মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

হাসপাতালে চিকিৎসকের অবহেলায় রোগীর মৃত্যু, চিকিৎসকের উপর বিক্ষুদ্ধ স্বজনদের হামলা

ভোলার ২৫০শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসকের অবহেলায় মাকসুদুর রহমান নামে এক ব্যবসায়ীর মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় মৃতরোগীর স্বজন ও বিক্ষুব্দ মানুষ হাসপাতালের ইমারজেন্সির দায়িত্বে থাকা মেডিকেল অফিসার নাইমুল হাসান এর উপর হামলা চালিয়েছে। পরে পুলিশ ভ্যানে করে ওই চিকিৎসককে ঘটনা স্থল থেকে উদ্ধার করে নিরাপদে সড়িয়ে নেয় । শুক্রবার দুপুরে এ ঘটনা ঘটে। প্রত্যক্ষদর্শী […]

প্রতিনিধি ডেস্ক

১২ এপ্রিল ২০২৫, ১৪:৪৪

ভোলার ২৫০শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসকের অবহেলায় মাকসুদুর রহমান নামে এক ব্যবসায়ীর মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় মৃতরোগীর স্বজন ও বিক্ষুব্দ মানুষ হাসপাতালের ইমারজেন্সির দায়িত্বে থাকা মেডিকেল অফিসার নাইমুল হাসান এর উপর হামলা চালিয়েছে।

পরে পুলিশ ভ্যানে করে ওই চিকিৎসককে ঘটনা স্থল থেকে উদ্ধার করে নিরাপদে সড়িয়ে নেয় । শুক্রবার দুপুরে এ ঘটনা ঘটে।

প্রত্যক্ষদর্শী ও রোগীর স্বজনদের অভিযোগ , ভোলার সদর উপজেলার ধনিয়া ইউনিয়নোমো. মাকসুদুর রহমান(৪২) নামে এক রোগী র বুকে ব্যাথা নিয়ে স্বজনরা জুম্মার নামাজের সময় সোয়া একটার দিকে ভোলার জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য নিয়ে আসেন।

এ সময় জরুরী বিভাগে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত্যু পথযাত্রী রোগীকে চিকিৎসা না দিয়ে জুম্মার নামাজ পড়তে যান। নামজ শেষ হওয়ার অনেক সময় অতিবাহিত হলেও ডাক্তার তখনো অনুপস্থিত।

পরে রোগীর অবস্থা খারাপ দেখে ইমারজেন্সিতে থাকা রাকিব নামে এক ব্রাদার রোগীকে অক্সিজেন মাস্ক পড়ান এবং রোগীর প্রেসার মাপেন।রোগীর অবস্থার আরো অবনতি হলে এক পর্যায়ে ডিউটিরত ব্রাদার কর্তব্যরত চিকিৎসক কে হাসপাতালের বাহিরে থেকে ডেকে নিয়ে আসেন।

ডাক্তার এসে প্রাথমিক অবস্থায় ইনজেকশন দিয়ে পালস চেক করে।এবং কিছু না বলে চলে যান। তারা আরো জানান, আমরা রোগীকে জীবিত অবস্থায় নিয়ে এসেছি। কিন্তু এখানকার ডাক্তার কাগজে লিখলো রোগী হাসপাতালে আনার আগেই মারা গেছেন।

আর চিকিৎসকের দেরীতে আসা ও অবহেলার কারনেই এর মৃত্যু হয়েছে বলে অভিযোগ করেন।পাশাপাশি তারা চিকিৎসকের বিরুদ্ধে মামলা করবেন বলেও জানান। এসব কারণে রোগীর ক্ষুব্ধ স্বজনরা চিকিৎসকের উপর হামলা চালিয়ে লাঞ্চিত করেছে।

এ সময় কর্তব্যরত হাসপাতালের কর্মচারীরা চিকিৎসককে বাঁচাতে গিয়েও লাঞ্চিত হয়েছে। পরে পুলিশ এসে চিকিৎসককে উদ্ধার করে নিরাপদে পাঠান। এবং পরিস্থিতি শান্ত করেন।

এদিকে হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক শেখ সুফিয়ান ইসলাম সাংবাদিকদের জনানা,আগামীকল সকালে এ ঘটনার বিষয় নিয়ে বসবো। কাগজপত্র দেখে যদি চিকিৎসকের অবহেলা কোনো বিষয় থাকে তাহলে বিধি মোতাবেক যা ব্যবস্থা নিতে হয় নেয়া হবে বলে জানান।

ভোলা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি) আবু সাহাদাৎ মো. হাচনাইন পারভেজ সাংবাদিকদের বলেন, চিকিৎসকের নিরাপত্ত্বার স্বার্থে তাঁরা চিকিৎসককে নিরাপদে নিয়ে এসেছেন।

সারাদেশ

শেরপুর-৩ আসনের জামায়াতের প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল মারা গেছেন

জামায়াতে ইসলামীর শেরপুর জেলা শাখার সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী–ঝিনাইগাতী) আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল (৫১) মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত আনুমানিক ৩ টার দিকে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শেরপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি আবুল কালাম আজাদ। পরিবার সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার […]

শেরপুর-৩ আসনের জামায়াতের প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল মারা গেছেন

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৫:০৬

জামায়াতে ইসলামীর শেরপুর জেলা শাখার সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী–ঝিনাইগাতী) আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল (৫১) মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত আনুমানিক ৩ টার দিকে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শেরপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি আবুল কালাম আজাদ।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার রাত ১০টার দিকে হঠাৎ শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যায় গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন নুরুজ্জামান বাদল। তাৎক্ষণিকভাবে তাকে শ্রীবরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। পরে সেখান থেকে দ্রুত ময়মনসিংহ স্বদেশ হাসপাতালে নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়।

ময়মনসিংহ নেওয়ার পথে রাত ৩ টার দিকে শহরের প্রবেশমুখ ব্রিজ এলাকায় পৌঁছালে তার অবস্থার অবনতি ঘটে এবং সেখানে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। পরে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।

পরিবারের পক্ষ থেকে মৃতের ভাই মাসুদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এছাড়াও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নিজেদের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে দেওয়া ওই পোস্টে বলা হয়, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী শেরপুর জেলা শাখার সম্মানিত সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ সংসদীয় আসনে জামায়াত মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী জনাব আলহাজ্ব নুরুজ্জামান বাদল আনুমানিক আজ রাত ৩টায় কিডনিজনিত রোগে হাসপাতালে ভর্তি অবস্থায় ইন্তেকাল করেছেন। ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।

পোস্টে আরও উল্লেখ করা হয়, আল্লাহ তা’য়ালা তাকে জান্নাতুল ফেরদাউস দান করুন এবং তার শোকসন্তপ্ত পরিবার-পরিজন ও সহকর্মীদের ধৈর্য ধারণের তৌফিক দান করুন।

সারাদেশ

নিখোঁজের ২ দিন পর মেঘনায় ভেসে উঠলো পুলিশ সদস্যের নিথর দেহ

লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি: ভোলার লালমোহন উপজেলায় মৎস্য অভিযানে গিয়ে লঞ্চের ধাক্কায় স্পিডবোট উল্টে নিখোঁজ হওয়ার দুইদিন পর পুলিশ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের সন্ধান মিলেছে। শুক্রবার বিকেলে দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পড়েছিল ওই পুলিশ কনস্টেবলের নিথর দেহ। তিনি লালমোহন উপজেলার মঙ্গলসিকদার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে কর্মরত ছিলেন। বিষয়টি নিশ্চিত করে লালমোহন থানার […]

নিখোঁজের ২ দিন পর মেঘনায় ভেসে উঠলো পুলিশ সদস্যের নিথর দেহ

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২০ মার্চ ২০২৬, ২৩:০২

লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি:

ভোলার লালমোহন উপজেলায় মৎস্য অভিযানে গিয়ে লঞ্চের ধাক্কায় স্পিডবোট উল্টে নিখোঁজ হওয়ার দুইদিন পর পুলিশ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের সন্ধান মিলেছে। শুক্রবার বিকেলে দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পড়েছিল ওই পুলিশ কনস্টেবলের নিথর দেহ। তিনি লালমোহন উপজেলার মঙ্গলসিকদার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে কর্মরত ছিলেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করে লালমোহন থানার ওসি মো. অলিউল ইসলাম বলেন, গত বুধবার সন্ধ্যার পর মঙ্গলসিকদার লঞ্চঘাট এলাকা থেকে মেঘনা নদীতে মৎস্য অভিযানের জন্য মৎস্য অফিসের ৩ সদস্য ও একজন পুলিশ অফিসারসহ ৩ জন কনস্টেবল স্পিডবোটে করে মেঘনা নদীতে রওয়ানা দেন।

এ সময় যাত্রীবাহী লঞ্চ কর্ণফুলী-১২ এর সঙ্গে ধাক্কা লেগে স্পিডবোটটি উল্টে যায়। এ ঘটনায় ওই স্পিডবোটে থাকা সবাই তীরে উঠতে পারলেও নদীতে ডুবে নিখোঁজ হয়ে যান কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলাম। তাকে উদ্ধার করতে গত দুইদিন ধরে কাজ করেছেন নৌবাহিনী, কোস্টগার্ড ও ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দলের সদস্যরা।

তিনি আরও বলেন, শুক্রবার বিকেলে খবর পাওয়া যায় দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পুলিশের পোশাক পরিহিত এক ব্যক্তির মরদেহ পড়েছিল।

স্থানীয়রা বিষয়টি দেখতে পেয়ে দৌলতখান থানায় খবর দেন। পরে পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করেন। দৌলতখান থানা পুলিশের দেওয়া তথ্যে আমরা নিশ্চিত হই ওই মরদেহটি নিখোঁজ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

সারাদেশ

এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা আসাদুল্লাহ গ্রেপ্তার

চেক ডিজঅনারের একটি মামলায় পাবনা-২ আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ‘হ্যাঁ’ ভোটের অ্যাম্বাসেডর ও দলের যুব সংগঠন যুবশক্তির কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) গভীর রাতে সুজানগর উপজেলার হাটখালী ইউনিয়নের সৈয়দপুর গ্রামে নিজ বাড়ি থেকে তাকে আটক করে কামালপুর পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা। পরে তাকে সুজানগর থানায় হস্তান্তর করা হয়। তিনি […]

এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা আসাদুল্লাহ গ্রেপ্তার

এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা আসাদুল্লাহ গ্রেপ্তার

নিউজ ডেস্ক

১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১১:০৫

চেক ডিজঅনারের একটি মামলায় পাবনা-২ আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ‘হ্যাঁ’ ভোটের অ্যাম্বাসেডর ও দলের যুব সংগঠন যুবশক্তির কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) গভীর রাতে সুজানগর উপজেলার হাটখালী ইউনিয়নের সৈয়দপুর গ্রামে নিজ বাড়ি থেকে তাকে আটক করে কামালপুর পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা। পরে তাকে সুজানগর থানায় হস্তান্তর করা হয়। তিনি ওই গ্রামের আকমল শিকদারের ছেলে।

পুলিশ জানায়, ২০২৪ সালে জামালপুর জেলার একটি চেক ডিজঅনার মামলায় তিনি এক মাসের কারাদণ্ড ও তিন লাখ টাকা অর্থদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি ছিলেন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের গণভোটে ‘হ্যাঁ’ পক্ষে প্রচারণা শেষে বাড়িতে অবস্থানকালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরদিন আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

তবে গ্রেপ্তারকে হয়রানিমূলক দাবি করেছে আসাদুল্লাহর পরিবার। তার স্ত্রী নাঈমা আক্তার রিমা বলেন, গভীর রাতে বাসা থেকে তাকে তুলে নেওয়া হয়েছে এবং পারিবারিক ও রাজনৈতিকভাবে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।

সুজানগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জানান, তিনি ওই মামলার সাজাপ্রাপ্ত ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি ছিলেন বলেই আইনানুগভাবে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে।