রবিবার, ২৯ মার্চ ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

দীর্ঘ ১৮ বছর পর খালেদা জিয়ার ভাগ্নে তুহিনের আগমনে ডোমারে গণ সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত

নীলফামারী জেলার ডোমার উপজেলার সন্তান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার ভাগ্নে এবং ডোমার-ডিমলা-নীলফামারী-১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ইঞ্জিনিয়ার শাহরিন ইসলাম চৌধুরী তুহিন সাহেবের আগমন উপলক্ষে ডোমারে বিশাল গণ সংবর্ধনা ও জন সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। ১৭ মে শনিবার দীর্ঘ ১৮ বছর পর তুহিনের নিজ এলাকায় আগমন উপলক্ষে নীলফামারীর ডোমার উপজেলা ও পৌর বিএনপির আয়োজনে ডোমার বহুমুখী […]

প্রতিনিধি ডেস্ক

১৭ মে ২০২৫, ২২:০৫

নীলফামারী জেলার ডোমার উপজেলার সন্তান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার ভাগ্নে এবং ডোমার-ডিমলা-নীলফামারী-১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ইঞ্জিনিয়ার শাহরিন ইসলাম চৌধুরী তুহিন সাহেবের আগমন উপলক্ষে ডোমারে বিশাল গণ সংবর্ধনা ও জন সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। ১৭ মে শনিবার দীর্ঘ ১৮ বছর পর তুহিনের নিজ এলাকায় আগমন উপলক্ষে নীলফামারীর ডোমার উপজেলা ও পৌর বিএনপির আয়োজনে ডোমার বহুমুখী স্কুল মাঠে এক গণ সংবর্ধনা ও জনসমাবেশের আয়োজন করে।

উক্ত গণ সংবর্ধনায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন ইঞ্জিনিয়ার শাহরিন ইসলাম চৌধুরী তুহিন। তার বক্তব্যে তিনি বলেন-গত আঠারো বছর যাবৎ এই ফ্যাসিস্ট মাফিয়া সরকার অপচয় করেছে। তারা হত্যার মাধ্যমে জীবনের অপচয় করেছে, তারা ধ্বংস করেছে দেশের অর্থনীতিকে। লুটপাট করে নিয়ে গেছে তারা। ধ্বংস করেছে এদেশের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান। তারা নির্বাচন ব্যবস্থাকে ধ্বংস করেছে, তারা আইন-আদালত ধ্বংস করেছে। এমন কোন সেক্টর নেই তারা ধ্বংস করে নাই।’

তিনি বলেন,‘আজকে সংস্কারের আওয়াজ উঠেছে। কিন্তু মনে রাখতে হবে ভাই বোনেরা এই সংস্কারের বিষয়ে আমাদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমান অনেক আগেই ৩১ দফার একটি সংস্কারের প্রস্তাব আপনাদের সামনে তুলে ধরেছেন।

আমাদের বিএনপির চেয়ার‌ম্যান আপনাদের সামনে সংস্কারের প্রস্তাব দিয়ে রেখেছে। আমরা চাই যে, এই সরকারকে আমরা যেভাবে সহযোগিতা করছি সেই সহযোগিতা দেশের আপামর জনগণও করছে। বিএনপির এই সংস্কারের প্রস্তাবকে সঙ্গে নিয়ে আরও অন্যান্য দলের যে সংস্কার আছে, সেগুলোকে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব সংক্ষিপ্ত করে দেশকে একটি গণতান্ত্রিক পন্থায় ফিরিয়ে নিয়ে আসতে হবে।’

নির্বাচনের ব্যাপারে সরকারের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন,‘এই সরকার বলে সংস্কার করছে। এই সরকার নাকি বৈষম্য দূর করছে। আমি তো নিজেই সরকারের বৈষম্যের শিকার। কিন্তু বৈষম্য তারা দূর করতে এখনো পারেনি। আমরা আশা করব যে সরকার আরো সিরিয়াস হবে বৈষম্য দূর করার ব্যাপারে। আমরা চাই গণতান্ত্রিক উপায়ে সকলকে নিয়ে জনগনের সকলের আকাক্সক্ষা যাতে প্রতিষ্ঠিত হয়।’

নিষিদ্ধ ঘোষিত একটি দলের ইঙ্গিত দিয়ে তিনি বলেন,‘ একটা দল আপনারা জানেন খুব অল্প দিন আগে তাদেও সকল কার্যক্রমকে নিষিদ্ধ করা হয়েছে। যতদিন পর্যন্ত বিচার শেষ না হয়। দলের অনেক নেতাকর্মী আছেন, অনেক সমর্থক আছে যারা হয়তো বা খারাপ না। তাদের নেতা কর্মী, তাদের সর্বোচ্চ লেভেলের যারা নেতা কর্মী ছিলেন তাদের খারাপ কর্মকান্ডের জন্য আজকে তারাও এই রাজনৈতিক কর্মকান্ড থেকে নিষিদ্ধ হয়েছে। কিন্তু বাংলাদেশে আর কোন দল এরকম নিষিদ্ধ হোক এটা আমরা গণতান্ত্রিক ভাবে চাই না। আমরা চাই যে একটা গণতান্ত্রিক চর্চা, মানুষের অধিকার তারা প্র্যাকটিস করুক।’

রংপুর বিভাগ অবহেলিত উল্লেখ করে তিনি বলেন,‘এই নীলফামারী ও রংপুরের মাটিতে আমরা আর অবহেলিত থাকতে চাই না। নীলফামারী রংপুর অঞ্চলের মানুষ আমরা বহুদিন ধরে পিছিয়ে আছি। আমাদের দুর্ভাগ্য যে ওই নোয়াখালী ,কুমিল¬া , ঢাকার মানুষরা উন্নত হয়। তাদের বাচ্চারা দেখা যায় যে বড় হয়ে বড় বড় চাকরি পায় আর আমাদের বাচ্চারা এখানে পড়ে থাকে। আমাদের এখানে বড় বড় হাসপাতাল নাই কেন। বিশ্ববিদ্যালয় নাই কেনো। বাংলাদেশের বেশিরভাগ জেলায় এখন বড় বড় বিশ্ববিদ্যালয় আছে। আমাদের কি অধিকার নাই । এটা আদায় করতে হলে আমাদেরকে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে হবে।’

গণ-সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে জেলা বিএনপির সভাপতি আ.খ.ম আলমগীর সরকারের সভাপতিত্বে ও সাধারন সম্পাদক জহুরুল আলমের সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বিএনপির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল খালেক, আমিনুল ইসলাম বক্তৃতা দেন। অনুষ্ঠানে জেলা বিএনপির প্রতিটি ইউনিটের সকল অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা শাহরিন ইসলাম চৌধুরী তুহিনকে ফুল ও সম্মাননা স্বারক দিয়ে শুভেচ্ছা জানান।

অনুষ্ঠানটি দুপুর ৩ টায় শুরু হওয়ার কথা থাকলেও তার আগের থেকে ডোমার উপজেলার ১০ টি ইউনিয়ন থেকে আসতে শুরু করে ইউনিয়ন ওয়ার্ডের নেতাকর্মী সহ সাধারন মানুষ একটি বার তাদের নেতাকে দেখতে। দুপুর ৩ টার আগেই ডোমার হাইস্কুলের পুরো মাঠ কানায় কানায় ভরে যায় নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের ঢলে।

জানা যায়, নীলফামারী জেলা বিএনপি’র সাবেক সভাপতি ও সাবেক সংসদ সদস্য তুহিন ছিলেন সর্ব মহলে পরিচিত, জনপ্রিয় মুখ ও বেগম খালেদা জিয়ার ভাগ্নে । তৎকালীন সেনা শাসনামলে মাতৃভূমি ত্যাগ করে বিদেশে যেতে বাধ্য হন তিনি। বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে দেশে ফেরার অনেক চেষ্টা করেছিলেন। শুধুমাত্র রাজনৈতিক পরিচয়ের কারণে দেশে ফিরতে পারেন নি সাবেক এ সংসদ সদস্য। বিভিন্ন মামলায় তাকে দণ্ডিত করে আওয়ামী লীগ সরকার। দেশে এসে আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হয়ে আদালতে আত্মসমর্পণ করেন তিনি। গত ৮ই মে হাইকোর্ট থেকে তিনি জামিনে মুক্তি পান।অতঃপর তিনি ১৮ মে নিজ জন্মভূমি ডোমারের গোমনাতীতে

ফিরে আসেন।

সারাদেশ

শেরপুর-৩ আসনের জামায়াতের প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল মারা গেছেন

জামায়াতে ইসলামীর শেরপুর জেলা শাখার সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী–ঝিনাইগাতী) আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল (৫১) মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত আনুমানিক ৩ টার দিকে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শেরপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি আবুল কালাম আজাদ। পরিবার সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার […]

শেরপুর-৩ আসনের জামায়াতের প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল মারা গেছেন

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৫:০৬

জামায়াতে ইসলামীর শেরপুর জেলা শাখার সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী–ঝিনাইগাতী) আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল (৫১) মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত আনুমানিক ৩ টার দিকে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শেরপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি আবুল কালাম আজাদ।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার রাত ১০টার দিকে হঠাৎ শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যায় গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন নুরুজ্জামান বাদল। তাৎক্ষণিকভাবে তাকে শ্রীবরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। পরে সেখান থেকে দ্রুত ময়মনসিংহ স্বদেশ হাসপাতালে নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়।

ময়মনসিংহ নেওয়ার পথে রাত ৩ টার দিকে শহরের প্রবেশমুখ ব্রিজ এলাকায় পৌঁছালে তার অবস্থার অবনতি ঘটে এবং সেখানে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। পরে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।

পরিবারের পক্ষ থেকে মৃতের ভাই মাসুদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এছাড়াও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নিজেদের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে দেওয়া ওই পোস্টে বলা হয়, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী শেরপুর জেলা শাখার সম্মানিত সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ সংসদীয় আসনে জামায়াত মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী জনাব আলহাজ্ব নুরুজ্জামান বাদল আনুমানিক আজ রাত ৩টায় কিডনিজনিত রোগে হাসপাতালে ভর্তি অবস্থায় ইন্তেকাল করেছেন। ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।

পোস্টে আরও উল্লেখ করা হয়, আল্লাহ তা’য়ালা তাকে জান্নাতুল ফেরদাউস দান করুন এবং তার শোকসন্তপ্ত পরিবার-পরিজন ও সহকর্মীদের ধৈর্য ধারণের তৌফিক দান করুন।

সারাদেশ

নিখোঁজের ২ দিন পর মেঘনায় ভেসে উঠলো পুলিশ সদস্যের নিথর দেহ

লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি: ভোলার লালমোহন উপজেলায় মৎস্য অভিযানে গিয়ে লঞ্চের ধাক্কায় স্পিডবোট উল্টে নিখোঁজ হওয়ার দুইদিন পর পুলিশ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের সন্ধান মিলেছে। শুক্রবার বিকেলে দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পড়েছিল ওই পুলিশ কনস্টেবলের নিথর দেহ। তিনি লালমোহন উপজেলার মঙ্গলসিকদার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে কর্মরত ছিলেন। বিষয়টি নিশ্চিত করে লালমোহন থানার […]

নিখোঁজের ২ দিন পর মেঘনায় ভেসে উঠলো পুলিশ সদস্যের নিথর দেহ

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২০ মার্চ ২০২৬, ২৩:০২

লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি:

ভোলার লালমোহন উপজেলায় মৎস্য অভিযানে গিয়ে লঞ্চের ধাক্কায় স্পিডবোট উল্টে নিখোঁজ হওয়ার দুইদিন পর পুলিশ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের সন্ধান মিলেছে। শুক্রবার বিকেলে দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পড়েছিল ওই পুলিশ কনস্টেবলের নিথর দেহ। তিনি লালমোহন উপজেলার মঙ্গলসিকদার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে কর্মরত ছিলেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করে লালমোহন থানার ওসি মো. অলিউল ইসলাম বলেন, গত বুধবার সন্ধ্যার পর মঙ্গলসিকদার লঞ্চঘাট এলাকা থেকে মেঘনা নদীতে মৎস্য অভিযানের জন্য মৎস্য অফিসের ৩ সদস্য ও একজন পুলিশ অফিসারসহ ৩ জন কনস্টেবল স্পিডবোটে করে মেঘনা নদীতে রওয়ানা দেন।

এ সময় যাত্রীবাহী লঞ্চ কর্ণফুলী-১২ এর সঙ্গে ধাক্কা লেগে স্পিডবোটটি উল্টে যায়। এ ঘটনায় ওই স্পিডবোটে থাকা সবাই তীরে উঠতে পারলেও নদীতে ডুবে নিখোঁজ হয়ে যান কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলাম। তাকে উদ্ধার করতে গত দুইদিন ধরে কাজ করেছেন নৌবাহিনী, কোস্টগার্ড ও ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দলের সদস্যরা।

তিনি আরও বলেন, শুক্রবার বিকেলে খবর পাওয়া যায় দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পুলিশের পোশাক পরিহিত এক ব্যক্তির মরদেহ পড়েছিল।

স্থানীয়রা বিষয়টি দেখতে পেয়ে দৌলতখান থানায় খবর দেন। পরে পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করেন। দৌলতখান থানা পুলিশের দেওয়া তথ্যে আমরা নিশ্চিত হই ওই মরদেহটি নিখোঁজ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

সারাদেশ

এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা আসাদুল্লাহ গ্রেপ্তার

চেক ডিজঅনারের একটি মামলায় পাবনা-২ আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ‘হ্যাঁ’ ভোটের অ্যাম্বাসেডর ও দলের যুব সংগঠন যুবশক্তির কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) গভীর রাতে সুজানগর উপজেলার হাটখালী ইউনিয়নের সৈয়দপুর গ্রামে নিজ বাড়ি থেকে তাকে আটক করে কামালপুর পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা। পরে তাকে সুজানগর থানায় হস্তান্তর করা হয়। তিনি […]

এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা আসাদুল্লাহ গ্রেপ্তার

এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা আসাদুল্লাহ গ্রেপ্তার

নিউজ ডেস্ক

১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১১:০৫

চেক ডিজঅনারের একটি মামলায় পাবনা-২ আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ‘হ্যাঁ’ ভোটের অ্যাম্বাসেডর ও দলের যুব সংগঠন যুবশক্তির কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) গভীর রাতে সুজানগর উপজেলার হাটখালী ইউনিয়নের সৈয়দপুর গ্রামে নিজ বাড়ি থেকে তাকে আটক করে কামালপুর পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা। পরে তাকে সুজানগর থানায় হস্তান্তর করা হয়। তিনি ওই গ্রামের আকমল শিকদারের ছেলে।

পুলিশ জানায়, ২০২৪ সালে জামালপুর জেলার একটি চেক ডিজঅনার মামলায় তিনি এক মাসের কারাদণ্ড ও তিন লাখ টাকা অর্থদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি ছিলেন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের গণভোটে ‘হ্যাঁ’ পক্ষে প্রচারণা শেষে বাড়িতে অবস্থানকালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরদিন আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

তবে গ্রেপ্তারকে হয়রানিমূলক দাবি করেছে আসাদুল্লাহর পরিবার। তার স্ত্রী নাঈমা আক্তার রিমা বলেন, গভীর রাতে বাসা থেকে তাকে তুলে নেওয়া হয়েছে এবং পারিবারিক ও রাজনৈতিকভাবে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।

সুজানগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জানান, তিনি ওই মামলার সাজাপ্রাপ্ত ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি ছিলেন বলেই আইনানুগভাবে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে।