শনিবার, ২৮ মার্চ ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে বাংলাদেশি যুবকের মৃত্যু, বিক্ষোভ মিছিল ও দেহ ফেরতের দাবি

সাব্বির হোসেন, লালমনিরহাট প্রতিনিধিঃ     লালমনিরহাট জেলার হাতিবান্ধা উপজেলার সীমান্তে ভারতীয় সীমান্ত নিরাপত্তা বাহিনী (বিএসএফ) এর গুলিবিদ্ধ হয়ে এক বাংলাদেশি যুবকের মৃত্যু হয়েছে। গতকাল রাত সাড়ে ১০টায় পশ্চিমবঙ্গের কোচবিহার জেলার এক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। নিহত যুবক হাসিবুল আলম (২৪), হাতিবান্ধার মাধ্য সিংগীমারী সীমান্তের বাসিন্দা জাহিদুল ইসলামের পুত্র। এ নিয়ে সন্ধ্যায় হাতীবান্ধার সচেতন […]

প্রতিনিধি ডেস্ক

১৭ এপ্রিল ২০২৫, ১০:৫১

সাব্বির হোসেন, লালমনিরহাট প্রতিনিধিঃ    

লালমনিরহাট জেলার হাতিবান্ধা উপজেলার সীমান্তে ভারতীয় সীমান্ত নিরাপত্তা বাহিনী (বিএসএফ) এর গুলিবিদ্ধ হয়ে এক বাংলাদেশি যুবকের মৃত্যু হয়েছে। গতকাল রাত সাড়ে ১০টায় পশ্চিমবঙ্গের কোচবিহার জেলার এক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

নিহত যুবক হাসিবুল আলম (২৪), হাতিবান্ধার মাধ্য সিংগীমারী সীমান্তের বাসিন্দা জাহিদুল ইসলামের পুত্র। এ নিয়ে সন্ধ্যায় হাতীবান্ধার সচেতন মহল শহর জুড়ে বিক্ষোভ মিছিল করেন।

সীমান্ত সংঘটিত এ ঘটনায় বাংলাদেশ সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিজিবি) ইতিমধ্যে বিএসএফ-এর কাছে দেহ ফেরতের আনুষ্ঠানিক অনুরোধ জানিয়েছে।

৬১ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধীনস্থ সিংগীমারী ক্যাম্পের কমান্ডার নূর ইসলাম গতরাতেই হাসিবুলের মৃত্যু নিশ্চিত করে বলেন, “ফ্ল্যাগ মিটিংয়ের মাধ্যমে দেহ ফেরত নেওয়ার জন্য বিএসএফকে লিখিত চিঠি দেওয়া হয়েছে।”  

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গতকাল দুপুরে হাতিবান্ধার মাধ্য সিংগীমারী সীমান্তের মেইন পিলার ৮৯৪-এর সাব-পিলার ৬-এস সংলগ্ন নো-ম্যান’স ল্যান্ডে হাসিবুল ও কয়েক যুবক গবাদিপশুর জন্য ঘাস কাটছিলেন।

এসময় নাগর সিংগীমারী ক্যাম্পের বিএসএফ সদস্যরা নির্বিচারে গুলি চালালে হাসিবুল গুরুতর আহত হন। গুলির শব্দ শুনে অন্য যুবকরা পালিয়ে গেলেও হাসিবুলকে বিএসএফ সদস্যরা টেনে ভারতীয় এলাকায় নিয়ে যায়। পরে তাকে কোচবিহারের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়, যেখানে রাতেই তার মৃত্যু হয়।  

স্থানীয় কৃষক নওশের আলী জানান, “আমি সীমান্তের ধানক্ষেতে কাজ করছিলাম। হঠাৎ গুলির শব্দ শুনে তাকাতেই দেখি হাসিবুল মাটিতে লুটিয়ে পড়েছেন। বিএসএফ জওয়ানরা তাকে জোর করে নিয়ে যায়। এ নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে রাগ ও আতঙ্ক রয়েছে।”  

হাতিবান্ধা থানার ওসি মাহমুদুন-নবী বলেন, “ভারতীয় কর্তৃপক্ষের পাঠানো একটি ভিডিও ফুটেজ পরীক্ষা করে হাসিবুলের মৃত্যু নিশ্চিত করা হয়েছে। দেহ ফেরতের প্রক্রিয়া চলছে। আমরা বিষয়টির তদন্তে সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষের সাথে যোগাযোগ রেখেছি।”  

সীমান্তবর্তী গ্রামের বাসিন্দারা জানান, গবাদিপশুর খাদ্য সংগ্রহ বা ফসলের জমিতে কাজ করতে গিয়েও প্রায়ই বিএসএফের হয়রানির শিকার হন তারা। হাসিবুলের মৃত্যু নিয়ে এলাকায় ক্ষোভ ছড়িয়েছে। অনেকেই বিএসএফের এই “অমানবিক কার্যক্রম” বন্ধের দাবি জানিয়েছেন।  

এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত বিএসএফ-এর কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া বা বিবৃতি পাওয়া যায়নি। বাংলাদেশি কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে জোরদার কূটনৈতিক প্রচেষ্টার মাধ্যমে দ্রুত দেহ ফেরত ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার তাগিদ দেওয়া হয়েছে।

সারাদেশ

শেরপুর-৩ আসনের জামায়াতের প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল মারা গেছেন

জামায়াতে ইসলামীর শেরপুর জেলা শাখার সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী–ঝিনাইগাতী) আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল (৫১) মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত আনুমানিক ৩ টার দিকে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শেরপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি আবুল কালাম আজাদ। পরিবার সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার […]

শেরপুর-৩ আসনের জামায়াতের প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল মারা গেছেন

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৫:০৬

জামায়াতে ইসলামীর শেরপুর জেলা শাখার সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী–ঝিনাইগাতী) আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল (৫১) মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত আনুমানিক ৩ টার দিকে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শেরপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি আবুল কালাম আজাদ।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার রাত ১০টার দিকে হঠাৎ শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যায় গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন নুরুজ্জামান বাদল। তাৎক্ষণিকভাবে তাকে শ্রীবরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। পরে সেখান থেকে দ্রুত ময়মনসিংহ স্বদেশ হাসপাতালে নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়।

ময়মনসিংহ নেওয়ার পথে রাত ৩ টার দিকে শহরের প্রবেশমুখ ব্রিজ এলাকায় পৌঁছালে তার অবস্থার অবনতি ঘটে এবং সেখানে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। পরে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।

পরিবারের পক্ষ থেকে মৃতের ভাই মাসুদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এছাড়াও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নিজেদের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে দেওয়া ওই পোস্টে বলা হয়, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী শেরপুর জেলা শাখার সম্মানিত সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ সংসদীয় আসনে জামায়াত মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী জনাব আলহাজ্ব নুরুজ্জামান বাদল আনুমানিক আজ রাত ৩টায় কিডনিজনিত রোগে হাসপাতালে ভর্তি অবস্থায় ইন্তেকাল করেছেন। ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।

পোস্টে আরও উল্লেখ করা হয়, আল্লাহ তা’য়ালা তাকে জান্নাতুল ফেরদাউস দান করুন এবং তার শোকসন্তপ্ত পরিবার-পরিজন ও সহকর্মীদের ধৈর্য ধারণের তৌফিক দান করুন।

সারাদেশ

নিখোঁজের ২ দিন পর মেঘনায় ভেসে উঠলো পুলিশ সদস্যের নিথর দেহ

লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি: ভোলার লালমোহন উপজেলায় মৎস্য অভিযানে গিয়ে লঞ্চের ধাক্কায় স্পিডবোট উল্টে নিখোঁজ হওয়ার দুইদিন পর পুলিশ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের সন্ধান মিলেছে। শুক্রবার বিকেলে দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পড়েছিল ওই পুলিশ কনস্টেবলের নিথর দেহ। তিনি লালমোহন উপজেলার মঙ্গলসিকদার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে কর্মরত ছিলেন। বিষয়টি নিশ্চিত করে লালমোহন থানার […]

নিখোঁজের ২ দিন পর মেঘনায় ভেসে উঠলো পুলিশ সদস্যের নিথর দেহ

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২০ মার্চ ২০২৬, ২৩:০২

লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি:

ভোলার লালমোহন উপজেলায় মৎস্য অভিযানে গিয়ে লঞ্চের ধাক্কায় স্পিডবোট উল্টে নিখোঁজ হওয়ার দুইদিন পর পুলিশ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের সন্ধান মিলেছে। শুক্রবার বিকেলে দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পড়েছিল ওই পুলিশ কনস্টেবলের নিথর দেহ। তিনি লালমোহন উপজেলার মঙ্গলসিকদার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে কর্মরত ছিলেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করে লালমোহন থানার ওসি মো. অলিউল ইসলাম বলেন, গত বুধবার সন্ধ্যার পর মঙ্গলসিকদার লঞ্চঘাট এলাকা থেকে মেঘনা নদীতে মৎস্য অভিযানের জন্য মৎস্য অফিসের ৩ সদস্য ও একজন পুলিশ অফিসারসহ ৩ জন কনস্টেবল স্পিডবোটে করে মেঘনা নদীতে রওয়ানা দেন।

এ সময় যাত্রীবাহী লঞ্চ কর্ণফুলী-১২ এর সঙ্গে ধাক্কা লেগে স্পিডবোটটি উল্টে যায়। এ ঘটনায় ওই স্পিডবোটে থাকা সবাই তীরে উঠতে পারলেও নদীতে ডুবে নিখোঁজ হয়ে যান কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলাম। তাকে উদ্ধার করতে গত দুইদিন ধরে কাজ করেছেন নৌবাহিনী, কোস্টগার্ড ও ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দলের সদস্যরা।

তিনি আরও বলেন, শুক্রবার বিকেলে খবর পাওয়া যায় দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পুলিশের পোশাক পরিহিত এক ব্যক্তির মরদেহ পড়েছিল।

স্থানীয়রা বিষয়টি দেখতে পেয়ে দৌলতখান থানায় খবর দেন। পরে পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করেন। দৌলতখান থানা পুলিশের দেওয়া তথ্যে আমরা নিশ্চিত হই ওই মরদেহটি নিখোঁজ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

সারাদেশ

এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা আসাদুল্লাহ গ্রেপ্তার

চেক ডিজঅনারের একটি মামলায় পাবনা-২ আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ‘হ্যাঁ’ ভোটের অ্যাম্বাসেডর ও দলের যুব সংগঠন যুবশক্তির কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) গভীর রাতে সুজানগর উপজেলার হাটখালী ইউনিয়নের সৈয়দপুর গ্রামে নিজ বাড়ি থেকে তাকে আটক করে কামালপুর পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা। পরে তাকে সুজানগর থানায় হস্তান্তর করা হয়। তিনি […]

এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা আসাদুল্লাহ গ্রেপ্তার

এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা আসাদুল্লাহ গ্রেপ্তার

নিউজ ডেস্ক

১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১১:০৫

চেক ডিজঅনারের একটি মামলায় পাবনা-২ আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ‘হ্যাঁ’ ভোটের অ্যাম্বাসেডর ও দলের যুব সংগঠন যুবশক্তির কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) গভীর রাতে সুজানগর উপজেলার হাটখালী ইউনিয়নের সৈয়দপুর গ্রামে নিজ বাড়ি থেকে তাকে আটক করে কামালপুর পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা। পরে তাকে সুজানগর থানায় হস্তান্তর করা হয়। তিনি ওই গ্রামের আকমল শিকদারের ছেলে।

পুলিশ জানায়, ২০২৪ সালে জামালপুর জেলার একটি চেক ডিজঅনার মামলায় তিনি এক মাসের কারাদণ্ড ও তিন লাখ টাকা অর্থদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি ছিলেন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের গণভোটে ‘হ্যাঁ’ পক্ষে প্রচারণা শেষে বাড়িতে অবস্থানকালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরদিন আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

তবে গ্রেপ্তারকে হয়রানিমূলক দাবি করেছে আসাদুল্লাহর পরিবার। তার স্ত্রী নাঈমা আক্তার রিমা বলেন, গভীর রাতে বাসা থেকে তাকে তুলে নেওয়া হয়েছে এবং পারিবারিক ও রাজনৈতিকভাবে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।

সুজানগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জানান, তিনি ওই মামলার সাজাপ্রাপ্ত ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি ছিলেন বলেই আইনানুগভাবে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে।