শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

গাংনী বাসস্ট্যান্ড সড়ক এখন গলার কাঁটা

মজনুর রহমান আকাশ, মেহেরপুরঃ মেহেরপুর- কুষ্টিয়া ফোরলেন সড়কের গাংনী বাসস্ট্যান্ড এলাকায় নির্মান কাজ বন্ধ রয়েছে প্রায় ৬ মাস। সড়কটির নির্মাণ কাজ সম্পন্ন না হওয়ায় সেটি এখন জনগনের নানা দূর্ভোগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। সড়কের পাশে জেলা পরিষদের জায়গায় একটি দোকানঘর উচ্ছেদকে কেন্দ্র করে সড়ক বিভাগ ও জেলা পরিষদের মধ্যে চলছে ঠাণ্ডা লড়াই। ফলে নির্মাণ কাজ বন্ধ রয়েছে। […]

প্রতিনিধি ডেস্ক

১৯ মার্চ ২০২৫, ১৭:৫৭

মজনুর রহমান আকাশ, মেহেরপুরঃ

মেহেরপুর- কুষ্টিয়া ফোরলেন সড়কের গাংনী বাসস্ট্যান্ড এলাকায় নির্মান কাজ বন্ধ রয়েছে প্রায় ৬ মাস। সড়কটির নির্মাণ কাজ সম্পন্ন না হওয়ায় সেটি এখন জনগনের নানা দূর্ভোগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। সড়কের পাশে জেলা পরিষদের জায়গায় একটি দোকানঘর উচ্ছেদকে কেন্দ্র করে সড়ক বিভাগ ও জেলা পরিষদের মধ্যে চলছে ঠাণ্ডা লড়াই। ফলে নির্মাণ কাজ বন্ধ রয়েছে। যার ফল ভোগ করছেন সাধারন জনগন। তবে সরকারের এ দুটি বিভাগ তাদের দায় নিতে চাইছেন না।

 জানা গেছে, মেহেরপুর কুষ্টিয়া সড়কের গাংনী বাসস্ট্যান্ডে একনেক এর নকশা অনুযায়ী সড়কটি নির্মান কাজ সম্পন্ন করতে প্রথমে বাঁধা হয়ে দাঁড়ায় তৎকালিন মেসার্স মালেক ষ্টোর। তিনি জেলা পরিষদ থেকে লীজ নিয়ে দোকান নির্মান করেন। ঐ জায়গা দখলে রাখতে সড়ক ও জনপথের কর্মকর্তাদের নামে মামলা করে যা পরে ভ্যাকেট করে আদালত। একই সাথে সেটি উচ্ছেদ করা হয়। কিন্তু মালেক স্টোরের পাশেই আরেকটি দোকান উচ্ছেদ করেনি জেলা পরিষদ। ফলে বাস-বেসহ ক্রসিং রোড নির্মাণে জটিলতা দেখা দেয়। দীর্ঘদিন সড়ক নির্মান কাজ বন্ধ হওয়ায় জন দূর্ভোগ যেমন বেড়েছে তেমন সড়কের ঐ জায়গা অবৈধ দখলের চেষ্টাও চলছে।

 গত ১০ মার্চ সন্ধ্যায় ওই জায়গায় দোকান বসানোকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ হামলা মামলার ঘটনাও ঘটে। অবৈধ দখলদার হঠাতে মিছিল সমাবেশও হয়েছে। প্রতিবাদে জানানো হয়, দীর্ঘদিন ধরে ফোর লেন রাস্তাা নির্মান হচ্ছে অথচ গাংনী বাজার বাসস্ট্যান্ড মোড়ে একনেক এর নকশা অনুযায়ি কাজটি বাস্তবায়ন করতে অনেক কালক্ষেপন করেছে। জনগণের চলাচলের সুবিধার্থে মসজিদের অজুখানা উচ্ছেদ করা হয়েছে বিনা নোটিশে। মালেক স্টোরকে উচ্ছেদ করা হয়েছে। অথচ কোন অদৃশ্য শক্তি বলে সড়ক বিভাগ ও জেলা পরিষদ সড়ক সংস্কারে বাধা হচ্ছে এমন স্থাপনা উচ্ছেদ করছেন না ? গেল ৬ মাস অতিবাহিত হলেও কোন সুরাহা হয়নি বরং স্থানীয়দের মাঝে আরো ক্ষোভের সৃষ্টি হচ্ছে। সমাবেশে বক্তারা গাংনী বাজারের বর্তমান পরিস্থিতির অবনতির জন্য জেলা প্রশাসক সিফাত মেহনাজকে দায়ী করেছেন।

 রাস্তাা নির্মানে বিলম্বের কারণ সম্পর্কে সড়ক জনপথের উপ-সহকারি প্রকৌশলী মিজানুর রহমান জানান, জেলা পরিষদকে বারবার তাদের জায়গার সিমানা নির্ধারন করার অনুরোধ করা হলে তারা একটি চিঠি ইস্যু করে। এবং যেদিন জমি জরিপের দিন ধার্য্য করা হয় ঠিক তার আগে দিন বিকেলে আরেকটি স্মারক চিঠির মাধ্যমে তা বাতিল করা হয়। তাতে কারণ দেখানো হয়, আলোচিত জমির কাগজ পত্র আরো যাচাই বাছাই করে পরবর্তিতে জমির জরিপ করা হবে। সে জরিপ এ পর্যন্ত আলোর মুখ দেখেনি। এদিকে সড়ক উন্নয়নের কাজ স্থগিত রয়েছে। যার ফলে সরকারি ফাঁকা জায়গা বিভিন্ন সময় বিভিন্ন লোকজন অবৈধ দখল করার চেষ্টা করছে যার ফলে দাঙ্গা হাঙ্গামার সৃষ্টি হচ্ছে ও আইন শৃংখলা পরিস্থিতির চরম অবনতি হচ্ছে। সাথে সাথে স্থানীয়দের মাঝে ব্যাপক ক্ষোভ সৃষ্টি হচ্ছে।

 জেলা প্রশাসক সিফাত মেহনাজ জানান, আলোচিত ঐ জায়গাটি দীর্ঘদিন ধরে জেলা পরিষদ ইজারা দিয়ে আসছে। ঐ জায়গা প্রয়োজন হলে সড়ক জনপথ কর্তৃপক্ষ আবেদন করতে পারে। অথচ তারা আবেদন করেন নাই। এর আগে তাদের আবেদনের প্রেক্ষিতে মালেক স্টোর উচ্ছেদ করা হয়েছে। এদিকে সড়ক জনপথের উপসহকারি প্রকৌশলী মিজানুর রহমানের দাবি, আলোচিত ঐ জায়গাটি সড়ক ও জনপথের। গত ১২ মার্চ বুধবার সড়ক ও জনপথের নির্বাহি প্রকৌশলী (অঃদাঃ) মুহাম্মদ মনজুরুল করিম স্বাক্ষরিত একটি স্মারক চিঠিতে আলোচিত ঐ জায়গায় জটিলতা নিরসনে উপযুক্ত যৌথ প্রতিনিধি প্রেরণের আহবান করা হলেও জেলা প্রশাসক সিফাত মেহনাজ অদ্যাবধি কোন ব্যবস্থা গ্রহন করেননি।

 এদিকে ঐ জায়গাটি অবৈধ দখল ও সংঘর্ষের ঘটনায় স্থানীয় ব্যবসায়ীরা জেলা প্রশাসক সিফাত মেহনাজকে দায়ী করলেও তিনি কোন মন্তব্য করেন নি।

সারাদেশ

‘ফরহাদকে জামাই হিসেবে পেয়ে গর্বিত, আমাদের মেয়েও কম নয়’ : পৌর জামায়াতের আমির

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সাধারণ সম্পাদক এসএম ফরহাদ এবং চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (চাকসু) নির্বাহী সদস্য জান্নাতুল ফেরদৌস সানজিদা-এর বিয়ে সম্পন্ন হয়েছে। বুধবার দুপুর ১টা ১৫ মিনিটে রাজধানীর কাঁটাবন জামে মসজিদে জোহরের নামাজের পর পারিবারিক ও ঘনিষ্ঠজনদের উপস্থিতিতে আকদ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। ফরহাদের মামাতো ভাই লুৎফুর রহমান জানান, উভয় পরিবারের সদস্যদের পাশাপাশি […]

নিউজ ডেস্ক

২৪ ডিসেম্বর ২০২৫, ২২:৫৯

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সাধারণ সম্পাদক এসএম ফরহাদ এবং চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (চাকসু) নির্বাহী সদস্য জান্নাতুল ফেরদৌস সানজিদা-এর বিয়ে সম্পন্ন হয়েছে। বুধবার দুপুর ১টা ১৫ মিনিটে রাজধানীর কাঁটাবন জামে মসজিদে জোহরের নামাজের পর পারিবারিক ও ঘনিষ্ঠজনদের উপস্থিতিতে আকদ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

ফরহাদের মামাতো ভাই লুৎফুর রহমান জানান, উভয় পরিবারের সদস্যদের পাশাপাশি ইসলামী আন্দোলনের নেতৃবৃন্দের উপস্থিতিতে শান্ত ও সংক্ষিপ্ত পরিসরে আকদ সম্পন্ন হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরার সদস্য ও চট্টগ্রাম মহানগরীর আমির মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক ও চট্টগ্রাম-১০ আসনে জামায়াত মনোনীত প্রার্থী শামসুজ্জামান হেলালীসহ উভয় পরিবারের স্বজনরা।

এসএম ফরহাদ চট্টগ্রামের সন্তান। তার বাবা মাওলানা ফোরকান চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী বায়তুশ শরফ মাদ্রাসার প্রিন্সিপাল। ফরহাদ পরিবারের বড় ছেলে এবং ইসলামী ছাত্রশিবির ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সাবেক সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। বর্তমানে তিনি ডাকসুর সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্বে রয়েছেন।

অপরদিকে কনে জান্নাতুল ফেরদৌস সানজিদা ফেনীর সোনাগাজী পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডের চট্টগ্রাম সমাজ বড়বাড়ির সন্তান। তিনি স্থানীয় জামায়াত নেতা ও ব্যবসায়ী এমদাদুল্লাহ কাজলের বড় মেয়ে। সানজিদা চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের মেধাবী শিক্ষার্থী এবং চাকসুর নির্বাহী সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হন।

সোনাগাজী পৌর জামায়াতের আমির মাওলানা কালিম উল্যাহ বলেন, “ফরহাদকে জামাই হিসেবে পেয়ে আমরা গর্বিত। আমাদের মেয়েও কোনো অংশে কম নয়। চাকসু নির্বাচনে ছয় হাজার ভোট পেয়ে সানজিদা চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো সর্বোচ্চ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নির্বাচিত হয়েছে।”

উল্লেখ্য, জিএস ফরহাদের বাগদান অনুষ্ঠান ডিসেম্বরের মাঝামাঝি হওয়ার কথা থাকলেও ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শহীদ ওসমান হাদির হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় তা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছিল। পরবর্তীতে পারিবারিক সিদ্ধান্তে বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয়।

সারাদেশ

ওসমান হাদি হত্যার মাস্টারমাইন্ড ‘শাহীন চেয়ারম্যান’

জুলাই অভ্যুত্থানের অন্যতম সম্মুখসারির সংগঠক ও ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ডের পেছনের পরিকল্পনাকারীদের বিষয়ে নতুন তথ্য সামনে আসছে। তদন্তে উঠে এসেছে, এই হত্যাকাণ্ডের মূল পরিকল্পনা ও বাস্তবায়নের সঙ্গে জড়িত হিসেবে ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান শাহীন আহমেদ ওরফে ‘শাহীন চেয়ারম্যান’-এর নাম। গোয়েন্দা সংস্থার ভাষ্য অনুযায়ী, অর্থ ও অস্ত্র—দুটোর ব্যবস্থাপনাতেই তার সরাসরি ভূমিকা […]

ওসমান হাদি হত্যার মাস্টারমাইন্ড ‘শাহীন চেয়ারম্যান’

ওসমান হাদি হত্যার মাস্টারমাইন্ড ‘শাহীন চেয়ারম্যান’

নিউজ ডেস্ক

২০ ডিসেম্বর ২০২৫, ১০:৫৭

জুলাই অভ্যুত্থানের অন্যতম সম্মুখসারির সংগঠক ও ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ডের পেছনের পরিকল্পনাকারীদের বিষয়ে নতুন তথ্য সামনে আসছে। তদন্তে উঠে এসেছে, এই হত্যাকাণ্ডের মূল পরিকল্পনা ও বাস্তবায়নের সঙ্গে জড়িত হিসেবে ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান শাহীন আহমেদ ওরফে ‘শাহীন চেয়ারম্যান’-এর নাম। গোয়েন্দা সংস্থার ভাষ্য অনুযায়ী, অর্থ ও অস্ত্র—দুটোর ব্যবস্থাপনাতেই তার সরাসরি ভূমিকা ছিল।

তদন্তসংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্র জানায়, এই হত্যাকাণ্ডে শাহীন চেয়ারম্যান একা ছিলেন না। তার সঙ্গে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ ও সহযোগিতায় ছিলেন আরও কয়েকজন ব্যক্তি, যাদের মধ্যে নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের সাবেক কয়েকজন নেতার সম্পৃক্ততার প্রাথমিক তথ্য মিলেছে। এরই মধ্যে কয়েকজন সন্দেহভাজনের ওপর নজরদারি বাড়ানো হয়েছে।

গোয়েন্দাদের দাবি, হাদির ওপর হামলার পর হামলাকারীদের ঢাকা থেকে সীমান্তের দিকে পালিয়ে যেতে সহায়তা করেন গোপালগঞ্জ জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি আব্দুল হামিদ। এ ঘটনায় তার সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে তাকে গ্রেপ্তারের জন্য অভিযান জোরদার করা হয়েছে। তদন্তে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, হামলার আগে ও পরে হত্যাকারীদের সঙ্গে তার একাধিকবার যোগাযোগ হয়েছিল।

তদন্তসংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন, জুলাই অভ্যুত্থানে শরিফ ওসমান হাদির সক্রিয় ভূমিকা এবং গত বছরের ৫ আগস্টের পর তার ধারাবাহিক বক্তব্য ও রাজনৈতিক অবস্থান আওয়ামী লীগকে চরমভাবে ক্ষুব্ধ করে তোলে। দলটির অভ্যন্তরীণ মূল্যায়নে হাদিকে ‘বড় ঝুঁকি’ হিসেবে দেখা হচ্ছিল। সেই প্রেক্ষাপটেই তাকে লক্ষ্য করে পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ডের ছক তৈরি হয়।

শাহীন আহমেদের রাজনৈতিক ও অপরাধী পরিচিতিও তদন্তে গুরুত্ব পাচ্ছে। তিনি দীর্ঘদিন দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি ছিলেন। স্থানীয়ভাবে তিনি একজন প্রভাবশালী নেতা হলেও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নথিতে বহুদিন ধরেই সন্ত্রাসী ও অস্ত্রধারী হিসেবে পরিচিত ছিলেন। অভিযোগ রয়েছে, শেখ হাসিনা সরকারের সময় সাবেক বিদ্যুৎ ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বিপুর ঘনিষ্ঠ হিসেবে তিনি ব্যাপক প্রভাব খাটিয়ে একাধিকবার উপজেলা চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন এবং নানা অভিযোগ সত্ত্বেও ছিলেন ধরাছোঁয়ার বাইরে।

স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, গত বছরের ৫ আগস্টের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর শাহীন চেয়ারম্যান সীমান্ত পেরিয়ে ভারতে চলে যান। প্রথম দিকে তিনি আত্মগোপনে থাকলেও গত কয়েক মাসে আবার সক্রিয় হয়ে ওঠেন। তদন্তে জানা গেছে, তিনি বিভিন্ন অ্যাপ ব্যবহার করে দেশে থাকা ‘স্লিপার সেল’-এর সদস্যদের সঙ্গে যোগাযোগ করে পরিকল্পনা বাস্তবায়নের চেষ্টা করছিলেন।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর এক কর্মকর্তা জানান, কয়েকটি হোয়াটসঅ্যাপ কল ও খুদেবার্তার সূত্র ধরে শাহীন চেয়ারম্যানের সম্পৃক্ততার প্রমাণ পাওয়া গেছে। একই সঙ্গে পলাতক ছাত্রলীগ নেতা হামিদের সঙ্গে হত্যাকারীদের যোগাযোগের তথ্যও মিলেছে। ভারতে অবস্থানরত কয়েকটি গ্রুপ থেকে অ্যাপভিত্তিক যোগাযোগের মাধ্যমে ঢাকায় থাকা সহযোগীদের কাজ সমন্বয় করা হচ্ছিল বলেও তদন্তে উঠে এসেছে।

সূত্র আরও জানায়, এই মামলার তদন্তে সন্দেহভাজনের তালিকায় কয়েকজন রাজনীতিকের নামও এসেছে। তাদের ভূমিকা যাচাইয়ে গ্রেপ্তার হওয়া আসামিদের যৌথভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। পাশাপাশি শাহীন চেয়ারম্যানের ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত কেরানীগঞ্জের দুজন ছাত্রলীগ নেতাকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

এ বিষয়ে ঢাকা মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার (ডিবি) শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘সব দিক বিবেচনায় নিয়ে অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত চলছে। আমরা আশাবাদী, খুব শিগগিরই এই হত্যাকাণ্ডের মাস্টারমাইন্ডসহ সংশ্লিষ্ট পরিকল্পনাকারীদের পরিচয় স্পষ্ট হবে।’

সারাদেশ

শেরপুর-৩ আসনের জামায়াতের প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল মারা গেছেন

জামায়াতে ইসলামীর শেরপুর জেলা শাখার সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী–ঝিনাইগাতী) আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল (৫১) মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত আনুমানিক ৩ টার দিকে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শেরপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি আবুল কালাম আজাদ। পরিবার সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার […]

শেরপুর-৩ আসনের জামায়াতের প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল মারা গেছেন

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৫:০৬

জামায়াতে ইসলামীর শেরপুর জেলা শাখার সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী–ঝিনাইগাতী) আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল (৫১) মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত আনুমানিক ৩ টার দিকে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শেরপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি আবুল কালাম আজাদ।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার রাত ১০টার দিকে হঠাৎ শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যায় গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন নুরুজ্জামান বাদল। তাৎক্ষণিকভাবে তাকে শ্রীবরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। পরে সেখান থেকে দ্রুত ময়মনসিংহ স্বদেশ হাসপাতালে নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়।

ময়মনসিংহ নেওয়ার পথে রাত ৩ টার দিকে শহরের প্রবেশমুখ ব্রিজ এলাকায় পৌঁছালে তার অবস্থার অবনতি ঘটে এবং সেখানে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। পরে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।

পরিবারের পক্ষ থেকে মৃতের ভাই মাসুদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এছাড়াও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নিজেদের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে দেওয়া ওই পোস্টে বলা হয়, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী শেরপুর জেলা শাখার সম্মানিত সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ সংসদীয় আসনে জামায়াত মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী জনাব আলহাজ্ব নুরুজ্জামান বাদল আনুমানিক আজ রাত ৩টায় কিডনিজনিত রোগে হাসপাতালে ভর্তি অবস্থায় ইন্তেকাল করেছেন। ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।

পোস্টে আরও উল্লেখ করা হয়, আল্লাহ তা’য়ালা তাকে জান্নাতুল ফেরদাউস দান করুন এবং তার শোকসন্তপ্ত পরিবার-পরিজন ও সহকর্মীদের ধৈর্য ধারণের তৌফিক দান করুন।