বৃহস্পতিবার, ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

নির্বাচনীর রোডম্যাপ না দিলে ঈদের পর কঠোর আন্দোলনে বিএনপি- মীর শাহে আলম

রবিউল ইসলাম বগুড়া শিবগঞ্জ প্রতিনিধিঃ বগুড়া জেলা বিএনপির সহ- সভাপতি ও শিবগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সভাপতি সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মীর শাহে আলম বলেছেন, নোবেল শান্তি পুরস্কারের আশায় স্বৈরাচার হাসিনা ১৪ লক্ষ রোহিঙ্গা পুনর্বাসন করেছিল। কিন্তু সে আশা তার আর পূরণ হয়নি। এখন হাসিনা নিজেই ভারতে রোহিঙ্গা হিসাবে আশ্রিত আছে। আজ যে সংস্কারের কথা বলা হচ্ছে, ২০২২ […]

প্রতিনিধি ডেস্ক

০৮ মার্চ ২০২৫, ২১:১৭

রবিউল ইসলাম বগুড়া শিবগঞ্জ প্রতিনিধিঃ

বগুড়া জেলা বিএনপির সহ- সভাপতি ও শিবগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সভাপতি সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মীর শাহে আলম বলেছেন, নোবেল শান্তি পুরস্কারের আশায় স্বৈরাচার হাসিনা ১৪ লক্ষ রোহিঙ্গা পুনর্বাসন করেছিল। কিন্তু সে আশা তার আর পূরণ হয়নি। এখন হাসিনা নিজেই ভারতে রোহিঙ্গা হিসাবে আশ্রিত আছে। আজ যে সংস্কারের কথা বলা হচ্ছে, ২০২২ সালে ৩১ দফা সংস্কারের প্রস্তাব জনাব তারেক রহমান করেছিলেন। প্রকৃত সংস্কার কিভাবে করতে হয়, সেটা বিএনপি জানে।

তাই সংস্কারের নামে নির্বাচন বিলম্বিত করার তালবাহনা জনগণ মেনে নিবে না। রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় থেকে কিংস পার্টি গঠনের ষড়যন্ত্র জনগণ কখনই মানেনি, মানবেও না। ড. ইউনুস অনেক সম্মানি মানুষ, ক্ষমতার মোহ না করে দ্রুত নির্বাচনের ব্যবস্হা করুন। দীর্ঘ ১৭ বছর মানুষ ভোট দিতে পারেনি। ভোটের অধিকারের জন্য বিএনপিসহ জনগণ ১৭ বছর আন্দোলন সংগ্রাম করে আসছে।

বিএনপি অবাধ ও সুষ্ঠ নির্বাচন চায়। নির্বাচনের মাধ্যমেই বিএনপি সরকার গঠন করবে এবং ইনশাআল্লাহ তারেক রহমান হবেন প্রধানমন্ত্রী। এটাই ভারতসহ বর্তমান অন্তবর্তী সরকারের ভয়। নয়ছয় না করে দ্রুত নির্বাচনী রোডম্যাপ ঘোষনা করুন৷ না করলে জনগন কে সাথে নিয়ে ঈদের পর রাজপথে নামতে বাধ্য হবে বিএনপি। 

এসময় তিনি শিবগঞ্জের বিষয় নিয়ে আরো বলেন, ২০১৮ সালের রাতের বেলা কারচুপির ভোটের পর বিএনপি সিদ্ধান্ত নিয়েছিল কোন ধরনের ভোটে অংশ নিবে না। বিএনপির এ নির্দেশ অমান্য করে ও দেশনেত্রী খালেদা জিয়াকে জেলে রেখে যারা হাসিনার ডামি নির্বাচনে অংশ নিয়েছিল তাদের কোন ক্ষমা নেই। তাদের সাথে নিয়ে যারা সুশৃঙ্খল বিএনপির মধ্যে যারা বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির অপচেষ্টা করছেন, তাদের উদ্দেশ্য কখনই ভাল হতে পারে না। এসময় প্রধান অতিথির বক্তব্যে মীর শাহে আলম, জনাব তারেক রহমানের ৩১ দফা সংস্কার প্রস্তাবনার পক্ষে জনমত গড়তে উপস্হিত জনতার সামনে সার-সংক্ষেপ তুলে ধরেন।

৮ মার্চ, ২০২৫, শনিবার বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজলার পিরব সিহালী উচ্চ বিদ্যালয়ের মাঠে পীরব ইউনিয়ন বিএনপি আয়োজিত দোয়া ও ইফতার মাহফিলে উপরোক্ত কথা গুলি বলেন তিনি। উক্ত ইফতার মাহফিলে বিএনপি নেতাকর্মীসহ কয়েক হাজার সাধারণ জনতা অংশগ্রহণ করেন। এসময় দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সুস্হতা কামনা করে দোয়া করা হয়।

পীরব ইউনিয়নের ৯ টি ভোট কেন্দ্র কমিটির সকল সদস্যবৃন্দ, সাবেক ও বর্তমান জনপ্রতিনিধি এবং গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের সন্মানে আয়োজিত ইফতার মাহফিল পীরব ইউনিয়ন বিএনপির আহবায়ক জাহাঙ্গীর হোসেন মিলনের সভাপতিত্বে আরও বক্তব্য রাখেন শিবগঞ্জ উপজেলা বিএনপি’র সাধারন সম্পাদক এ্যাড. আব্দুল ওহাব, সাবেক সাধারন সম্পাদক এস এম তাজুল ইসলাম, সিনিয়র সহ-সভাপতি মাহবুব আলম মানিক, সাংগঠনিক সম্পাদক মাষ্টার হারুনুর রশিদ, পৌর বিএনপি’র সাধারন সম্পাদক আব্দুল করিম, সাংগঠনিক সম্পাদক আবু তাহের , সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক প্রফেসর নজরুল ইসলাম।

উপজেলা কৃষক দলের সাধারণ সম্পাদক তোফায়েল আহমেদ সাবু, সহ-সভাপতি আফছার আলী, রুহুল আমিন ফটু, উপজেলা যুবদলের সভাপতি খালিদ হাসান আরমান, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি এবিএম মাসুদ রানা মাছুম, সাধারন সম্পাদক রায়হানুল হক রনি, উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতি বিপুল রহমান, পীরব ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ন আহবায়ক আলহাজ্ব আব্দুল গোফ্ফার, সদস্য সচিব মোঃ রেজাউল, সাবেক সভাপতি জহুরুল ইসলাম, সাবেক সাধারণ সম্পাদক মতিয়ার রহমান। 

উক্ত ইফতার মাহফিলে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপি’র মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক সম্পাদক একেএম ইদ্রিস আলী, সমবায় বিষয়ক সম্পাদক আনোয়ারুল হক মুকুল, যুগ্ম সম্পাদক আব্দুল হান্নান, পৌর বিএনপি’র সাংগঠনিক সম্পাদক ফজলুর রহমান, উপজেলা যুবদলের সাধারন সম্পাদক আব্দুল্লাহ যোবায়ের, সিনিয়র সহ-সভাপতি রনি মিয়া, সাংগঠনিক সম্পাদক সামিউল আলম আক্কাস, পৌর যুবদলের সভাপতি আবু শাহিন, সাধারণ সম্পাদক মাহদী হাসান তমাল, সাংগঠনিক সম্পাদক আতিকুর রহমান সুজন, সহ-সভাপতি আলমগীর হোসেন, যুগ্ম সম্পাদক মেহেদী হাসান বুলেট, শিবগঞ্জ উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাংগঠনিক সম্পাদক শাহিদুল ইসলাম সোহেল, সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক শাহিনুর ইসলাম শাহীন, যুগ্ম সম্পাদক শামীম হোসেন, পৌর স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি জুয়েল হোসেন বাপ্পি, সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল বারিক মোল্লা, সিনিয়র সহ-সভাপতি আইয়ুব কাজী, যুগ্ম সাধারন সম্পাদক জনি মন্ডল ,

মহিলা দল নেত্রী মিনারা বেগম, ফাইমা আক্তার, খাদিজা আক্তার, শ্রমিক দল নেতা রেজাউল, মিজানুর রহমান, এজাজুল, সাইফুল, মৎস্যজীবী দল নেতা রফিকুল ইসলাম, উপজেলা ছাত্রদলের সাধারন সম্পাদক মীর মুন, সাংগঠনিক সম্পাদক তারেক মিলু, সহ-সভাপতি আল রাহী, পৌর ছাত্রদলের সভাপতি শাহিনুর ইসলাম আলামিন, সাধারণ সম্পাদক সাকিব হাসান, সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক সাদ্দাম হোসেন বাঘ, যুবদল নেতা সাগর, কাওসার, ছাত্রদল নেতা রাফি, নাসির, পীরব ইউনিয়ন বিএনপি নেতা ওমর ফারুক মিশি, শাহাজুল ইসলাম, মাসুদ রানা, আব্দুল কাদের, মতিয়ার রহমান, জহুরুল ইসলাম, সাইফুল ইসলাম, আবু তাহের, সাজ্জাদ হোসেন, যুবদল নেতা আব্দুল খালেক, রেজাউল ইসলাম, সাইদুল ইসলাম, কৃষক দল নেতা গোলাম মোস্তফা, জিল্লুর রহমান, ছাত্রদল নেতা আলমগীর হোসেন, লিটন হোসেন প্রমুখ।

সারাদেশ

‘ফরহাদকে জামাই হিসেবে পেয়ে গর্বিত, আমাদের মেয়েও কম নয়’ : পৌর জামায়াতের আমির

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সাধারণ সম্পাদক এসএম ফরহাদ এবং চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (চাকসু) নির্বাহী সদস্য জান্নাতুল ফেরদৌস সানজিদা-এর বিয়ে সম্পন্ন হয়েছে। বুধবার দুপুর ১টা ১৫ মিনিটে রাজধানীর কাঁটাবন জামে মসজিদে জোহরের নামাজের পর পারিবারিক ও ঘনিষ্ঠজনদের উপস্থিতিতে আকদ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। ফরহাদের মামাতো ভাই লুৎফুর রহমান জানান, উভয় পরিবারের সদস্যদের পাশাপাশি […]

নিউজ ডেস্ক

২৪ ডিসেম্বর ২০২৫, ২২:৫৯

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সাধারণ সম্পাদক এসএম ফরহাদ এবং চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (চাকসু) নির্বাহী সদস্য জান্নাতুল ফেরদৌস সানজিদা-এর বিয়ে সম্পন্ন হয়েছে। বুধবার দুপুর ১টা ১৫ মিনিটে রাজধানীর কাঁটাবন জামে মসজিদে জোহরের নামাজের পর পারিবারিক ও ঘনিষ্ঠজনদের উপস্থিতিতে আকদ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

ফরহাদের মামাতো ভাই লুৎফুর রহমান জানান, উভয় পরিবারের সদস্যদের পাশাপাশি ইসলামী আন্দোলনের নেতৃবৃন্দের উপস্থিতিতে শান্ত ও সংক্ষিপ্ত পরিসরে আকদ সম্পন্ন হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরার সদস্য ও চট্টগ্রাম মহানগরীর আমির মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক ও চট্টগ্রাম-১০ আসনে জামায়াত মনোনীত প্রার্থী শামসুজ্জামান হেলালীসহ উভয় পরিবারের স্বজনরা।

এসএম ফরহাদ চট্টগ্রামের সন্তান। তার বাবা মাওলানা ফোরকান চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী বায়তুশ শরফ মাদ্রাসার প্রিন্সিপাল। ফরহাদ পরিবারের বড় ছেলে এবং ইসলামী ছাত্রশিবির ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সাবেক সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। বর্তমানে তিনি ডাকসুর সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্বে রয়েছেন।

অপরদিকে কনে জান্নাতুল ফেরদৌস সানজিদা ফেনীর সোনাগাজী পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডের চট্টগ্রাম সমাজ বড়বাড়ির সন্তান। তিনি স্থানীয় জামায়াত নেতা ও ব্যবসায়ী এমদাদুল্লাহ কাজলের বড় মেয়ে। সানজিদা চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের মেধাবী শিক্ষার্থী এবং চাকসুর নির্বাহী সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হন।

সোনাগাজী পৌর জামায়াতের আমির মাওলানা কালিম উল্যাহ বলেন, “ফরহাদকে জামাই হিসেবে পেয়ে আমরা গর্বিত। আমাদের মেয়েও কোনো অংশে কম নয়। চাকসু নির্বাচনে ছয় হাজার ভোট পেয়ে সানজিদা চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো সর্বোচ্চ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নির্বাচিত হয়েছে।”

উল্লেখ্য, জিএস ফরহাদের বাগদান অনুষ্ঠান ডিসেম্বরের মাঝামাঝি হওয়ার কথা থাকলেও ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শহীদ ওসমান হাদির হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় তা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছিল। পরবর্তীতে পারিবারিক সিদ্ধান্তে বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয়।

সারাদেশ

ওসমান হাদি হত্যার মাস্টারমাইন্ড ‘শাহীন চেয়ারম্যান’

জুলাই অভ্যুত্থানের অন্যতম সম্মুখসারির সংগঠক ও ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ডের পেছনের পরিকল্পনাকারীদের বিষয়ে নতুন তথ্য সামনে আসছে। তদন্তে উঠে এসেছে, এই হত্যাকাণ্ডের মূল পরিকল্পনা ও বাস্তবায়নের সঙ্গে জড়িত হিসেবে ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান শাহীন আহমেদ ওরফে ‘শাহীন চেয়ারম্যান’-এর নাম। গোয়েন্দা সংস্থার ভাষ্য অনুযায়ী, অর্থ ও অস্ত্র—দুটোর ব্যবস্থাপনাতেই তার সরাসরি ভূমিকা […]

ওসমান হাদি হত্যার মাস্টারমাইন্ড ‘শাহীন চেয়ারম্যান’

ওসমান হাদি হত্যার মাস্টারমাইন্ড ‘শাহীন চেয়ারম্যান’

নিউজ ডেস্ক

২০ ডিসেম্বর ২০২৫, ১০:৫৭

জুলাই অভ্যুত্থানের অন্যতম সম্মুখসারির সংগঠক ও ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ডের পেছনের পরিকল্পনাকারীদের বিষয়ে নতুন তথ্য সামনে আসছে। তদন্তে উঠে এসেছে, এই হত্যাকাণ্ডের মূল পরিকল্পনা ও বাস্তবায়নের সঙ্গে জড়িত হিসেবে ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান শাহীন আহমেদ ওরফে ‘শাহীন চেয়ারম্যান’-এর নাম। গোয়েন্দা সংস্থার ভাষ্য অনুযায়ী, অর্থ ও অস্ত্র—দুটোর ব্যবস্থাপনাতেই তার সরাসরি ভূমিকা ছিল।

তদন্তসংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্র জানায়, এই হত্যাকাণ্ডে শাহীন চেয়ারম্যান একা ছিলেন না। তার সঙ্গে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ ও সহযোগিতায় ছিলেন আরও কয়েকজন ব্যক্তি, যাদের মধ্যে নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের সাবেক কয়েকজন নেতার সম্পৃক্ততার প্রাথমিক তথ্য মিলেছে। এরই মধ্যে কয়েকজন সন্দেহভাজনের ওপর নজরদারি বাড়ানো হয়েছে।

গোয়েন্দাদের দাবি, হাদির ওপর হামলার পর হামলাকারীদের ঢাকা থেকে সীমান্তের দিকে পালিয়ে যেতে সহায়তা করেন গোপালগঞ্জ জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি আব্দুল হামিদ। এ ঘটনায় তার সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে তাকে গ্রেপ্তারের জন্য অভিযান জোরদার করা হয়েছে। তদন্তে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, হামলার আগে ও পরে হত্যাকারীদের সঙ্গে তার একাধিকবার যোগাযোগ হয়েছিল।

তদন্তসংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন, জুলাই অভ্যুত্থানে শরিফ ওসমান হাদির সক্রিয় ভূমিকা এবং গত বছরের ৫ আগস্টের পর তার ধারাবাহিক বক্তব্য ও রাজনৈতিক অবস্থান আওয়ামী লীগকে চরমভাবে ক্ষুব্ধ করে তোলে। দলটির অভ্যন্তরীণ মূল্যায়নে হাদিকে ‘বড় ঝুঁকি’ হিসেবে দেখা হচ্ছিল। সেই প্রেক্ষাপটেই তাকে লক্ষ্য করে পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ডের ছক তৈরি হয়।

শাহীন আহমেদের রাজনৈতিক ও অপরাধী পরিচিতিও তদন্তে গুরুত্ব পাচ্ছে। তিনি দীর্ঘদিন দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি ছিলেন। স্থানীয়ভাবে তিনি একজন প্রভাবশালী নেতা হলেও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নথিতে বহুদিন ধরেই সন্ত্রাসী ও অস্ত্রধারী হিসেবে পরিচিত ছিলেন। অভিযোগ রয়েছে, শেখ হাসিনা সরকারের সময় সাবেক বিদ্যুৎ ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বিপুর ঘনিষ্ঠ হিসেবে তিনি ব্যাপক প্রভাব খাটিয়ে একাধিকবার উপজেলা চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন এবং নানা অভিযোগ সত্ত্বেও ছিলেন ধরাছোঁয়ার বাইরে।

স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, গত বছরের ৫ আগস্টের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর শাহীন চেয়ারম্যান সীমান্ত পেরিয়ে ভারতে চলে যান। প্রথম দিকে তিনি আত্মগোপনে থাকলেও গত কয়েক মাসে আবার সক্রিয় হয়ে ওঠেন। তদন্তে জানা গেছে, তিনি বিভিন্ন অ্যাপ ব্যবহার করে দেশে থাকা ‘স্লিপার সেল’-এর সদস্যদের সঙ্গে যোগাযোগ করে পরিকল্পনা বাস্তবায়নের চেষ্টা করছিলেন।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর এক কর্মকর্তা জানান, কয়েকটি হোয়াটসঅ্যাপ কল ও খুদেবার্তার সূত্র ধরে শাহীন চেয়ারম্যানের সম্পৃক্ততার প্রমাণ পাওয়া গেছে। একই সঙ্গে পলাতক ছাত্রলীগ নেতা হামিদের সঙ্গে হত্যাকারীদের যোগাযোগের তথ্যও মিলেছে। ভারতে অবস্থানরত কয়েকটি গ্রুপ থেকে অ্যাপভিত্তিক যোগাযোগের মাধ্যমে ঢাকায় থাকা সহযোগীদের কাজ সমন্বয় করা হচ্ছিল বলেও তদন্তে উঠে এসেছে।

সূত্র আরও জানায়, এই মামলার তদন্তে সন্দেহভাজনের তালিকায় কয়েকজন রাজনীতিকের নামও এসেছে। তাদের ভূমিকা যাচাইয়ে গ্রেপ্তার হওয়া আসামিদের যৌথভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। পাশাপাশি শাহীন চেয়ারম্যানের ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত কেরানীগঞ্জের দুজন ছাত্রলীগ নেতাকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

এ বিষয়ে ঢাকা মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার (ডিবি) শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘সব দিক বিবেচনায় নিয়ে অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত চলছে। আমরা আশাবাদী, খুব শিগগিরই এই হত্যাকাণ্ডের মাস্টারমাইন্ডসহ সংশ্লিষ্ট পরিকল্পনাকারীদের পরিচয় স্পষ্ট হবে।’

সারাদেশ

শেরপুর-৩ আসনের জামায়াতের প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল মারা গেছেন

জামায়াতে ইসলামীর শেরপুর জেলা শাখার সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী–ঝিনাইগাতী) আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল (৫১) মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত আনুমানিক ৩ টার দিকে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শেরপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি আবুল কালাম আজাদ। পরিবার সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার […]

শেরপুর-৩ আসনের জামায়াতের প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল মারা গেছেন

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৫:০৬

জামায়াতে ইসলামীর শেরপুর জেলা শাখার সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী–ঝিনাইগাতী) আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল (৫১) মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত আনুমানিক ৩ টার দিকে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শেরপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি আবুল কালাম আজাদ।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার রাত ১০টার দিকে হঠাৎ শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যায় গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন নুরুজ্জামান বাদল। তাৎক্ষণিকভাবে তাকে শ্রীবরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। পরে সেখান থেকে দ্রুত ময়মনসিংহ স্বদেশ হাসপাতালে নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়।

ময়মনসিংহ নেওয়ার পথে রাত ৩ টার দিকে শহরের প্রবেশমুখ ব্রিজ এলাকায় পৌঁছালে তার অবস্থার অবনতি ঘটে এবং সেখানে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। পরে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।

পরিবারের পক্ষ থেকে মৃতের ভাই মাসুদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এছাড়াও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নিজেদের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে দেওয়া ওই পোস্টে বলা হয়, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী শেরপুর জেলা শাখার সম্মানিত সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ সংসদীয় আসনে জামায়াত মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী জনাব আলহাজ্ব নুরুজ্জামান বাদল আনুমানিক আজ রাত ৩টায় কিডনিজনিত রোগে হাসপাতালে ভর্তি অবস্থায় ইন্তেকাল করেছেন। ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।

পোস্টে আরও উল্লেখ করা হয়, আল্লাহ তা’য়ালা তাকে জান্নাতুল ফেরদাউস দান করুন এবং তার শোকসন্তপ্ত পরিবার-পরিজন ও সহকর্মীদের ধৈর্য ধারণের তৌফিক দান করুন।