মঙ্গলবার, ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

রেল স্টেশনে ওয়াসফিটে ঘাস এবং আগাছার উপরে পুনরায় চলছে ঢালাই কাজ,

জরাজীর্ণ অবস্থায় দীর্ঘদিনের পড়ে থাকা মরিচা যুক্ত রড ও আগাছার উপর দিয়ে চিলাহাটি রেলস্টেশনের নবনির্মিত ওয়াশ ফিটের ঢালাইয়ের কাজ চলছে। প্রায় সাত মাস পূর্বে ঢালাই দেওয়ার জন্য রড বিছানো শেষ হলেও ঠিকাদারের লোকজন সাত মাস থেকে বেতন না পাওয়ায় কাজ বন্ধ রাখায় ঘাস জঙ্গল জন্মে আগাছা যুক্ত সহ রড গুলি ছিন্নভিন্ন হয়ে মরিচা অবস্থায় পড়ে […]

প্রতিনিধি ডেস্ক

২৫ জুন ২০২৫, ২১:১৫

জরাজীর্ণ অবস্থায় দীর্ঘদিনের পড়ে থাকা মরিচা যুক্ত রড ও আগাছার উপর দিয়ে চিলাহাটি রেলস্টেশনের নবনির্মিত ওয়াশ ফিটের ঢালাইয়ের কাজ চলছে।

প্রায় সাত মাস পূর্বে ঢালাই দেওয়ার জন্য রড বিছানো শেষ হলেও ঠিকাদারের লোকজন সাত মাস থেকে বেতন না পাওয়ায় কাজ বন্ধ রাখায় ঘাস জঙ্গল জন্মে আগাছা যুক্ত সহ রড গুলি ছিন্নভিন্ন হয়ে মরিচা অবস্থায় পড়ে আছে।

ওই অবস্থায় ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের নাম ভাঙিয়ে সোহেল নামে এক ব্যক্তিকে দিয়ে অভিনব কায়দায় নির্মাণ কাজ শেষ করা হচ্ছে ।

গোপন সূত্রে জানা গেছে, প্রকল্প পরিচালক আব্দুর রহিম নিজেই ঠিকাদার সেজে তার বিশ্বস্ত ব্যক্তি সোহেলকে দিয়ে ওয়াস ফিডের পড়ে থাকা অসমাপ্ত কাজ ঈদুল আযহার ছুটি চলাকালীন সময় ধামাচাপা দিয়ে তড়িঘড়ি নির্মাণ কাজ শেষ করে।

তবে প্রকল্প পরিচালক আব্দুর রহিম অস্বীকার করে বলেন, চিলাহাটি রেলওয়ে কাজের জন্য ম্যাক্স ও ক্যাশেন নামে দুইটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান নির্মাণ কাজ করে আসছে।

জানা গেছে, নীলফামারীর চিলাহাটি আধুনিকরন রেলস্টেশনে ৪০০ মিটার দৈর্ঘ্য ওয়াসফিট নির্মাণ কাজের জন্য ২১ কোটি ৯৫ লক্ষ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ক্যাসেল কোম্পানি জানুয়ারি ২০২৩ সালে নির্মাণ কাজ শুরু করেন।

কাজের সময় প্রথমে ১ বছর পরবর্তীতে বৃদ্ধি করে ২ বছর সময় বৃদ্ধি করা হয়। এরই মধ্যে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান দীর্ঘদিন থেকে তাদের কাজের বিল রেলওয়ে না দেওয়ায় তারা তাদের কর্মচারীদের বেতন-ভাতা সাত মাস থেকে দিতে পারেনি। 

বেতন ভাতা না পেয়ে কর্মচারীরা পরিবার পরিজন নিয়ে অসহায় হয়ে পড়ে। নিরুপায় হয়ে কর্মচারীরা বেতন ভাতার দাবিতে কোম্পানির কাছে ক্ষোভ বিক্ষোভ অব্যাহত রেখেছে। তারই অংশ হিসাবে গত সাত মাস থেকে চিলাহাটি ওয়াসফিটের অসমাপ্ত কাজ পরে থাকে।

অপর একটি সূত্র জানান, সেই অসমাপ্ত কাজ শেষ করতে রেলওয়ের প্রকল্প পরিচালক আব্দুর রহিম তার এক অনুগত সোহেল নামে এক ব্যক্তিকে দিয়ে ঝাড় জঙ্গলের উপর মরিচা যুক্ত জোড়াজিন্ন রড দিয়ে ঢালাইয়ের কাজ শেষ করে।

চিলাহাটি রেলস্টেশনে প্রকল্পের কাজ শুরু থেকে প্রকল্প পরিচালক আব্দুর রহিম স্টেশনের কাজ দেখতে আসলে তার সাথে প্রায় সময় সোহেল নামে ওই ব্যক্তিকে দেখা যেত।

সেই সোহেল এখন ক্যাসেল কোম্পানি অসমাপ্ত কাজ শেষ করছে। সোহেলের পিছনে পর্দার আড়ালে কে আছে তানিয়ে এলাকায় নানান জল্পনা কল্পনা চলছে।

প্রায় সাত মাস থেকে নির্মাণ কাজ বন্ধ রেখেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ক্যাচেল। নির্মাণ কাজ বন্ধ থাকলেও রেলওয়ের প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তারা নীরব দর্শকের ভূমিকা পালন করে আসছে। সঠিক তদারকির অভাবে শুরু থেকে ঠিকাদার গা ছেড়ে দিয়ে নামকাওয়াস্তে নির্মাণ কাজ করে আসছে।

ওয়াচ ফিট কাজ শুরুর পর দুই দুইবার চিলাহাটি রেলস্টেশনে জিআইবিআর পরিদর্শন করে গেছেন। তিনি পরিদর্শন কালে স্থানীয়রা নবনির্মিত আইকনিকভবনের ফাটল, ওয়াসফিটের পিলারের ফাটলের ভিডিও চিত্র তুলে ধরার পরও অদ্যবধি কোন প্রতিকার মেলেনি।

অপরদিকে ইতিপূর্ বিভিন্ন পত্রিকায় চিলাহাটি নবনির্মিত আইকনিক ভবনের ফাটল, ফাটল স্থানে টাইলস পরিবর্তন করে ধামাচাপা

ও ওয়াসফিটের পিলারের ফাটল সহ নিম্নমানের কাজের চিত্র তুলে ধরে একাধিকবার সংবাদ প্রকাশিত হলেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নজরে আসেনি। ফলে একের পর এক নির্মাণ কাজ বেপরোয়া ভাবে চলে আসছে।

ক্যাসেল কোম্পানির প্রকল্প ম্যানেজার সালেমান হোসেন বলেন, কোম্পানি সাত মাস থেকে আমাদের বেতন ভাতা বন্ধ রাখায় আমরা পরিবার-পরিজন নিয়ে অতি কষ্টে জীবন যাপন কাটাচ্ছি। এজন্য আমরা দীর্ঘ সাত মাস থেকে কোম্পানির বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানিয়ে আসছি।

২৫ জুন বুধবার পুনরায় কাজ তদারকি করতে গেলে দেখা যায়- ওয়াসফিটের একটি ঢালাই কাজ আবারও ঘাসের উপরেই দেওয়া হচ্ছে।

এবং অত্যন্ত নিম্নমানের কাজ চলতেছিল।এ ব্যাপারে কাজের সাথে জড়িত কর্মচারীর সাথে কথা বললে তিনি জানান পলিথিন আনতে বলছি না আনার কারণে এই এভাবে ঢালাই কাজ করছি।

এ ব্যাপারে প্রকল্প পরিচালক আব্দুর রহিম বলেন, অসমাপ্ত কাজ গুলি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান শেষ করছে। দীর্ঘদিন পরে থাকায় আগাছা গুলি পরিষ্কার করে ঢালাইয়ের কাজ চলছে। সেখানে দেখাশোনার জন্য আমার লোক রয়েছে। যদি কোন ভিডিও প্রমাণ থাকে তাহলে প্রয়োজনের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

তবে স্থানীয় সাংবাদিকরা বেশ কয়েকবার ভিডিও প্রমাণসহ নিউজ করার পরও কোন প্রয়োজনে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়নি। এভাবেই কি জোড়া তালি দিয়ে ভুলভাল বুঝিয়ে শেষ হবে চিলাহাটি রেলস্টেশনের ওয়াসফিটের এর কাজ?

সারাদেশ

‘ফরহাদকে জামাই হিসেবে পেয়ে গর্বিত, আমাদের মেয়েও কম নয়’ : পৌর জামায়াতের আমির

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সাধারণ সম্পাদক এসএম ফরহাদ এবং চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (চাকসু) নির্বাহী সদস্য জান্নাতুল ফেরদৌস সানজিদা-এর বিয়ে সম্পন্ন হয়েছে। বুধবার দুপুর ১টা ১৫ মিনিটে রাজধানীর কাঁটাবন জামে মসজিদে জোহরের নামাজের পর পারিবারিক ও ঘনিষ্ঠজনদের উপস্থিতিতে আকদ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। ফরহাদের মামাতো ভাই লুৎফুর রহমান জানান, উভয় পরিবারের সদস্যদের পাশাপাশি […]

নিউজ ডেস্ক

২৪ ডিসেম্বর ২০২৫, ২২:৫৯

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সাধারণ সম্পাদক এসএম ফরহাদ এবং চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (চাকসু) নির্বাহী সদস্য জান্নাতুল ফেরদৌস সানজিদা-এর বিয়ে সম্পন্ন হয়েছে। বুধবার দুপুর ১টা ১৫ মিনিটে রাজধানীর কাঁটাবন জামে মসজিদে জোহরের নামাজের পর পারিবারিক ও ঘনিষ্ঠজনদের উপস্থিতিতে আকদ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

ফরহাদের মামাতো ভাই লুৎফুর রহমান জানান, উভয় পরিবারের সদস্যদের পাশাপাশি ইসলামী আন্দোলনের নেতৃবৃন্দের উপস্থিতিতে শান্ত ও সংক্ষিপ্ত পরিসরে আকদ সম্পন্ন হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরার সদস্য ও চট্টগ্রাম মহানগরীর আমির মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক ও চট্টগ্রাম-১০ আসনে জামায়াত মনোনীত প্রার্থী শামসুজ্জামান হেলালীসহ উভয় পরিবারের স্বজনরা।

এসএম ফরহাদ চট্টগ্রামের সন্তান। তার বাবা মাওলানা ফোরকান চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী বায়তুশ শরফ মাদ্রাসার প্রিন্সিপাল। ফরহাদ পরিবারের বড় ছেলে এবং ইসলামী ছাত্রশিবির ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সাবেক সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। বর্তমানে তিনি ডাকসুর সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্বে রয়েছেন।

অপরদিকে কনে জান্নাতুল ফেরদৌস সানজিদা ফেনীর সোনাগাজী পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডের চট্টগ্রাম সমাজ বড়বাড়ির সন্তান। তিনি স্থানীয় জামায়াত নেতা ও ব্যবসায়ী এমদাদুল্লাহ কাজলের বড় মেয়ে। সানজিদা চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের মেধাবী শিক্ষার্থী এবং চাকসুর নির্বাহী সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হন।

সোনাগাজী পৌর জামায়াতের আমির মাওলানা কালিম উল্যাহ বলেন, “ফরহাদকে জামাই হিসেবে পেয়ে আমরা গর্বিত। আমাদের মেয়েও কোনো অংশে কম নয়। চাকসু নির্বাচনে ছয় হাজার ভোট পেয়ে সানজিদা চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো সর্বোচ্চ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নির্বাচিত হয়েছে।”

উল্লেখ্য, জিএস ফরহাদের বাগদান অনুষ্ঠান ডিসেম্বরের মাঝামাঝি হওয়ার কথা থাকলেও ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শহীদ ওসমান হাদির হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় তা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছিল। পরবর্তীতে পারিবারিক সিদ্ধান্তে বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয়।

সারাদেশ

ওসমান হাদি হত্যার মাস্টারমাইন্ড ‘শাহীন চেয়ারম্যান’

জুলাই অভ্যুত্থানের অন্যতম সম্মুখসারির সংগঠক ও ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ডের পেছনের পরিকল্পনাকারীদের বিষয়ে নতুন তথ্য সামনে আসছে। তদন্তে উঠে এসেছে, এই হত্যাকাণ্ডের মূল পরিকল্পনা ও বাস্তবায়নের সঙ্গে জড়িত হিসেবে ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান শাহীন আহমেদ ওরফে ‘শাহীন চেয়ারম্যান’-এর নাম। গোয়েন্দা সংস্থার ভাষ্য অনুযায়ী, অর্থ ও অস্ত্র—দুটোর ব্যবস্থাপনাতেই তার সরাসরি ভূমিকা […]

ওসমান হাদি হত্যার মাস্টারমাইন্ড ‘শাহীন চেয়ারম্যান’

ওসমান হাদি হত্যার মাস্টারমাইন্ড ‘শাহীন চেয়ারম্যান’

নিউজ ডেস্ক

২০ ডিসেম্বর ২০২৫, ১০:৫৭

জুলাই অভ্যুত্থানের অন্যতম সম্মুখসারির সংগঠক ও ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ডের পেছনের পরিকল্পনাকারীদের বিষয়ে নতুন তথ্য সামনে আসছে। তদন্তে উঠে এসেছে, এই হত্যাকাণ্ডের মূল পরিকল্পনা ও বাস্তবায়নের সঙ্গে জড়িত হিসেবে ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান শাহীন আহমেদ ওরফে ‘শাহীন চেয়ারম্যান’-এর নাম। গোয়েন্দা সংস্থার ভাষ্য অনুযায়ী, অর্থ ও অস্ত্র—দুটোর ব্যবস্থাপনাতেই তার সরাসরি ভূমিকা ছিল।

তদন্তসংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্র জানায়, এই হত্যাকাণ্ডে শাহীন চেয়ারম্যান একা ছিলেন না। তার সঙ্গে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ ও সহযোগিতায় ছিলেন আরও কয়েকজন ব্যক্তি, যাদের মধ্যে নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের সাবেক কয়েকজন নেতার সম্পৃক্ততার প্রাথমিক তথ্য মিলেছে। এরই মধ্যে কয়েকজন সন্দেহভাজনের ওপর নজরদারি বাড়ানো হয়েছে।

গোয়েন্দাদের দাবি, হাদির ওপর হামলার পর হামলাকারীদের ঢাকা থেকে সীমান্তের দিকে পালিয়ে যেতে সহায়তা করেন গোপালগঞ্জ জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি আব্দুল হামিদ। এ ঘটনায় তার সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে তাকে গ্রেপ্তারের জন্য অভিযান জোরদার করা হয়েছে। তদন্তে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, হামলার আগে ও পরে হত্যাকারীদের সঙ্গে তার একাধিকবার যোগাযোগ হয়েছিল।

তদন্তসংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন, জুলাই অভ্যুত্থানে শরিফ ওসমান হাদির সক্রিয় ভূমিকা এবং গত বছরের ৫ আগস্টের পর তার ধারাবাহিক বক্তব্য ও রাজনৈতিক অবস্থান আওয়ামী লীগকে চরমভাবে ক্ষুব্ধ করে তোলে। দলটির অভ্যন্তরীণ মূল্যায়নে হাদিকে ‘বড় ঝুঁকি’ হিসেবে দেখা হচ্ছিল। সেই প্রেক্ষাপটেই তাকে লক্ষ্য করে পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ডের ছক তৈরি হয়।

শাহীন আহমেদের রাজনৈতিক ও অপরাধী পরিচিতিও তদন্তে গুরুত্ব পাচ্ছে। তিনি দীর্ঘদিন দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি ছিলেন। স্থানীয়ভাবে তিনি একজন প্রভাবশালী নেতা হলেও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নথিতে বহুদিন ধরেই সন্ত্রাসী ও অস্ত্রধারী হিসেবে পরিচিত ছিলেন। অভিযোগ রয়েছে, শেখ হাসিনা সরকারের সময় সাবেক বিদ্যুৎ ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বিপুর ঘনিষ্ঠ হিসেবে তিনি ব্যাপক প্রভাব খাটিয়ে একাধিকবার উপজেলা চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন এবং নানা অভিযোগ সত্ত্বেও ছিলেন ধরাছোঁয়ার বাইরে।

স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, গত বছরের ৫ আগস্টের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর শাহীন চেয়ারম্যান সীমান্ত পেরিয়ে ভারতে চলে যান। প্রথম দিকে তিনি আত্মগোপনে থাকলেও গত কয়েক মাসে আবার সক্রিয় হয়ে ওঠেন। তদন্তে জানা গেছে, তিনি বিভিন্ন অ্যাপ ব্যবহার করে দেশে থাকা ‘স্লিপার সেল’-এর সদস্যদের সঙ্গে যোগাযোগ করে পরিকল্পনা বাস্তবায়নের চেষ্টা করছিলেন।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর এক কর্মকর্তা জানান, কয়েকটি হোয়াটসঅ্যাপ কল ও খুদেবার্তার সূত্র ধরে শাহীন চেয়ারম্যানের সম্পৃক্ততার প্রমাণ পাওয়া গেছে। একই সঙ্গে পলাতক ছাত্রলীগ নেতা হামিদের সঙ্গে হত্যাকারীদের যোগাযোগের তথ্যও মিলেছে। ভারতে অবস্থানরত কয়েকটি গ্রুপ থেকে অ্যাপভিত্তিক যোগাযোগের মাধ্যমে ঢাকায় থাকা সহযোগীদের কাজ সমন্বয় করা হচ্ছিল বলেও তদন্তে উঠে এসেছে।

সূত্র আরও জানায়, এই মামলার তদন্তে সন্দেহভাজনের তালিকায় কয়েকজন রাজনীতিকের নামও এসেছে। তাদের ভূমিকা যাচাইয়ে গ্রেপ্তার হওয়া আসামিদের যৌথভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। পাশাপাশি শাহীন চেয়ারম্যানের ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত কেরানীগঞ্জের দুজন ছাত্রলীগ নেতাকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

এ বিষয়ে ঢাকা মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার (ডিবি) শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘সব দিক বিবেচনায় নিয়ে অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত চলছে। আমরা আশাবাদী, খুব শিগগিরই এই হত্যাকাণ্ডের মাস্টারমাইন্ডসহ সংশ্লিষ্ট পরিকল্পনাকারীদের পরিচয় স্পষ্ট হবে।’

সারাদেশ

শেরপুর-৩ আসনের জামায়াতের প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল মারা গেছেন

জামায়াতে ইসলামীর শেরপুর জেলা শাখার সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী–ঝিনাইগাতী) আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল (৫১) মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত আনুমানিক ৩ টার দিকে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শেরপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি আবুল কালাম আজাদ। পরিবার সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার […]

শেরপুর-৩ আসনের জামায়াতের প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল মারা গেছেন

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৫:০৬

জামায়াতে ইসলামীর শেরপুর জেলা শাখার সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী–ঝিনাইগাতী) আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল (৫১) মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত আনুমানিক ৩ টার দিকে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শেরপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি আবুল কালাম আজাদ।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার রাত ১০টার দিকে হঠাৎ শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যায় গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন নুরুজ্জামান বাদল। তাৎক্ষণিকভাবে তাকে শ্রীবরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। পরে সেখান থেকে দ্রুত ময়মনসিংহ স্বদেশ হাসপাতালে নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়।

ময়মনসিংহ নেওয়ার পথে রাত ৩ টার দিকে শহরের প্রবেশমুখ ব্রিজ এলাকায় পৌঁছালে তার অবস্থার অবনতি ঘটে এবং সেখানে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। পরে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।

পরিবারের পক্ষ থেকে মৃতের ভাই মাসুদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এছাড়াও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নিজেদের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে দেওয়া ওই পোস্টে বলা হয়, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী শেরপুর জেলা শাখার সম্মানিত সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ সংসদীয় আসনে জামায়াত মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী জনাব আলহাজ্ব নুরুজ্জামান বাদল আনুমানিক আজ রাত ৩টায় কিডনিজনিত রোগে হাসপাতালে ভর্তি অবস্থায় ইন্তেকাল করেছেন। ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।

পোস্টে আরও উল্লেখ করা হয়, আল্লাহ তা’য়ালা তাকে জান্নাতুল ফেরদাউস দান করুন এবং তার শোকসন্তপ্ত পরিবার-পরিজন ও সহকর্মীদের ধৈর্য ধারণের তৌফিক দান করুন।