রবিবার, ২৯ মার্চ ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

নীলফামারীতে এনসিপির পদযাত্রা, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের স্মরণে নেতাদের বক্তব্য

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের বর্ষপূর্তি উপলক্ষে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দেশ গড়তে জুলাই পদযাত্রার তৃতীয়দিন দুপুর ১২টায় নীলফামারীর সৈয়দপুর উপজেলার হাতীখানা কবরস্থানে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে শহীদ সাজ্জাদ হোসেনে কবর জিয়ারতের মধ্য দিয়ে এই কর্মসূচি শুরু হয়। কবর জিয়ারতে দোয়াপাঠ করান শহীদ সাজ্জাদ হোসেনের বাবা আলমগীর হোসেন। কবর জিয়ারত শেষে এনসিপি নেতৃবৃন্দ সাজ্জাদের পরিবারের সাথে কথা বলেন। অতঃপর […]

প্রতিনিধি ডেস্ক

০৩ জুলাই ২০২৫, ১৯:০৩

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের বর্ষপূর্তি উপলক্ষে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দেশ গড়তে জুলাই পদযাত্রার তৃতীয়দিন দুপুর ১২টায় নীলফামারীর সৈয়দপুর উপজেলার হাতীখানা কবরস্থানে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে শহীদ সাজ্জাদ হোসেনে কবর জিয়ারতের মধ্য দিয়ে এই কর্মসূচি শুরু হয়।

কবর জিয়ারতে দোয়াপাঠ করান শহীদ সাজ্জাদ হোসেনের বাবা আলমগীর হোসেন। কবর জিয়ারত শেষে এনসিপি নেতৃবৃন্দ সাজ্জাদের পরিবারের সাথে কথা বলেন। অতঃপর তারা নীলফামারী চৌরঙ্গী মোড়ে এক পথসভার আয়োজন করেন।

উক্ত পথসভায় জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপির) আহবায়ক নাহিদ ইসলাম বলেছেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পরে আমরা অনেক কিছু আশা করছিলাম। কিন্তু আমাদের সব আশা  পূরণ হয়নি। আমরা এখনও এটাই মনে করি আমাদের লড়াই এখনও চালিয়ে যেতে হবে।

আমরা দেখছি আবারও পুরোনো সিস্টেম ও সংস্কৃতি শুরু হয়েছে। পুরোনো সংস্কৃতি ফিরত আনার চেষ্টা করা হচ্ছে। তিনি হুসিয়ারি দিয়ে বলেন জুলাই গণঅভ্যুত্থান যারা করেছে তারা কিন্তু এখনও জাগ্রত আছে,এখনও রাজপথে আছে।

কেউ যদি মনে করে পুরোনো দখলদারিত্ব ও পুরোনো সন্ত্রাসের রাজনীতি আবার ফিরত আনবে তাহলে তাদের পরিণিতিও স্বৈরাচার হাসিনার মতো হবে।

বৃহস্পতিবার (৩ জুলাই) দুপুর আড়াইটায় জুলাইয়ের পদযাত্রার তৃতীয় দিন নীলফামারী জেলা শহরের চৌরঙ্গী মোড়ে অনুষ্টিত এক পথসভা তিনি এসব কথা বলেন।

নাহিদ ইসলাম বলেন সকল শহীদরা আমাদের অনুপ্রেরণা। এই মানুষরা জীবন দিয়েছে একটি সুন্দর ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশের জন্য। যে বাংলাদেশে অথনৈতিক বৈষম্য থাকবে না। যে বাংলাদেশে আঞ্চলিক বৈষম্য থাকবে না।

যে বাংলাদেশে স্বাধীনভাবে মত প্রকাশ করতে পারবে, কথা বলতে পারবে। সাধারণ মানুষ ভাতের অধিকার পাবেন। শিক্ষা ,চিকিৎসা ও কর্মসংস্থানের অধিকার পাবেন। এই রকম একটি বাংলাদেশের জন্য আমাদের ছেলে-মেয়েরা জীবন দিয়েছে।

তিনি বলেন সপ্তম শ্রেণির একটি ছেলে যদি রাস্তায় নেমে পুলিশের বুলেটের সামনে দাড়িয়ে যেতে পারে, তাহলে আমরা যারা জীবিত আছি তারা কি একটা নতুন বাংলাদেশ গঠন করতে পারবনা।

ছোট ছোট ছেলেরা যারা জীবন দিল তাদের জীবনের বিনিময়ে সুন্দর ও স্বপ্নের বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়ে তুলতে হবে।  রংপুরের কৃষক সন্তান আবু সাঈদ,নীলফামারীর সপ্তম শ্রেনীর ছাত্র রুবেল ইসলাম ও সৈয়দপুরের সাজ্জাদ হোসেনের বিদ্রোহ আমরা মনে রেখেছি।

তারা নিজেদের বুকে বুলেট নিয়ে জীবন দিয়ে চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানকে ত্বরান্বিত করেছেন। আমরা সেই ইতিহাসকে বুকে ধারণ করে নতুন বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্ন দেখি।

নাহিদ ইসলাম বলেন গণ অভ্যুত্থানের পরে যদি সকল দাবী পূরণ হতো তাহলে আমাদের রাজনৈতিক দল গড়ার লাগত না।  কিন্তু আমরা দেখছি এক বছর হয়েছে। কোন দাবী পূরণ করা হচ্ছে না। কেবল নির্বাবন নির্বাচন বলে আমাদের সামনে একটা মূলা ঝুলানো হচ্ছে।

আমরা এই ধরণের কোন ধোঁকাবাজিতে বিশ্বাস করব না। আমরা অবশ্যই নির্বাচন চাই। আমরা নির্বাচিত সরকার চাই।

তবে গণ অভ্যুত্থানে যারা হত্যা করেছে সেই শেখ হাসিনা ও তাদের দোসররা আজ বাংলাদেশের প্রতি এলাকায় লুকিয়ে আছে তাদের গ্রেফতার করে অবশ্যই অবশ্যই বিচারের আওতায় আনতে হবে।

শেখ হাসিনাকে দেশে এনে বিচারের আওতায় আনতে হবে। শেখ হাসিনার বিচার না হওয়া পর্যন্ত শহীদ পরিবারের মনে দাউ দাউ করে যে আগুন জ্বলচ্ছে তা কোন দিন নিভবে না।

তিনি আরো বলেন মৌলিক সংস্কার হতে হবে,সংস্কারের মধ্য দিয়ে নির্বাচনের দিকে যেতে হবে। বাংলাদেশে একটি নতুন সংবিধান লাগবে। আওয়ামী লীগ ও মুজিববাদী সংবিধান ছুঁড়ে ফেলতে হবে। যে সংবিধান জনগণের সংবিধান নয় সে সংবিধান রাখার কোন মানে হয়না।

উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলমের সঞ্চালনায় পদসভায় বক্তব্য রাখেন মুখ্য সংগঠক (দক্ষিণাঞ্চল) হাসনাত আবদুল্লাহ ও  যুগ্ন মুখ্য সংগঠক (উত্তরাঞ্চল) আবু সায়েদ লিয়ন।

এসময় উপস্থিত ছিলেন  জাতীয় নাগরিক পার্টির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক সামান্তা শারমিন, সিনিয়র যুগ্ন সদস্য সচিব ডা. তাসনিম জারা সহ কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতারা।

সারাদেশ

শেরপুর-৩ আসনের জামায়াতের প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল মারা গেছেন

জামায়াতে ইসলামীর শেরপুর জেলা শাখার সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী–ঝিনাইগাতী) আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল (৫১) মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত আনুমানিক ৩ টার দিকে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শেরপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি আবুল কালাম আজাদ। পরিবার সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার […]

শেরপুর-৩ আসনের জামায়াতের প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল মারা গেছেন

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৫:০৬

জামায়াতে ইসলামীর শেরপুর জেলা শাখার সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী–ঝিনাইগাতী) আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল (৫১) মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত আনুমানিক ৩ টার দিকে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শেরপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি আবুল কালাম আজাদ।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার রাত ১০টার দিকে হঠাৎ শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যায় গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন নুরুজ্জামান বাদল। তাৎক্ষণিকভাবে তাকে শ্রীবরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। পরে সেখান থেকে দ্রুত ময়মনসিংহ স্বদেশ হাসপাতালে নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়।

ময়মনসিংহ নেওয়ার পথে রাত ৩ টার দিকে শহরের প্রবেশমুখ ব্রিজ এলাকায় পৌঁছালে তার অবস্থার অবনতি ঘটে এবং সেখানে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। পরে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।

পরিবারের পক্ষ থেকে মৃতের ভাই মাসুদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এছাড়াও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নিজেদের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে দেওয়া ওই পোস্টে বলা হয়, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী শেরপুর জেলা শাখার সম্মানিত সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ সংসদীয় আসনে জামায়াত মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী জনাব আলহাজ্ব নুরুজ্জামান বাদল আনুমানিক আজ রাত ৩টায় কিডনিজনিত রোগে হাসপাতালে ভর্তি অবস্থায় ইন্তেকাল করেছেন। ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।

পোস্টে আরও উল্লেখ করা হয়, আল্লাহ তা’য়ালা তাকে জান্নাতুল ফেরদাউস দান করুন এবং তার শোকসন্তপ্ত পরিবার-পরিজন ও সহকর্মীদের ধৈর্য ধারণের তৌফিক দান করুন।

সারাদেশ

নিখোঁজের ২ দিন পর মেঘনায় ভেসে উঠলো পুলিশ সদস্যের নিথর দেহ

লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি: ভোলার লালমোহন উপজেলায় মৎস্য অভিযানে গিয়ে লঞ্চের ধাক্কায় স্পিডবোট উল্টে নিখোঁজ হওয়ার দুইদিন পর পুলিশ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের সন্ধান মিলেছে। শুক্রবার বিকেলে দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পড়েছিল ওই পুলিশ কনস্টেবলের নিথর দেহ। তিনি লালমোহন উপজেলার মঙ্গলসিকদার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে কর্মরত ছিলেন। বিষয়টি নিশ্চিত করে লালমোহন থানার […]

নিখোঁজের ২ দিন পর মেঘনায় ভেসে উঠলো পুলিশ সদস্যের নিথর দেহ

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২০ মার্চ ২০২৬, ২৩:০২

লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি:

ভোলার লালমোহন উপজেলায় মৎস্য অভিযানে গিয়ে লঞ্চের ধাক্কায় স্পিডবোট উল্টে নিখোঁজ হওয়ার দুইদিন পর পুলিশ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের সন্ধান মিলেছে। শুক্রবার বিকেলে দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পড়েছিল ওই পুলিশ কনস্টেবলের নিথর দেহ। তিনি লালমোহন উপজেলার মঙ্গলসিকদার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে কর্মরত ছিলেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করে লালমোহন থানার ওসি মো. অলিউল ইসলাম বলেন, গত বুধবার সন্ধ্যার পর মঙ্গলসিকদার লঞ্চঘাট এলাকা থেকে মেঘনা নদীতে মৎস্য অভিযানের জন্য মৎস্য অফিসের ৩ সদস্য ও একজন পুলিশ অফিসারসহ ৩ জন কনস্টেবল স্পিডবোটে করে মেঘনা নদীতে রওয়ানা দেন।

এ সময় যাত্রীবাহী লঞ্চ কর্ণফুলী-১২ এর সঙ্গে ধাক্কা লেগে স্পিডবোটটি উল্টে যায়। এ ঘটনায় ওই স্পিডবোটে থাকা সবাই তীরে উঠতে পারলেও নদীতে ডুবে নিখোঁজ হয়ে যান কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলাম। তাকে উদ্ধার করতে গত দুইদিন ধরে কাজ করেছেন নৌবাহিনী, কোস্টগার্ড ও ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দলের সদস্যরা।

তিনি আরও বলেন, শুক্রবার বিকেলে খবর পাওয়া যায় দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পুলিশের পোশাক পরিহিত এক ব্যক্তির মরদেহ পড়েছিল।

স্থানীয়রা বিষয়টি দেখতে পেয়ে দৌলতখান থানায় খবর দেন। পরে পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করেন। দৌলতখান থানা পুলিশের দেওয়া তথ্যে আমরা নিশ্চিত হই ওই মরদেহটি নিখোঁজ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

সারাদেশ

এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা আসাদুল্লাহ গ্রেপ্তার

চেক ডিজঅনারের একটি মামলায় পাবনা-২ আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ‘হ্যাঁ’ ভোটের অ্যাম্বাসেডর ও দলের যুব সংগঠন যুবশক্তির কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) গভীর রাতে সুজানগর উপজেলার হাটখালী ইউনিয়নের সৈয়দপুর গ্রামে নিজ বাড়ি থেকে তাকে আটক করে কামালপুর পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা। পরে তাকে সুজানগর থানায় হস্তান্তর করা হয়। তিনি […]

এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা আসাদুল্লাহ গ্রেপ্তার

এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা আসাদুল্লাহ গ্রেপ্তার

নিউজ ডেস্ক

১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১১:০৫

চেক ডিজঅনারের একটি মামলায় পাবনা-২ আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ‘হ্যাঁ’ ভোটের অ্যাম্বাসেডর ও দলের যুব সংগঠন যুবশক্তির কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) গভীর রাতে সুজানগর উপজেলার হাটখালী ইউনিয়নের সৈয়দপুর গ্রামে নিজ বাড়ি থেকে তাকে আটক করে কামালপুর পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা। পরে তাকে সুজানগর থানায় হস্তান্তর করা হয়। তিনি ওই গ্রামের আকমল শিকদারের ছেলে।

পুলিশ জানায়, ২০২৪ সালে জামালপুর জেলার একটি চেক ডিজঅনার মামলায় তিনি এক মাসের কারাদণ্ড ও তিন লাখ টাকা অর্থদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি ছিলেন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের গণভোটে ‘হ্যাঁ’ পক্ষে প্রচারণা শেষে বাড়িতে অবস্থানকালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরদিন আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

তবে গ্রেপ্তারকে হয়রানিমূলক দাবি করেছে আসাদুল্লাহর পরিবার। তার স্ত্রী নাঈমা আক্তার রিমা বলেন, গভীর রাতে বাসা থেকে তাকে তুলে নেওয়া হয়েছে এবং পারিবারিক ও রাজনৈতিকভাবে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।

সুজানগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জানান, তিনি ওই মামলার সাজাপ্রাপ্ত ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি ছিলেন বলেই আইনানুগভাবে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে।