ফয়সাল আহমাদ, শ্রীপুর (গাজীপুর) প্রতিনিধিঃ
গাজীপুরের শ্রীপুরে সরকারি পুকুরে রাতের আঁধারে পোল্ট্রি বর্জ্য ফেলার ফলে মরে ভেসে ওঠেছে পুকুরের বিভিন্ন প্রজাতির মাছ।
এতে করে ক্ষতির মুখে পড়েছে ভুক্তভোগী পুকুরের ইজারাদার। এঘটনায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন ভুক্তভোগী ইজারাদার।
বৃহস্পতিবার (১০ জুলাই) দুপুরে উপজেলার তেলিহাটি ইউনিয়নের টেংরা গ্রামের সুভল পুকুরে এ ঘটনা ঘটে।
ভুক্তভোগী ইজারাদার অপু হোসেন উপজেলার তেলিহাটি ইউনিয়নের টেংরা গ্রামের মো. করম আলীর ছেলে ।
অভিযুক্তরা উপজেলার তেলিহাটি ইউনিয়নের টেংরা গ্রামের মো. সামুর ছেলে মো. সুমন (৪০), মো. সবুজ (৪৫) ও মো. দুলুর ছেলে মো. সুজন (৩৮)
ভুক্তভোগী অপু হোসেন বলেন, স্থানীয় সোনার বাংলা ভূমিহীন সমবায় সমিতির মাধ্যমে ২০২৩ সালে প্রায় ৫ বিঘার সুভল পুকুরটি সরকারের নিকট থেকে বৈধ ইজারা নেওয়া হয়।
এরপর থেকে অভিযুক্তরা পুকুরে মাছ চাষ করতে বিভিন্ন ভাবে বাধা প্রদান করে আসছে। গত কয়েকদিন যাবৎ নতুন করে পুকুরে মাছ ছাড়া হয়েছে।
মাছ ছাড়ার পর গত দুদিন যাবৎ পুকুরে মাছ মরে ভেসে ওঠেছে। অভিযুক্তরা রাতের আঁধার পাশের একটি পোল্ট্রি ফার্মের সমস্ত ময়লা বর্জ্য পুকুরে ছেড়ে দেয়।
এজন্য পোল্ট্রির বর্জ্যে পানি দূষিত হয়ে মাছ মরে ভেসে ওঠেছে। এপর্যন্ত প্রায় লাখ টাকার মাছ মারা গেছে।
বিষয়টি সকালে জানতে পেরে অভিযুক্তদের ময়লা বর্জ্য ফেলতে বাধা দিলেও তারা কোন কথায় কর্নপাত করেনি।
জোরপূর্বক পুকুরে ময়লা বর্জ্য ফেলে যাচ্ছে। তিনি আরও জানান, এনজিও থেকে ঋণ নিয়ে মাছগুলো ক্রয় করা হয়েছে।
আমার সব টাকায় জলে গেলে। শত্রুতার আগুনে আমার স্বপ্নকে ওঁরা কবর দিলো। আমি নি:শ্ব হয়ে গেলাম।
অভিযুক্ত মো.সবুজ জানান, আমরা পুকুরে ইচ্ছাকৃত ভাবে পোল্ট্রির বর্জ্য ফেলিনি। অতি বৃষ্টির কারণে পুকুরের পানিতে বর্জ্য ভেসে চলে গেছে।
শ্রীপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সজীব আহমেদ বলেন, এবিষয়ে একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। এছাড়াও বিষয়টি আমার নজরে এসেছে। গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত পদক্ষেপ নেয়া হবে।