রবিবার, ২৯ মার্চ ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

মধ্যরাতে শেষ হচ্ছে ইলিশ নিষেধাজ্ঞা, জেলেদের প্রস্তুতি সম্পন্ন

মোঃ হাসনাইন আহম্মেদ, ভোলা প্রতিনিধিঃ আজ মধ্যরাত থেকে শেষ হচ্ছে ভোলার মেঘনা ও তেঁতুলিয়া নদীতে দেয়া ইলিশ শিকারের দুই মাসের নিষেধাজ্ঞা। ফলে ইলিশ ধরতে প্রস্তুত ভোলার দুই লক্ষাধিক জেলে। বুধবার (৩০ এপ্রিল) রাত ১২টা থেকে শেষ হচ্ছে এই দুই মাসের নিষেধাজ্ঞা। নিষেধাজ্ঞার এই সময়ে অনেক কষ্ট আর দুর্দশা নিয়ে সময় কাটিয়েছেন জেলে পল্লির মানুষগুলো। টানা […]

প্রতিনিধি ডেস্ক

৩০ এপ্রিল ২০২৫, ২৩:৫৪

মোঃ হাসনাইন আহম্মেদ, ভোলা প্রতিনিধিঃ

আজ মধ্যরাত থেকে শেষ হচ্ছে ভোলার মেঘনা ও তেঁতুলিয়া নদীতে দেয়া ইলিশ শিকারের দুই মাসের নিষেধাজ্ঞা। ফলে ইলিশ ধরতে প্রস্তুত ভোলার দুই লক্ষাধিক জেলে।

বুধবার (৩০ এপ্রিল) রাত ১২টা থেকে শেষ হচ্ছে এই দুই মাসের নিষেধাজ্ঞা।

নিষেধাজ্ঞার এই সময়ে অনেক কষ্ট আর দুর্দশা নিয়ে সময় কাটিয়েছেন জেলে পল্লির মানুষগুলো। টানা দুই মাসের অলস সময় শেষে নদীতে নামার জন্য ব্যস্ত সময় পার করছেন তারা।

দিন-রাত এক করে জাল, নৌকা মেরামতের কাজে নেমেছেন জেলেরা। ইলিশ ধরে ঋণের টাকা শোধ করবেন, এ আশায় বুক বেঁধে আছেন।

সকাল থেকে ভোলার বেশ কয়েকটি মৎস্য ঘাট ঘুরে দেখা গেছে, জেলেরা জাল ও নৌকা সংস্কার করছেন। গত দুই মাস অযত্নে-অবহেলায় পড়ে থাকা নৌকা যত্নসহকারে মেরামত করছেন।

কেউ কেউ আবার নতুন নৌকা তৈরি করে তাতে সরঞ্জামদি সাজাচ্ছেন। মাঝিমাল্লাদের নিয়ে কাজ করছেন জেলেরা।

ভোলার খাল এলাকার শাহাজান মাঝি জানান, দুই মাস পর বেকারত্ব থেকে মুক্তি পাচ্ছি। সরকারের দেওয়া নিষেধাজ্ঞা মানতে আমরা নদীতে যাইনি।

নিষেধাজ্ঞার সময়ে দেওয়া আমাদের খাদ্য সহায়তার চাল পেয়েছি। যদি সরকার চালের সাথে অন্যান্য সামগ্রী দিতেন, তাহলে হয়ত আমরা আরো একটু ভালো থাকতে পারতাম।

তুলাতুলি মৎস্য ঘাট এলাকার জেলে মনির মাঝি জানান, মহাজন থেকে দাদন ও এনজিও থেকে টাকা নিয়ে নতুন জাল আর ইঞ্জিন নিয়ে আজ রাতে নদীতে নামবো। নদীতে ভাল ইলিশ পেলে ধারদেনা পরিশোধ করে ঘুরে দাঁড়াতে পারব।

একই এলাকার জসিম মাঝি জানান, অভিযানের সময় খুব হতাশায় দিন পার করেছি। পরিবার-পরিজন নিয়ে খুব কষ্টে ছিলাম। আজ থেকে অভিযান শেষ হয়েছে, তাই রাতেই মাঝিমাল্লা নিয়ে নদীতে যাব। এজন্য ডিজেল ও বাজার সামগ্রী কিনেছি। নদীতে ভালো ইলিশ পেলে আমরা একটু ঘুরে দাঁড়াতে পারব।

এদিকে, জেলেদের পাশাপাশি আড়ৎদাররাও বসে নাই। তারা তাদের ঢালা ও আড়ত মেরামতে ব্যস্ত। সেই চিরচেনা আড়ৎগুলো যেন প্রাণ ফিরে পাবে ইলিশের হাঁক-ডাকে। ইলিশ ধরে যখন জেলেরা তীরে ফিরবেন, তখনই বেচাকেনার ধুম পড়বে মৎস্য আড়ৎগুলোতে।

আড়ৎদাররা বলছেন, দীর্ঘদিন আঘাতে মাছ বেচাকেনা বন্ধ রেখেছেন। আজ থেকে জেলেরা মাছ ধরতে যাবে। তাই তারাও আড়ত খুলে বসেছেন। জেলেদের জালে মাছ উঠলে একদিকে যেমন জেলেরা লাভবান হবে, অন্যদিকে তাদেরও আয় বাণিজ্য ভালো হবে।

জেলা মৎস্য বিভাগের তথ্যমতে, নিষেধাজ্ঞার দুই মাসে ভোলার ৭ উপজেলায় ৫৪০টি অভিযানসহ ৬০টি মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়েছে। ৬টি মামলা হয়েছে এবং দুই জেলেকে জেলে পাঠানো হয়েছে।

ভোলা জেলা মৎস্য কর্মকর্তা বিশ্বজিৎ কুমার দেব বলেন, আজ রাত ১২টা থেকে ভোলার মেঘনা ও তেঁতুলিয়া নদীতে মাছ ধরার দুই মাসের নিষেধাজ্ঞা শেষ হবে। সরকারের দেওয়া নিষেধাজ্ঞা আমরা সফলভাবে বাস্তবায়ন করেছি।

মা ইলিশ প্রচুর পরিমাণে ডিম ছেড়েছে, নদীতে থাকা জাটকাগুলো বড় হওয়ার সুযোগ দিয়েছি। আশা করছি এসব জাটকা ইলিশ হয়ে ফিরে জেলেদের জালে ঝাঁকে ঝাঁকে ধরা পরবে। যা ২০২৪-২৫ অর্থবছরে ভোলায় ১ লাখ ৮৫ হাজার টন ইলিশের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে যাবে।

উল্লেখ্য, মা ইলিশ রক্ষায় ও ইলিশ উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে মার্চ-এপ্রিল দুই মাস ভোলার মেঘনা ও তেঁতুলিয়া নদীর ১৯০ কিলোমিটার এলাকায় ইলিশের অভয়াশ্রম ঘোষণা করে সরকার। এসময় সকল প্রকার মাছ শিকার, ক্রয়-বিক্রয়ের উপর নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়।

ফলে বেকার হয়ে পড়েন ভোলার ১ লাখ ৭০ হাজার ২৪৩ জন নিবন্ধিতসহ প্রায় ৩ লাখ জেলে। তবে নিষেধাজ্ঞার সময়ে খাদ্য সহায়তা হিসেবে ৮৯ হাজার ৬০০ জেলের জন্য ১৬০ কেজি করে চাল বিতরণ করা হয়েছে। 

সারাদেশ

শেরপুর-৩ আসনের জামায়াতের প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল মারা গেছেন

জামায়াতে ইসলামীর শেরপুর জেলা শাখার সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী–ঝিনাইগাতী) আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল (৫১) মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত আনুমানিক ৩ টার দিকে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শেরপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি আবুল কালাম আজাদ। পরিবার সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার […]

শেরপুর-৩ আসনের জামায়াতের প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল মারা গেছেন

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৫:০৬

জামায়াতে ইসলামীর শেরপুর জেলা শাখার সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী–ঝিনাইগাতী) আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল (৫১) মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত আনুমানিক ৩ টার দিকে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শেরপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি আবুল কালাম আজাদ।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার রাত ১০টার দিকে হঠাৎ শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যায় গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন নুরুজ্জামান বাদল। তাৎক্ষণিকভাবে তাকে শ্রীবরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। পরে সেখান থেকে দ্রুত ময়মনসিংহ স্বদেশ হাসপাতালে নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়।

ময়মনসিংহ নেওয়ার পথে রাত ৩ টার দিকে শহরের প্রবেশমুখ ব্রিজ এলাকায় পৌঁছালে তার অবস্থার অবনতি ঘটে এবং সেখানে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। পরে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।

পরিবারের পক্ষ থেকে মৃতের ভাই মাসুদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এছাড়াও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নিজেদের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে দেওয়া ওই পোস্টে বলা হয়, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী শেরপুর জেলা শাখার সম্মানিত সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ সংসদীয় আসনে জামায়াত মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী জনাব আলহাজ্ব নুরুজ্জামান বাদল আনুমানিক আজ রাত ৩টায় কিডনিজনিত রোগে হাসপাতালে ভর্তি অবস্থায় ইন্তেকাল করেছেন। ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।

পোস্টে আরও উল্লেখ করা হয়, আল্লাহ তা’য়ালা তাকে জান্নাতুল ফেরদাউস দান করুন এবং তার শোকসন্তপ্ত পরিবার-পরিজন ও সহকর্মীদের ধৈর্য ধারণের তৌফিক দান করুন।

সারাদেশ

নিখোঁজের ২ দিন পর মেঘনায় ভেসে উঠলো পুলিশ সদস্যের নিথর দেহ

লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি: ভোলার লালমোহন উপজেলায় মৎস্য অভিযানে গিয়ে লঞ্চের ধাক্কায় স্পিডবোট উল্টে নিখোঁজ হওয়ার দুইদিন পর পুলিশ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের সন্ধান মিলেছে। শুক্রবার বিকেলে দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পড়েছিল ওই পুলিশ কনস্টেবলের নিথর দেহ। তিনি লালমোহন উপজেলার মঙ্গলসিকদার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে কর্মরত ছিলেন। বিষয়টি নিশ্চিত করে লালমোহন থানার […]

নিখোঁজের ২ দিন পর মেঘনায় ভেসে উঠলো পুলিশ সদস্যের নিথর দেহ

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২০ মার্চ ২০২৬, ২৩:০২

লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি:

ভোলার লালমোহন উপজেলায় মৎস্য অভিযানে গিয়ে লঞ্চের ধাক্কায় স্পিডবোট উল্টে নিখোঁজ হওয়ার দুইদিন পর পুলিশ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের সন্ধান মিলেছে। শুক্রবার বিকেলে দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পড়েছিল ওই পুলিশ কনস্টেবলের নিথর দেহ। তিনি লালমোহন উপজেলার মঙ্গলসিকদার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে কর্মরত ছিলেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করে লালমোহন থানার ওসি মো. অলিউল ইসলাম বলেন, গত বুধবার সন্ধ্যার পর মঙ্গলসিকদার লঞ্চঘাট এলাকা থেকে মেঘনা নদীতে মৎস্য অভিযানের জন্য মৎস্য অফিসের ৩ সদস্য ও একজন পুলিশ অফিসারসহ ৩ জন কনস্টেবল স্পিডবোটে করে মেঘনা নদীতে রওয়ানা দেন।

এ সময় যাত্রীবাহী লঞ্চ কর্ণফুলী-১২ এর সঙ্গে ধাক্কা লেগে স্পিডবোটটি উল্টে যায়। এ ঘটনায় ওই স্পিডবোটে থাকা সবাই তীরে উঠতে পারলেও নদীতে ডুবে নিখোঁজ হয়ে যান কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলাম। তাকে উদ্ধার করতে গত দুইদিন ধরে কাজ করেছেন নৌবাহিনী, কোস্টগার্ড ও ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দলের সদস্যরা।

তিনি আরও বলেন, শুক্রবার বিকেলে খবর পাওয়া যায় দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পুলিশের পোশাক পরিহিত এক ব্যক্তির মরদেহ পড়েছিল।

স্থানীয়রা বিষয়টি দেখতে পেয়ে দৌলতখান থানায় খবর দেন। পরে পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করেন। দৌলতখান থানা পুলিশের দেওয়া তথ্যে আমরা নিশ্চিত হই ওই মরদেহটি নিখোঁজ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

সারাদেশ

এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা আসাদুল্লাহ গ্রেপ্তার

চেক ডিজঅনারের একটি মামলায় পাবনা-২ আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ‘হ্যাঁ’ ভোটের অ্যাম্বাসেডর ও দলের যুব সংগঠন যুবশক্তির কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) গভীর রাতে সুজানগর উপজেলার হাটখালী ইউনিয়নের সৈয়দপুর গ্রামে নিজ বাড়ি থেকে তাকে আটক করে কামালপুর পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা। পরে তাকে সুজানগর থানায় হস্তান্তর করা হয়। তিনি […]

এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা আসাদুল্লাহ গ্রেপ্তার

এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা আসাদুল্লাহ গ্রেপ্তার

নিউজ ডেস্ক

১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১১:০৫

চেক ডিজঅনারের একটি মামলায় পাবনা-২ আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ‘হ্যাঁ’ ভোটের অ্যাম্বাসেডর ও দলের যুব সংগঠন যুবশক্তির কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) গভীর রাতে সুজানগর উপজেলার হাটখালী ইউনিয়নের সৈয়দপুর গ্রামে নিজ বাড়ি থেকে তাকে আটক করে কামালপুর পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা। পরে তাকে সুজানগর থানায় হস্তান্তর করা হয়। তিনি ওই গ্রামের আকমল শিকদারের ছেলে।

পুলিশ জানায়, ২০২৪ সালে জামালপুর জেলার একটি চেক ডিজঅনার মামলায় তিনি এক মাসের কারাদণ্ড ও তিন লাখ টাকা অর্থদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি ছিলেন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের গণভোটে ‘হ্যাঁ’ পক্ষে প্রচারণা শেষে বাড়িতে অবস্থানকালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরদিন আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

তবে গ্রেপ্তারকে হয়রানিমূলক দাবি করেছে আসাদুল্লাহর পরিবার। তার স্ত্রী নাঈমা আক্তার রিমা বলেন, গভীর রাতে বাসা থেকে তাকে তুলে নেওয়া হয়েছে এবং পারিবারিক ও রাজনৈতিকভাবে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।

সুজানগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জানান, তিনি ওই মামলার সাজাপ্রাপ্ত ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি ছিলেন বলেই আইনানুগভাবে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে।