বৃহস্পতিবার, ০২ এপ্রিল ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

বিজ্ঞ আদালতের নির্দেশ উপেক্ষা করে রাতের আঁধারে দোকান ঘরসহ জমি দখল

মিজানুর রহমান ,গলাচিপা প্রতিনিধিঃ গলাচিপা উপজেলার গোলখালী ইউনিয়নের হরিদেবপুর বাস স্ট্যান্ডে। আদালতের রায় উপেক্ষা করে গভীর রাতে আজাহার হাওলাদার (৭০)নামের এক ব্যক্তির প্রায় ৩০ বছরের পুরানো ব্যবসা প্রতিষ্ঠান দোকান ঘরসহ জমি জোরপূর্বক দখলের অভিযোগ উঠেছে শাহিদা(৩৫) রফিক(৫৫), আবু বসার (৪০), ইমরান (২৫) গংদের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় জোর জবরদখলকারীদের সন্ত্রাসী হামলার আতঙ্কে দিন কাটছে ভুক্তভোগী পরিবারের। এ […]

প্রতিনিধি ডেস্ক

২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৫, ১৬:৪১

মিজানুর রহমান ,গলাচিপা প্রতিনিধিঃ

গলাচিপা উপজেলার গোলখালী ইউনিয়নের হরিদেবপুর বাস স্ট্যান্ডে। আদালতের রায় উপেক্ষা করে গভীর রাতে আজাহার হাওলাদার (৭০)নামের এক ব্যক্তির প্রায় ৩০ বছরের পুরানো ব্যবসা প্রতিষ্ঠান দোকান ঘরসহ জমি জোরপূর্বক দখলের অভিযোগ উঠেছে শাহিদা(৩৫) রফিক(৫৫), আবু বসার (৪০), ইমরান (২৫) গংদের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় জোর জবরদখলকারীদের সন্ত্রাসী হামলার আতঙ্কে দিন কাটছে ভুক্তভোগী পরিবারের।

এ নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হলেও সন্ত্রাসীদের ভয়ে মুখ খুলছে না কেউই। অসহায় স্থানীয় বাসিন্দারা এবং ভুক্তভোগীরা।

 এমন অভিযোগ উপজেলার গোলখালী ইউনিয়নের ছোটগাবুয়া গ্রামের ভুক্তভোগী আজাহার হাওলাদার ও ছেলে আবুল বাশারের।

তারা জানায় ১৯৯৮ সালে আব্দুল লতিফ গংয়ের ওয়ারিশ দুই পুত্র সোবাহান খন্দকার এবং মোকসেদ খন্দকার পৈত্রিক সূত্রে ৪ আনা অংশের মালিক ও বিরোধীয় দাগের হিস্যা মতে ৮.২৫ শতাংশ ভূমির মালিক বিদ্যমান থাকিয়া আমাদেরকে অর্থাৎ আজাহার হাওলাদারকে ৩.৭৫ শতাংশ ভূমির দলিল এবং দখল বুঝাইয়া দেন এবং পটুয়াখালী সহকারী জজ আদালত কর্তৃক সোলেনামা রায় ডিগ্রি হাসিল করেন।

আমরা ক্রয় করার পরে ১৯৯৮ সাল থেকে দোকান ঘর নির্মাণ করে মোদি- মনোহারী, ষ্টেশনারী, লোহা-লস্কর ও জাল সুতার ব্যবসা-বাণিজ্য পরিচালনা করে আসছিলাম। এরপরে প্রতিপক্ষের সাথে ঝামেলা হলে আমরা প্রথম বিজ্ঞ আদালতের রায় ডিগ্রী পাই ২০১২ সালে এবং ২০১৩ সালে আমরা রেকর্ড ও খারিজ করাইতে গেলে ওরা আমাদের বিরুদ্ধে এসিল্যান্ড অফিসে আপত্তি জানায় সেখানেও ওরা হেরে যায় এবং কাগজপত্র অনুযায়ী আমাদের নামে অর্থাৎ আজহার হাওলাদার এর নামে ৩.৭৫ শতাংশ জমি রেকর্ড হয়।

এরপর একাধিকবার গলাচিপা থানায়, ইউনিয়ন পরিষদে, হরিদবপুরে হালিম মেম্বারের ঘরে এবং সবশেষ পটুয়াখালী উকিল বারে উভয় পক্ষের চারজন করে সম্মানিত আইনজীবী নিয়োগের মাধ্যমে সালিশ মীমাংসায় বসার পরে কোথাও কোন সঠিক কাগজপত্র না দেখাতে পেরে ২০১৮ সালে আমাদের বিরুদ্ধে ২০১২ সালে পাওয়া রায় ডিগ্রির বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করেন। সেই মামলাতেও তারা হেরে যায়। আমরা মহামান্য সুপ্রিম কোর্ট থেকে রায় পাই। যাহার দেওয়ানী মোকদ্দমা নাম্বার ৩০/২০১৮। মহামান্য সুপ্রিম কোর্ট আমাদের ২০১২ সালের রায় ডিগ্রী বহাল রেখে তাদের সকল আবেদন স্থগিত ও খারিজ করে দেয়।

এই সকল ঝামেলার মূল ব্যাপার হচ্ছে ওদের অর্থাৎ সাহিদা গংদের দলিল দাতা আব্দুর রশিদ এর ওয়ারিশ মিলন চৌকিদার এবং নুরুল আমিন চৌকিদারসহ অন্যান্যরা ওই দাগে মোট জমি পেয়েছে ৬.৫০ শতাংশ অথচ তারা বিক্রি করেছে ২৬ শতাংশ।

 ৬.৫০ শতাংশের মালিকও সবাই তাদেরকে দলিল হস্তান্তর করে নাই। সেই দলিল অনুযায়ী তারা জমি পায় ৬ শতাংশেরও অনেক কম। অথচ এই শাহিদা গং সেই ২৬ শতাংশ পুরাটা ভোগ দখল করতে চাইছে অথচ তার মালিকই পেয়েছে ৬ শতাংশেরও অনেক কম। আর আমার দলিল দাতা জমি পেয়েছে ৮.২৫ শতাংশ সেখান থেকে আমরা ক্রয় করেছি ৩.৭৫ শতাংশ।

এই সাহিদা গংদের দলিলদাতারাই তো ২৬ শতাংসের মালিক নয় সেটা বুঝেও জোর দখল করে ২৬ শতাংশ পুরাটা ভোগ দখল করতে চাইছে আর এটা নিয়েই যত গন্ডগোল আমাদের সাথে, শিবু দাসের সাথে,তোফাজ্জল খন্দকারের সাথে,সালাম মৃধার সাথে, আরও বিভিন্ন মানুষের সাথে। সব জেনে ও বুজেও জোর দখল করে ভোগ দখল করতে চাইতেছে এবং ঝামেলা গুলো সৃষ্টি করতেছে। কাগজপত্র এবং স্থানীয়দের সাক্ষাৎকার অনুযায়ী এই জায়গার মালিক আজাহার হাওলাদার এবং এখানেই তাদের প্রায় ৩০ বছরের পুরনো ব্যবসা প্রতিষ্ঠান দোকান ঘর ছিল।

এই প্রতিবেদনে জানা যায় যে, প্রায় ৩০ বছর ধরে ক্রয় সূত্রে এই জমিটি আজাহার হাওলাদার ভোগ দখল ও সুনামের সাথে ব্যবসা বাণিজ্য পরিচালনা করে আসছে বলে জানায় স্থানীয়রা।

সারাদেশ

শেরপুর-৩ আসনের জামায়াতের প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল মারা গেছেন

জামায়াতে ইসলামীর শেরপুর জেলা শাখার সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী–ঝিনাইগাতী) আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল (৫১) মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত আনুমানিক ৩ টার দিকে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শেরপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি আবুল কালাম আজাদ। পরিবার সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার […]

শেরপুর-৩ আসনের জামায়াতের প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল মারা গেছেন

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৫:০৬

জামায়াতে ইসলামীর শেরপুর জেলা শাখার সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী–ঝিনাইগাতী) আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল (৫১) মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত আনুমানিক ৩ টার দিকে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শেরপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি আবুল কালাম আজাদ।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার রাত ১০টার দিকে হঠাৎ শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যায় গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন নুরুজ্জামান বাদল। তাৎক্ষণিকভাবে তাকে শ্রীবরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। পরে সেখান থেকে দ্রুত ময়মনসিংহ স্বদেশ হাসপাতালে নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়।

ময়মনসিংহ নেওয়ার পথে রাত ৩ টার দিকে শহরের প্রবেশমুখ ব্রিজ এলাকায় পৌঁছালে তার অবস্থার অবনতি ঘটে এবং সেখানে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। পরে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।

পরিবারের পক্ষ থেকে মৃতের ভাই মাসুদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এছাড়াও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নিজেদের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে দেওয়া ওই পোস্টে বলা হয়, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী শেরপুর জেলা শাখার সম্মানিত সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ সংসদীয় আসনে জামায়াত মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী জনাব আলহাজ্ব নুরুজ্জামান বাদল আনুমানিক আজ রাত ৩টায় কিডনিজনিত রোগে হাসপাতালে ভর্তি অবস্থায় ইন্তেকাল করেছেন। ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।

পোস্টে আরও উল্লেখ করা হয়, আল্লাহ তা’য়ালা তাকে জান্নাতুল ফেরদাউস দান করুন এবং তার শোকসন্তপ্ত পরিবার-পরিজন ও সহকর্মীদের ধৈর্য ধারণের তৌফিক দান করুন।

সারাদেশ

নিখোঁজের ২ দিন পর মেঘনায় ভেসে উঠলো পুলিশ সদস্যের নিথর দেহ

লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি: ভোলার লালমোহন উপজেলায় মৎস্য অভিযানে গিয়ে লঞ্চের ধাক্কায় স্পিডবোট উল্টে নিখোঁজ হওয়ার দুইদিন পর পুলিশ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের সন্ধান মিলেছে। শুক্রবার বিকেলে দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পড়েছিল ওই পুলিশ কনস্টেবলের নিথর দেহ। তিনি লালমোহন উপজেলার মঙ্গলসিকদার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে কর্মরত ছিলেন। বিষয়টি নিশ্চিত করে লালমোহন থানার […]

নিখোঁজের ২ দিন পর মেঘনায় ভেসে উঠলো পুলিশ সদস্যের নিথর দেহ

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২০ মার্চ ২০২৬, ২৩:০২

লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি:

ভোলার লালমোহন উপজেলায় মৎস্য অভিযানে গিয়ে লঞ্চের ধাক্কায় স্পিডবোট উল্টে নিখোঁজ হওয়ার দুইদিন পর পুলিশ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের সন্ধান মিলেছে। শুক্রবার বিকেলে দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পড়েছিল ওই পুলিশ কনস্টেবলের নিথর দেহ। তিনি লালমোহন উপজেলার মঙ্গলসিকদার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে কর্মরত ছিলেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করে লালমোহন থানার ওসি মো. অলিউল ইসলাম বলেন, গত বুধবার সন্ধ্যার পর মঙ্গলসিকদার লঞ্চঘাট এলাকা থেকে মেঘনা নদীতে মৎস্য অভিযানের জন্য মৎস্য অফিসের ৩ সদস্য ও একজন পুলিশ অফিসারসহ ৩ জন কনস্টেবল স্পিডবোটে করে মেঘনা নদীতে রওয়ানা দেন।

এ সময় যাত্রীবাহী লঞ্চ কর্ণফুলী-১২ এর সঙ্গে ধাক্কা লেগে স্পিডবোটটি উল্টে যায়। এ ঘটনায় ওই স্পিডবোটে থাকা সবাই তীরে উঠতে পারলেও নদীতে ডুবে নিখোঁজ হয়ে যান কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলাম। তাকে উদ্ধার করতে গত দুইদিন ধরে কাজ করেছেন নৌবাহিনী, কোস্টগার্ড ও ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দলের সদস্যরা।

তিনি আরও বলেন, শুক্রবার বিকেলে খবর পাওয়া যায় দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পুলিশের পোশাক পরিহিত এক ব্যক্তির মরদেহ পড়েছিল।

স্থানীয়রা বিষয়টি দেখতে পেয়ে দৌলতখান থানায় খবর দেন। পরে পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করেন। দৌলতখান থানা পুলিশের দেওয়া তথ্যে আমরা নিশ্চিত হই ওই মরদেহটি নিখোঁজ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

সারাদেশ

এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা আসাদুল্লাহ গ্রেপ্তার

চেক ডিজঅনারের একটি মামলায় পাবনা-২ আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ‘হ্যাঁ’ ভোটের অ্যাম্বাসেডর ও দলের যুব সংগঠন যুবশক্তির কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) গভীর রাতে সুজানগর উপজেলার হাটখালী ইউনিয়নের সৈয়দপুর গ্রামে নিজ বাড়ি থেকে তাকে আটক করে কামালপুর পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা। পরে তাকে সুজানগর থানায় হস্তান্তর করা হয়। তিনি […]

এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা আসাদুল্লাহ গ্রেপ্তার

এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা আসাদুল্লাহ গ্রেপ্তার

নিউজ ডেস্ক

১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১১:০৫

চেক ডিজঅনারের একটি মামলায় পাবনা-২ আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ‘হ্যাঁ’ ভোটের অ্যাম্বাসেডর ও দলের যুব সংগঠন যুবশক্তির কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) গভীর রাতে সুজানগর উপজেলার হাটখালী ইউনিয়নের সৈয়দপুর গ্রামে নিজ বাড়ি থেকে তাকে আটক করে কামালপুর পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা। পরে তাকে সুজানগর থানায় হস্তান্তর করা হয়। তিনি ওই গ্রামের আকমল শিকদারের ছেলে।

পুলিশ জানায়, ২০২৪ সালে জামালপুর জেলার একটি চেক ডিজঅনার মামলায় তিনি এক মাসের কারাদণ্ড ও তিন লাখ টাকা অর্থদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি ছিলেন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের গণভোটে ‘হ্যাঁ’ পক্ষে প্রচারণা শেষে বাড়িতে অবস্থানকালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরদিন আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

তবে গ্রেপ্তারকে হয়রানিমূলক দাবি করেছে আসাদুল্লাহর পরিবার। তার স্ত্রী নাঈমা আক্তার রিমা বলেন, গভীর রাতে বাসা থেকে তাকে তুলে নেওয়া হয়েছে এবং পারিবারিক ও রাজনৈতিকভাবে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।

সুজানগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জানান, তিনি ওই মামলার সাজাপ্রাপ্ত ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি ছিলেন বলেই আইনানুগভাবে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে।