মোঃ হাসনাইন আহমেদ, ভোলা প্রতিনিধিঃ
ভোলার পথে আটকে পড়েছে জীবন। আবার আটকে পড়েছে মৃত্যুও।
গতকাল রাত ৯টা থেকে লাহারহাট ফেরিঘাটে দাঁড়িয়ে আছে ৭-৮টি অ্যাম্বুলেন্স ও ৩টি মরদেহবাহী গাড়ি। তাদের গন্তব্য ভোলা। কিন্তু দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার কারণে ফেরি চলাচল বন্ধ থাকায় সেই যাত্রা থেমে গেছে মাঝপথে।
অ্যাম্বুলেন্সগুলোর ভেতরে অসুস্থ রোগীরা ছটফট করছে চিকিৎসার আশায়। প্রিয়জনের মরদেহ নিয়ে যারা বাড়ি ফিরছিলেন, তাদের চোখে শুধুই কান্না ও অনিশ্চয়তা।
কেউ সন্তানকে বাঁচাতে ছুটে এসেছেন, কেউ মা-বাবার মৃতদেহ নিয়ে বাড়ি ফিরছেন কিন্তু ঝড়ের বাধায় আটকে আছে সব কিছু।
এই দৃশ্য কোনো সিনেমার নয়, বাস্তব বাংলাদেশের ভোলার একটি করুণ চিত্র। এই সংকট আমাদের চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিচ্ছে ভোলা-বরিশাল সেতু কেবল একটি উন্নয়ন প্রকল্প নয়, এটি একটি মানবিক প্রয়োজনে পরিণত হয়েছে।
বছরের পর বছর ধরে ভোলার মানুষ ফেরি পারাপারে দুর্ভোগের শিকার হচ্ছে। বর্ষা, শীত, ঝড়, কিংবা জোয়ারে যখন ফেরি চলে না, তখন চিকিৎসা, জানাজা, বা জরুরি যাত্রা সব কিছুই থমকে যায়।
২৯ মে মধ্যরাতে এই রাতটি ভোলাবাসীর চোখে শুধু অন্ধকার নয়, এক কঠিন প্রশ্ন। আর কতদিন এমন মানবিক বিপর্যয় ঘটবে শুধুমাত্র একটি সেতুর অভাবে