মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

শেরপুরে ১১ দফা দাবিতে মহাসড়কে হাজারো মানুষের মানববন্ধন

শেরপুর(বগুড়া)প্রতিনিধিঃ বগুড়ার শেরপুরে ফ্লাইওভার, গ্যাস সংযোগ, মিনি স্টেডিয়াম সহ ১১ দফা দাবি আদায়ের লক্ষ্যে মানববন্ধন ও গণজমায়েত করেন বিভিন্ন পেশাজীবীর হাজারো মানুষ। ৮ এপ্রিল মঙ্গলবার সকাল ১০টা থেকে ১১টা পর্যন্ত এক ঘণ্টাব্যাপী ঢাকা-বগুড়া মহাসড়কের বাসস্ট্যান্ডের পূর্ব পাশে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারীরা হাতে প্ল্যাকার্ড, পোস্টার ও ব্যানার নিয়ে মহাসড়কের পাশে সারিবদ্ধভাবে দাঁড়িয়ে তাদের দাবি জানান। […]

প্রতিনিধি ডেস্ক

০৮ এপ্রিল ২০২৫, ২১:৩৮

শেরপুর(বগুড়া)প্রতিনিধিঃ

বগুড়ার শেরপুরে ফ্লাইওভার, গ্যাস সংযোগ, মিনি স্টেডিয়াম সহ ১১ দফা দাবি আদায়ের লক্ষ্যে মানববন্ধন ও গণজমায়েত করেন বিভিন্ন পেশাজীবীর হাজারো মানুষ। ৮ এপ্রিল মঙ্গলবার সকাল ১০টা থেকে ১১টা পর্যন্ত এক ঘণ্টাব্যাপী ঢাকা-বগুড়া মহাসড়কের বাসস্ট্যান্ডের পূর্ব পাশে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারীরা হাতে প্ল্যাকার্ড, পোস্টার ও ব্যানার নিয়ে মহাসড়কের পাশে সারিবদ্ধভাবে দাঁড়িয়ে তাদের দাবি জানান। দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে শেরপুরকে জেলা ঘোষণা, শেরপুর শহরে গ্যাস সংযোগ, ঢাকা-উত্তরবঙ্গ মহাসড়কে শেরপুর শহরে ফ্লাইওভার নির্মাণ, উপজেলা স্টেডিয়াম স্থাপন, পৌরসভার সীমানা বৃদ্ধি, করতোয়া নদী খনন, নদীর দু’পাশে সড়ক নির্মাণ, শিশুপার্ক তৈরি, ঝাঁজর, ফুলজোড় ও কল্যাণী এলাকায় বাঙালী নদীর ওপর সেতু নির্মাণ, পৌর কিচেন মার্কেট চালু এবং শহরের পাশে রেলস্টেশন স্থাপন।

মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন শেরপুর উপজেলা স্বার্থরক্ষা পরিষদের আহ্বায়ক, উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান এবং বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য কে এম মাহবুবার রহমান হারেজ। তিনি বলেন, “এই ১১ দফা শেরপুরবাসীর প্রাণের দাবি। এই দাবিগুলো দ্রুত বাস্তবায়ন না হলে শেরপুরবাসী বৃহত্তর আন্দোলনের দিকে যেতে বাধ্য হবে।”

মানববন্ধনে অংশ নেওয়া মানুষ চৈত্রের তীব্র গরম উপেক্ষা করে সামিল হয়। 

উপজেলার কয়েকটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানদের মধ্যে অধ্যক্ষ মাওলানা আব্দুল হাই বারী, প্রধান শিক্ষক শাজাহান আলী, জাহাঙ্গীর আলম, রফিকুল ইসলাম, নজরুল ইসলাম জানান, আমাদের এই দাবি দীর্ঘদিন যাবত উপেক্ষিত হয়ে আসছে।

আওয়ামী লীগ সরকারের সময় থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত একাধিকবার তারা স্থানীয় প্রশাসনের মাধ্যমে সরকারের উচ্চপর্যায়ে স্মারকলিপি প্রদান করেছেন ও মানববন্ধন করেছেন। কিন্তু কোনো দাবিই এখনো বাস্তবায়ন হয়নি। ফলে বাধ্য হয়ে তারা আবারও মহাসড়কে নেমেছেন।

মহাসড়কের মাঝখানে সড়ক বিভাজক থাকায় শহরটি দুইভাগে বিভক্ত হয়ে পড়েছে। এতে শিক্ষার্থীদের নিয়মিত যাতায়াতে ঝুঁকি তৈরি হয়েছে। অনেক শিশু ও মাধ্যমিক স্তরের শিক্ষার্থী তাই অনিয়মিত হয়ে পড়ছে। 

শেরপুর বাসস্ট্যান্ড ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি শফিকুল ইসলাম শিরু বলেন, শহরের মধ্যে ফ্লাইওভার নির্মাণ করা হলে দুর্ঘটনা কমানো সম্ভব হবে। গত ছয় মাসে শহরের বিভিন্ন অংশে শতাধিক দুর্ঘটনা ঘটেছে, যাতে অনেকেই প্রাণ হারিয়েছেন। তিনি আরও বলেন, করতোয়া বাসস্ট্যান্ডের পাশে পদচারী সেতু থাকলেও তা ব্যবহারে বয়স্ক ও অসুস্থ ব্যক্তিদের সমস্যা হচ্ছে। বাধ্য হয়ে তারা সড়ক বিভাজকের ফাঁক দিয়ে পারাপার হন এবং দুর্ঘটনার শিকার হন।

শেরপুর উপজেলা স্বার্থরক্ষা পরিষদের উদ্যোগে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে অংশ নেন সাংবাদিক, উপজেলার অন্তত ৩০টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, স্থানীয় ব্যবসায়ী, সংস্কৃতিকর্মীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার প্রায় দুই হাজার মানুষ।

সারাদেশ

শেরপুর-৩ আসনের জামায়াতের প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল মারা গেছেন

জামায়াতে ইসলামীর শেরপুর জেলা শাখার সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী–ঝিনাইগাতী) আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল (৫১) মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত আনুমানিক ৩ টার দিকে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শেরপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি আবুল কালাম আজাদ। পরিবার সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার […]

শেরপুর-৩ আসনের জামায়াতের প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল মারা গেছেন

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৫:০৬

জামায়াতে ইসলামীর শেরপুর জেলা শাখার সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী–ঝিনাইগাতী) আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল (৫১) মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত আনুমানিক ৩ টার দিকে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শেরপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি আবুল কালাম আজাদ।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার রাত ১০টার দিকে হঠাৎ শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যায় গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন নুরুজ্জামান বাদল। তাৎক্ষণিকভাবে তাকে শ্রীবরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। পরে সেখান থেকে দ্রুত ময়মনসিংহ স্বদেশ হাসপাতালে নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়।

ময়মনসিংহ নেওয়ার পথে রাত ৩ টার দিকে শহরের প্রবেশমুখ ব্রিজ এলাকায় পৌঁছালে তার অবস্থার অবনতি ঘটে এবং সেখানে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। পরে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।

পরিবারের পক্ষ থেকে মৃতের ভাই মাসুদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এছাড়াও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নিজেদের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে দেওয়া ওই পোস্টে বলা হয়, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী শেরপুর জেলা শাখার সম্মানিত সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ সংসদীয় আসনে জামায়াত মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী জনাব আলহাজ্ব নুরুজ্জামান বাদল আনুমানিক আজ রাত ৩টায় কিডনিজনিত রোগে হাসপাতালে ভর্তি অবস্থায় ইন্তেকাল করেছেন। ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।

পোস্টে আরও উল্লেখ করা হয়, আল্লাহ তা’য়ালা তাকে জান্নাতুল ফেরদাউস দান করুন এবং তার শোকসন্তপ্ত পরিবার-পরিজন ও সহকর্মীদের ধৈর্য ধারণের তৌফিক দান করুন।

সারাদেশ

নিখোঁজের ২ দিন পর মেঘনায় ভেসে উঠলো পুলিশ সদস্যের নিথর দেহ

লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি: ভোলার লালমোহন উপজেলায় মৎস্য অভিযানে গিয়ে লঞ্চের ধাক্কায় স্পিডবোট উল্টে নিখোঁজ হওয়ার দুইদিন পর পুলিশ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের সন্ধান মিলেছে। শুক্রবার বিকেলে দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পড়েছিল ওই পুলিশ কনস্টেবলের নিথর দেহ। তিনি লালমোহন উপজেলার মঙ্গলসিকদার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে কর্মরত ছিলেন। বিষয়টি নিশ্চিত করে লালমোহন থানার […]

নিখোঁজের ২ দিন পর মেঘনায় ভেসে উঠলো পুলিশ সদস্যের নিথর দেহ

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২০ মার্চ ২০২৬, ২৩:০২

লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি:

ভোলার লালমোহন উপজেলায় মৎস্য অভিযানে গিয়ে লঞ্চের ধাক্কায় স্পিডবোট উল্টে নিখোঁজ হওয়ার দুইদিন পর পুলিশ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের সন্ধান মিলেছে। শুক্রবার বিকেলে দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পড়েছিল ওই পুলিশ কনস্টেবলের নিথর দেহ। তিনি লালমোহন উপজেলার মঙ্গলসিকদার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে কর্মরত ছিলেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করে লালমোহন থানার ওসি মো. অলিউল ইসলাম বলেন, গত বুধবার সন্ধ্যার পর মঙ্গলসিকদার লঞ্চঘাট এলাকা থেকে মেঘনা নদীতে মৎস্য অভিযানের জন্য মৎস্য অফিসের ৩ সদস্য ও একজন পুলিশ অফিসারসহ ৩ জন কনস্টেবল স্পিডবোটে করে মেঘনা নদীতে রওয়ানা দেন।

এ সময় যাত্রীবাহী লঞ্চ কর্ণফুলী-১২ এর সঙ্গে ধাক্কা লেগে স্পিডবোটটি উল্টে যায়। এ ঘটনায় ওই স্পিডবোটে থাকা সবাই তীরে উঠতে পারলেও নদীতে ডুবে নিখোঁজ হয়ে যান কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলাম। তাকে উদ্ধার করতে গত দুইদিন ধরে কাজ করেছেন নৌবাহিনী, কোস্টগার্ড ও ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দলের সদস্যরা।

তিনি আরও বলেন, শুক্রবার বিকেলে খবর পাওয়া যায় দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পুলিশের পোশাক পরিহিত এক ব্যক্তির মরদেহ পড়েছিল।

স্থানীয়রা বিষয়টি দেখতে পেয়ে দৌলতখান থানায় খবর দেন। পরে পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করেন। দৌলতখান থানা পুলিশের দেওয়া তথ্যে আমরা নিশ্চিত হই ওই মরদেহটি নিখোঁজ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

সারাদেশ

এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা আসাদুল্লাহ গ্রেপ্তার

চেক ডিজঅনারের একটি মামলায় পাবনা-২ আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ‘হ্যাঁ’ ভোটের অ্যাম্বাসেডর ও দলের যুব সংগঠন যুবশক্তির কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) গভীর রাতে সুজানগর উপজেলার হাটখালী ইউনিয়নের সৈয়দপুর গ্রামে নিজ বাড়ি থেকে তাকে আটক করে কামালপুর পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা। পরে তাকে সুজানগর থানায় হস্তান্তর করা হয়। তিনি […]

এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা আসাদুল্লাহ গ্রেপ্তার

এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা আসাদুল্লাহ গ্রেপ্তার

নিউজ ডেস্ক

১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১১:০৫

চেক ডিজঅনারের একটি মামলায় পাবনা-২ আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ‘হ্যাঁ’ ভোটের অ্যাম্বাসেডর ও দলের যুব সংগঠন যুবশক্তির কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) গভীর রাতে সুজানগর উপজেলার হাটখালী ইউনিয়নের সৈয়দপুর গ্রামে নিজ বাড়ি থেকে তাকে আটক করে কামালপুর পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা। পরে তাকে সুজানগর থানায় হস্তান্তর করা হয়। তিনি ওই গ্রামের আকমল শিকদারের ছেলে।

পুলিশ জানায়, ২০২৪ সালে জামালপুর জেলার একটি চেক ডিজঅনার মামলায় তিনি এক মাসের কারাদণ্ড ও তিন লাখ টাকা অর্থদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি ছিলেন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের গণভোটে ‘হ্যাঁ’ পক্ষে প্রচারণা শেষে বাড়িতে অবস্থানকালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরদিন আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

তবে গ্রেপ্তারকে হয়রানিমূলক দাবি করেছে আসাদুল্লাহর পরিবার। তার স্ত্রী নাঈমা আক্তার রিমা বলেন, গভীর রাতে বাসা থেকে তাকে তুলে নেওয়া হয়েছে এবং পারিবারিক ও রাজনৈতিকভাবে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।

সুজানগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জানান, তিনি ওই মামলার সাজাপ্রাপ্ত ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি ছিলেন বলেই আইনানুগভাবে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে।