বৃহস্পতিবার, ০২ এপ্রিল ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

তালতলীতে কবিরের ইয়াবা সাম্রাজ্য: রাজনৈতিক ছত্রছায়ায় মাদক ব্যবসার রমরমা!

রাশিমুল হক রিমন, বরগুনা প্রতিনিধিঃ বরগুনার তালতলী উপজেলায় ভয়াবহভাবে বিস্তার লাভ করছে মাদকের নেটওয়ার্ক। এই নেটওয়ার্কের মূল হোতা হিসেবে উঠে এসেছে সদর উপজেলার নলটোনা ইউনিয়নের আগা পদ্মা গ্রামের চিহ্নিত ইয়াবা ব্যবসায়ী মো. কবির খাঁনের নাম। অনুসন্ধানে জানা গেছে, গত ১০ বছর ধরে তিনি কক্সবাজার থেকে সড়ক ও নৌপথে ইয়াবার চালান এনে তালতলীসহ বরগুনার বিভিন্ন উপজেলায় […]

প্রতিনিধি ডেস্ক

১২ জুলাই ২০২৫, ১৭:১৬

রাশিমুল হক রিমন, বরগুনা প্রতিনিধিঃ

বরগুনার তালতলী উপজেলায় ভয়াবহভাবে বিস্তার লাভ করছে মাদকের নেটওয়ার্ক। এই নেটওয়ার্কের মূল হোতা হিসেবে উঠে এসেছে সদর উপজেলার নলটোনা ইউনিয়নের আগা পদ্মা গ্রামের চিহ্নিত ইয়াবা ব্যবসায়ী মো. কবির খাঁনের নাম।

অনুসন্ধানে জানা গেছে, গত ১০ বছর ধরে তিনি কক্সবাজার থেকে সড়ক ও নৌপথে ইয়াবার চালান এনে তালতলীসহ বরগুনার বিভিন্ন উপজেলায় সরবরাহ করে যাচ্ছেন। কিশোর, যুবক এমনকি শিক্ষার্থীরাও তার মাদক বিস্তারের শিকার হয়ে ধ্বংসের দিকে ধাবিত হচ্ছে।

এলাকাবাসীর অভিযোগ, কবির খাঁন রাজনৈতিক প্রভাব এবং পুলিশের নিরবতায় ধরা ছোঁয়ার বাইরে থেকে অবাধে ইয়াবা বাণিজ্য চালিয়ে যাচ্ছেন। তার বিরুদ্ধে আমতলী, তালতলী ও বরগুনা গোয়েন্দা শাখায় একাধিক মামলা রয়েছে বলে গোয়েন্দা সূত্রে জানা গেছে।

গোপন আস্তানা ও ভয়ংকর নেটওয়ার্ক

তালতলী শহরে কবির খাঁনের তিনটি গোপন আস্তানা রয়েছে। একটিতে ইয়াবা মজুদ, অন্যটিতে লেনদেন, আরেকটিতে থাকার ব্যবস্থা ও পরিকল্পনা সভা চলে। প্রত্যেক এলাকাতেই তার লোকজন ছড়িয়ে আছে।

শহরে তার ইয়াবা বিক্রেতাদের মধ্যে রয়েছেন ঠংপাড়ায় শহীদুল, কাঠ বাজারে জলিল, বাঁধঘাটে হনুফা, নকরি খেয়ায় সরোয়ার, উপজেলা সড়কে রাজু, ভাইজোড়ায় বনি আমিন, ও লঞ্চঘাট এলাকায় পারভেজ ও রাজিবসহ অন্তত ১০ জন সক্রিয়ভাবে ইয়াবা বিক্রির সঙ্গে জড়িত।

রাজনৈতিক রং বদল করে নিরাপদ কবির

সূত্র মতে, কবির প্রথমে যুবলীগের এক প্রভাবশালী নেতার ছত্রছায়ায় ছিলেন। গত বছর ৫ আগস্টের পর তিনি ভোল পাল্টে বিএনপি ঘনিষ্ঠ হয়ে যান। অভিযোগ রয়েছে, তিনি তালতলী থানার ডিএসবি-র এক এসআইকে মাসোহারা দেন। এ কারণে অভিযান শুরুর আগেই খবর পেয়ে যান কবির ও তার বাহিনী।

নিরব প্রশাসন, ক্ষুব্ধ জনতা

স্থানীয়রা জানায়, তারা প্রতিবাদ করতে চাইলেও কবিরের লোকজন তাদের গতিবিধি নজরদারি করে। পুলিশ সব জানলেও ব্যবস্থা নেয় না।

সম্প্রতি ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি ও উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মোঃ মাহবুবুল আলম মামুন তালতলী শহরে মাইকিং করে জনগণকে সচেতন করার চেষ্টা করেন, কিন্তু পুলিশের কোনো পদক্ষেপ দেখা যায়নি।

গত মঙ্গলবার রাতে নৌবাহিনী অভিযান চালিয়ে ১০ কেজি গাঁজাসহ পারভেজ ও রাজিবকে আটক করে পুলিশে হস্তান্তর করলেও পরে তারা “নিখোঁজ” হয়ে যায়। পুলিশের ভূমিকা নিয়ে জনমনে ব্যাপক প্রশ্ন উঠেছে।

তালতলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শাহাজালাল বলেন, “কবির খাঁনের নাম শুনেছি, তবে তার সম্পর্কে বিস্তারিত জানি না। শহীদুল নামের এক ইয়াবা ব্যবসায়ীর খোঁজে আমরা আছি।”

আমতলী-তালতলী সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মোঃ তারিকুল ইসলাম মাসুদ বলেন, “তালতলীতে মাদকের বিস্তার রোধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হবে। কবির খাঁন নামে কেউ মাদক ব্যবসায় জড়িত থাকলে, তথ্য প্রমাণ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

সারাদেশ

শেরপুর-৩ আসনের জামায়াতের প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল মারা গেছেন

জামায়াতে ইসলামীর শেরপুর জেলা শাখার সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী–ঝিনাইগাতী) আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল (৫১) মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত আনুমানিক ৩ টার দিকে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শেরপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি আবুল কালাম আজাদ। পরিবার সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার […]

শেরপুর-৩ আসনের জামায়াতের প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল মারা গেছেন

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৫:০৬

জামায়াতে ইসলামীর শেরপুর জেলা শাখার সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী–ঝিনাইগাতী) আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল (৫১) মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত আনুমানিক ৩ টার দিকে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শেরপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি আবুল কালাম আজাদ।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার রাত ১০টার দিকে হঠাৎ শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যায় গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন নুরুজ্জামান বাদল। তাৎক্ষণিকভাবে তাকে শ্রীবরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। পরে সেখান থেকে দ্রুত ময়মনসিংহ স্বদেশ হাসপাতালে নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়।

ময়মনসিংহ নেওয়ার পথে রাত ৩ টার দিকে শহরের প্রবেশমুখ ব্রিজ এলাকায় পৌঁছালে তার অবস্থার অবনতি ঘটে এবং সেখানে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। পরে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।

পরিবারের পক্ষ থেকে মৃতের ভাই মাসুদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এছাড়াও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নিজেদের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে দেওয়া ওই পোস্টে বলা হয়, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী শেরপুর জেলা শাখার সম্মানিত সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ সংসদীয় আসনে জামায়াত মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী জনাব আলহাজ্ব নুরুজ্জামান বাদল আনুমানিক আজ রাত ৩টায় কিডনিজনিত রোগে হাসপাতালে ভর্তি অবস্থায় ইন্তেকাল করেছেন। ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।

পোস্টে আরও উল্লেখ করা হয়, আল্লাহ তা’য়ালা তাকে জান্নাতুল ফেরদাউস দান করুন এবং তার শোকসন্তপ্ত পরিবার-পরিজন ও সহকর্মীদের ধৈর্য ধারণের তৌফিক দান করুন।

সারাদেশ

নিখোঁজের ২ দিন পর মেঘনায় ভেসে উঠলো পুলিশ সদস্যের নিথর দেহ

লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি: ভোলার লালমোহন উপজেলায় মৎস্য অভিযানে গিয়ে লঞ্চের ধাক্কায় স্পিডবোট উল্টে নিখোঁজ হওয়ার দুইদিন পর পুলিশ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের সন্ধান মিলেছে। শুক্রবার বিকেলে দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পড়েছিল ওই পুলিশ কনস্টেবলের নিথর দেহ। তিনি লালমোহন উপজেলার মঙ্গলসিকদার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে কর্মরত ছিলেন। বিষয়টি নিশ্চিত করে লালমোহন থানার […]

নিখোঁজের ২ দিন পর মেঘনায় ভেসে উঠলো পুলিশ সদস্যের নিথর দেহ

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২০ মার্চ ২০২৬, ২৩:০২

লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি:

ভোলার লালমোহন উপজেলায় মৎস্য অভিযানে গিয়ে লঞ্চের ধাক্কায় স্পিডবোট উল্টে নিখোঁজ হওয়ার দুইদিন পর পুলিশ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের সন্ধান মিলেছে। শুক্রবার বিকেলে দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পড়েছিল ওই পুলিশ কনস্টেবলের নিথর দেহ। তিনি লালমোহন উপজেলার মঙ্গলসিকদার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে কর্মরত ছিলেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করে লালমোহন থানার ওসি মো. অলিউল ইসলাম বলেন, গত বুধবার সন্ধ্যার পর মঙ্গলসিকদার লঞ্চঘাট এলাকা থেকে মেঘনা নদীতে মৎস্য অভিযানের জন্য মৎস্য অফিসের ৩ সদস্য ও একজন পুলিশ অফিসারসহ ৩ জন কনস্টেবল স্পিডবোটে করে মেঘনা নদীতে রওয়ানা দেন।

এ সময় যাত্রীবাহী লঞ্চ কর্ণফুলী-১২ এর সঙ্গে ধাক্কা লেগে স্পিডবোটটি উল্টে যায়। এ ঘটনায় ওই স্পিডবোটে থাকা সবাই তীরে উঠতে পারলেও নদীতে ডুবে নিখোঁজ হয়ে যান কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলাম। তাকে উদ্ধার করতে গত দুইদিন ধরে কাজ করেছেন নৌবাহিনী, কোস্টগার্ড ও ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দলের সদস্যরা।

তিনি আরও বলেন, শুক্রবার বিকেলে খবর পাওয়া যায় দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পুলিশের পোশাক পরিহিত এক ব্যক্তির মরদেহ পড়েছিল।

স্থানীয়রা বিষয়টি দেখতে পেয়ে দৌলতখান থানায় খবর দেন। পরে পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করেন। দৌলতখান থানা পুলিশের দেওয়া তথ্যে আমরা নিশ্চিত হই ওই মরদেহটি নিখোঁজ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

সারাদেশ

এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা আসাদুল্লাহ গ্রেপ্তার

চেক ডিজঅনারের একটি মামলায় পাবনা-২ আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ‘হ্যাঁ’ ভোটের অ্যাম্বাসেডর ও দলের যুব সংগঠন যুবশক্তির কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) গভীর রাতে সুজানগর উপজেলার হাটখালী ইউনিয়নের সৈয়দপুর গ্রামে নিজ বাড়ি থেকে তাকে আটক করে কামালপুর পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা। পরে তাকে সুজানগর থানায় হস্তান্তর করা হয়। তিনি […]

এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা আসাদুল্লাহ গ্রেপ্তার

এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা আসাদুল্লাহ গ্রেপ্তার

নিউজ ডেস্ক

১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১১:০৫

চেক ডিজঅনারের একটি মামলায় পাবনা-২ আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ‘হ্যাঁ’ ভোটের অ্যাম্বাসেডর ও দলের যুব সংগঠন যুবশক্তির কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) গভীর রাতে সুজানগর উপজেলার হাটখালী ইউনিয়নের সৈয়দপুর গ্রামে নিজ বাড়ি থেকে তাকে আটক করে কামালপুর পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা। পরে তাকে সুজানগর থানায় হস্তান্তর করা হয়। তিনি ওই গ্রামের আকমল শিকদারের ছেলে।

পুলিশ জানায়, ২০২৪ সালে জামালপুর জেলার একটি চেক ডিজঅনার মামলায় তিনি এক মাসের কারাদণ্ড ও তিন লাখ টাকা অর্থদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি ছিলেন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের গণভোটে ‘হ্যাঁ’ পক্ষে প্রচারণা শেষে বাড়িতে অবস্থানকালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরদিন আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

তবে গ্রেপ্তারকে হয়রানিমূলক দাবি করেছে আসাদুল্লাহর পরিবার। তার স্ত্রী নাঈমা আক্তার রিমা বলেন, গভীর রাতে বাসা থেকে তাকে তুলে নেওয়া হয়েছে এবং পারিবারিক ও রাজনৈতিকভাবে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।

সুজানগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জানান, তিনি ওই মামলার সাজাপ্রাপ্ত ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি ছিলেন বলেই আইনানুগভাবে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে।