বুধবার, ০১ এপ্রিল ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

টানা বৃষ্টিতে আমনের বীজতলাসহ ডুবে গেছে মাছের ঘের, বিপাকে কৃষকরা

গত কয়েকদিন টানা মাঝারি থেকে ভারি বর্ষণে পটুয়াখালীর গলাচিপর বিভিন্ন গ্রামের আমন ধানের বীজতলা, আউশ ধানের ক্ষেত, সবজির ক্ষেত এবং মাছের ঘের তলিয়ে ব্যাপক ক্ষতির মুখে পড়েছেন কৃষকরা। এতে চলতি মৌসুমে ধান উৎপাদন ব্যাহত হওয়ার শঙ্কা দেখা দিয়েছে। নির্ধারিত সময়ে আমন ধানের বীজ বপন নিয়ে উৎকন্ঠা দেখা দিয়েছে। উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, চলমান […]

প্রতিনিধি ডেস্ক

০৯ জুলাই ২০২৫, ২১:২৪

গত কয়েকদিন টানা মাঝারি থেকে ভারি বর্ষণে পটুয়াখালীর গলাচিপর বিভিন্ন গ্রামের আমন ধানের বীজতলা, আউশ ধানের ক্ষেত, সবজির ক্ষেত এবং মাছের ঘের তলিয়ে ব্যাপক ক্ষতির মুখে পড়েছেন কৃষকরা।

এতে চলতি মৌসুমে ধান উৎপাদন ব্যাহত হওয়ার শঙ্কা দেখা দিয়েছে। নির্ধারিত সময়ে আমন ধানের বীজ বপন নিয়ে উৎকন্ঠা দেখা দিয়েছে।

উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, চলমান অতিবৃষ্টিতে গলাচিপা উপজেলার প্রায় ১৮৫০ হেক্টর আউশ ধানের ক্ষেত, ৭২০ হেক্টর আমনের বীজতলা, ৩৫০ হেক্টর সবজির জমি এবং ৩৫০ হেক্টর পানের বরজ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এর মধ্যে অনেক এলাকায় বীজ সম্পূর্ণ নষ্ট হয়ে গেছে। অনেক এলাকায় এখনও পানির নিচে রয়েছে। উপজেলা মৎস্য বিভাগ জানিয়েছে, বৃষ্টির পানিতে ৫০০-র বেশি পুকুর ও মাছের ঘের তলিয়ে গেছে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, জুনের শেষ সপ্তাহ থেকে ৯ জুলাই পর্যন্ত টানা বৃষ্টিতে উপজেলার রাস্তাঘাট, দোকানপাট, হাটবাজার, বসতবাড়ি এবং অনেক কৃষিজমি পানির নিচে তলিয়ে গিয়েছে। সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে— বোয়ালিয়া, মুরাদনগর, পানপট্টি, ডাকুয়া, গোলখালী, চিকনিকান্দি, কলাগাছিয়া, চরকাজল ও চরবিশ্বাস।

ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক নজরুল মিয়া বলেন, “এ বছর আগেভাগেই বীজতলা বানাইছিলাম। জমি ভালো ছিল, বীজও চড়া দামে কিনছিলাম। কিন্তু হঠাৎ বৃষ্টিতে সব শেষ। এখন আবার নতুন করে করলে সময় চলে যাবে, আর লাগানোর সময় পাব না।”

একইভাবে কৃষক রহিম মাতব্বর জানান, “আমি তো ঋণ কইরা বীজ কিনছি। এই বৃষ্টিতে সব খতম হইয়া গেল। সরকার যদি নতুন করে বীজ না দেয়, তাইলে তো আমি দেউলিয়া হয়ে যাবো।”

স্থানীয় কৃষকদের অভিযোগ, অনেক খাল-নালা ও প্রাকৃতিক জলাধারে অবৈধভাবে মাছ চাষের জন্য বাঁধ দেওয়া হয়েছে, ফলে পানি স্বাভাবিকভাবে নামতে পারছে না। স্লুইস গেটগুলো সময়মতো না খোলার কারণে মাঠে পানি জমে রয়েছে।

সদর ইউনিয়নের কৃষক জাফর মিয়া বলেন,

“আমার জমির পাশের খালে প্রভাবশালীরা বাঁধ দিছে মাছ চাষের জন্য। পানি নামতে পারতেছে না, তাই বীজতলা পঁচে গেল।”

সদর ইউনিয়নের বোয়ালিয়া গ্রামের চাষি নুর জামাল হাওলাদার জানান, “আমি ঋণ করে ১০০ শতক জমি বর্গা নিয়ে আগাম জাতের মরিচ, করলা, লাউ চাষ করেছি। এতে আমার প্রায় দুই লক্ষ টাকা খরচ হয়েছে। অতিরিক্ত বৃষ্টির কারণে তা ডুবে গেছে। আমি বিভিন্নভাবে পানি নিষ্কাশন করে তা রক্ষা করার চেষ্টা করছি। এভাবে বৃষ্টি হতে থাকলে আমি ব্যাপক ক্ষতির সম্মুখীন হবো।”

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ আরজু আক্তার বলেন, আমরা ইউনিয়ন পর্যায়ে দায়িত্বপ্রাপ্ত উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তাদের পাঠিয়েছি। তারা মাঠে ঘুরে ক্ষয়-ক্ষতির পরিমান তালিকা করছেন। স্লুইস গেট ও কালভার্টগুলো সচল রাখতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

তিনি আরও জানান, বর্তমানে কৃষকদের নতুন করে বীজতলা তৈরিতে নিরুৎসাহিত করা হয়েছে। আবহাওয়া স্বাভাবিক হলে বীজ সরবরাহসহ প্রয়োজনীয় সহায়তা দেওয়া হবে। ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা করে প্রণোদনার আওতায় আনা হবে।

আবহাওয়া অফিস সূত্রে জানা গেছে, আগামী কয়েকদিনও বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকতে পারে। ভারী বর্ষণের সম্ভাবনাও রয়েছে। এতে ক্ষয়ক্ষতির মাত্রা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

স্থানীয় কৃষকদের দাবি— দ্রুত পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা এবং সরকারি জরুরি সহায়তা ছাড়া চলতি মৌসুমে আমন ধানসহ সবজি চাষিদের উৎপাদনে বড় বিপর্যয় দেখা দিতে পারে। প্রাকৃতিক দুর্যোগের এই সময়টায় তারা সরকারের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

সারাদেশ

শেরপুর-৩ আসনের জামায়াতের প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল মারা গেছেন

জামায়াতে ইসলামীর শেরপুর জেলা শাখার সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী–ঝিনাইগাতী) আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল (৫১) মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত আনুমানিক ৩ টার দিকে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শেরপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি আবুল কালাম আজাদ। পরিবার সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার […]

শেরপুর-৩ আসনের জামায়াতের প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল মারা গেছেন

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৫:০৬

জামায়াতে ইসলামীর শেরপুর জেলা শাখার সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী–ঝিনাইগাতী) আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল (৫১) মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত আনুমানিক ৩ টার দিকে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শেরপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি আবুল কালাম আজাদ।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার রাত ১০টার দিকে হঠাৎ শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যায় গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন নুরুজ্জামান বাদল। তাৎক্ষণিকভাবে তাকে শ্রীবরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। পরে সেখান থেকে দ্রুত ময়মনসিংহ স্বদেশ হাসপাতালে নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়।

ময়মনসিংহ নেওয়ার পথে রাত ৩ টার দিকে শহরের প্রবেশমুখ ব্রিজ এলাকায় পৌঁছালে তার অবস্থার অবনতি ঘটে এবং সেখানে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। পরে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।

পরিবারের পক্ষ থেকে মৃতের ভাই মাসুদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এছাড়াও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নিজেদের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে দেওয়া ওই পোস্টে বলা হয়, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী শেরপুর জেলা শাখার সম্মানিত সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ সংসদীয় আসনে জামায়াত মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী জনাব আলহাজ্ব নুরুজ্জামান বাদল আনুমানিক আজ রাত ৩টায় কিডনিজনিত রোগে হাসপাতালে ভর্তি অবস্থায় ইন্তেকাল করেছেন। ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।

পোস্টে আরও উল্লেখ করা হয়, আল্লাহ তা’য়ালা তাকে জান্নাতুল ফেরদাউস দান করুন এবং তার শোকসন্তপ্ত পরিবার-পরিজন ও সহকর্মীদের ধৈর্য ধারণের তৌফিক দান করুন।

সারাদেশ

নিখোঁজের ২ দিন পর মেঘনায় ভেসে উঠলো পুলিশ সদস্যের নিথর দেহ

লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি: ভোলার লালমোহন উপজেলায় মৎস্য অভিযানে গিয়ে লঞ্চের ধাক্কায় স্পিডবোট উল্টে নিখোঁজ হওয়ার দুইদিন পর পুলিশ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের সন্ধান মিলেছে। শুক্রবার বিকেলে দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পড়েছিল ওই পুলিশ কনস্টেবলের নিথর দেহ। তিনি লালমোহন উপজেলার মঙ্গলসিকদার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে কর্মরত ছিলেন। বিষয়টি নিশ্চিত করে লালমোহন থানার […]

নিখোঁজের ২ দিন পর মেঘনায় ভেসে উঠলো পুলিশ সদস্যের নিথর দেহ

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২০ মার্চ ২০২৬, ২৩:০২

লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি:

ভোলার লালমোহন উপজেলায় মৎস্য অভিযানে গিয়ে লঞ্চের ধাক্কায় স্পিডবোট উল্টে নিখোঁজ হওয়ার দুইদিন পর পুলিশ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের সন্ধান মিলেছে। শুক্রবার বিকেলে দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পড়েছিল ওই পুলিশ কনস্টেবলের নিথর দেহ। তিনি লালমোহন উপজেলার মঙ্গলসিকদার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে কর্মরত ছিলেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করে লালমোহন থানার ওসি মো. অলিউল ইসলাম বলেন, গত বুধবার সন্ধ্যার পর মঙ্গলসিকদার লঞ্চঘাট এলাকা থেকে মেঘনা নদীতে মৎস্য অভিযানের জন্য মৎস্য অফিসের ৩ সদস্য ও একজন পুলিশ অফিসারসহ ৩ জন কনস্টেবল স্পিডবোটে করে মেঘনা নদীতে রওয়ানা দেন।

এ সময় যাত্রীবাহী লঞ্চ কর্ণফুলী-১২ এর সঙ্গে ধাক্কা লেগে স্পিডবোটটি উল্টে যায়। এ ঘটনায় ওই স্পিডবোটে থাকা সবাই তীরে উঠতে পারলেও নদীতে ডুবে নিখোঁজ হয়ে যান কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলাম। তাকে উদ্ধার করতে গত দুইদিন ধরে কাজ করেছেন নৌবাহিনী, কোস্টগার্ড ও ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দলের সদস্যরা।

তিনি আরও বলেন, শুক্রবার বিকেলে খবর পাওয়া যায় দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পুলিশের পোশাক পরিহিত এক ব্যক্তির মরদেহ পড়েছিল।

স্থানীয়রা বিষয়টি দেখতে পেয়ে দৌলতখান থানায় খবর দেন। পরে পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করেন। দৌলতখান থানা পুলিশের দেওয়া তথ্যে আমরা নিশ্চিত হই ওই মরদেহটি নিখোঁজ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

সারাদেশ

এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা আসাদুল্লাহ গ্রেপ্তার

চেক ডিজঅনারের একটি মামলায় পাবনা-২ আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ‘হ্যাঁ’ ভোটের অ্যাম্বাসেডর ও দলের যুব সংগঠন যুবশক্তির কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) গভীর রাতে সুজানগর উপজেলার হাটখালী ইউনিয়নের সৈয়দপুর গ্রামে নিজ বাড়ি থেকে তাকে আটক করে কামালপুর পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা। পরে তাকে সুজানগর থানায় হস্তান্তর করা হয়। তিনি […]

এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা আসাদুল্লাহ গ্রেপ্তার

এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা আসাদুল্লাহ গ্রেপ্তার

নিউজ ডেস্ক

১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১১:০৫

চেক ডিজঅনারের একটি মামলায় পাবনা-২ আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ‘হ্যাঁ’ ভোটের অ্যাম্বাসেডর ও দলের যুব সংগঠন যুবশক্তির কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) গভীর রাতে সুজানগর উপজেলার হাটখালী ইউনিয়নের সৈয়দপুর গ্রামে নিজ বাড়ি থেকে তাকে আটক করে কামালপুর পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা। পরে তাকে সুজানগর থানায় হস্তান্তর করা হয়। তিনি ওই গ্রামের আকমল শিকদারের ছেলে।

পুলিশ জানায়, ২০২৪ সালে জামালপুর জেলার একটি চেক ডিজঅনার মামলায় তিনি এক মাসের কারাদণ্ড ও তিন লাখ টাকা অর্থদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি ছিলেন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের গণভোটে ‘হ্যাঁ’ পক্ষে প্রচারণা শেষে বাড়িতে অবস্থানকালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরদিন আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

তবে গ্রেপ্তারকে হয়রানিমূলক দাবি করেছে আসাদুল্লাহর পরিবার। তার স্ত্রী নাঈমা আক্তার রিমা বলেন, গভীর রাতে বাসা থেকে তাকে তুলে নেওয়া হয়েছে এবং পারিবারিক ও রাজনৈতিকভাবে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।

সুজানগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জানান, তিনি ওই মামলার সাজাপ্রাপ্ত ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি ছিলেন বলেই আইনানুগভাবে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে।