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরদিন আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

তবে গ্রেপ্তারকে হয়রানিমূলক দাবি করেছে আসাদুল্লাহর পরিবার। তার স্ত্রী নাঈমা আক্তার রিমা বলেন, গভীর রাতে বাসা থেকে তাকে তুলে নেওয়া হয়েছে এবং পারিবারিক ও রাজনৈতিকভাবে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।

সুজানগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জানান, তিনি ওই মামলার সাজাপ্রাপ্ত ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি ছিলেন বলেই আইনানুগভাবে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে।