শুক্রবার, ০৩ এপ্রিল ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

ধর্ষনের বিচার দাবীতে ইসলামী ছাত্র আন্দোলনের বিক্ষোভ মিছিল

মোঃ হাসনাইন আহমেদ, ভোলা কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে দেশব্যাপী সকল ধর্ষনের বিচার ও ধর্ষকের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবিতে ১২ মার্চ’২৫ দুপুর ২:০০ টায় ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশ ভোলা জেলা উত্তর শাখার সভাপতি মুহাম্মাদ মাহমুদুল হাসান এর সভাপতিত্বে সাধারণ সম্পাদক এইচএম ইয়ামিন ইরফান এর সঞ্চালনায় বিক্ষোভ মিছিলে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ভোলা জেলা উত্তর […]

প্রতিনিধি ডেস্ক

১২ মার্চ ২০২৫, ২১:১১

মোঃ হাসনাইন আহমেদ, ভোলা

কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে দেশব্যাপী সকল ধর্ষনের বিচার ও ধর্ষকের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবিতে ১২ মার্চ’২৫ দুপুর ২:০০ টায় ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশ ভোলা জেলা উত্তর শাখার সভাপতি মুহাম্মাদ মাহমুদুল হাসান এর সভাপতিত্বে সাধারণ সম্পাদক এইচএম ইয়ামিন ইরফান এর সঞ্চালনায় বিক্ষোভ মিছিলে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ভোলা জেলা উত্তর শাখার জয়েন্ট সেক্রেটারি মুফতি আব্দুল মোমিন।

প্রধান অতিথি আরও বলেন, ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশ কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে দেশব্যাপী সকল ধরনের বিচার ও দর্শকের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের দাবিতে আজকের বিক্ষোভ সমাবেশ। আমরা যেজন্য আজ বিক্ষোভ মিছিল একত্রিত হয়েছি সেটি বর্তমানে বিচারহীনতার সংস্কৃতি ও অপরাধীদের রাজনৈতিক আশ্রয়-প্রশ্রয়ই এই ভয়াবহ পরিস্থিতির জন্য দায়ী।

ইসলামই একমাত্র পূর্ণাঙ্গ জীবনব্যবস্থা, যেখানে ধর্ষণের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান রয়েছে। ইসলামী অনুশাসন প্রতিষ্ঠার মাধ্যমেই সমাজ থেকে ধর্ষণ ও সকল প্রকার অনৈতিকতা নির্মূল করা সম্ভব। ধর্ষণকে সমাজ থেকে নির্মূল করতে হলে আমাদের ইসলামকে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় প্রতিষ্ঠিত করতে হবে। তাহলেই এদেশ থেকে ধর্ষন নির্মূল করা সম্ভব।

তিনি আরো বলেন, বাংলাদেশে আজকে আমরা যে শাহাবাগীদের আন্দোলনে দেখতে পাই, তাদের পোষাক পরিচ্ছদে যুবসমাজকে ধর্ষনের দিকে আকৃষ্ট করে। অতএব বলতে চাই ধর্ষনকে বন্ধ করতে হলে আমাদের নারীদের অবাধ চলাফেরায় খোলামেলা পোশাককে নিষিদ্ধ করতে হবে। দেশের আইন সঠিকভাবে কার্যকর না হওয়া এবং নারীদের খোলামেলা চলাফেরায় আমাদের দেশে ধর্ষন মহামারী আকারে ধারণ করেছে। আমরা অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে বলবো দ্রুত বিচার বিভাগের বিশেষ ট্রাইবুনাল গঠন করে ধর্ষকের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড নিশ্চিত করতে হবে।

সভাপতি তার বক্তব্যে বলেন, দেশব্যাপী লাগাতার ধর্ষণ, নারী ও শিশু নির্যাতনের ঘটনায় আমরা গভীরভাবে উদ্বিগ্ন ও ক্ষুব্ধ। বাংলাদেশে ধর্ষণ আজ ভয়াবহ রূপ নিয়েছে। প্রতিদিন কোথাও না কোথাও আমাদের মা-বোনেরা পাশবিক নির্যাতনের শিকার হচ্ছেন, অথচ প্রশাসন ও আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী এসব অপরাধ দমনে কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নিতে ব্যর্থ হচ্ছে।

জেলা সভাপতি তার বক্তব্যে শেষে, আগামী ৭২ ঘণ্টার মধ্যে ধর্ষকের শাস্তির বিধান কার্যকর করার জন্য দাবি পেশ করেন-

“ধর্ষণের বিচার নিশ্চিতের লক্ষ্যে দ্রুততম সময়ে বিচার বিভাগের বিশেষ ট্রাইব্যুনাল গঠন করতে হবে এবং ধর্ষকদের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদন্ড কার্যকর করার বিধান রেখে প্রজ্ঞাপন জারি করতে হবে”।

বিক্ষোভ মিছিলে বক্তারা তাদের বক্তব্য বলেন, ১৯৭১ সালে ৩০ লক্ষ মা বোনের ইজ্জতের বিনিময় আমরা স্বাধীনতা পেয়েছিলাম, কিন্তু দুঃখের বিষয় হল আমরা স্বাধীনতা অর্জন করলেও আমরা স্বাধীনভাবে বসবাসের নিশ্চয়তা পায়নি। দীর্ঘ ৫৩ বছরে আমরা বিভিন্ন দলের শাসন দেখেছি কিন্তু কেউই এই দর্শকের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড নিশ্চিত করতে পারেনি।

কিন্তু আমরা দুঃখের বিষয় এখনো বলতেছি যে, ৫ই আগস্ট গণঅভ্যুত্থান পরবর্তীতে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার শপথ নেওয়ার পর দীর্ঘ ছয় মাসে আবারো ধর্ষন মহামারি রূপ ধারণ করেছে। এই ছয় মাসে ১৮০ জন আমাদের মা বোন ধর্ষিতা হয়েছে এরমধ্যে ৬৭ জন শিশু।

এরমধ্যে অন্যতম হলো মাগুরায় শিশু আচিয়াকে নরপিশাচদের মতো তিন জন মিলে গনধর্ষণ করে। যা আমাদের হৃদয়ে রক্তক্ষরণ করেছে। আজকে আমাদের সকলের একটাই দাবি, দর্ষকদের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড আইন কার্যকর করে জনসম্মূক্ষে ফাঁসি দিতে হবে।

এসময় মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশ-এর কেন্দ্রীয় সূরা সদস্য মুহাম্মাদ আবু জাফর।

বিক্ষোভ মিছিলে আরো উপস্থিত বক্তব্য রাখেন, ইসলামী যুব আন্দোলন বাংলাদেশ ভোলা জেলা উত্তর শাখার যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাওলানা মুহাম্মদ হাবিবুল্লাহ, ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশ ভোলা জেলা উত্তর শাখার সহ-সভাপতি মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান, দাওয়া সম্পাদক হোসাইন আহমেদ শাহীন, প্রকাশনা ও দপ্তর সম্পাদক মোঃ মাহবুবুর রহমান, আলিয়া মাদ্রাসা সম্পাদক মোঃ মাইনুদ্দিন ও ভোলা সদর থানা শাখার সভাপতি মুহাম্মাদ হোসাইন আহমেদ, বোরহানউদ্দিন থানা সভাপতি এইচএম ইসমাইল ও দৌলতখান থানা সহ-সভাপতি মুহাম্মদ কেফায়েত, ভোলা সরকারি কলেজ সহ-সভাপতি মুহাম্মদ হাসান, প্রশিক্ষণ সম্পাদক আরিফ বিল্লাহ ওমর সহ জেলা, থানা ও ইউনিয়নের প্রমূখ নেতৃবৃন্দ।

সারাদেশ

শেরপুর-৩ আসনের জামায়াতের প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল মারা গেছেন

জামায়াতে ইসলামীর শেরপুর জেলা শাখার সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী–ঝিনাইগাতী) আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল (৫১) মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত আনুমানিক ৩ টার দিকে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শেরপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি আবুল কালাম আজাদ। পরিবার সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার […]

শেরপুর-৩ আসনের জামায়াতের প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল মারা গেছেন

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৫:০৬

জামায়াতে ইসলামীর শেরপুর জেলা শাখার সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী–ঝিনাইগাতী) আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল (৫১) মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত আনুমানিক ৩ টার দিকে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শেরপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি আবুল কালাম আজাদ।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার রাত ১০টার দিকে হঠাৎ শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যায় গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন নুরুজ্জামান বাদল। তাৎক্ষণিকভাবে তাকে শ্রীবরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। পরে সেখান থেকে দ্রুত ময়মনসিংহ স্বদেশ হাসপাতালে নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়।

ময়মনসিংহ নেওয়ার পথে রাত ৩ টার দিকে শহরের প্রবেশমুখ ব্রিজ এলাকায় পৌঁছালে তার অবস্থার অবনতি ঘটে এবং সেখানে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। পরে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।

পরিবারের পক্ষ থেকে মৃতের ভাই মাসুদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এছাড়াও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নিজেদের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে দেওয়া ওই পোস্টে বলা হয়, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী শেরপুর জেলা শাখার সম্মানিত সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ সংসদীয় আসনে জামায়াত মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী জনাব আলহাজ্ব নুরুজ্জামান বাদল আনুমানিক আজ রাত ৩টায় কিডনিজনিত রোগে হাসপাতালে ভর্তি অবস্থায় ইন্তেকাল করেছেন। ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।

পোস্টে আরও উল্লেখ করা হয়, আল্লাহ তা’য়ালা তাকে জান্নাতুল ফেরদাউস দান করুন এবং তার শোকসন্তপ্ত পরিবার-পরিজন ও সহকর্মীদের ধৈর্য ধারণের তৌফিক দান করুন।

সারাদেশ

নিখোঁজের ২ দিন পর মেঘনায় ভেসে উঠলো পুলিশ সদস্যের নিথর দেহ

লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি: ভোলার লালমোহন উপজেলায় মৎস্য অভিযানে গিয়ে লঞ্চের ধাক্কায় স্পিডবোট উল্টে নিখোঁজ হওয়ার দুইদিন পর পুলিশ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের সন্ধান মিলেছে। শুক্রবার বিকেলে দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পড়েছিল ওই পুলিশ কনস্টেবলের নিথর দেহ। তিনি লালমোহন উপজেলার মঙ্গলসিকদার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে কর্মরত ছিলেন। বিষয়টি নিশ্চিত করে লালমোহন থানার […]

নিখোঁজের ২ দিন পর মেঘনায় ভেসে উঠলো পুলিশ সদস্যের নিথর দেহ

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২০ মার্চ ২০২৬, ২৩:০২

লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি:

ভোলার লালমোহন উপজেলায় মৎস্য অভিযানে গিয়ে লঞ্চের ধাক্কায় স্পিডবোট উল্টে নিখোঁজ হওয়ার দুইদিন পর পুলিশ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের সন্ধান মিলেছে। শুক্রবার বিকেলে দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পড়েছিল ওই পুলিশ কনস্টেবলের নিথর দেহ। তিনি লালমোহন উপজেলার মঙ্গলসিকদার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে কর্মরত ছিলেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করে লালমোহন থানার ওসি মো. অলিউল ইসলাম বলেন, গত বুধবার সন্ধ্যার পর মঙ্গলসিকদার লঞ্চঘাট এলাকা থেকে মেঘনা নদীতে মৎস্য অভিযানের জন্য মৎস্য অফিসের ৩ সদস্য ও একজন পুলিশ অফিসারসহ ৩ জন কনস্টেবল স্পিডবোটে করে মেঘনা নদীতে রওয়ানা দেন।

এ সময় যাত্রীবাহী লঞ্চ কর্ণফুলী-১২ এর সঙ্গে ধাক্কা লেগে স্পিডবোটটি উল্টে যায়। এ ঘটনায় ওই স্পিডবোটে থাকা সবাই তীরে উঠতে পারলেও নদীতে ডুবে নিখোঁজ হয়ে যান কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলাম। তাকে উদ্ধার করতে গত দুইদিন ধরে কাজ করেছেন নৌবাহিনী, কোস্টগার্ড ও ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দলের সদস্যরা।

তিনি আরও বলেন, শুক্রবার বিকেলে খবর পাওয়া যায় দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পুলিশের পোশাক পরিহিত এক ব্যক্তির মরদেহ পড়েছিল।

স্থানীয়রা বিষয়টি দেখতে পেয়ে দৌলতখান থানায় খবর দেন। পরে পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করেন। দৌলতখান থানা পুলিশের দেওয়া তথ্যে আমরা নিশ্চিত হই ওই মরদেহটি নিখোঁজ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

সারাদেশ

এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা আসাদুল্লাহ গ্রেপ্তার

চেক ডিজঅনারের একটি মামলায় পাবনা-২ আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ‘হ্যাঁ’ ভোটের অ্যাম্বাসেডর ও দলের যুব সংগঠন যুবশক্তির কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) গভীর রাতে সুজানগর উপজেলার হাটখালী ইউনিয়নের সৈয়দপুর গ্রামে নিজ বাড়ি থেকে তাকে আটক করে কামালপুর পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা। পরে তাকে সুজানগর থানায় হস্তান্তর করা হয়। তিনি […]

এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা আসাদুল্লাহ গ্রেপ্তার

এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা আসাদুল্লাহ গ্রেপ্তার

নিউজ ডেস্ক

১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১১:০৫

চেক ডিজঅনারের একটি মামলায় পাবনা-২ আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ‘হ্যাঁ’ ভোটের অ্যাম্বাসেডর ও দলের যুব সংগঠন যুবশক্তির কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) গভীর রাতে সুজানগর উপজেলার হাটখালী ইউনিয়নের সৈয়দপুর গ্রামে নিজ বাড়ি থেকে তাকে আটক করে কামালপুর পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা। পরে তাকে সুজানগর থানায় হস্তান্তর করা হয়। তিনি ওই গ্রামের আকমল শিকদারের ছেলে।

পুলিশ জানায়, ২০২৪ সালে জামালপুর জেলার একটি চেক ডিজঅনার মামলায় তিনি এক মাসের কারাদণ্ড ও তিন লাখ টাকা অর্থদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি ছিলেন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের গণভোটে ‘হ্যাঁ’ পক্ষে প্রচারণা শেষে বাড়িতে অবস্থানকালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরদিন আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

তবে গ্রেপ্তারকে হয়রানিমূলক দাবি করেছে আসাদুল্লাহর পরিবার। তার স্ত্রী নাঈমা আক্তার রিমা বলেন, গভীর রাতে বাসা থেকে তাকে তুলে নেওয়া হয়েছে এবং পারিবারিক ও রাজনৈতিকভাবে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।

সুজানগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জানান, তিনি ওই মামলার সাজাপ্রাপ্ত ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি ছিলেন বলেই আইনানুগভাবে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে।