শনিবার, ২৮ মার্চ ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

মুন্সিগঞ্জে খাস কালেকশনের নামে ইউপি চেয়ারম্যানের চাদাঁবাজির অভিযোগ

আক্কাছ আলী (মুন্সিগঞ্জ প্রতিনিধি) মুন্সিগঞ্জ টঙ্গীবাড়ী উপজেলার হাসাইল বানারী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নুরুজ্জামান দেওয়ান এর বিরুদ্ধে নদীর ঘাটের খাস কালেকশনের নামে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। টঙ্গিবাড়ী উপজেলার ব্যাস্ততম হাসাইল খেয়া ঘাটটি ডাক না নিয়ে খাস কালেকশনের নামে দির্ঘদিন যাবৎ ওই ঘাট দিয়ে পারাপার হওয়া মালামাল ও যাত্রীবাহী ট্রলার হতে আদায় করছেন বিপুল পরিমান […]

প্রতিনিধি ডেস্ক

১৭ মার্চ ২০২৫, ১৯:৪৮

আক্কাছ আলী (মুন্সিগঞ্জ প্রতিনিধি)

মুন্সিগঞ্জ টঙ্গীবাড়ী উপজেলার হাসাইল বানারী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নুরুজ্জামান দেওয়ান এর বিরুদ্ধে নদীর ঘাটের খাস কালেকশনের নামে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। টঙ্গিবাড়ী উপজেলার ব্যাস্ততম হাসাইল খেয়া ঘাটটি ডাক না নিয়ে খাস কালেকশনের নামে দির্ঘদিন যাবৎ ওই ঘাট দিয়ে পারাপার হওয়া মালামাল ও যাত্রীবাহী ট্রলার হতে আদায় করছেন বিপুল পরিমান চাদাঁ।

এ মৌসুমে ওই ঘাটি দিয়ে প্রতিদিন হাজার হাজার বস্তা আলু হাসাইল ও পাশের শরিয়তপুর জেলার চরাঞ্চল হতে হাসাইল ঘাট দিয়ে দেশের বিভিন্নস্থানে বিক্রি ও বিভিন্ন হিমাগারে সংরক্ষন করা হয়ে থাকে।

সরেজমিনে গিয়ে জানাগেছে বিগত প্রায় ১৫ দিন ধরে ও ঘাট দিয়ে প্রতিদিন ৫ থেকে ৭ হাজার বস্তা আলু পারাপার হচ্ছে। আর ওই ঘাট দিয়ে আলু পার করতে কৃষকদের কাছ হতে আদায় করা হচ্ছে প্রতিবস্তা ১২ টাকা করে। এতে দৈনিক ৬০ হাজার থেকে ৮০ হাজার টাকা কালেকশন হয়ে থাকে। এই টাকা স্থানীয় চেয়ারম্যান নুরুজ্জামান দেওয়ান এর লোকজন উত্তোলন করে থাকে।

যেখানে প্রতিদিন ৬০-৮০ হাজার টাকা কালেকশন হচ্ছে সেখানে মাসে মাত্র ২০ হাজার টাকা সরকারি কোষাগারে জমা দিয়ে বিপুল পরিমান অর্থ আত্নসাৎ করছে ইউপি চেয়ারম্যান ও তার লোকজন। যার কারনে সরকার লক্ষ লক্ষ টাকা রাজস্ব বঞ্চিত হচ্ছে।

সোমবার (১৭মার্চ) সকাল ১০ টায় সরজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, হাসাইল ঘাটে ১০-১৫ হাজার বস্তা আলু নিয়ে ২০-৩০টি আলু বোজাই ট্রলার ঘাটে নোঙর করে রেখেছে স্থানীয় ট্রলার চালকরা। নোঙর করে রাখা ট্রলার থেকে লেবার দিয়ে ট্রলিতে আলুগুলো তোলা হচ্ছে। এক বস্তা আলু তোলতে ১২ টাকা করে নিচ্ছেন স্থানীয় পারভেজ শেখ নামের এক ব্যাক্তি। এ সময় তার কাছে টাকা নেওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমরা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নুরুজ্জামান দেওয়ান এর থেকে ইজারা নিয়েই টাকা কালেকশন করছি। 

বস্তা প্রতি ১২ টাকা নেওয়ার কথা অস্বীকার করে বলেন আমরা বস্তা প্রতি ১০ টাকা নেই। এ টাকা থেকে লেবারদের ৭ টাকা দিচ্ছি আর ৩ টাকা আমরা নিচ্ছি। তবে ওই ঘাটের কতিপয় লেবার বলেন আমাদের আলু তোলতে বস্তাপ্রতি ৬ টাকা করে দেওয়া হচ্ছে। ওই ঘাটের লেবার রবিউল জানান, আমরা প্রতিবস্তা আলু ট্রলার হতে তুলতে ৬ টাকা পাই।

এ বিষয়ে ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নুরুজ্জামান দেওয়ান বলেন, মূলত আমরা খাস কালেকশন করছি। আমরা লোক দিয়ে ঘাট থেকে বস্তা প্রতি ১০ টাকা করে নিয়ে ৬ টাকা লেবারদের দেই আর ৪ টাকা খরচ বাবদ রাখি। প্রতি মাসে খাস কালেকশন হিসেবে তহসিলদারকে ২০ হাজার টাকা দিয়ে দেই। হাসাইল বানারী ইউনিয়নের তহসিলদার আব্দুল কাদের জানান, বস্তা প্রতি কত টাকা নেওয়া হচ্ছে তা আমি জানিনা।

তবে প্রতি মাসে ২০ হাজার টাকা করে ইউনিয়ন পরিষদ থেকে আমার কাছে জমা দেয়। পরবর্তীতে আমি সেই টাকা রাজস্ব খাতে জমা করি। তিনি আরো জানান, আমি চেয়ারম্যানকে ডাকের মাধ্যমে ঘাট নেওয়ার কথা বলেছি কিন্তু তারা তা না করে খাস কালেকশন করছেন। 

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো: মোস্তাফিজুর রহমান জানান, এধরণের কোনো ঘটনা ঘটলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

সারাদেশ

শেরপুর-৩ আসনের জামায়াতের প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল মারা গেছেন

জামায়াতে ইসলামীর শেরপুর জেলা শাখার সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী–ঝিনাইগাতী) আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল (৫১) মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত আনুমানিক ৩ টার দিকে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শেরপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি আবুল কালাম আজাদ। পরিবার সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার […]

শেরপুর-৩ আসনের জামায়াতের প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল মারা গেছেন

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৫:০৬

জামায়াতে ইসলামীর শেরপুর জেলা শাখার সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী–ঝিনাইগাতী) আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল (৫১) মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত আনুমানিক ৩ টার দিকে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শেরপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি আবুল কালাম আজাদ।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার রাত ১০টার দিকে হঠাৎ শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যায় গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন নুরুজ্জামান বাদল। তাৎক্ষণিকভাবে তাকে শ্রীবরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। পরে সেখান থেকে দ্রুত ময়মনসিংহ স্বদেশ হাসপাতালে নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়।

ময়মনসিংহ নেওয়ার পথে রাত ৩ টার দিকে শহরের প্রবেশমুখ ব্রিজ এলাকায় পৌঁছালে তার অবস্থার অবনতি ঘটে এবং সেখানে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। পরে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।

পরিবারের পক্ষ থেকে মৃতের ভাই মাসুদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এছাড়াও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নিজেদের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে দেওয়া ওই পোস্টে বলা হয়, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী শেরপুর জেলা শাখার সম্মানিত সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ সংসদীয় আসনে জামায়াত মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী জনাব আলহাজ্ব নুরুজ্জামান বাদল আনুমানিক আজ রাত ৩টায় কিডনিজনিত রোগে হাসপাতালে ভর্তি অবস্থায় ইন্তেকাল করেছেন। ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।

পোস্টে আরও উল্লেখ করা হয়, আল্লাহ তা’য়ালা তাকে জান্নাতুল ফেরদাউস দান করুন এবং তার শোকসন্তপ্ত পরিবার-পরিজন ও সহকর্মীদের ধৈর্য ধারণের তৌফিক দান করুন।

সারাদেশ

নিখোঁজের ২ দিন পর মেঘনায় ভেসে উঠলো পুলিশ সদস্যের নিথর দেহ

লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি: ভোলার লালমোহন উপজেলায় মৎস্য অভিযানে গিয়ে লঞ্চের ধাক্কায় স্পিডবোট উল্টে নিখোঁজ হওয়ার দুইদিন পর পুলিশ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের সন্ধান মিলেছে। শুক্রবার বিকেলে দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পড়েছিল ওই পুলিশ কনস্টেবলের নিথর দেহ। তিনি লালমোহন উপজেলার মঙ্গলসিকদার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে কর্মরত ছিলেন। বিষয়টি নিশ্চিত করে লালমোহন থানার […]

নিখোঁজের ২ দিন পর মেঘনায় ভেসে উঠলো পুলিশ সদস্যের নিথর দেহ

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২০ মার্চ ২০২৬, ২৩:০২

লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি:

ভোলার লালমোহন উপজেলায় মৎস্য অভিযানে গিয়ে লঞ্চের ধাক্কায় স্পিডবোট উল্টে নিখোঁজ হওয়ার দুইদিন পর পুলিশ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের সন্ধান মিলেছে। শুক্রবার বিকেলে দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পড়েছিল ওই পুলিশ কনস্টেবলের নিথর দেহ। তিনি লালমোহন উপজেলার মঙ্গলসিকদার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে কর্মরত ছিলেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করে লালমোহন থানার ওসি মো. অলিউল ইসলাম বলেন, গত বুধবার সন্ধ্যার পর মঙ্গলসিকদার লঞ্চঘাট এলাকা থেকে মেঘনা নদীতে মৎস্য অভিযানের জন্য মৎস্য অফিসের ৩ সদস্য ও একজন পুলিশ অফিসারসহ ৩ জন কনস্টেবল স্পিডবোটে করে মেঘনা নদীতে রওয়ানা দেন।

এ সময় যাত্রীবাহী লঞ্চ কর্ণফুলী-১২ এর সঙ্গে ধাক্কা লেগে স্পিডবোটটি উল্টে যায়। এ ঘটনায় ওই স্পিডবোটে থাকা সবাই তীরে উঠতে পারলেও নদীতে ডুবে নিখোঁজ হয়ে যান কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলাম। তাকে উদ্ধার করতে গত দুইদিন ধরে কাজ করেছেন নৌবাহিনী, কোস্টগার্ড ও ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দলের সদস্যরা।

তিনি আরও বলেন, শুক্রবার বিকেলে খবর পাওয়া যায় দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পুলিশের পোশাক পরিহিত এক ব্যক্তির মরদেহ পড়েছিল।

স্থানীয়রা বিষয়টি দেখতে পেয়ে দৌলতখান থানায় খবর দেন। পরে পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করেন। দৌলতখান থানা পুলিশের দেওয়া তথ্যে আমরা নিশ্চিত হই ওই মরদেহটি নিখোঁজ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

সারাদেশ

এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা আসাদুল্লাহ গ্রেপ্তার

চেক ডিজঅনারের একটি মামলায় পাবনা-২ আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ‘হ্যাঁ’ ভোটের অ্যাম্বাসেডর ও দলের যুব সংগঠন যুবশক্তির কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) গভীর রাতে সুজানগর উপজেলার হাটখালী ইউনিয়নের সৈয়দপুর গ্রামে নিজ বাড়ি থেকে তাকে আটক করে কামালপুর পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা। পরে তাকে সুজানগর থানায় হস্তান্তর করা হয়। তিনি […]

এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা আসাদুল্লাহ গ্রেপ্তার

এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা আসাদুল্লাহ গ্রেপ্তার

নিউজ ডেস্ক

১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১১:০৫

চেক ডিজঅনারের একটি মামলায় পাবনা-২ আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ‘হ্যাঁ’ ভোটের অ্যাম্বাসেডর ও দলের যুব সংগঠন যুবশক্তির কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) গভীর রাতে সুজানগর উপজেলার হাটখালী ইউনিয়নের সৈয়দপুর গ্রামে নিজ বাড়ি থেকে তাকে আটক করে কামালপুর পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা। পরে তাকে সুজানগর থানায় হস্তান্তর করা হয়। তিনি ওই গ্রামের আকমল শিকদারের ছেলে।

পুলিশ জানায়, ২০২৪ সালে জামালপুর জেলার একটি চেক ডিজঅনার মামলায় তিনি এক মাসের কারাদণ্ড ও তিন লাখ টাকা অর্থদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি ছিলেন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের গণভোটে ‘হ্যাঁ’ পক্ষে প্রচারণা শেষে বাড়িতে অবস্থানকালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরদিন আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

তবে গ্রেপ্তারকে হয়রানিমূলক দাবি করেছে আসাদুল্লাহর পরিবার। তার স্ত্রী নাঈমা আক্তার রিমা বলেন, গভীর রাতে বাসা থেকে তাকে তুলে নেওয়া হয়েছে এবং পারিবারিক ও রাজনৈতিকভাবে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।

সুজানগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জানান, তিনি ওই মামলার সাজাপ্রাপ্ত ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি ছিলেন বলেই আইনানুগভাবে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে।