বৃহস্পতিবার, ০২ এপ্রিল ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

ভাঙ্গারি ব্যবসায়ী থেকে কোটিপতি আ.লীগ নেতা মশিউর!

রাশিমুল হক রিমন, বরগুনা প্রতিনিধিঃ বরগুনার তালতলীর ৩৫০ মেগাওয়াট আইসোটেক তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রকে ঘিরে চলছে দুর্নীতি ও লুটপাটের মহোৎসব। উপজেলা আওয়ামী লীগ সদস্য ও ভাঙ্গারি ব্যবসায়ী শেখ মো. মশিউর রহমানের বিরুদ্ধে কোটি কোটি টাকার যন্ত্রাংশ লুটের অভিযোগ উঠেছে। ওই তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে অবৈধভাবে মূল্যবান ধাতব সামগ্রী লুট করে রাতারাতি অঢেল সম্পদের মালিক বনে গেছেন তিনি। সরকারি জমিতে […]

প্রতিনিধি ডেস্ক

০২ জুন ২০২৫, ১৯:৪৯

রাশিমুল হক রিমন, বরগুনা প্রতিনিধিঃ

বরগুনার তালতলীর ৩৫০ মেগাওয়াট আইসোটেক তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রকে ঘিরে চলছে দুর্নীতি ও লুটপাটের মহোৎসব। উপজেলা আওয়ামী লীগ সদস্য ও ভাঙ্গারি ব্যবসায়ী শেখ মো. মশিউর রহমানের বিরুদ্ধে কোটি কোটি টাকার যন্ত্রাংশ লুটের অভিযোগ উঠেছে।

ওই তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে অবৈধভাবে মূল্যবান ধাতব সামগ্রী লুট করে রাতারাতি অঢেল সম্পদের মালিক বনে গেছেন তিনি। সরকারি জমিতে তিনতলা বিলাসবহুল ভবন নির্মাণ করেছেন। তার বিরুদ্ধে সোমবার শাহদাত হোসেন নামের একজন দুদক সমন্বিত কার্যালয় পটুয়াখালী অভিযোগ দিয়েছেন।

শেখ মশিউর রহমানের বাড়ী গোপালগঞ্জ জেলার কোটালীপাড়া উপজেলায়। তিনি শেখ পরিবারের সদস্য বলে তালতলীতে পরিচয় দিতেন। স্থানীয়দের আরো অভিযোগ করেন, শেখ পরিবারের সদস্য পরিচয় দিয়েই তিনি তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্র অধিকহারে লুটপাট করেছেন। 

এ বিষয়ে উপজেলা আওয়ামীলীগ সদস্য শেখ মশিউর রহমান বলেন, সাংবাদিকরা লেখলে কি হয় তা আমার জানা আছে? আপনারা লেখেন, যেখান থেকে থামানো দরকার সে স্থান আমি জানি ও চিনি। কত সাংবাদিকইতো আমার বিরুদ্ধে লেখলে তাতেতো কিছুই হয়নি।

আপনারাও লেখতে থাকেন। দেখি তাতে কি হয়? তিনি আরো বলেন, আমি কিভাবে টাকা আয় করেছি, তা আপনাদের জানার দরকার নেই। আমার আয়ের টাকা দিয়েই বাড়ি করেছি, জমি কিনেছি। তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের মালামাল লুটের অভিযোগ মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।

স্থানীয় সূত্রে জানাগেছে, তালতলী উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি রেজবি-উল কবির জোমাদ্দারের চাচাতো বোনের ছেলে বড়বগী ইউনিয়ন ছাত্রলীগ সভাপতি তানভির সিকদার জয়ের সঙ্গে মশিউর রহমান তার মেয়ে মীমকে বিয়ে দেন।

এরপর তাকে আর পিছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। আত্মীয়তার সুবাদে রেজবির সঙ্গে গড়ে তুলেন সখ্যতা। রাজনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে মামা-ভাগ্নের প্রত্যক্ষ মদদে মশিউর আইসোটেক তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে মুল্যবান ধাতব সামগ্রী চোরাই পথে লুটপাট শুরু করেন। 

স্থানীয়রা অভিযোগ করেন, মশিউর তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে তামার তার, লোহার পাইপ, অ্যালুমিনিয়াম শিটসহ মূল্যবান যন্ত্রাংশ রাতের আঁধারে চুরি করেন। চোরাই সিন্ডিকেটের মাধ্যমে এসব মালামাল পাচার করে ঢাকা ও নারায়নগঞ্জসহ বিভিন্ন স্থানে বিক্রি করেছেন।

স্থানীয় ভাঙ্গারি ব্যবসায়ী হিসেবে পরিচিত মশিউর বর্তমানে গোপালগঞ্জ, ঢাকাসহ একাধিক স্থানে জমি ও বাড়ির মালিক বনে গেছেন ।

মামা-ভাগ্নের ছত্রছায়া তাৎবিদ্যুৎ কেন্দ্রের মালামলা লুট করেই ক্ষ্যান্ত হয়নি শেখ মশিউর রহমান। রেজবি-উল কবির জোমাদ্দার খুশি হয়ে তাকে ( শেখ মশিউর রহমান) তালতলী উপজেলা আওয়ামীলীগ কমিটির সদস্য করেছেন। 

অনুসন্ধ্যানে বেড়িয়ে এসেছে, তালতলীতে মশিউর রহমানের বিলাসবহুল তিনতলা বাড়ির নির্মাণ সামগ্রী—ইট, পাথর, সিমেন্ট, বালু, রড এমনকি টাইলসও তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের। সরকারি জমিতে অবৈধভাবে এই ভবন নির্মাণ করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন স্থানীয় শাহ আলম নামের একজন।

ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনার একজন এপিএসএর প্রত্যক্ষ সহযোগিতায় উপজেলা আওয়ামীলীগ সভাপতি রেজবি-উল কবির জোমাদ্দার এবং তানভীর সিকদার জয়ের প্রত্যক্ষ মদদে এসব কর্মকাণ্ড পরিচালিত করেছেন বলে অভিযোগ করেছেন স্থানীয় জব্বার, রাসেল ও আকবর আলী।

আরো অভিযোগ রয়েছে তালতলী থানার তৎকালীন কিছু অসাধু পুলিশ কর্মকর্তারও মদদ ছিল এই সিন্ডিকেটের পক্ষে। তথ্য অনুসন্ধানে আরো জানাগেছে, আওয়ামী লীগ শাসনামলে একাধিকবার অভিযোগ উঠলেও মশিউরের বিরুদ্ধে কোনো মামলা বা শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেয়নি পুলিশ প্রশাসন।

বরং তার স্ত্রী মাহমুদা বেগম ও কন্যা সুমী, মীম ও স্বপ্নের নামে একাধিক ব্যাংক অ্যাকাউন্টে কোটি কোটি টাকার লেনদেনের তথ্য রয়েছে। দুদক অনুসন্ধান করলেই বেড়িয়ে আসবে বলে জানান নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক তার এক নিকটাত্মীয়।

৫ আগষ্টের পরে তাকে একটু হিমসীম খেতে হয়। গত মার্চ মাসে উপজেলা নির্বাহী অফিসার উম্মে সালমা আইসোটেক তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের মালামাল সামগ্রীসহ মশিউর রহমানকে গ্রেপ্তার করেন। একমাস হাজতবাসের পরে তিনি ছাড়া পান।

তালতলী তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র প্রকল্পের ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় ২০ হাজার কোটি টাকা। এই বিপুল বাজেটের প্রকল্প থেকে দীর্ঘদিন ধরে যন্ত্রাংশ লুটের ঘটনায় দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) ও সংশ্লিষ্ট তদন্ত সংস্থাগুলোর জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন এলাকাবাসী।

তদন্ত হলে প্রকল্পে দুর্নীতির চিত্র স্পষ্ট হয়ে উঠবে বলে মনে করেন তারা । শেখ মশিউর রহমানের এমন কর্মকান্ডের বিরুদ্ধে স্থানীয় শাহদাত হোসেন নামের একজন গত সোমবার দুদক সমন্বিত কার্যালয় পটুয়াখালী অভিযোগ দিয়েছেন।

নিষিদ্ধ ঘোষিত তালতলী উপজেলা আওয়ামীলীগ সভাপতি রেজবি-উল কবির জোমাদ্দারের মুঠোফোনে (01711979095) বারবার যোগযোগ করা হলে তার ফোন বন্ধ পাওয়া গেছে। তবে তার এক আত্মীয় জানান ৫ আগষ্টের পর থেকে তিনি গা-ঢাকা দিয়ে আছেন।

এ বিষয়ে তালতলী আইসোটেক তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের পরিচালক এম আর সামসুল হকের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি কোন মন্তব্য করতে রাজি হয়নি।

পটুয়াখালী সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক তানভির আহমেদ বলেন, অভিযোগ পেয়েছি। যাছাই বাছাই করে তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেয়া হবে। তিনি আরো বলেন, তদন্ত করে অভিযোগ ঢাকা প্রধান কার্যালয়ে পাঠানো হবে। প্রধান কার্যালয়ের নির্দেশ মত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

সারাদেশ

শেরপুর-৩ আসনের জামায়াতের প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল মারা গেছেন

জামায়াতে ইসলামীর শেরপুর জেলা শাখার সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী–ঝিনাইগাতী) আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল (৫১) মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত আনুমানিক ৩ টার দিকে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শেরপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি আবুল কালাম আজাদ। পরিবার সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার […]

শেরপুর-৩ আসনের জামায়াতের প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল মারা গেছেন

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৫:০৬

জামায়াতে ইসলামীর শেরপুর জেলা শাখার সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী–ঝিনাইগাতী) আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল (৫১) মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত আনুমানিক ৩ টার দিকে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শেরপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি আবুল কালাম আজাদ।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার রাত ১০টার দিকে হঠাৎ শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যায় গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন নুরুজ্জামান বাদল। তাৎক্ষণিকভাবে তাকে শ্রীবরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। পরে সেখান থেকে দ্রুত ময়মনসিংহ স্বদেশ হাসপাতালে নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়।

ময়মনসিংহ নেওয়ার পথে রাত ৩ টার দিকে শহরের প্রবেশমুখ ব্রিজ এলাকায় পৌঁছালে তার অবস্থার অবনতি ঘটে এবং সেখানে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। পরে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।

পরিবারের পক্ষ থেকে মৃতের ভাই মাসুদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এছাড়াও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নিজেদের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে দেওয়া ওই পোস্টে বলা হয়, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী শেরপুর জেলা শাখার সম্মানিত সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ সংসদীয় আসনে জামায়াত মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী জনাব আলহাজ্ব নুরুজ্জামান বাদল আনুমানিক আজ রাত ৩টায় কিডনিজনিত রোগে হাসপাতালে ভর্তি অবস্থায় ইন্তেকাল করেছেন। ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।

পোস্টে আরও উল্লেখ করা হয়, আল্লাহ তা’য়ালা তাকে জান্নাতুল ফেরদাউস দান করুন এবং তার শোকসন্তপ্ত পরিবার-পরিজন ও সহকর্মীদের ধৈর্য ধারণের তৌফিক দান করুন।

সারাদেশ

নিখোঁজের ২ দিন পর মেঘনায় ভেসে উঠলো পুলিশ সদস্যের নিথর দেহ

লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি: ভোলার লালমোহন উপজেলায় মৎস্য অভিযানে গিয়ে লঞ্চের ধাক্কায় স্পিডবোট উল্টে নিখোঁজ হওয়ার দুইদিন পর পুলিশ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের সন্ধান মিলেছে। শুক্রবার বিকেলে দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পড়েছিল ওই পুলিশ কনস্টেবলের নিথর দেহ। তিনি লালমোহন উপজেলার মঙ্গলসিকদার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে কর্মরত ছিলেন। বিষয়টি নিশ্চিত করে লালমোহন থানার […]

নিখোঁজের ২ দিন পর মেঘনায় ভেসে উঠলো পুলিশ সদস্যের নিথর দেহ

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২০ মার্চ ২০২৬, ২৩:০২

লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি:

ভোলার লালমোহন উপজেলায় মৎস্য অভিযানে গিয়ে লঞ্চের ধাক্কায় স্পিডবোট উল্টে নিখোঁজ হওয়ার দুইদিন পর পুলিশ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের সন্ধান মিলেছে। শুক্রবার বিকেলে দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পড়েছিল ওই পুলিশ কনস্টেবলের নিথর দেহ। তিনি লালমোহন উপজেলার মঙ্গলসিকদার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে কর্মরত ছিলেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করে লালমোহন থানার ওসি মো. অলিউল ইসলাম বলেন, গত বুধবার সন্ধ্যার পর মঙ্গলসিকদার লঞ্চঘাট এলাকা থেকে মেঘনা নদীতে মৎস্য অভিযানের জন্য মৎস্য অফিসের ৩ সদস্য ও একজন পুলিশ অফিসারসহ ৩ জন কনস্টেবল স্পিডবোটে করে মেঘনা নদীতে রওয়ানা দেন।

এ সময় যাত্রীবাহী লঞ্চ কর্ণফুলী-১২ এর সঙ্গে ধাক্কা লেগে স্পিডবোটটি উল্টে যায়। এ ঘটনায় ওই স্পিডবোটে থাকা সবাই তীরে উঠতে পারলেও নদীতে ডুবে নিখোঁজ হয়ে যান কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলাম। তাকে উদ্ধার করতে গত দুইদিন ধরে কাজ করেছেন নৌবাহিনী, কোস্টগার্ড ও ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দলের সদস্যরা।

তিনি আরও বলেন, শুক্রবার বিকেলে খবর পাওয়া যায় দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পুলিশের পোশাক পরিহিত এক ব্যক্তির মরদেহ পড়েছিল।

স্থানীয়রা বিষয়টি দেখতে পেয়ে দৌলতখান থানায় খবর দেন। পরে পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করেন। দৌলতখান থানা পুলিশের দেওয়া তথ্যে আমরা নিশ্চিত হই ওই মরদেহটি নিখোঁজ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

সারাদেশ

এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা আসাদুল্লাহ গ্রেপ্তার

চেক ডিজঅনারের একটি মামলায় পাবনা-২ আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ‘হ্যাঁ’ ভোটের অ্যাম্বাসেডর ও দলের যুব সংগঠন যুবশক্তির কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) গভীর রাতে সুজানগর উপজেলার হাটখালী ইউনিয়নের সৈয়দপুর গ্রামে নিজ বাড়ি থেকে তাকে আটক করে কামালপুর পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা। পরে তাকে সুজানগর থানায় হস্তান্তর করা হয়। তিনি […]

এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা আসাদুল্লাহ গ্রেপ্তার

এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা আসাদুল্লাহ গ্রেপ্তার

নিউজ ডেস্ক

১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১১:০৫

চেক ডিজঅনারের একটি মামলায় পাবনা-২ আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ‘হ্যাঁ’ ভোটের অ্যাম্বাসেডর ও দলের যুব সংগঠন যুবশক্তির কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) গভীর রাতে সুজানগর উপজেলার হাটখালী ইউনিয়নের সৈয়দপুর গ্রামে নিজ বাড়ি থেকে তাকে আটক করে কামালপুর পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা। পরে তাকে সুজানগর থানায় হস্তান্তর করা হয়। তিনি ওই গ্রামের আকমল শিকদারের ছেলে।

পুলিশ জানায়, ২০২৪ সালে জামালপুর জেলার একটি চেক ডিজঅনার মামলায় তিনি এক মাসের কারাদণ্ড ও তিন লাখ টাকা অর্থদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি ছিলেন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের গণভোটে ‘হ্যাঁ’ পক্ষে প্রচারণা শেষে বাড়িতে অবস্থানকালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরদিন আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

তবে গ্রেপ্তারকে হয়রানিমূলক দাবি করেছে আসাদুল্লাহর পরিবার। তার স্ত্রী নাঈমা আক্তার রিমা বলেন, গভীর রাতে বাসা থেকে তাকে তুলে নেওয়া হয়েছে এবং পারিবারিক ও রাজনৈতিকভাবে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।

সুজানগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জানান, তিনি ওই মামলার সাজাপ্রাপ্ত ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি ছিলেন বলেই আইনানুগভাবে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে।