মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

মুন্সিগঞ্জে ২০ কোটি টাকায় নির্মাণের পরেও চালু হয়নি ২টি সেতু

আক্কাছ আলী মুন্সিগঞ্জ প্রতিনিধি  সংযোগ সড়কের অভাবে মুন্সিগঞ্জে ২০ কোটি টাকা ব্যায়ে নির্মিত ২টি সেতু অচল পড়ে আছে। সদর উপজেলার চরাঞ্চলের পাঁচ ইউনিয়নের প্রবেশদ্বার মুন্সিরহাট ও হামিদপুরে খালের ওপর পুরানো দুইটি বেইলী সেতু ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ায় ২০২৩ সালে নতুন আরসিসি সেতু নির্মানের কাজ শুরু হয়। প্রকল্পের মেয়াদ অনুযায়ী ২০২৫ সালের জুন মাসের আগেই সেতুর নির্মান কাজ […]

প্রতিনিধি ডেস্ক

১৮ জুন ২০২৫, ২০:৩০

আক্কাছ আলী মুন্সিগঞ্জ প্রতিনিধি 

সংযোগ সড়কের অভাবে মুন্সিগঞ্জে ২০ কোটি টাকা ব্যায়ে নির্মিত ২টি সেতু অচল পড়ে আছে। সদর উপজেলার চরাঞ্চলের পাঁচ ইউনিয়নের প্রবেশদ্বার মুন্সিরহাট ও হামিদপুরে খালের ওপর পুরানো দুইটি বেইলী সেতু ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ায় ২০২৩ সালে নতুন আরসিসি সেতু নির্মানের কাজ শুরু হয়।

প্রকল্পের মেয়াদ অনুযায়ী ২০২৫ সালের জুন মাসের আগেই সেতুর নির্মান কাজ শেষ করে সড়ক ও জনপদ বিভাগ। তবে পুরানো সেতুর পাশে নতুন সেতুর নির্মান কাজ শেষ হলেও সংযোগ সড়ক না থাকায় চালু হয়নি সেতু দুইটি। সংযোগ সড়কের জন্য সেতু নির্মানের পূর্বে ভূমি অধিগ্রহন না করায় এই জটিলতা।

সেতুতে উঠতে নামতে সংযোগ সড়কের স্থানে বাড়িঘর ও দোকানপাট। এসব ভূমি মালিকররা ন্যায্য মূল্যের দাবীতে ছাড়ছে না তাদের অধিকার। ফলে এখনো পুরানো জরাজীর্ণ বেইলী সেতু দিয়ে ঝুঁকিপূর্ণ যাতায়াত করছে পাঁচ ইউনিয়নের প্রায় লক্ষাধিক মানুষ। 

সরকারী হরগঙ্গা কলেজের একাদশ শেণির ছাত্রী সুমাইয়া আক্তার জানান, ’এই প্রথম দেখলাম সেতুতে ওঠার দুই পাশে রাস্তা না  

বানিয়ে সেতু বানিয়ে ফেলতে। ভাঙ্গা সেতু দিয়ে যাওয়া-আসা করতে আমাদের অনেক ভয় করে।সঠিক পরিকল্পনার অভাবে সরকারের এতা অর্থ ব্যয় করে সেতু দুইটি চালু করা যাচ্ছে না। এর জন্য কর্তৃপক্ষের যথেষ্ট গাফিলতি রয়েছে।’ 

ব্যাটারি চালিত অটো রিক্সা চালক ইউসুফ বেপারী আক্ষেপের সুরে বলেন,’এত টাকা খরচ করে ঘরবাড়ি দোকানপাটের উপর দিয়ে ব্রিজ বানিয়ে লাভ কি? রাস্তা বানাইলো না। আমরা যেতে পারিনা। এখন পর্যন্ত আমরা ভাঙ্গা ব্রিজ দিয়ে চলতাছি। 

মুন্সিরহাট বাজারে স্যানেটারী ব্যবসায়ী হাসান বাবুল জানান,’ আগের জরাজীর্ণ সেতু ভেঙে সেই স্থানে নতুন সেতু নির্মান করলে ভালো হতো। সরকারী খাস জমিতে সেতু নির্মান করলে এতদিনে সেতু দুইটি চালু হয়ে যেত। আর সরকারের ভূমি অধিগ্রহন ব্যয় বেচে যেত।

যদি নকশা জটিলতার কারণে পুরানো সেতুর পাশে নতুন সেতু নির্মাণের্ এতোই প্রয়োজন পড়তো তাহলে এতদিনে কেন ভুমি অধিগ্রহন পত্রিয়া শেষ হলো না? আমরা সরকারের কাছে বিনীতভাবে অনুরোধ করছি যত দ্রুত সম্ভব এই পাঁচটা ইউনিয়নের গাড়ি যাতায়াতের গুরুত্বপূর্ণ সেতু দুইটি চালু করার ব্যবস্থা করা হোক।’

 ভূমি মালিকদের অভিযোগ তাদের ক্রয়কৃত সম্পত্তিগুলো অধিগ্রহনের পক্রিয়া সেতু নির্মানের পূর্বে শুরু না করে প্রতারণা করেছেন কর্তৃপক্ষ। তাদের দাবী সরকারী পক্রিয়া মেনে তাদের উচ্ছেদ করা হোক। 

স্থানীয় বাস্দিা ভূমি মালিক ইমন আহম্মেদ জানান,’ আমরা কি সরকারি জায়গায় থাকছি। আমরা জায়গা কিনে নিয়েছি। ব্রিজের পাশে সরকারি খাস জায়গা থাকা সত্ত্বেও ব্রিজ মালিকানা জায়গায় উপর দিয়ে কেন উঠালো এটা আমরা সাধারণ মানুষ এবং মালিকরা বুঝতেছিনা। কারণ সরকারি খাস জমির উপর দিয়ে যদি ব্রিজগুলো উঠাতো তাহলে সরকারের কোটি কোটি টাকা বেঁচে যেত। আর আমদেরও বাপ-দাদার ভিটা মাটি ছাড়তে হতো না।’ 

আরেক ভূমি মালিক নাজমুল কবির সুরুজ বলেন, ’সরকার যদি দ্রুত আমাদের মালিকদের টাকা পয়সা বুঝিয়ে দেয় তাহলে তো আমরা জায়গা ছেড়ে দেই।এখন মালিকরা টাকা না পেলে তো জায়গা ছাড়বে না।’

ভূমি মালিক কৃষক কাশেম আলী মোল্লা জানান, ’আমার দুই ভাই নিবন্ধন করে আসছে। আমি নিবন্ধন করি নাই। নিবন্ধন করি নাই কারণ আমি ন্যায্য মূল্য পাই নাই৷ আমার ৩টা ঘরের দাম ঠিক মেতা ধরে নাই।’ আমাগো নোটিশ দিচ্ছে মাত্র চার-পাঁচ দিন হয়। নোটিশে লেখা আছে মাত্র ৬ লক্ষ টাকা। আমাগো ঘরবাড়ি তুলতে খরচ হইছে চৌদ্দ লক্ষ টাকা। ৬ লক্ষ টাকা আমাদের ন্যায্য মূল্য হয় নাই। 

ভূমি মালিক কৃষক কাশেম আলীর স্ত্রী বলেন, ’ব্রিজ হওয়ার ফলে এলাকাবাসী সবার উপকারী হয়েছে কিন্তু আমাদের উপকার হয় নাই। রাস্তাটা কিন্তু পাশের ব্রিজ দিয়ে নিতে পারতো। আমাদের বাড়ির উপর দিয়ে নিয়া আমাদের সহায় সম্বল সব শেষ করে দিল। আমরা এখন পর্যন্ত ন্যায্য কোন মূল্য পাই নাই। ন্যায্য মূল্য না পাওয়ার কারণে আমরা বাড়ি ঘর ভাঙতে পারতাছিনা৷ আমরা খুব ভোগান্তির মধ্যে আছি।’ 

এ প্রসঙ্গে সড়ক ও জনপদ বিভাগের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী নাজমুস হোসেন সানি জানিয়েছেন, আমাদের একটি প্রকল্প মাধ্যমে মুন্সিগঞ্জের প্রায় ৪৮টি ব্রিজ নির্মাণ চলছে। তার মধ্যে দুইটি ব্রিজ হচ্ছে বাইদ্দা বাড়ি এক ও বাইদ্দা বাড়ি দুই সেতু। সেতু ২ টির মূল স্ট্রাকচার কমপ্লিট হয়েছে।

শুধুমাত্র দুই সাইডের এপ্রোচ অংশের কাজ বাকি রয়েছে। প্রকল্পটির ভূমি গ্রহণের জন্য আমরা ওয়েট করছি। যদিও অমরা ভুমি অধিগ্রহন পক্রিয়াটি শুরু করেছি ২০২২ সালে। প্রকল্পটির ভূমি গ্রহণের জন্য আমরা ওয়েট করছি। আট ধারায় নোটিশ জারি হয়ে গিয়েছে।

সামনে দখল হস্তান্তর কাজ শেষে আমরা মূল কাজ শুরু করতে পারব। প্রকল্পরে মেয়াদ জুন পর্যন্ত রয়েছে তবে সেতুর কাজ শেষ হলেও জমি বুঝে না পাওয়ায় প্রকল্পের মেয়াদ বৃদ্ধির জন্য আবেদন করা হয়েছে। প্রকল্পের মেয়াদ বর্ধনের জন্য যথাযথ পক্রিয়া অনুমোদনের জন্য অপক্ষেমান রয়েছে।

উপজেলা প্রকৌশলী অফিস সূত্র জানায়, ’জরাজীর্ণ ও অপ্রশস্ত গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে বিদ্যমান বেইলী সেতু আরসিসি সেতু প্রতিস্থাপন প্রকল্প’ (ঢাকা জোন) এর আওতায় প্রকল্পটির কার্যাদেশ হয় ২০২৩ সালের পহেলা জানুয়ারী। ২৮.২৫ মিটার দৈর্ঘ্য ও ৮.২৫ মিটার প্রস্থের বাইদ্দাবাড়ি সেতু এক ও ৫০.১২ মিটার দৈর্ঘ্য ১০.২৫ মিটার প্রস্থ বাইদ্দা বাড়ির সেতু দুই এর নির্মান ব্যয় ধরা হয়েছিলো ১৯ কোটি ৭২ লক্ষ টাকা। এখন পর্যন্ত প্রকল্পটির ৯৫% কাজ শেষ করতে ব্যয় হয়েছে ১৮ কোটি ৭৪ লক্ষ টাকা।

সারাদেশ

শেরপুর-৩ আসনের জামায়াতের প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল মারা গেছেন

জামায়াতে ইসলামীর শেরপুর জেলা শাখার সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী–ঝিনাইগাতী) আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল (৫১) মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত আনুমানিক ৩ টার দিকে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শেরপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি আবুল কালাম আজাদ। পরিবার সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার […]

শেরপুর-৩ আসনের জামায়াতের প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল মারা গেছেন

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৫:০৬

জামায়াতে ইসলামীর শেরপুর জেলা শাখার সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী–ঝিনাইগাতী) আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল (৫১) মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত আনুমানিক ৩ টার দিকে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শেরপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি আবুল কালাম আজাদ।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার রাত ১০টার দিকে হঠাৎ শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যায় গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন নুরুজ্জামান বাদল। তাৎক্ষণিকভাবে তাকে শ্রীবরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। পরে সেখান থেকে দ্রুত ময়মনসিংহ স্বদেশ হাসপাতালে নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়।

ময়মনসিংহ নেওয়ার পথে রাত ৩ টার দিকে শহরের প্রবেশমুখ ব্রিজ এলাকায় পৌঁছালে তার অবস্থার অবনতি ঘটে এবং সেখানে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। পরে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।

পরিবারের পক্ষ থেকে মৃতের ভাই মাসুদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এছাড়াও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নিজেদের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে দেওয়া ওই পোস্টে বলা হয়, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী শেরপুর জেলা শাখার সম্মানিত সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ সংসদীয় আসনে জামায়াত মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী জনাব আলহাজ্ব নুরুজ্জামান বাদল আনুমানিক আজ রাত ৩টায় কিডনিজনিত রোগে হাসপাতালে ভর্তি অবস্থায় ইন্তেকাল করেছেন। ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।

পোস্টে আরও উল্লেখ করা হয়, আল্লাহ তা’য়ালা তাকে জান্নাতুল ফেরদাউস দান করুন এবং তার শোকসন্তপ্ত পরিবার-পরিজন ও সহকর্মীদের ধৈর্য ধারণের তৌফিক দান করুন।

সারাদেশ

নিখোঁজের ২ দিন পর মেঘনায় ভেসে উঠলো পুলিশ সদস্যের নিথর দেহ

লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি: ভোলার লালমোহন উপজেলায় মৎস্য অভিযানে গিয়ে লঞ্চের ধাক্কায় স্পিডবোট উল্টে নিখোঁজ হওয়ার দুইদিন পর পুলিশ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের সন্ধান মিলেছে। শুক্রবার বিকেলে দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পড়েছিল ওই পুলিশ কনস্টেবলের নিথর দেহ। তিনি লালমোহন উপজেলার মঙ্গলসিকদার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে কর্মরত ছিলেন। বিষয়টি নিশ্চিত করে লালমোহন থানার […]

নিখোঁজের ২ দিন পর মেঘনায় ভেসে উঠলো পুলিশ সদস্যের নিথর দেহ

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২০ মার্চ ২০২৬, ২৩:০২

লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি:

ভোলার লালমোহন উপজেলায় মৎস্য অভিযানে গিয়ে লঞ্চের ধাক্কায় স্পিডবোট উল্টে নিখোঁজ হওয়ার দুইদিন পর পুলিশ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের সন্ধান মিলেছে। শুক্রবার বিকেলে দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পড়েছিল ওই পুলিশ কনস্টেবলের নিথর দেহ। তিনি লালমোহন উপজেলার মঙ্গলসিকদার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে কর্মরত ছিলেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করে লালমোহন থানার ওসি মো. অলিউল ইসলাম বলেন, গত বুধবার সন্ধ্যার পর মঙ্গলসিকদার লঞ্চঘাট এলাকা থেকে মেঘনা নদীতে মৎস্য অভিযানের জন্য মৎস্য অফিসের ৩ সদস্য ও একজন পুলিশ অফিসারসহ ৩ জন কনস্টেবল স্পিডবোটে করে মেঘনা নদীতে রওয়ানা দেন।

এ সময় যাত্রীবাহী লঞ্চ কর্ণফুলী-১২ এর সঙ্গে ধাক্কা লেগে স্পিডবোটটি উল্টে যায়। এ ঘটনায় ওই স্পিডবোটে থাকা সবাই তীরে উঠতে পারলেও নদীতে ডুবে নিখোঁজ হয়ে যান কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলাম। তাকে উদ্ধার করতে গত দুইদিন ধরে কাজ করেছেন নৌবাহিনী, কোস্টগার্ড ও ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দলের সদস্যরা।

তিনি আরও বলেন, শুক্রবার বিকেলে খবর পাওয়া যায় দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পুলিশের পোশাক পরিহিত এক ব্যক্তির মরদেহ পড়েছিল।

স্থানীয়রা বিষয়টি দেখতে পেয়ে দৌলতখান থানায় খবর দেন। পরে পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করেন। দৌলতখান থানা পুলিশের দেওয়া তথ্যে আমরা নিশ্চিত হই ওই মরদেহটি নিখোঁজ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

সারাদেশ

এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা আসাদুল্লাহ গ্রেপ্তার

চেক ডিজঅনারের একটি মামলায় পাবনা-২ আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ‘হ্যাঁ’ ভোটের অ্যাম্বাসেডর ও দলের যুব সংগঠন যুবশক্তির কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) গভীর রাতে সুজানগর উপজেলার হাটখালী ইউনিয়নের সৈয়দপুর গ্রামে নিজ বাড়ি থেকে তাকে আটক করে কামালপুর পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা। পরে তাকে সুজানগর থানায় হস্তান্তর করা হয়। তিনি […]

এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা আসাদুল্লাহ গ্রেপ্তার

এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা আসাদুল্লাহ গ্রেপ্তার

নিউজ ডেস্ক

১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১১:০৫

চেক ডিজঅনারের একটি মামলায় পাবনা-২ আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ‘হ্যাঁ’ ভোটের অ্যাম্বাসেডর ও দলের যুব সংগঠন যুবশক্তির কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) গভীর রাতে সুজানগর উপজেলার হাটখালী ইউনিয়নের সৈয়দপুর গ্রামে নিজ বাড়ি থেকে তাকে আটক করে কামালপুর পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা। পরে তাকে সুজানগর থানায় হস্তান্তর করা হয়। তিনি ওই গ্রামের আকমল শিকদারের ছেলে।

পুলিশ জানায়, ২০২৪ সালে জামালপুর জেলার একটি চেক ডিজঅনার মামলায় তিনি এক মাসের কারাদণ্ড ও তিন লাখ টাকা অর্থদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি ছিলেন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের গণভোটে ‘হ্যাঁ’ পক্ষে প্রচারণা শেষে বাড়িতে অবস্থানকালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরদিন আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

তবে গ্রেপ্তারকে হয়রানিমূলক দাবি করেছে আসাদুল্লাহর পরিবার। তার স্ত্রী নাঈমা আক্তার রিমা বলেন, গভীর রাতে বাসা থেকে তাকে তুলে নেওয়া হয়েছে এবং পারিবারিক ও রাজনৈতিকভাবে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।

সুজানগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জানান, তিনি ওই মামলার সাজাপ্রাপ্ত ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি ছিলেন বলেই আইনানুগভাবে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে।