সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

বন্যার পানিতে তলিয়ে গেছে চলাচলের একমাত্র সড়ক, জনজীবনে চরম বিপর্যস্ত

মাহিনুর ইসলাম ,বড়লেখা প্রতিনিধিঃ মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলার পৌরসভাধীন দক্ষিণ পানিধার এলাকার একটি সড়ক বন্যার পানিতে তলিয়ে গেছে। এতে পৌরসভার ০৬ নং ওয়ার্ডের কয়েক’শ পরিবারের মানুষের যাতায়াতে চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়,উপজেলার পৌরসভার দক্ষিণ পানিধার এলাকার তলিয়ে যাওয়া সড়কটি কয়েক’শ পরিবারের হাজারো মানুষের যাতায়াত। সড়কটির পাশ দিয়ে বয়ে গেছে নিকুড়ি গাঙের ছড়া। মাস […]

প্রতিনিধি ডেস্ক

০৮ জুলাই ২০২৫, ২০:১২

মাহিনুর ইসলাম ,বড়লেখা প্রতিনিধিঃ

মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলার পৌরসভাধীন দক্ষিণ পানিধার এলাকার একটি সড়ক বন্যার পানিতে তলিয়ে গেছে। এতে পৌরসভার ০৬ নং ওয়ার্ডের কয়েক’শ পরিবারের মানুষের যাতায়াতে চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়,উপজেলার পৌরসভার দক্ষিণ পানিধার এলাকার তলিয়ে যাওয়া সড়কটি কয়েক’শ পরিবারের হাজারো মানুষের যাতায়াত। সড়কটির পাশ দিয়ে বয়ে গেছে নিকুড়ি গাঙের ছড়া।

মাস খানিক আগে পাহাড়ি ঢল আর আকস্মিক বন্যায় তলিয়ে গিয়েছিল পুরো গ্রাম। গাঙের পানির তীব্র স্রোতে এলাকার কয়েক’শ পরিবারের যাতায়াতের একমাত্র সড়কটি বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। সড়কটির প্রায় ৪০’ ফুট জায়গা গাঙের পানির সাথে তলিয়ে যায়। এতে লোকজনকে ভোগান্তিতে পড়তে হয়।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, পাহাড়ি ঢল আর ভারী বৃষ্টিপাতের কারনে সৃষ্টি বন্যায় নিকুড়ি গাঙটির প্রবল স্রোতে তলিয়ে গিয়েছে দক্ষিণ পানিধার এলাকার একটি সড়ক।এতে করে এলাকায় সৃষ্টি হয়েছে জনদুর্ভোগ।

সড়কটির পাশেই রয়েছে একটি এতিমখানা মাদ্রাসা।যাতায়াতের একমাত্র সড়কটি ভাঙার কারনে এতিমখানার কোমলমতি শিশুদের মাদ্রাসায় আসতে অনেক অসুবিধা দেখা দেয়।

ছোট ছোট বাচ্চারা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে মাদ্রাসায় আসা-যাওয়া করছে। এছাড়াও এই সড়কটি দিয়ে অসুস্থ রোগীদের নিয়ে যাওয়া খুবই দুঃসাধ্য। বৃদ্ধ লোকদের কোলে করে নিয়ে সড়কের ভাঙা অংশ পাড়ি দিতে হয়। একটু বৃষ্টি হলেও পানি জমে সড়কটি বন্ধ হয়ে চলাচলের অনুপযোগী হয়ে যায়।

প্রতিদিন এ সড়ক দিয়ে মানুষ চাকরি,বাজার,শিক্ষা,চিকিৎসা সহ নিত্যপ্রয়োজনীয় যাতায়াত করে থাকেন। স্থানীয়রা হেটে চলাচল করার জন্য ব্যাগিং মাটি সহ বিভিন্ন আসবাবপত্র ভাঙা অংশে ফেলে কোনো ভাবে যাতায়াত করছে।পাশাপাশি গাঙের পানি না ঢুকার জন্য বাঁশের খুঁটি পোঁতা দিয়ে সীমানা দিয়েছে এলাকাবাসীরা।

দক্ষিণ পানিধার গ্রামের বাসিন্দা আব্দুল হামিদ বলেন, আমাদের নিকুড়ি গাঙের পাড়ের সড়কটি বন্যার পানিতে ভেঙে চলাচলের অনুপযোগী হয়ে যায়।এখানে ২টি মসজিদ, ১টি এতিমখানা ও কয়েক’শ পরিবার রয়েছে।

বাচ্চাদের স্কুলে আসা যাওয়া খুবই কষ্টসাধ্য হয়ে যায়।আমার কর্তৃপক্ষ কাছে আকুল আবেদন আমাদের এই সড়কটি যেন দ্রুত সংস্কার করে আমাদের দূর্ভোগ পোহাতে সহায়তা করেন।

দক্ষিণ পানিধার গ্রামের বাসিন্দা আজিম উদ্দিন বলেন,সড়কটি ভাঙার ফলে এলাকায় একটি মোটরসাইকেল, অটোরিকশা সিএনজি পর্যন্ত যেতে পারে না।

অসুস্থ রোগীদের হাসপাতাল নিতে অনেক কষ্ট হয়।বাড়িতে একটি চালের বস্তা নিয়ে কতটুকু পরিশ্রম করতে হয় তা বলার মতো নয়।আমরা এই সমস্যার দ্রুত সমাধান চাই।

উপ-সহকারী প্রকৌশলী দেবজিৎ চন্দ্র দাস জানান, আমি সড়কটি সরেজমিনে পর্যবেক্ষণ করে দেখেছি সেখানের ভাঙা সড়কটি একেবারে চলাচলের অনুপযোগী। সড়কটি সংস্কারের জন্য আগে রাস্তার পাড় গার্ডওয়াল দিয়ে পরে কাজ করতে হবে।

এর জন্য বড় বাজেট ও অনেক সময়ের প্রয়োজন। আপাতত চলাচলের উপযোগী করে তুলতে মাটি ভরাট করতে হবে।জনস্বার্থে সড়কটি দ্রুত সংস্কার করা প্রয়োজন। এ বিষয়ে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) তাহমিনা আক্তার জানান, বন্যার কারনে ভাঙা সড়কটি নিয়ে এলাকাবাসীর পক্ষে একটা দরখাস্ত পেয়েছি।বিষয়টি সরেজমিনে গিয়ে পর্যবেক্ষণ করা হয়েছে।সড়কটি সংস্কারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

সারাদেশ

শেরপুর-৩ আসনের জামায়াতের প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল মারা গেছেন

জামায়াতে ইসলামীর শেরপুর জেলা শাখার সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী–ঝিনাইগাতী) আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল (৫১) মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত আনুমানিক ৩ টার দিকে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শেরপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি আবুল কালাম আজাদ। পরিবার সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার […]

শেরপুর-৩ আসনের জামায়াতের প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল মারা গেছেন

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৫:০৬

জামায়াতে ইসলামীর শেরপুর জেলা শাখার সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী–ঝিনাইগাতী) আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল (৫১) মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত আনুমানিক ৩ টার দিকে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শেরপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি আবুল কালাম আজাদ।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার রাত ১০টার দিকে হঠাৎ শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যায় গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন নুরুজ্জামান বাদল। তাৎক্ষণিকভাবে তাকে শ্রীবরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। পরে সেখান থেকে দ্রুত ময়মনসিংহ স্বদেশ হাসপাতালে নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়।

ময়মনসিংহ নেওয়ার পথে রাত ৩ টার দিকে শহরের প্রবেশমুখ ব্রিজ এলাকায় পৌঁছালে তার অবস্থার অবনতি ঘটে এবং সেখানে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। পরে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।

পরিবারের পক্ষ থেকে মৃতের ভাই মাসুদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এছাড়াও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নিজেদের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে দেওয়া ওই পোস্টে বলা হয়, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী শেরপুর জেলা শাখার সম্মানিত সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ সংসদীয় আসনে জামায়াত মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী জনাব আলহাজ্ব নুরুজ্জামান বাদল আনুমানিক আজ রাত ৩টায় কিডনিজনিত রোগে হাসপাতালে ভর্তি অবস্থায় ইন্তেকাল করেছেন। ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।

পোস্টে আরও উল্লেখ করা হয়, আল্লাহ তা’য়ালা তাকে জান্নাতুল ফেরদাউস দান করুন এবং তার শোকসন্তপ্ত পরিবার-পরিজন ও সহকর্মীদের ধৈর্য ধারণের তৌফিক দান করুন।

সারাদেশ

নিখোঁজের ২ দিন পর মেঘনায় ভেসে উঠলো পুলিশ সদস্যের নিথর দেহ

লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি: ভোলার লালমোহন উপজেলায় মৎস্য অভিযানে গিয়ে লঞ্চের ধাক্কায় স্পিডবোট উল্টে নিখোঁজ হওয়ার দুইদিন পর পুলিশ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের সন্ধান মিলেছে। শুক্রবার বিকেলে দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পড়েছিল ওই পুলিশ কনস্টেবলের নিথর দেহ। তিনি লালমোহন উপজেলার মঙ্গলসিকদার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে কর্মরত ছিলেন। বিষয়টি নিশ্চিত করে লালমোহন থানার […]

নিখোঁজের ২ দিন পর মেঘনায় ভেসে উঠলো পুলিশ সদস্যের নিথর দেহ

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২০ মার্চ ২০২৬, ২৩:০২

লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি:

ভোলার লালমোহন উপজেলায় মৎস্য অভিযানে গিয়ে লঞ্চের ধাক্কায় স্পিডবোট উল্টে নিখোঁজ হওয়ার দুইদিন পর পুলিশ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের সন্ধান মিলেছে। শুক্রবার বিকেলে দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পড়েছিল ওই পুলিশ কনস্টেবলের নিথর দেহ। তিনি লালমোহন উপজেলার মঙ্গলসিকদার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে কর্মরত ছিলেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করে লালমোহন থানার ওসি মো. অলিউল ইসলাম বলেন, গত বুধবার সন্ধ্যার পর মঙ্গলসিকদার লঞ্চঘাট এলাকা থেকে মেঘনা নদীতে মৎস্য অভিযানের জন্য মৎস্য অফিসের ৩ সদস্য ও একজন পুলিশ অফিসারসহ ৩ জন কনস্টেবল স্পিডবোটে করে মেঘনা নদীতে রওয়ানা দেন।

এ সময় যাত্রীবাহী লঞ্চ কর্ণফুলী-১২ এর সঙ্গে ধাক্কা লেগে স্পিডবোটটি উল্টে যায়। এ ঘটনায় ওই স্পিডবোটে থাকা সবাই তীরে উঠতে পারলেও নদীতে ডুবে নিখোঁজ হয়ে যান কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলাম। তাকে উদ্ধার করতে গত দুইদিন ধরে কাজ করেছেন নৌবাহিনী, কোস্টগার্ড ও ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দলের সদস্যরা।

তিনি আরও বলেন, শুক্রবার বিকেলে খবর পাওয়া যায় দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পুলিশের পোশাক পরিহিত এক ব্যক্তির মরদেহ পড়েছিল।

স্থানীয়রা বিষয়টি দেখতে পেয়ে দৌলতখান থানায় খবর দেন। পরে পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করেন। দৌলতখান থানা পুলিশের দেওয়া তথ্যে আমরা নিশ্চিত হই ওই মরদেহটি নিখোঁজ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

সারাদেশ

এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা আসাদুল্লাহ গ্রেপ্তার

চেক ডিজঅনারের একটি মামলায় পাবনা-২ আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ‘হ্যাঁ’ ভোটের অ্যাম্বাসেডর ও দলের যুব সংগঠন যুবশক্তির কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) গভীর রাতে সুজানগর উপজেলার হাটখালী ইউনিয়নের সৈয়দপুর গ্রামে নিজ বাড়ি থেকে তাকে আটক করে কামালপুর পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা। পরে তাকে সুজানগর থানায় হস্তান্তর করা হয়। তিনি […]

এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা আসাদুল্লাহ গ্রেপ্তার

এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা আসাদুল্লাহ গ্রেপ্তার

নিউজ ডেস্ক

১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১১:০৫

চেক ডিজঅনারের একটি মামলায় পাবনা-২ আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ‘হ্যাঁ’ ভোটের অ্যাম্বাসেডর ও দলের যুব সংগঠন যুবশক্তির কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) গভীর রাতে সুজানগর উপজেলার হাটখালী ইউনিয়নের সৈয়দপুর গ্রামে নিজ বাড়ি থেকে তাকে আটক করে কামালপুর পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা। পরে তাকে সুজানগর থানায় হস্তান্তর করা হয়। তিনি ওই গ্রামের আকমল শিকদারের ছেলে।

পুলিশ জানায়, ২০২৪ সালে জামালপুর জেলার একটি চেক ডিজঅনার মামলায় তিনি এক মাসের কারাদণ্ড ও তিন লাখ টাকা অর্থদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি ছিলেন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের গণভোটে ‘হ্যাঁ’ পক্ষে প্রচারণা শেষে বাড়িতে অবস্থানকালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরদিন আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

তবে গ্রেপ্তারকে হয়রানিমূলক দাবি করেছে আসাদুল্লাহর পরিবার। তার স্ত্রী নাঈমা আক্তার রিমা বলেন, গভীর রাতে বাসা থেকে তাকে তুলে নেওয়া হয়েছে এবং পারিবারিক ও রাজনৈতিকভাবে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।

সুজানগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জানান, তিনি ওই মামলার সাজাপ্রাপ্ত ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি ছিলেন বলেই আইনানুগভাবে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে।