সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

সুনামগঞ্জ-১ নির্বাচনী প্রচারণায় সরব বিএনপির একাধিক প্রার্থীর বিপরীতে জামাতের একক প্রার্থী

সুনামগঞ্জ প্রতিনিধিঃ ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে সম্ভাব্য জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে সারাদেশের মতো সুনামগঞ্জ-১ আসনেও রাজনৈতিক তৎপরতা বেড়েছে। বিশেষ করে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর মনোনয়ন প্রত্যাশীরা ইতোমধ্যে মাঠে সরব হয়ে উঠেছেন। বিভিন্ন কর্মসূচি, সামাজিক অনুষ্ঠান, এবং ফেসবুকসহ ডিজিটাল মাধ্যমে তৎপরতা বাড়িয়েছেন তারা। নির্বাচনী প্রচারণায় ব্যাপক ব্যানার-ফেস্টুন ও কর্মী সমাবেশের মাধ্যমে নিজেদের অবস্থান জানান দিচ্ছেন মনোনয়ন […]

প্রতিনিধি ডেস্ক

১৮ জুলাই ২০২৫, ১৭:২২

সুনামগঞ্জ প্রতিনিধিঃ

২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে সম্ভাব্য জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে সারাদেশের মতো সুনামগঞ্জ-১ আসনেও রাজনৈতিক তৎপরতা বেড়েছে। বিশেষ করে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর মনোনয়ন প্রত্যাশীরা ইতোমধ্যে মাঠে সরব হয়ে উঠেছেন।

বিভিন্ন কর্মসূচি, সামাজিক অনুষ্ঠান, এবং ফেসবুকসহ ডিজিটাল মাধ্যমে তৎপরতা বাড়িয়েছেন তারা। নির্বাচনী প্রচারণায় ব্যাপক ব্যানার-ফেস্টুন ও কর্মী সমাবেশের মাধ্যমে নিজেদের অবস্থান জানান দিচ্ছেন মনোনয়ন প্রত্যাশীরা।

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও অন্তর্র্বতীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের লন্ডন বৈঠকের পর নির্বাচনের সময়সীমা নিয়ে আলোচনা জোরদার হয়। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, এতে করে মনোনয়ন প্রত্যাশীদের মধ্যে প্রচারণা আরও জোরদার হয়েছে।

সারা দেশের ন্যায় সুনামগঞ্জ জেলার হাওর বেষ্টিত ও প্রাকৃতিক সম্পদে পরিপূর্ণ সুনামগঞ্জ-১ (জামালগঞ্জ, তাহিরপুর, ধর্মপাশা ও মধ্যনগর) আসনে মনোনয়ন প্রত্যাশীরা আগামী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে কেউ ফেসবুকে ভিডিও বার্তা দিচ্ছেন,

কেউ বাজারে-মাঠে গণসংযোগ চালাচ্ছেন, আবার কেউ কেন্দ্রীয় নেতাদের সঙ্গে যোগাযোগ করে মনোনয়নের দৌড়ে এগিয়ে থাকার চেষ্টা করছেন।

সুনামগঞ্জ জেলার পাঁচটি আসনের মধ্যে সবচেয়ে বড় আসন সুনামগঞ্জ-১। চারটি উপজেলা নিয়ে বিসৃত এই আসন। আয়তন ও ভোটের দিক থেকেও বিশাল। এখানে মোট ভোটার ৪ লাখ ৬২ হাজার ৬৯০ জন। এর মধ্যে নারী ভোটার ২ লাখ ২৭ হাজার ৭০১ জন, পুরুষ ২ লাখ ৩৪ হাজার ৮৮৯ জন।

বৃহৎ এ আসনে ধানের শীষ প্রতীক পেতে বিএনপির সাত জনেরও বেশি মনোনয়নপ্রত্যাশী মাঠে আছেন। যদিও দলীয়ভাবে প্রার্থী এখনো ঘোষণা করা হয়নি।

এদের মধ্যে আলোচনায় রয়েছেন সাবেক ছাত্রনেতা, জেলা বিএনপির আহবায়ক কমিটির সদস্য, তাহিরপুরের সাবেক উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান, তরুণদের মাঝে ব্যাপক জনপ্রিয় নেতা কামরুজ্জামান কামরুল।

জেলা বিএনপির আহবায়ক কমিটির সদস্য, তাহিরপুরের সাবেক উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান, কেন্দ্রীয় কৃষকদলের সহ-সাধারণ সম্পাদক আনিসুল হক। জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য, ধর্মপাশার সাবেক উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান, জেলা বিএনপি’র সাবেক সহ-সভাপতি আব্দুল মোতালেব খান।

এই আসনের তিনবারের সাবেক এমপি নজির হোসেনের স্ত্রী ও কৃষি ব্যাংকের অবসর প্রাপ্ত অফিসার সালমা নজির।

কেন্দ্রীয় যুবদলের সাবেক সহ সাংগঠনিক সম্পাদক (সিলেট বিভাগ) জেলা ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক, উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুর রহমান। যুক্তরাজ্য বিএনপির সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, সুনামগঞ্জ জেলা বিএনপির সাবেক উপদেষ্টা, জামালগঞ্জ উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি ব্যারিস্টার হামিদুল হক আফিন্দী লিটন। জামালগঞ্জ উপজেলা সাবেক ছাত্রদল নেতা ও সুনামগঞ্জ জেলা বিএনপির সাবেক উপদেষ্টা সোহেল আহমেদ। 

এছাড়া জামায়াতে ইসলামীর দলীয় মনোনীত প্রার্থী জেলা জামায়াতের আমীর উপাধ্যক্ষ মাওলানা তোফায়েল আহমদ খান তার নির্বাচনী এলাকায় সক্রিয়ভাবে প্রচার-প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন৷ 

মাঠে নির্বাচনী প্রচারণায় বিএনপি প্রার্থীদের মধ্যে বিএনপি নেতা কামরুজ্জামান কামরুল আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, “আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আমি দলের মনোনয়ন প্রত্যাশা করছি। বিগত দিনে দলের জন্য যে ত্যাগ ও অবদান রেখেছি, আশা করি দল তা যথাযথভাবে মূল্যায়ন করবে।”

কামরুলের রাজনৈতিক প্রভাব নির্বাচনী আসনের প্রতিটি উপজেলা ও ওয়ার্ড পর্যায়ে দৃশ্যমান। তাঁর রয়েছে বিপুল সংখ্যক সক্রিয় অনুসারী ও সমর্থক। ফলে তাঁর নেতৃত্বে আয়োজিত বিভিন্ন সভা-সমাবেশে দলীয় নেতা-কর্মীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ লক্ষ্য করা যায়।

সম্প্রতি ধর্মপাশা উপজেলায় আয়োজিত এক বিশাল জনসভায় কামরুলের নেতৃত্বে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ঘোষিত রাষ্ট্র সংস্কারের ৩১ দফা কর্মসূচি বাস্তবায়নের আহ্বান জানানো হয়। উক্ত সমাবেশে নজিরবিহীন জনসমাগম রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক সাড়া ফেলে।

আনিসুল হক বলেন, বিগত ফ্যাসিবাদ বিরোধী প্রতিটি আন্দোলনে জেলা সদর ও সুনামগঞ্জ- ১ নির্বাচনী এলাকার চার উপজেলায় সর্বাত্মক ভূমিকা পালন করেছি। তিনি বিশ্বাস করেন, তার কাজের মুল্যায়ন হিসেবে দল তাকে ধানের শীষ প্রতীক মনোনয়ন দিবেন।

দলীয় মনোনয়নের প্রত্যাশায় নিজ উপজেলা ও আশপাশের এলাকায় সক্রিয় গণসংযোগ চালিয়ে যাচ্ছেন আব্দুল মোতালিব খান। তবে একই আসনে মনোনয়নপ্রত্যাশী আরও একজন, যিনি হলেন মোতালিব খানের আপন ভাগ্নে ও কেন্দ্রীয় যুবদলের সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মাহবুবুর রহমান। তিনিও মনোনয়ন পাওয়ার আশায় সম্প্রতি ধর্মপাশায় ও মধ্যনগরে ব্যাপক গণসংযোগ করেছেন। তিনি বলেন, গত “১৫ বছর আওয়ামী দমন-পীড়ন মোকাবিলা করে মাঠে ছিলাম। এবার তরুণদের মূল্যায়ন করা হবে।” এ আশায় তিনি মনোনয়ন প্রত্যাশী।

সাবেক এমপি নজির হোসেনের সহধর্মীনি মনোনয়ন প্রত্যাশী সালমা নজিরও নির্বাচনী এলাকায় যাচ্ছেন। স্বামীর পরিচয়কে মাঠে ও কেন্দ্রে কাজে লাগাতে চাচ্ছেন তিনি। সালমা নজির বলেন, “দল ক্লিন ইমেজ ও গ্রহণযোগ্য প্রার্থীকে গুরুত্ব দেবে-এই বিশ্বাসেই আমি মাঠে নেমেছি।”

ব্যারিস্টার হামিদুল হক আফিন্দী লিটন যুক্তরাজ্য প্রবাসী বিএনপি নেতা। সম্প্রতি নির্বাচনী এলাকায় প্রচার প্রচারণা চালাচ্ছেন। সেই সঙ্গে কেন্দ্রীয় সিনিয়র নেতাদের সঙ্গে দেখা সাক্ষাত করছেন। তিনিও দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশী।

সোহেল আহমেদ বলেন, আমি মনে করি আমার দল আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তরুণদের মূল্যায়ন করবে। সে হিসেবে আমি দলীয় মনোনয়ন চাইবো।

এদিকে বিএনপির একাদিক প্রার্থীর বিপরীতে  বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর একক প্রার্থী হিসেবে মাঠে রয়েছেন জেলা আমীর ও কেন্দ্রীয় কমিটির শূরা সদস্য উপাধ্যক্ষ মাওলানা তোফায়েল আহমদ খান। তাহিরপুর উপজেলার বড়দল গ্রামের বাসিন্দা তোফায়েল খান জানান, “ভোটকেন্দ্র ও গ্রাম কমিটির কাজ ৯০ শতাংশ সম্পন্ন হয়েছে।” তিনি মসজিদ-মাদ্রাসা ও গ্রামাঞ্চলে ধারাবাহিকভাবে গণসংযোগ করে দলের প্রতীক ‘দাঁড়িপাল্লা’র পক্ষে ভোট চাইছেন।

“সূত্র মতে, বর্তমানে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীসহ অন্যান্য রাজনৈতিক দল তাদের নিজস্ব দলীয় পরিকল্পনা ও কৌশল বাস্তবায়নে মনোযোগ দিচ্ছেন।”

সারাদেশ

শেরপুর-৩ আসনের জামায়াতের প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল মারা গেছেন

জামায়াতে ইসলামীর শেরপুর জেলা শাখার সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী–ঝিনাইগাতী) আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল (৫১) মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত আনুমানিক ৩ টার দিকে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শেরপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি আবুল কালাম আজাদ। পরিবার সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার […]

শেরপুর-৩ আসনের জামায়াতের প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল মারা গেছেন

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৫:০৬

জামায়াতে ইসলামীর শেরপুর জেলা শাখার সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী–ঝিনাইগাতী) আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল (৫১) মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত আনুমানিক ৩ টার দিকে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শেরপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি আবুল কালাম আজাদ।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার রাত ১০টার দিকে হঠাৎ শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যায় গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন নুরুজ্জামান বাদল। তাৎক্ষণিকভাবে তাকে শ্রীবরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। পরে সেখান থেকে দ্রুত ময়মনসিংহ স্বদেশ হাসপাতালে নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়।

ময়মনসিংহ নেওয়ার পথে রাত ৩ টার দিকে শহরের প্রবেশমুখ ব্রিজ এলাকায় পৌঁছালে তার অবস্থার অবনতি ঘটে এবং সেখানে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। পরে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।

পরিবারের পক্ষ থেকে মৃতের ভাই মাসুদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এছাড়াও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নিজেদের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে দেওয়া ওই পোস্টে বলা হয়, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী শেরপুর জেলা শাখার সম্মানিত সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ সংসদীয় আসনে জামায়াত মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী জনাব আলহাজ্ব নুরুজ্জামান বাদল আনুমানিক আজ রাত ৩টায় কিডনিজনিত রোগে হাসপাতালে ভর্তি অবস্থায় ইন্তেকাল করেছেন। ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।

পোস্টে আরও উল্লেখ করা হয়, আল্লাহ তা’য়ালা তাকে জান্নাতুল ফেরদাউস দান করুন এবং তার শোকসন্তপ্ত পরিবার-পরিজন ও সহকর্মীদের ধৈর্য ধারণের তৌফিক দান করুন।

সারাদেশ

নিখোঁজের ২ দিন পর মেঘনায় ভেসে উঠলো পুলিশ সদস্যের নিথর দেহ

লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি: ভোলার লালমোহন উপজেলায় মৎস্য অভিযানে গিয়ে লঞ্চের ধাক্কায় স্পিডবোট উল্টে নিখোঁজ হওয়ার দুইদিন পর পুলিশ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের সন্ধান মিলেছে। শুক্রবার বিকেলে দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পড়েছিল ওই পুলিশ কনস্টেবলের নিথর দেহ। তিনি লালমোহন উপজেলার মঙ্গলসিকদার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে কর্মরত ছিলেন। বিষয়টি নিশ্চিত করে লালমোহন থানার […]

নিখোঁজের ২ দিন পর মেঘনায় ভেসে উঠলো পুলিশ সদস্যের নিথর দেহ

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২০ মার্চ ২০২৬, ২৩:০২

লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি:

ভোলার লালমোহন উপজেলায় মৎস্য অভিযানে গিয়ে লঞ্চের ধাক্কায় স্পিডবোট উল্টে নিখোঁজ হওয়ার দুইদিন পর পুলিশ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের সন্ধান মিলেছে। শুক্রবার বিকেলে দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পড়েছিল ওই পুলিশ কনস্টেবলের নিথর দেহ। তিনি লালমোহন উপজেলার মঙ্গলসিকদার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে কর্মরত ছিলেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করে লালমোহন থানার ওসি মো. অলিউল ইসলাম বলেন, গত বুধবার সন্ধ্যার পর মঙ্গলসিকদার লঞ্চঘাট এলাকা থেকে মেঘনা নদীতে মৎস্য অভিযানের জন্য মৎস্য অফিসের ৩ সদস্য ও একজন পুলিশ অফিসারসহ ৩ জন কনস্টেবল স্পিডবোটে করে মেঘনা নদীতে রওয়ানা দেন।

এ সময় যাত্রীবাহী লঞ্চ কর্ণফুলী-১২ এর সঙ্গে ধাক্কা লেগে স্পিডবোটটি উল্টে যায়। এ ঘটনায় ওই স্পিডবোটে থাকা সবাই তীরে উঠতে পারলেও নদীতে ডুবে নিখোঁজ হয়ে যান কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলাম। তাকে উদ্ধার করতে গত দুইদিন ধরে কাজ করেছেন নৌবাহিনী, কোস্টগার্ড ও ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দলের সদস্যরা।

তিনি আরও বলেন, শুক্রবার বিকেলে খবর পাওয়া যায় দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পুলিশের পোশাক পরিহিত এক ব্যক্তির মরদেহ পড়েছিল।

স্থানীয়রা বিষয়টি দেখতে পেয়ে দৌলতখান থানায় খবর দেন। পরে পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করেন। দৌলতখান থানা পুলিশের দেওয়া তথ্যে আমরা নিশ্চিত হই ওই মরদেহটি নিখোঁজ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

সারাদেশ

এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা আসাদুল্লাহ গ্রেপ্তার

চেক ডিজঅনারের একটি মামলায় পাবনা-২ আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ‘হ্যাঁ’ ভোটের অ্যাম্বাসেডর ও দলের যুব সংগঠন যুবশক্তির কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) গভীর রাতে সুজানগর উপজেলার হাটখালী ইউনিয়নের সৈয়দপুর গ্রামে নিজ বাড়ি থেকে তাকে আটক করে কামালপুর পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা। পরে তাকে সুজানগর থানায় হস্তান্তর করা হয়। তিনি […]

এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা আসাদুল্লাহ গ্রেপ্তার

এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা আসাদুল্লাহ গ্রেপ্তার

নিউজ ডেস্ক

১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১১:০৫

চেক ডিজঅনারের একটি মামলায় পাবনা-২ আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ‘হ্যাঁ’ ভোটের অ্যাম্বাসেডর ও দলের যুব সংগঠন যুবশক্তির কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) গভীর রাতে সুজানগর উপজেলার হাটখালী ইউনিয়নের সৈয়দপুর গ্রামে নিজ বাড়ি থেকে তাকে আটক করে কামালপুর পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা। পরে তাকে সুজানগর থানায় হস্তান্তর করা হয়। তিনি ওই গ্রামের আকমল শিকদারের ছেলে।

পুলিশ জানায়, ২০২৪ সালে জামালপুর জেলার একটি চেক ডিজঅনার মামলায় তিনি এক মাসের কারাদণ্ড ও তিন লাখ টাকা অর্থদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি ছিলেন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের গণভোটে ‘হ্যাঁ’ পক্ষে প্রচারণা শেষে বাড়িতে অবস্থানকালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরদিন আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

তবে গ্রেপ্তারকে হয়রানিমূলক দাবি করেছে আসাদুল্লাহর পরিবার। তার স্ত্রী নাঈমা আক্তার রিমা বলেন, গভীর রাতে বাসা থেকে তাকে তুলে নেওয়া হয়েছে এবং পারিবারিক ও রাজনৈতিকভাবে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।

সুজানগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জানান, তিনি ওই মামলার সাজাপ্রাপ্ত ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি ছিলেন বলেই আইনানুগভাবে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে।