বিশেষ প্রতিনিধি:
দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে সারাদেশে যখন রাজনীতির মাঠে শুরু হয়েছে প্রস্তুতি ও সমীকরণ, তখন পিরোজপুর-১ (সদর, নাজিরপুর ও জিয়ানগর) আসনে বিএনপির সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় উঠে এসেছেন স্বেচ্ছাসেবক দলের কেন্দ্রীয় কৃষি বিষয়ক সম্পাদক ও ছাত্রদলের সাবেক কেন্দ্রীয় যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. আলাউদ্দিন খান।
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক এই ছাত্রনেতা রাজপথে পরীক্ষিত একজন সাহসী নেতা হিসেবে পরিচিত। দীর্ঘদিন ধরে বিএনপি এবং তার অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনসমূহে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি দুঃসময়ে দলকে সংগঠিত রাখার ক্ষেত্রে রেখেছেন দৃঢ় অবস্থান।
রাজনৈতিক নির্যাতন ও হয়রানির শিকার হয়েও আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয় থাকায় তিনি জেলার রাজনৈতিক অঙ্গনে একজন সাহসী নেতার প্রতিচ্ছবি হয়ে উঠেছেন।
মনোনয়নপ্রত্যাশী হিসেবে ইতোমধ্যে তিনি স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীসহ সাধারণ মানুষের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ করছেন। তৃণমূল পর্যায়ে রয়েছে তাঁর ব্যাপক জনপ্রিয়তা। সাধারণ মানুষ ও নেতাকর্মীদের অনেকেই মনে করেন, শিক্ষিত, সংগ্রামী এবং জনবান্ধব একজন নেতার নাম মো. আলাউদ্দিন খান।
আলাউদ্দিন খান বলেন, “আমি রাজনীতি করি মানুষের অধিকার আদায়ের জন্য। যদি দল আমাকে মনোনয়ন দেয়, তবে সর্বশক্তি দিয়ে এই আসনে বিএনপিকে বিজয়ী করব।”
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতারা আসন্ন নির্বাচনে পরিচ্ছন্ন ইমেজ, জনপ্রিয়তা এবং যোগ্যতার ভিত্তিতে প্রার্থী মনোনয়নে গুরুত্ব দিচ্ছেন। সেই বিবেচনায় মো. আলাউদ্দিন খানও অন্যতম একজন মনোনয়নপ্রত্যাশী হিসেবে বিবেচিত হচ্ছেন।
বর্তমানে তিনি নির্বাচনী এলাকায় নিয়মিত গণসংযোগ, মতবিনিময় সভা এবং উন্নয়ন ভাবনা তুলে ধরে জনগণের সঙ্গে সংলাপে ব্যস্ত সময় পার করছেন। তাঁর প্রচারণার মূল স্লোগান—
“গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনতে হলে, বিএনপিকে জয়ী করতেই হবে।”
একজন তৃণমূল নির্ভর, পরিশ্রমী ও পরিচ্ছন্ন রাজনৈতিক কর্মী হিসেবে মো. আলাউদ্দিন খানের ব্যাপারে অনেকেই আশাবাদী— তিনিই হতে পারেন পিরোজপুর-১ আসনে বিএনপির বিজয়ের নেতৃত্বদানকারী মুখ।