মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

এবার এসএসসি পরীক্ষার্থীসহ ২ বাংলাদেশিকে ভারতে ধরে নিয়ে গেছে বিএসএফ

লালমনিরহাটের পাটগ্রাম উপজেলার ধবলসূতি সীমান্তে মোবাইল ফোনে ভিডিও ধারণের সময় এক এসএসসি পরীক্ষার্থীসহ দুই বাংলাদেশি নাগরিককে আটক করে নিয়ে গেছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)। শুক্রবার (২ মে) সন্ধ্যার কিছু আগে এই ঘটনা ঘটে। আটক হওয়া ব্যক্তিরা হলেন—রহমতপুর গ্রামের গাটয়ারভিটা এলাকার মোস্তাফিজ ইসলামের ছেলে মাহফুজ ইসলাম ইমন (১৬), যিনি চলতি বছরের এসএসসি পরীক্ষার্থী এবং তার মামা […]

নিউজ ডেস্ক

০৩ মে ২০২৫, ০০:১৫

লালমনিরহাটের পাটগ্রাম উপজেলার ধবলসূতি সীমান্তে মোবাইল ফোনে ভিডিও ধারণের সময় এক এসএসসি পরীক্ষার্থীসহ দুই বাংলাদেশি নাগরিককে আটক করে নিয়ে গেছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)। শুক্রবার (২ মে) সন্ধ্যার কিছু আগে এই ঘটনা ঘটে।

আটক হওয়া ব্যক্তিরা হলেন—রহমতপুর গ্রামের গাটয়ারভিটা এলাকার মোস্তাফিজ ইসলামের ছেলে মাহফুজ ইসলাম ইমন (১৬), যিনি চলতি বছরের এসএসসি পরীক্ষার্থী এবং তার মামা মো. সাজেদুল ইসলাম (২২), পিতা সাইফুল ইসলাম, যিনি বগুড়ার মহাস্থান এলাকার বাসিন্দা।

৬১ বিজিবির তিস্তা ব্যাটালিয়নের ধবলসূতি বিওপি সূত্রে জানা গেছে, সীমান্ত মেইন পিলার ৮২৫/১-এস এর নিকটবর্তী চা বাগানে ভিডিও ধারণ করছিলেন ইমন ও সাজেদুল। এ সময় তারা অনিচ্ছাকৃতভাবে ভারতের সীমান্ত অতিক্রম করলে জলপাইগুড়ি জেলার দায়িত্বপ্রাপ্ত বিএসএফ সদস্যরা তাদের আটক করে নিয়ে যায়। বিষয়টি জানতে পেরে স্থানীয়রা তাৎক্ষণিকভাবে বিজিবিকে অবহিত করে।

বিজিবির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, ঘটনার পরপরই বিএসএফের সংশ্লিষ্ট ক্যাম্পের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে এবং তারা আটকের বিষয়টি স্বীকার করেছে। ভারতের অভ্যন্তরে প্রবেশ ও ভিডিও ধারণের অভিযোগে তাদের আটক করা হয়েছে বলেও জানায় বিএসএফ। ঘটনার পরপরই ব্যাটালিয়ন পর্যায়ে এবং রংপুর সেক্টর কমান্ডারের মাধ্যমে বিএসএফের জলপাইগুড়ি সেক্টরের সঙ্গে আনুষ্ঠানিক যোগাযোগ শুরু হয়।

আটক দুই বাংলাদেশিকে ফিরিয়ে আনতে রাতেই পতাকা বৈঠক আহ্বান করা হয়েছে বলে বিজিবি সূত্র নিশ্চিত করেছে। পাটগ্রাম থানার ওসি আশরাফুজ্জামান সরকার গণমাধ্যমকে জানান, ভারতীয় সীমান্তরক্ষীরা দুই বাংলাদেশিকে আটক করেছে এবং বিষয়টি নিয়ে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয় চলছে।

এর আগে একই দিনে দুপুরে দিনাজপুর জেলার বিরল উপজেলার ধর্মজৈন সীমান্ত এলাকায় ধান কাটার সময় দুই বাংলাদেশি কৃষককে ধরে নিয়ে যায় বিএসএফ। তখন স্থানীয় গ্রামবাসীরা প্রতিক্রিয়ায় দুই ভারতীয় নাগরিককে আটক করে বিজিবির হাতে হস্তান্তর করে। পরবর্তীতে রাতে পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে দুই দেশের মধ্যে আটককৃতদের বিনিময় সম্পন্ন হয়।

সীমান্তবর্তী অঞ্চলে নাগরিকদের সচেতনতার অভাব, নজরদারির দুর্বলতা এবং দ্রুত প্রতিক্রিয়ার অভাবে এমন ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঘটছে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা। বিশেষ করে কিশোর ও তরুণদের জন্য সীমান্ত এলাকায় চলাচল ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার সংক্রান্ত বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধি ও প্রশিক্ষণের দাবি জানিয়েছেন অভিভাবকরা।

এই ধরনের ঘটনা প্রতিরোধে দ্বিপক্ষীয় সমঝোতা, যৌথ টহল জোরদার এবং স্থানীয়দের সচেতন করে তোলার পাশাপাশি, সীমান্ত নিরাপত্তার কৌশলগত মূল্যায়নের প্রয়োজনীয়তা বিশেষভাবে অনুভূত হচ্ছে।

সারাদেশ

শেরপুর-৩ আসনের জামায়াতের প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল মারা গেছেন

জামায়াতে ইসলামীর শেরপুর জেলা শাখার সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী–ঝিনাইগাতী) আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল (৫১) মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত আনুমানিক ৩ টার দিকে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শেরপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি আবুল কালাম আজাদ। পরিবার সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার […]

শেরপুর-৩ আসনের জামায়াতের প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল মারা গেছেন

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৫:০৬

জামায়াতে ইসলামীর শেরপুর জেলা শাখার সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী–ঝিনাইগাতী) আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল (৫১) মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত আনুমানিক ৩ টার দিকে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শেরপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি আবুল কালাম আজাদ।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার রাত ১০টার দিকে হঠাৎ শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যায় গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন নুরুজ্জামান বাদল। তাৎক্ষণিকভাবে তাকে শ্রীবরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। পরে সেখান থেকে দ্রুত ময়মনসিংহ স্বদেশ হাসপাতালে নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়।

ময়মনসিংহ নেওয়ার পথে রাত ৩ টার দিকে শহরের প্রবেশমুখ ব্রিজ এলাকায় পৌঁছালে তার অবস্থার অবনতি ঘটে এবং সেখানে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। পরে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।

পরিবারের পক্ষ থেকে মৃতের ভাই মাসুদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এছাড়াও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নিজেদের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে দেওয়া ওই পোস্টে বলা হয়, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী শেরপুর জেলা শাখার সম্মানিত সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ সংসদীয় আসনে জামায়াত মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী জনাব আলহাজ্ব নুরুজ্জামান বাদল আনুমানিক আজ রাত ৩টায় কিডনিজনিত রোগে হাসপাতালে ভর্তি অবস্থায় ইন্তেকাল করেছেন। ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।

পোস্টে আরও উল্লেখ করা হয়, আল্লাহ তা’য়ালা তাকে জান্নাতুল ফেরদাউস দান করুন এবং তার শোকসন্তপ্ত পরিবার-পরিজন ও সহকর্মীদের ধৈর্য ধারণের তৌফিক দান করুন।

সারাদেশ

নিখোঁজের ২ দিন পর মেঘনায় ভেসে উঠলো পুলিশ সদস্যের নিথর দেহ

লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি: ভোলার লালমোহন উপজেলায় মৎস্য অভিযানে গিয়ে লঞ্চের ধাক্কায় স্পিডবোট উল্টে নিখোঁজ হওয়ার দুইদিন পর পুলিশ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের সন্ধান মিলেছে। শুক্রবার বিকেলে দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পড়েছিল ওই পুলিশ কনস্টেবলের নিথর দেহ। তিনি লালমোহন উপজেলার মঙ্গলসিকদার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে কর্মরত ছিলেন। বিষয়টি নিশ্চিত করে লালমোহন থানার […]

নিখোঁজের ২ দিন পর মেঘনায় ভেসে উঠলো পুলিশ সদস্যের নিথর দেহ

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২০ মার্চ ২০২৬, ২৩:০২

লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি:

ভোলার লালমোহন উপজেলায় মৎস্য অভিযানে গিয়ে লঞ্চের ধাক্কায় স্পিডবোট উল্টে নিখোঁজ হওয়ার দুইদিন পর পুলিশ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের সন্ধান মিলেছে। শুক্রবার বিকেলে দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পড়েছিল ওই পুলিশ কনস্টেবলের নিথর দেহ। তিনি লালমোহন উপজেলার মঙ্গলসিকদার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে কর্মরত ছিলেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করে লালমোহন থানার ওসি মো. অলিউল ইসলাম বলেন, গত বুধবার সন্ধ্যার পর মঙ্গলসিকদার লঞ্চঘাট এলাকা থেকে মেঘনা নদীতে মৎস্য অভিযানের জন্য মৎস্য অফিসের ৩ সদস্য ও একজন পুলিশ অফিসারসহ ৩ জন কনস্টেবল স্পিডবোটে করে মেঘনা নদীতে রওয়ানা দেন।

এ সময় যাত্রীবাহী লঞ্চ কর্ণফুলী-১২ এর সঙ্গে ধাক্কা লেগে স্পিডবোটটি উল্টে যায়। এ ঘটনায় ওই স্পিডবোটে থাকা সবাই তীরে উঠতে পারলেও নদীতে ডুবে নিখোঁজ হয়ে যান কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলাম। তাকে উদ্ধার করতে গত দুইদিন ধরে কাজ করেছেন নৌবাহিনী, কোস্টগার্ড ও ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দলের সদস্যরা।

তিনি আরও বলেন, শুক্রবার বিকেলে খবর পাওয়া যায় দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পুলিশের পোশাক পরিহিত এক ব্যক্তির মরদেহ পড়েছিল।

স্থানীয়রা বিষয়টি দেখতে পেয়ে দৌলতখান থানায় খবর দেন। পরে পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করেন। দৌলতখান থানা পুলিশের দেওয়া তথ্যে আমরা নিশ্চিত হই ওই মরদেহটি নিখোঁজ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

সারাদেশ

এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা আসাদুল্লাহ গ্রেপ্তার

চেক ডিজঅনারের একটি মামলায় পাবনা-২ আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ‘হ্যাঁ’ ভোটের অ্যাম্বাসেডর ও দলের যুব সংগঠন যুবশক্তির কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) গভীর রাতে সুজানগর উপজেলার হাটখালী ইউনিয়নের সৈয়দপুর গ্রামে নিজ বাড়ি থেকে তাকে আটক করে কামালপুর পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা। পরে তাকে সুজানগর থানায় হস্তান্তর করা হয়। তিনি […]

এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা আসাদুল্লাহ গ্রেপ্তার

এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা আসাদুল্লাহ গ্রেপ্তার

নিউজ ডেস্ক

১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১১:০৫

চেক ডিজঅনারের একটি মামলায় পাবনা-২ আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ‘হ্যাঁ’ ভোটের অ্যাম্বাসেডর ও দলের যুব সংগঠন যুবশক্তির কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) গভীর রাতে সুজানগর উপজেলার হাটখালী ইউনিয়নের সৈয়দপুর গ্রামে নিজ বাড়ি থেকে তাকে আটক করে কামালপুর পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা। পরে তাকে সুজানগর থানায় হস্তান্তর করা হয়। তিনি ওই গ্রামের আকমল শিকদারের ছেলে।

পুলিশ জানায়, ২০২৪ সালে জামালপুর জেলার একটি চেক ডিজঅনার মামলায় তিনি এক মাসের কারাদণ্ড ও তিন লাখ টাকা অর্থদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি ছিলেন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের গণভোটে ‘হ্যাঁ’ পক্ষে প্রচারণা শেষে বাড়িতে অবস্থানকালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরদিন আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

তবে গ্রেপ্তারকে হয়রানিমূলক দাবি করেছে আসাদুল্লাহর পরিবার। তার স্ত্রী নাঈমা আক্তার রিমা বলেন, গভীর রাতে বাসা থেকে তাকে তুলে নেওয়া হয়েছে এবং পারিবারিক ও রাজনৈতিকভাবে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।

সুজানগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জানান, তিনি ওই মামলার সাজাপ্রাপ্ত ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি ছিলেন বলেই আইনানুগভাবে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে।