শুক্রবার, ০৩ এপ্রিল ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

নিষিদ্ধ জালে রেনু পোনা নিধন

রাশিমুল হক রিমন, বরগুনা প্রতিনিধিঃ বঙ্গোপসাগরের মোহনা ও ৯০ কিলোমিটার পায়রা নদীতে অবাধে অবৈধ জাল দিয়ে রেনু পোনার সঙ্গে বিভিন্ন প্রজাতির মাছের পোনা নিধন করছে জেলোরা। এতে অন্তত কয়েক হাজার কোটি টাকার ক্ষতি হচ্ছে। মৎস্য বিভাগ কর্তৃপক্ষ অবৈধ সুবিধা নিয়ে পোনা নিধনের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিচ্ছে না এমন অভিযোগ সচেতন জেলেদের। এতে অসাধু রেনু পোনা […]

প্রতিনিধি ডেস্ক

০৭ মে ২০২৫, ২২:৩৯

রাশিমুল হক রিমন, বরগুনা প্রতিনিধিঃ

বঙ্গোপসাগরের মোহনা ও ৯০ কিলোমিটার পায়রা নদীতে অবাধে অবৈধ জাল দিয়ে রেনু পোনার সঙ্গে বিভিন্ন প্রজাতির মাছের পোনা নিধন করছে জেলোরা। এতে অন্তত কয়েক হাজার কোটি টাকার ক্ষতি হচ্ছে।

মৎস্য বিভাগ কর্তৃপক্ষ অবৈধ সুবিধা নিয়ে পোনা নিধনের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিচ্ছে না এমন অভিযোগ সচেতন জেলেদের। এতে অসাধু রেনু পোনা ব্যবসায়ীরা আরো উৎসাহিত হচ্ছে।

দ্রুত রেনু পোনা নিধনের সঙ্গে জড়িত অসাধু ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নিলে সাগর ও পায়রা নদী থেকে বিভিন্ন প্রজাতির মাছ বিলুপ্ত হয়ে যাবে বলে দাবী করেন জেলে শহীদ মিস্তুরী। 

জানাগেছে, বছরের মধ্য ফাল্গুন থেকে শুরু করে মধ্য জৈষ্ঠ্য মাস পর্যন্ত চিংড়ি ও বাগদা মা মাছ সাগর মোহনা ও নদ-নদীর মিঠা পানিতে রেনু পোনার জন্ম হয়। বড় হওয়ার আগ পর্যন্ত রেনু পোনা মিঠা পানিতে থাকে।

ওই সময় জেলেরা অবৈধ নেট মশারী জাল ফেলে ওই পোনাগুলো শিকার করে। এ রেনু পোনা শিকারের সঙ্গে আমতলী-তালতলী উপজেলার অন্তত ৩০ হাজার জেলে পরিবার জড়িত।

প্রতিদিন তারা অন্তত এক কোটি রেনু পোনা আহরণ করে। ওই রেনু পোনার সঙ্গে অন্তত ১০ গুণ বিভিন্ন প্রজাতি পোনা নিধন হচ্ছে। এতে অন্তত কয়েক হাজার কোটি টাকার মৎস্য সম্পদ নষ্ট হচ্ছে।

দাদন ব্যবসায়ীরা জেলেদের থেকে এক’শ চিংড়ি ও বাগদা রেনু পোনা ১৫০-২০০ টাকা ক্রয় করে। ওই পোনা খুলনা, বাগের হাট ও যশোরসহ বিভিন্ন এলাকার ঘের মালিকদের কাছে ৭০০-৮০০ টাকায় বিক্রি করছে।

এতে গত আড়াই মাসে অন্তত কয়েক’শ কোটি টাকার চিংড়ি ও বাগদার রেনু পোনা আহরণ করেছেন জেলেরা।

অভিযোগ রয়েছে দাদন ব্যবসায়ীরা উপজেলা মৎস্য অফিস, পুলিশ ও নৌ-পুলিশের সঙ্গে আতাত করে অবৈধ নেট মশারী জাল ফেলে জেলেদের দিয়ে সরকারী ভাবে নিষিদ্ধ রেনু পোনা শিকার করাচ্ছে।

জোয়ার ভাটার সঙ্গে মিল রেখে জেলেরা পরিবার পরিজন নিয়ে দাদন ব্যবসায়ীদের প্ররোচনায় পড়ে ওই রেনা পোনা শিকার করছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন দাদন ব্যবসায়ী বলেন,তালতলী উপজেলা মৎস্য অফিসার ভিক্টর বাইনকে প্রতিমাসে ৮০ হাজার টাকা ঘুষ দিতে হয়।

ফলে অবাধে আমরা জেলেদের থেকে রেনু পোনা সংগ্রহ করে গাড়ীতে রপ্তানী করতে পারছি। তারা আরো বলেন, পুলিশ ও নৌ-পুলিশ সকলেই এ বিষয়টি জানেন। 

আমতলী-তালতলী উপজেলার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখাগেছে, নারী-পুরুষ ও শিশুরা নেট মশারি জালের মাধ্যমে বাগদা ও চিংড়ির রেণু পোনা শিকার করছে। লাভজনক হওয়ায় জেলে পরিবারের নারী-পুরুষ ও শিশুরা এ পেশায় ঝুঁকে পরেছেন। 

আমতলী-তালতলী উপজেলার শতাধিক পয়েন্টে আড়ৎদাররা জেলেদের থেকে রেনু পোনা সংগ্রহ করে গভীর রাতে মিনি ট্রাক, মোটর সাইকেল ও বাস গাড়ীতে খুলনা, বাগেরহাট, যশোরসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে রপ্তানী করছে। 

বুধবার দুপুরে তালতলী উপজেলার রেনু পোনার আড়ৎদার দুলাল মিয়ার আড়তে গিয়ে দেখাগেছে, আড়ৎ ঘরের সামনের তালা দেয়া, পিছনের দরজা দিয়ে জেলেরা পোনা নিয়ে আসেন। দুলালের কর্মচারী শহীদুল ইসলাম ওই পোনা গননা করে পাত্রে রাখছেন। 

জেলে মালেক ও জয়নাল বলেন, জোয়ার ভাটার সঙ্গে মিল রেখে রেনু পোনা শিকার করতে হয়। রেনু পোনা শিকার করা অন্যায় কিন্তু কেউতো নিষেধ করছে না। তারা আরো বলেন, মহাজনদের যন্ত্রনায় বাধ্য হয়ে রেনু পোনা আহরণে আসতে হয়। 

শিশু নাদিম বলেন, হুনছি পোনা ধরা নিষেধ, কিন্তু স্যারেরা তো মোরো মানা হরে নাই।  

তালতলীর অবৈধ বাগদা রেনু পোনা ব্যবসায়ী বশির হাওলাদার, দুলাল মিয়া, পনু খলিফা, শাহজাহান খলিফা, বাদল, বাবুল, জাকির ফকির, জালাল খাঁন, চরপাড়া সেলিম মিয়া, গাবতলীর আব্বাস ফকির, মৌপাড়ার নুরুল হক ও সোহেল তালুকদার বলেন, ‘বাগদা ও চিংড়ির রেনু আহরণ নিষিদ্ধ তা জানি।

কিন্তু জেলেরা নিয়ে আসলে আমরাতো ফেলে দিতে পারিনা। তারা আরো বলেন, উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা, নৌ-পুলিশ ও থানা পুলিশ সবই জানেন, তারা তো কিছু বলেননা। শুধু আপনারাই (সাংবাদিক) মোদের ডির্স্টাব করেন। 

তালতলী উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা ভিক্টর বাইন টাকা নেয়ার কথা অস্বীকার করে বলেন, ইতিমধ্যে ১২ টা অভিযান চালানো হয়েছে। বেশ কিছু জাল পুড়ে ফেলেছি।

উপজেলা শহরের স্বনিকটে দুলাল মিয়া ও বশির উদ্দিনের আড়তে রেনু পোনা জেলেদের থেকে সংগ্রহ করে গাড়ীতে চালান করছে এ বিষয়ে কি ব্যবস্থা নিয়েছেন? এমন প্রশ্নের তিনি সদুত্তর দিতে পারেননি।  

আমতলী উপজেলা সিনিয়র মৎষ্য কর্মকর্তা তন্ময় কুমার দাশ বলেন, অবৈধ রেনু পোনা নিধন বন্ধে অভিযান পরিচালনা করে শতাধিক নেট মশারী জাল পুড়িয়ে ফেলা হয়েছে এবং অভিযান অব্যাহত আছে।  

তালতলী উপজেলা নির্বাহী অফিসার উম্মো সামলা বলেন, রেনু পোনা আহরণ অবৈধ। রেনু পোনা নিধন বন্ধে প্রতিদিন অভিযান অব্যাহত আছে। 

আমতলী উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ভারপ্রাপ্ত) তারেক হাসান বলেন, উপজেলা মৎস্য অফিসারকে নিয়ে প্রায়ই অভিযান চালানো হয়। 

বরগুনা জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোঃ মহসিন বলেন, রেনু পোনা নিধন রোধে অভিযান অব্যাহত আছে। উপজেলার কোন মৎস্য কর্মকর্তা রেনু পোনা নিধনের যোগসাজসের সঙ্গে জড়িত থাকলে তদন্ত করে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে। 

বরগুনা জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ সফিউল আলম বলেন, যারা অবৈধভাবে রেনু পোনা মজুদ করে বিভিন্ন এলাকায় রপ্তানী ও পরিবহনের সঙ্গে জড়িত তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে। তিনি আরো বলেন, এ মৎস্য সম্পদ রক্ষায় সব ধরনের পদক্ষেপ নেব।

সারাদেশ

শেরপুর-৩ আসনের জামায়াতের প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল মারা গেছেন

জামায়াতে ইসলামীর শেরপুর জেলা শাখার সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী–ঝিনাইগাতী) আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল (৫১) মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত আনুমানিক ৩ টার দিকে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শেরপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি আবুল কালাম আজাদ। পরিবার সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার […]

শেরপুর-৩ আসনের জামায়াতের প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল মারা গেছেন

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৫:০৬

জামায়াতে ইসলামীর শেরপুর জেলা শাখার সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী–ঝিনাইগাতী) আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল (৫১) মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত আনুমানিক ৩ টার দিকে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শেরপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি আবুল কালাম আজাদ।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার রাত ১০টার দিকে হঠাৎ শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যায় গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন নুরুজ্জামান বাদল। তাৎক্ষণিকভাবে তাকে শ্রীবরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। পরে সেখান থেকে দ্রুত ময়মনসিংহ স্বদেশ হাসপাতালে নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়।

ময়মনসিংহ নেওয়ার পথে রাত ৩ টার দিকে শহরের প্রবেশমুখ ব্রিজ এলাকায় পৌঁছালে তার অবস্থার অবনতি ঘটে এবং সেখানে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। পরে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।

পরিবারের পক্ষ থেকে মৃতের ভাই মাসুদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এছাড়াও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নিজেদের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে দেওয়া ওই পোস্টে বলা হয়, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী শেরপুর জেলা শাখার সম্মানিত সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ সংসদীয় আসনে জামায়াত মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী জনাব আলহাজ্ব নুরুজ্জামান বাদল আনুমানিক আজ রাত ৩টায় কিডনিজনিত রোগে হাসপাতালে ভর্তি অবস্থায় ইন্তেকাল করেছেন। ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।

পোস্টে আরও উল্লেখ করা হয়, আল্লাহ তা’য়ালা তাকে জান্নাতুল ফেরদাউস দান করুন এবং তার শোকসন্তপ্ত পরিবার-পরিজন ও সহকর্মীদের ধৈর্য ধারণের তৌফিক দান করুন।

সারাদেশ

নিখোঁজের ২ দিন পর মেঘনায় ভেসে উঠলো পুলিশ সদস্যের নিথর দেহ

লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি: ভোলার লালমোহন উপজেলায় মৎস্য অভিযানে গিয়ে লঞ্চের ধাক্কায় স্পিডবোট উল্টে নিখোঁজ হওয়ার দুইদিন পর পুলিশ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের সন্ধান মিলেছে। শুক্রবার বিকেলে দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পড়েছিল ওই পুলিশ কনস্টেবলের নিথর দেহ। তিনি লালমোহন উপজেলার মঙ্গলসিকদার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে কর্মরত ছিলেন। বিষয়টি নিশ্চিত করে লালমোহন থানার […]

নিখোঁজের ২ দিন পর মেঘনায় ভেসে উঠলো পুলিশ সদস্যের নিথর দেহ

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২০ মার্চ ২০২৬, ২৩:০২

লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি:

ভোলার লালমোহন উপজেলায় মৎস্য অভিযানে গিয়ে লঞ্চের ধাক্কায় স্পিডবোট উল্টে নিখোঁজ হওয়ার দুইদিন পর পুলিশ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের সন্ধান মিলেছে। শুক্রবার বিকেলে দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পড়েছিল ওই পুলিশ কনস্টেবলের নিথর দেহ। তিনি লালমোহন উপজেলার মঙ্গলসিকদার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে কর্মরত ছিলেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করে লালমোহন থানার ওসি মো. অলিউল ইসলাম বলেন, গত বুধবার সন্ধ্যার পর মঙ্গলসিকদার লঞ্চঘাট এলাকা থেকে মেঘনা নদীতে মৎস্য অভিযানের জন্য মৎস্য অফিসের ৩ সদস্য ও একজন পুলিশ অফিসারসহ ৩ জন কনস্টেবল স্পিডবোটে করে মেঘনা নদীতে রওয়ানা দেন।

এ সময় যাত্রীবাহী লঞ্চ কর্ণফুলী-১২ এর সঙ্গে ধাক্কা লেগে স্পিডবোটটি উল্টে যায়। এ ঘটনায় ওই স্পিডবোটে থাকা সবাই তীরে উঠতে পারলেও নদীতে ডুবে নিখোঁজ হয়ে যান কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলাম। তাকে উদ্ধার করতে গত দুইদিন ধরে কাজ করেছেন নৌবাহিনী, কোস্টগার্ড ও ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দলের সদস্যরা।

তিনি আরও বলেন, শুক্রবার বিকেলে খবর পাওয়া যায় দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পুলিশের পোশাক পরিহিত এক ব্যক্তির মরদেহ পড়েছিল।

স্থানীয়রা বিষয়টি দেখতে পেয়ে দৌলতখান থানায় খবর দেন। পরে পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করেন। দৌলতখান থানা পুলিশের দেওয়া তথ্যে আমরা নিশ্চিত হই ওই মরদেহটি নিখোঁজ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

সারাদেশ

এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা আসাদুল্লাহ গ্রেপ্তার

চেক ডিজঅনারের একটি মামলায় পাবনা-২ আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ‘হ্যাঁ’ ভোটের অ্যাম্বাসেডর ও দলের যুব সংগঠন যুবশক্তির কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) গভীর রাতে সুজানগর উপজেলার হাটখালী ইউনিয়নের সৈয়দপুর গ্রামে নিজ বাড়ি থেকে তাকে আটক করে কামালপুর পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা। পরে তাকে সুজানগর থানায় হস্তান্তর করা হয়। তিনি […]

এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা আসাদুল্লাহ গ্রেপ্তার

এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা আসাদুল্লাহ গ্রেপ্তার

নিউজ ডেস্ক

১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১১:০৫

চেক ডিজঅনারের একটি মামলায় পাবনা-২ আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ‘হ্যাঁ’ ভোটের অ্যাম্বাসেডর ও দলের যুব সংগঠন যুবশক্তির কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) গভীর রাতে সুজানগর উপজেলার হাটখালী ইউনিয়নের সৈয়দপুর গ্রামে নিজ বাড়ি থেকে তাকে আটক করে কামালপুর পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা। পরে তাকে সুজানগর থানায় হস্তান্তর করা হয়। তিনি ওই গ্রামের আকমল শিকদারের ছেলে।

পুলিশ জানায়, ২০২৪ সালে জামালপুর জেলার একটি চেক ডিজঅনার মামলায় তিনি এক মাসের কারাদণ্ড ও তিন লাখ টাকা অর্থদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি ছিলেন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের গণভোটে ‘হ্যাঁ’ পক্ষে প্রচারণা শেষে বাড়িতে অবস্থানকালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরদিন আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

তবে গ্রেপ্তারকে হয়রানিমূলক দাবি করেছে আসাদুল্লাহর পরিবার। তার স্ত্রী নাঈমা আক্তার রিমা বলেন, গভীর রাতে বাসা থেকে তাকে তুলে নেওয়া হয়েছে এবং পারিবারিক ও রাজনৈতিকভাবে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।

সুজানগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জানান, তিনি ওই মামলার সাজাপ্রাপ্ত ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি ছিলেন বলেই আইনানুগভাবে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে।