সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

সিংগাইরে আসামী গ্রেফতার করতে গিয়ে এসআই সহ ৩ পুলিশ আহত, গ্রেপ্তার- ৪

সোহেল রানা, সিংগাইর (মানিকগঞ্জ) প্রতিনিধি : মানিকগঞ্জের সিংগাইরে সাংবাদিক মাসুম বাদশাহ’র ওপর হামলার ঘটনায় দায়েরকৃত মামলার আসামি গ্রেফতার করতে গিয়ে এক এসআই ও দুই পুলিশ কনস্টেবল আহত হয়েছেন।   সোমবার (২১ এপ্রিল) দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেন থানার ওসি জে ও এম তৌফিক আজম। তিনি বলেন, আহত তিনজনকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। এর আগে রবিবার (২০ এপ্রিল) আহত […]

প্রতিনিধি ডেস্ক

২১ এপ্রিল ২০২৫, ২৩:৫৫

সোহেল রানা, সিংগাইর (মানিকগঞ্জ) প্রতিনিধি :

মানিকগঞ্জের সিংগাইরে সাংবাদিক মাসুম বাদশাহ’র ওপর হামলার ঘটনায় দায়েরকৃত মামলার আসামি গ্রেফতার করতে গিয়ে এক এসআই ও দুই পুলিশ কনস্টেবল আহত হয়েছেন। 

 সোমবার (২১ এপ্রিল) দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেন থানার ওসি জে ও এম তৌফিক আজম। তিনি বলেন, আহত তিনজনকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

এর আগে রবিবার (২০ এপ্রিল) আহত এসআই পার্থ শেখর ঘোষ বাদী হয়ে ৯ জনসহ অজ্ঞাত ১০-১৫ জনকে আসামী করে মামলা দায়ের করেন। পুলিশ অভিযান চালিয়ে মামলার এজাহারভূক্ত ৪ জনকে গ্রেপ্তার করেছেন। 

গ্রেপ্তারকৃতরা হচ্ছে -উপজেলার ধল্লা লক্ষীপুর গ্রামের মৃত গিয়াস উদ্দিন গাদু’র ছেলে আক্তার হোসেন (৪৫), তার স্ত্রী ইয়াছমিন আক্তার চায়না (৩৫),মৃত রুহুল শিকদারের ছেলে আল ইসলাম (২৯) ও মো. আব্বাস মিয়ার ছেলে আরিফ হোসেন (২৩)। 

জানা যায়, গত ১৫ এপ্রিল সকাল পৌনে ১০ টায় দৈনিক ভোরের কাগজ সিংগাইর প্রতিনিধি ও দৈনিক ফুলকি’র স্টাফ রিপোর্টার মাসুম বাদশাহ ‘র ওপর হামলা হয়। ওই ঘটনায় মাসুম বাদশাহ বাদী হয়ে ৫ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত ৮-১০ জনের নামে পরদিন থানায় মামলা দায়ের করেন।

ওই মামলার ২ নং আসামী হুমায়ুন ওরফে ইয়াবা হুমায়ুনকে তার বাড়ি উপজেলার ধল্লা লক্ষীপুর গ্রামে গত ১৯ এপ্রিল দুপুরে মামলার আইও পার্থ শেখর ঘোষ দুই কনস্টেবল মাহাবুবুর রহমান ও শহিদুল ইসলামকে সঙ্গে নিয়ে অভিযান চালিয়ে গ্রেপ্তারের চেষ্টা করে।

এ সময় তার পরিবারের লোকজন লাঠিসোঁটা নিয়ে পুলিশের ওপর হামলা এবং হুমায়ুনকে গ্রেপ্তারে বাধা প্রদান করে। হুমায়ুন মামলার তদন্ত কর্মকর্তাকে শ্বাসরোধ করে হত্যার চেষ্টা করে। তার আরেক সহযোগি আমিনুর কনস্টেবল মাহাবুবকে লাঠি দিয়ে আঘাত করে।

সেই সাথে গলা চেপে ধরে হত্যা চেষ্টা করে। স্থানীয় লোকজন দিয়ে মব জাস্টিস পরিস্থিতি সৃষ্টি করে সকল আসামীরা তিন পুলিশের উপর হামলা করে মারধর করলে এজাহারভূক্ত আসামী ইয়াবা হুমায়ুন পালিয়ে যায়। মারধরের সঙ্গে জড়িত অন্যরাও সটকে পড়ে।

আহত পুলিশ বেতার যন্ত্রের মাধ্যমে থানায় খবর দিলে থানা থেকে অতিরিক্ত পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাদেরকে উদ্ধার করে। সেই সঙ্গে পুলিশ অভিযান চালিয়ে ৪ জনকে গ্রেপ্তার করে রোববার দুপুরে আদালতে প্রেরণ করেন। 

 এদিকে, হুমায়ুনের পরিবারের লোকজন পুলিশের হামলার বিষয়টি ভিন্নখাতে প্রবাহের জন্য পায়তারা করছে। ঘটনার পর দিন হুমায়ুনের স্ত্রী সায়মা আক্তাকে দিয়ে জেলা পুলিশ সুপারের কাছে মিথ্যা অভিযোগ দিয়েছে।

এতে ওই নারী পুলিশের অভিযানের সময় আহত হয়েছেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করেছেন। তিনি আহত হয়ে থাকলে কিভাবে তার পরের দিন স্বশরীরে জেলা সদরে গিয়ে অভিযোগ দায়ের করেন তা নিয়ে জনমনে প্রশ্ন ওঠেছে।  

 সরেজমিনে স্থানীয় বাসিন্দাদের সাথে কথা বলে পুলিশের ওপর হামলার ঘটনা সত্যতা মিলেছে। স্থানীয় বাসিন্দারা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর উপর হামলাকারীদের আইনের আওতায় এনে শাস্তির জোর দাবি জানিয়েছেন। 

থানা পুলিশের দাবী, অভিযানের সময় এসআই পার্থ শেখর ঘোষ, দুই কনস্টেবল মাহবুবুর রহমান ও শহিদুল ইসলাম আহত হওয়ার পর হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন। অথচ ওই নারী চিকিৎসা না নিয়ে পরের দিন স্বরীরে এসপি অফিসে গিয়ে অভিযোগ করে পুলিশকে ফাঁসানোর চেষ্টা ছাড়া অন্য কিছু নয়। 

এদিকে, অভিযুক্ত হুমায়ুনের বাড়িতে গিয়ে ওই পরিবারের কাউকে না পাওয়ায় বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি। তবে তার বোন জেলা আওয়ামী যুব মহিলা লীগের নেত্রী ছালেহা জাহানকে একাধিকবার ফোন দিলেও তিনি ফোন রিসিভ করেনি।  

 এ ব্যাপারে মামলা তদন্ত কর্মকর্তা এসআই মো: জসিম উদ্দিন বলেন, পুলিশের উপর হামলার ঘটনা চারজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বাকি আসামিদের গ্রেফতারের জোর চেষ্টা চলছে। তবে কোনো নিরীহ মানুষ হয়রানির শিকার হবে না বলেও তিনি জানান। 

সারাদেশ

শেরপুর-৩ আসনের জামায়াতের প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল মারা গেছেন

জামায়াতে ইসলামীর শেরপুর জেলা শাখার সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী–ঝিনাইগাতী) আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল (৫১) মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত আনুমানিক ৩ টার দিকে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শেরপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি আবুল কালাম আজাদ। পরিবার সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার […]

শেরপুর-৩ আসনের জামায়াতের প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল মারা গেছেন

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৫:০৬

জামায়াতে ইসলামীর শেরপুর জেলা শাখার সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী–ঝিনাইগাতী) আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল (৫১) মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত আনুমানিক ৩ টার দিকে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শেরপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি আবুল কালাম আজাদ।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার রাত ১০টার দিকে হঠাৎ শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যায় গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন নুরুজ্জামান বাদল। তাৎক্ষণিকভাবে তাকে শ্রীবরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। পরে সেখান থেকে দ্রুত ময়মনসিংহ স্বদেশ হাসপাতালে নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়।

ময়মনসিংহ নেওয়ার পথে রাত ৩ টার দিকে শহরের প্রবেশমুখ ব্রিজ এলাকায় পৌঁছালে তার অবস্থার অবনতি ঘটে এবং সেখানে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। পরে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।

পরিবারের পক্ষ থেকে মৃতের ভাই মাসুদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এছাড়াও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নিজেদের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে দেওয়া ওই পোস্টে বলা হয়, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী শেরপুর জেলা শাখার সম্মানিত সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ সংসদীয় আসনে জামায়াত মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী জনাব আলহাজ্ব নুরুজ্জামান বাদল আনুমানিক আজ রাত ৩টায় কিডনিজনিত রোগে হাসপাতালে ভর্তি অবস্থায় ইন্তেকাল করেছেন। ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।

পোস্টে আরও উল্লেখ করা হয়, আল্লাহ তা’য়ালা তাকে জান্নাতুল ফেরদাউস দান করুন এবং তার শোকসন্তপ্ত পরিবার-পরিজন ও সহকর্মীদের ধৈর্য ধারণের তৌফিক দান করুন।

সারাদেশ

নিখোঁজের ২ দিন পর মেঘনায় ভেসে উঠলো পুলিশ সদস্যের নিথর দেহ

লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি: ভোলার লালমোহন উপজেলায় মৎস্য অভিযানে গিয়ে লঞ্চের ধাক্কায় স্পিডবোট উল্টে নিখোঁজ হওয়ার দুইদিন পর পুলিশ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের সন্ধান মিলেছে। শুক্রবার বিকেলে দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পড়েছিল ওই পুলিশ কনস্টেবলের নিথর দেহ। তিনি লালমোহন উপজেলার মঙ্গলসিকদার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে কর্মরত ছিলেন। বিষয়টি নিশ্চিত করে লালমোহন থানার […]

নিখোঁজের ২ দিন পর মেঘনায় ভেসে উঠলো পুলিশ সদস্যের নিথর দেহ

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২০ মার্চ ২০২৬, ২৩:০২

লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি:

ভোলার লালমোহন উপজেলায় মৎস্য অভিযানে গিয়ে লঞ্চের ধাক্কায় স্পিডবোট উল্টে নিখোঁজ হওয়ার দুইদিন পর পুলিশ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের সন্ধান মিলেছে। শুক্রবার বিকেলে দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পড়েছিল ওই পুলিশ কনস্টেবলের নিথর দেহ। তিনি লালমোহন উপজেলার মঙ্গলসিকদার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে কর্মরত ছিলেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করে লালমোহন থানার ওসি মো. অলিউল ইসলাম বলেন, গত বুধবার সন্ধ্যার পর মঙ্গলসিকদার লঞ্চঘাট এলাকা থেকে মেঘনা নদীতে মৎস্য অভিযানের জন্য মৎস্য অফিসের ৩ সদস্য ও একজন পুলিশ অফিসারসহ ৩ জন কনস্টেবল স্পিডবোটে করে মেঘনা নদীতে রওয়ানা দেন।

এ সময় যাত্রীবাহী লঞ্চ কর্ণফুলী-১২ এর সঙ্গে ধাক্কা লেগে স্পিডবোটটি উল্টে যায়। এ ঘটনায় ওই স্পিডবোটে থাকা সবাই তীরে উঠতে পারলেও নদীতে ডুবে নিখোঁজ হয়ে যান কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলাম। তাকে উদ্ধার করতে গত দুইদিন ধরে কাজ করেছেন নৌবাহিনী, কোস্টগার্ড ও ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দলের সদস্যরা।

তিনি আরও বলেন, শুক্রবার বিকেলে খবর পাওয়া যায় দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পুলিশের পোশাক পরিহিত এক ব্যক্তির মরদেহ পড়েছিল।

স্থানীয়রা বিষয়টি দেখতে পেয়ে দৌলতখান থানায় খবর দেন। পরে পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করেন। দৌলতখান থানা পুলিশের দেওয়া তথ্যে আমরা নিশ্চিত হই ওই মরদেহটি নিখোঁজ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

সারাদেশ

এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা আসাদুল্লাহ গ্রেপ্তার

চেক ডিজঅনারের একটি মামলায় পাবনা-২ আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ‘হ্যাঁ’ ভোটের অ্যাম্বাসেডর ও দলের যুব সংগঠন যুবশক্তির কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) গভীর রাতে সুজানগর উপজেলার হাটখালী ইউনিয়নের সৈয়দপুর গ্রামে নিজ বাড়ি থেকে তাকে আটক করে কামালপুর পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা। পরে তাকে সুজানগর থানায় হস্তান্তর করা হয়। তিনি […]

এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা আসাদুল্লাহ গ্রেপ্তার

এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা আসাদুল্লাহ গ্রেপ্তার

নিউজ ডেস্ক

১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১১:০৫

চেক ডিজঅনারের একটি মামলায় পাবনা-২ আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ‘হ্যাঁ’ ভোটের অ্যাম্বাসেডর ও দলের যুব সংগঠন যুবশক্তির কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) গভীর রাতে সুজানগর উপজেলার হাটখালী ইউনিয়নের সৈয়দপুর গ্রামে নিজ বাড়ি থেকে তাকে আটক করে কামালপুর পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা। পরে তাকে সুজানগর থানায় হস্তান্তর করা হয়। তিনি ওই গ্রামের আকমল শিকদারের ছেলে।

পুলিশ জানায়, ২০২৪ সালে জামালপুর জেলার একটি চেক ডিজঅনার মামলায় তিনি এক মাসের কারাদণ্ড ও তিন লাখ টাকা অর্থদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি ছিলেন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের গণভোটে ‘হ্যাঁ’ পক্ষে প্রচারণা শেষে বাড়িতে অবস্থানকালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরদিন আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

তবে গ্রেপ্তারকে হয়রানিমূলক দাবি করেছে আসাদুল্লাহর পরিবার। তার স্ত্রী নাঈমা আক্তার রিমা বলেন, গভীর রাতে বাসা থেকে তাকে তুলে নেওয়া হয়েছে এবং পারিবারিক ও রাজনৈতিকভাবে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।

সুজানগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জানান, তিনি ওই মামলার সাজাপ্রাপ্ত ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি ছিলেন বলেই আইনানুগভাবে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে।