সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

কুমিল্লায় মানবাধিকার কর্মীর ওপর হামলা, নিরাপত্তাহীনতায় ব্যবসায়ীর পরিবার

মোঃ রবিউল আলম, কুমিল্লা প্রতিনিধি বিগত ৯ বছর ধরে নানা অন্যায়ের শিকার হচ্ছেন নগরীর ৪নং ওয়ার্ড পুরাতন চৌধুরী পাড়ার, ইসলামপুর এলাকার বাসিন্দা, জাতীয় ও অনলাইন পত্রিকার সাংবাদিক, মানবাধিকার কর্মী মওদুদ আব্দুল্লাহ শুভ্র। একের পর হুমকি কারনে ২০১৭ সালে নিজের ও পরিবারের নিরাপত্তার জন্য কুমিল্লা কোতোয়ালী থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি দায়ের করেন।যার নাম্বার -১৫৭ তারিখ-০৩.০৫.২০১৭।পরের বছর ২০১৮ […]

নিউজ ডেস্ক

২৩ জুলাই ২০২৫, ০২:৩৭

মোঃ রবিউল আলম, কুমিল্লা প্রতিনিধি

বিগত ৯ বছর ধরে নানা অন্যায়ের শিকার হচ্ছেন নগরীর ৪নং ওয়ার্ড পুরাতন চৌধুরী পাড়ার, ইসলামপুর এলাকার বাসিন্দা, জাতীয় ও অনলাইন পত্রিকার সাংবাদিক, মানবাধিকার কর্মী মওদুদ আব্দুল্লাহ শুভ্র। একের পর হুমকি কারনে ২০১৭ সালে নিজের ও পরিবারের নিরাপত্তার জন্য কুমিল্লা কোতোয়ালী থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি দায়ের করেন।যার নাম্বার -১৫৭ তারিখ-০৩.০৫.২০১৭।পরের বছর ২০১৮ সালের ২৮ জুন ফের একটি জিডি করেন তিনি।

সাংবাদিক মওদুদ জানান, গ্রামের বাড়ী বরুড়া কেমতলীতে জাওয়ার পথে নিমশার এলাকায় সন্রাসী হামলার শিকার হন।এ ঘটনায় আদালতে একটি মামলা দায়ের করলে মামলাটি বরুড়া থানা পুলিশের এস আই খাদেমুলের তদন্তাধীন থাকা সময় জোরপূর্বক প্রত্যাহারের চাপ দেওয়া হয়।

এরপর জনমনে নাসকতা ছড়িয়ে আতঙ্ক তৈরি করতে এবং ভয় ভীতি দেখাতে তার সাথে প্রান নাসের চেস্টা করতে একটি সন্ত্রাসী চক্র সাংবাদিক ও ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী মওদুদ আব্দুল্লাহ শুভ্র বাসার সামনে ২০২০ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি ককটেল বিস্ফোরণ চালায়। এক পর্যায়ে তিনি প্রশাসন সহ আইন শৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনীর সর্বোচ্চ মহলে লিখিত ভাবে তার সাথে এবং তাকে টার্গেট করে তার পরিবারের সাথে বিভিন্ন অন্যায়-অত্যাচার সহ বিবিধ অপরাধ করে আসে এর উপর ভিত্তি করে মওদুদ আব্দুল্লাহ ভুক্তভোগী হয়ে লিখিত অভিযোগ আকারে উক্ত সমস্যাগুলোর প্রতিকার ও সমাধান প্রাপ্তির জন্যে আবেদন করেন।

এ সকল আবেদন গুলো গুরত্ব সহকারে এখতিয়ার সম্পন্ন পুলিশ প্রশাসন সহ আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী আমলে নিয়ে তদন্ত করেন।কিন্তু এই চক্রটির অশুভ শক্তি ও ক্ষমতার দাপটের কাছে সব কিছু বাধাগ্রস্ত হয়।বিজ্ঞ আদালতে মওদুদ আব্দুল্লাহ শুভ্র বাদী হয়ে প্রথম দিকে যে মামলা অপরাধে অভিজুক্ত অপরাধী গনদের নামে দায়ের করেন।সেই মামলার হাজিরার ধার্য তারিখে মওদুদ আব্দুল্লাহ আদালতে উপস্থিত হতে গেলে মোটরসাইকেল মহড়া দিয়ে তাকে আদালতে যেতে না দেওয়ায় অনেক গুলো তারিখ আদালতে অনুপস্থিত হতে হয়। তখন বিজ্ঞ ম্যাজিস্ট্রেট উক্ত মামলাটি খারিজ করে দেয়।

পরবর্তীতে তারা দুইটি নাম্বার ব্যবহার করে ০১৯৭১ ০৭৩৫৮৪ ও ০১৭০৪ ২৭২৯৬১ নাম্বার দিয়ে আমার ব্যবহৃত মোবাইল নাম্বার ০১৭১১৪৩২২৬৯ তে কল ও বিভিন্ন অপরাধ মুলক কর্মকাণ্ড, চাঁদাবাজি সহ ও প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে আসছে।সদ্য গত ০৯.০৭.২০২৫ ইং আবার অপরাধে অভিজুক্ত অপরাধীরা তাদের ব্যবহৃত মোবাইল নাম্বার ০১৩৪২ ৭১৩৮১২ থেকে কল দিয়ে ও এস এম এস দিয়ে মওদুদ আবদুল্লাহ শুভ্রকে প্রান নাশের হুমকি,আজে বাজে অশ্লীল কথা বলে তার সাথে তারা বিভিন্ন ভাবে অপরাধ করবে বলে তার মধ্যে জানায় তার বাসার ছাদের উপরে পানির ট্যাংকির ভীতরে বিষ মিশিয়ে সবাইকে মেরে গন খুন করে ফেলবে এবং সামাজিক পরিসরে রাজনৈতিক তথ্য বিভ্রান্তি করে ক্ষতি সাধন সহ সামাজিক মর্যাদা ক্ষুন্ন করার লক্ষ্যে অশ্লীল ছবি অপরাধীচক্রটি তৈরি করে তার সাথে ভিডিও ফুটেজ তৈরি করে এখানে সেখানে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক সহ বিভিন্ন ভাবে ছড়িয়ে দিবে বলে হুমকি প্রদান করে,

যদি কিনা আগামী ১০ দিনের ভেতরে দায়ের করা থানা ও আদালতের মামলা সমুহ আদালতের মাধ্যমে নিস্পত্তি না করা হয় তার সাথে এই সন্রাসীদের দাবি কৃত ১০ লাখ টাকা চাঁদা না দেওয়া হয়।এই সন্ত্রাসী চক্র এই বিবিধ অপরাধ গুলো সুনিশ্চিত করবে বলে আগাম আল্টিমেটাম দেয়।

এছাড়া গত বছরের ৪ আগস্ট টিক্কাচর ব্রিজ সংলগ্ন এলাকায় রাতের বেলায় শুভ্রকে উপর্যপুরী ছুরিকাঘাত করে মারধর করে।

এ ঘটনায় কুমিল্লা সিনিয়র জ্যুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে দ্রুত বিচার আইনে চাদাঁবাজি সহ বিভিন্ন অপরাধে জড়িত ৩জন পুরুষ ও একজন মহিলাসহ অজ্ঞাতনামা আসামীদের বিরুদ্ধে ” চাঁদাবাজি সহ বিবিধ অপরাধ” মামলা দায়ের করে। যার নাম্বার দ্রুত সিআর ৩৬/২৪ যাহা কুমিল্লা পিবিআই পুলিশ তদন্ত করে তদন্ত প্রতিবেদন রিপোর্ট গত ০৭.০৫.২০২৫ ইং স্মারক নাম্বার -২৭১৬ মুলে আদালতে দাখিল করেন।

এরপর গত বছরের ১৩ ও ১৬ অক্টোবর তার উপর হামলা করে পুনরায় এই আসামী চক্র সহ অজ্ঞাতনামা আসামীগন হত্যার উদ্দেশ্য আক্রমন সহ চাদাবাজির নাসকতা চালায় অস্ত্র সস্ত্র নিয়ে আক্রমন চালায় ,এ ঘটনায় সাংবাদিক ও ক্ষুদ্র ব্যবসায়িক মওদুদ আব্দুল্লাহ শুভ্র বাদী হয়ে ৮ জন এজহার নামীয় আসামী সহ অজ্ঞাতনামা ৫-৬ জন অপরাধে অভিজুক্ত আসামীদের বিরুদ্ধে ” জখমী সহ বিবিধ অপরাধ ” অভিযোগ এনে কুমিল্লা কোতোয়ালি মডেল থানা এফ আই আর মামলা দায়ের করেন।

যার নাম্বার-৪১, জি আর নাম্বার-৮৫০, তারিখ-১৪.১১.২০২৪ইং।উক্ত মামলায় একজন আসামিকে পুলিশ সহ যৌথবাহিনী গ্রেপ্তার করে। বাকি আসামীরা এখনো ধরাছোঁয়ার বাহিরে।তারাই মুলত পরোক্ষ লোক মারফত নানা বিধ অপরাধ করিয়ে আসছে তার সাথে মওদুদ আব্দুল্লাহ শুভ্র’র দায়ের করা মামলা প্রত্যাহার ও চাঁদার টাকা দাবি করে আসছে।

উক্ত মামলার আসামীদের সহ আসামীদের সংগীয় অপরাধে সুনির্দিষ্ট ভাবে অভিজুক্ত আসামীগনদের গ্রেফতারের ব্যাপারে চেষ্টা করে যাচ্ছে কুমিল্লা থানা পুলিশ, কুনিল্লা ডি বি পুলিশ সহ অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। সর্বশেষ বিভিন্ন হ্যাকিং গ্রুপ দিয়ে ভুয়া ফেসবুক আইডি খুলে তথ্য প্রজুক্তি ব্যবহার করে বিভিন্ন অশ্লীল ছবি তৈরি করে মওদুদ আব্দুল্লাহ শুভ্রকে পুনরায় পাঠিয়ে চাদা দাবী করে আসছে।এই বিষয়ে কুমিল্লা জেলা পুলিশের পুলিশ সুপার কে বিস্তারিত অপরাধের ঘটনা অবগত করে উনার আইনি পরামর্শ কুমিল্লা কোতোয়ালি সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জকেও অবগত ও অনুমতি ক্রমে অনলাইনে সাইবার অপরাধ সহ বিবিধ অপরাধ প্রতিকার চেয়ে আইনগত সুরক্ষা ও প্রশাসনিক নিরাপত্তা চেয়ে অনলাইনে একটি সাধারণ ডায়েরি ( জি ডি) দায়েত করা হয়।

যার নাম্বার ২২২। জিডির তদন্তে ঘটনার সত্যতা খুজে পেয়ে তদন্তকারী কর্মকর্তা বিজ্ঞ সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আমলী আদালত-০১ কুমিল্লা স্মারক নাম্বার ২৩৮৯ তাং-১৭-০৩-২৫জিডিতে বর্ণিত সকল আসামীদের সকল অপরাধ তদন্তের অনুমতি প্রার্থনা করেন। আদালত ডিআর ৫২৬/২৫, তাং-১৯-০৩-২৫ ইং মূলে সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদেশ প্রদান করেন। অতপর তদন্ত কর্মকর্তা তদন্ত প্রতিবেদন রিপোর্ট কুমিল্লা কোতয়ালী মডেল থানায়স্মারক নাম্বার ২৮২৬ তাং-০৬-০৪-২৫ইং অনুমতি নিয়ে আদালতে একটি নন এফআইআর মামলা করার জন্য প্রসিকিউশন দাখিল করলে মামলা রুজু হয়।যার নন জিআর মামলা নাম্বার ২০/২৫তারিখ ০৭-০৪-২৫ রজু হয়। যাহা আসামীদের প্রতি সমন জারি করা হয়।

কিন্তু আসামিরা সমন গ্রহন না করে আদালত অবমাননা এবং বিজ্ঞ ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের আদেশ অবমাননা করার তাদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা ইতিমধ্যে প্রস্তুতি কার্যক্রম গ্রহণ করা হচ্ছে।সদ্যই গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি হবে বলে আদালত সুত্রে খবর পাওয়া যায়। 

এ বিষয়ে কুমিল্লা কোতয়ালী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো: মুহিনল ইসলাম বলেন, মানবাধিকার কর্মী ও শিক্ষানবিশ আইনজীবী মওদুদ আবদুল্লাহ শুভ্র একাধিক অভিযোগ আমরা পেয়েছি, আসামীদের গ্রেফতারে পুলিশ আন্তরিকতার সহিত কাজ করছে।

এই মামলা এজহার নামীয় সকল অপরাধে অভিজুক্ত আসামিসহ উক্ত আসামিদের সাথে অপরাধে সম্পৃক্ততা রয়েছে এই ঘটনার সকল আসামীদেরকে গ্রেপ্তারের অভিযান অব্যাহত আছে এবং অভিযান অব্যাহত থাকবে। ইতিমধ্যে এই অপরাধে অভিজুক্ত একজন আসামী কে পুলিশ সহ যৌথবাহিনী অভিযান চালিয়ে গ্রেফতার করে। 

তিনি আরো জানায়, এই অপরাধী চক্রটাকে দমন করার জন্য এবং এদেরকে গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনার জন্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ইতিমধ্যে হার্ডলাইন অবস্থান নিয়েছে,খুব দ্রুতই মামলার এজহার নামীয় আসামী সহ আসামী চক্রের সন্ত্রাসী সকল অপরাধী ইন্ধনদাতাদের ,চাঁদাবাজ সহ সকলকে নামে সাংবাদিক ও ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী মওদুদ আব্দুল্লাহ শুভ্র’র দায়ের করা মামলা ছাড়াও তাদের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা আগে থেকেই আছে।

তাই তাদের আইনের আওতায় এনে অতি দ্রুত গ্রেপ্তার করার ব্যাপারে থানা পুলিশ এবং এই মামলার তদন্তের আয়ু যেটা যেটা আইনগত পদক্ষেপ গ্রহণ করার দরকার, ইতিমধ্যে তার সকল ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।এই মামলার অপরাধে অভিজুক্ত অপরাধী আসামিদের গ্রেপ্তারের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

সারাদেশ

শেরপুর-৩ আসনের জামায়াতের প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল মারা গেছেন

জামায়াতে ইসলামীর শেরপুর জেলা শাখার সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী–ঝিনাইগাতী) আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল (৫১) মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত আনুমানিক ৩ টার দিকে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শেরপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি আবুল কালাম আজাদ। পরিবার সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার […]

শেরপুর-৩ আসনের জামায়াতের প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল মারা গেছেন

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৫:০৬

জামায়াতে ইসলামীর শেরপুর জেলা শাখার সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী–ঝিনাইগাতী) আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল (৫১) মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত আনুমানিক ৩ টার দিকে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শেরপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি আবুল কালাম আজাদ।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার রাত ১০টার দিকে হঠাৎ শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যায় গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন নুরুজ্জামান বাদল। তাৎক্ষণিকভাবে তাকে শ্রীবরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। পরে সেখান থেকে দ্রুত ময়মনসিংহ স্বদেশ হাসপাতালে নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়।

ময়মনসিংহ নেওয়ার পথে রাত ৩ টার দিকে শহরের প্রবেশমুখ ব্রিজ এলাকায় পৌঁছালে তার অবস্থার অবনতি ঘটে এবং সেখানে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। পরে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।

পরিবারের পক্ষ থেকে মৃতের ভাই মাসুদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এছাড়াও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নিজেদের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে দেওয়া ওই পোস্টে বলা হয়, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী শেরপুর জেলা শাখার সম্মানিত সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ সংসদীয় আসনে জামায়াত মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী জনাব আলহাজ্ব নুরুজ্জামান বাদল আনুমানিক আজ রাত ৩টায় কিডনিজনিত রোগে হাসপাতালে ভর্তি অবস্থায় ইন্তেকাল করেছেন। ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।

পোস্টে আরও উল্লেখ করা হয়, আল্লাহ তা’য়ালা তাকে জান্নাতুল ফেরদাউস দান করুন এবং তার শোকসন্তপ্ত পরিবার-পরিজন ও সহকর্মীদের ধৈর্য ধারণের তৌফিক দান করুন।

সারাদেশ

নিখোঁজের ২ দিন পর মেঘনায় ভেসে উঠলো পুলিশ সদস্যের নিথর দেহ

লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি: ভোলার লালমোহন উপজেলায় মৎস্য অভিযানে গিয়ে লঞ্চের ধাক্কায় স্পিডবোট উল্টে নিখোঁজ হওয়ার দুইদিন পর পুলিশ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের সন্ধান মিলেছে। শুক্রবার বিকেলে দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পড়েছিল ওই পুলিশ কনস্টেবলের নিথর দেহ। তিনি লালমোহন উপজেলার মঙ্গলসিকদার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে কর্মরত ছিলেন। বিষয়টি নিশ্চিত করে লালমোহন থানার […]

নিখোঁজের ২ দিন পর মেঘনায় ভেসে উঠলো পুলিশ সদস্যের নিথর দেহ

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২০ মার্চ ২০২৬, ২৩:০২

লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি:

ভোলার লালমোহন উপজেলায় মৎস্য অভিযানে গিয়ে লঞ্চের ধাক্কায় স্পিডবোট উল্টে নিখোঁজ হওয়ার দুইদিন পর পুলিশ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের সন্ধান মিলেছে। শুক্রবার বিকেলে দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পড়েছিল ওই পুলিশ কনস্টেবলের নিথর দেহ। তিনি লালমোহন উপজেলার মঙ্গলসিকদার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে কর্মরত ছিলেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করে লালমোহন থানার ওসি মো. অলিউল ইসলাম বলেন, গত বুধবার সন্ধ্যার পর মঙ্গলসিকদার লঞ্চঘাট এলাকা থেকে মেঘনা নদীতে মৎস্য অভিযানের জন্য মৎস্য অফিসের ৩ সদস্য ও একজন পুলিশ অফিসারসহ ৩ জন কনস্টেবল স্পিডবোটে করে মেঘনা নদীতে রওয়ানা দেন।

এ সময় যাত্রীবাহী লঞ্চ কর্ণফুলী-১২ এর সঙ্গে ধাক্কা লেগে স্পিডবোটটি উল্টে যায়। এ ঘটনায় ওই স্পিডবোটে থাকা সবাই তীরে উঠতে পারলেও নদীতে ডুবে নিখোঁজ হয়ে যান কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলাম। তাকে উদ্ধার করতে গত দুইদিন ধরে কাজ করেছেন নৌবাহিনী, কোস্টগার্ড ও ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দলের সদস্যরা।

তিনি আরও বলেন, শুক্রবার বিকেলে খবর পাওয়া যায় দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পুলিশের পোশাক পরিহিত এক ব্যক্তির মরদেহ পড়েছিল।

স্থানীয়রা বিষয়টি দেখতে পেয়ে দৌলতখান থানায় খবর দেন। পরে পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করেন। দৌলতখান থানা পুলিশের দেওয়া তথ্যে আমরা নিশ্চিত হই ওই মরদেহটি নিখোঁজ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

সারাদেশ

এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা আসাদুল্লাহ গ্রেপ্তার

চেক ডিজঅনারের একটি মামলায় পাবনা-২ আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ‘হ্যাঁ’ ভোটের অ্যাম্বাসেডর ও দলের যুব সংগঠন যুবশক্তির কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) গভীর রাতে সুজানগর উপজেলার হাটখালী ইউনিয়নের সৈয়দপুর গ্রামে নিজ বাড়ি থেকে তাকে আটক করে কামালপুর পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা। পরে তাকে সুজানগর থানায় হস্তান্তর করা হয়। তিনি […]

এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা আসাদুল্লাহ গ্রেপ্তার

এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা আসাদুল্লাহ গ্রেপ্তার

নিউজ ডেস্ক

১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১১:০৫

চেক ডিজঅনারের একটি মামলায় পাবনা-২ আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ‘হ্যাঁ’ ভোটের অ্যাম্বাসেডর ও দলের যুব সংগঠন যুবশক্তির কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) গভীর রাতে সুজানগর উপজেলার হাটখালী ইউনিয়নের সৈয়দপুর গ্রামে নিজ বাড়ি থেকে তাকে আটক করে কামালপুর পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা। পরে তাকে সুজানগর থানায় হস্তান্তর করা হয়। তিনি ওই গ্রামের আকমল শিকদারের ছেলে।

পুলিশ জানায়, ২০২৪ সালে জামালপুর জেলার একটি চেক ডিজঅনার মামলায় তিনি এক মাসের কারাদণ্ড ও তিন লাখ টাকা অর্থদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি ছিলেন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের গণভোটে ‘হ্যাঁ’ পক্ষে প্রচারণা শেষে বাড়িতে অবস্থানকালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরদিন আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

তবে গ্রেপ্তারকে হয়রানিমূলক দাবি করেছে আসাদুল্লাহর পরিবার। তার স্ত্রী নাঈমা আক্তার রিমা বলেন, গভীর রাতে বাসা থেকে তাকে তুলে নেওয়া হয়েছে এবং পারিবারিক ও রাজনৈতিকভাবে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।

সুজানগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জানান, তিনি ওই মামলার সাজাপ্রাপ্ত ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি ছিলেন বলেই আইনানুগভাবে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে।