বৃহস্পতিবার, ০২ এপ্রিল ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

বড় ভাইকে হত্যা করতে ছোট দুই ভাইয়ের সন্ত্রাসী ভাড়া

রাশিমুল হক রিমন, আমতলী প্রতিনিধি: বড় ভাই মফিজ উদ্দিন হাওলাদারকে হত্যা করতে ছোট দুই ভাই মিলন হাওলাদার, আব্দুর রব হাওলাদার বহিরাগত সন্ত্রাসী ভাড়া আনেন। ওই সন্ত্রাসীদের সহযোগীতায় ছোট দুই ভাই বড় ভাই, তার স্ত্রী, ছেলে, মেয়ে ও জামাতাকে কুপিয়ে জখম করেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আহত মফিজ উদ্দিন হাওলাদার সোমবার এমন অভিযোগ করেছেন। […]

প্রতিনিধি ডেস্ক

২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৫, ১৬:৫১

রাশিমুল হক রিমন, আমতলী প্রতিনিধি:

বড় ভাই মফিজ উদ্দিন হাওলাদারকে হত্যা করতে ছোট দুই ভাই মিলন হাওলাদার, আব্দুর রব হাওলাদার বহিরাগত সন্ত্রাসী ভাড়া আনেন। ওই সন্ত্রাসীদের সহযোগীতায় ছোট দুই ভাই বড় ভাই, তার স্ত্রী, ছেলে, মেয়ে ও জামাতাকে কুপিয়ে জখম করেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আহত মফিজ উদ্দিন হাওলাদার সোমবার এমন অভিযোগ করেছেন। ঘটনা ঘটেছে আমতলী উপজেলার উত্তর তক্তাবুনিয়া গ্রামে বুধবার দুপুরে।

জানাগেছে, গত বছর উপজেলার উত্তর তক্তাবুনিয়া গ্রামের মফিজ উদ্দিন হাওলাদার তার পুকুর সেচ দেয়। ওই পুকুরের দুই লক্ষাধীক টাকার মাছ ছোট ভাই মিলন হাওলাদারের পুকুরে রাখেন তিনি। গত এক বছর ধরে ওই মাছ ছোট ভাইয়ের পুকুরে চাষবাদ করেন। এ বছর জানুয়ারী মাসে বড় ভাই ওই মাছ শিকারের চেষ্টা করেন। এ সময় ছোট দুই ভাই মিলন ও আব্দুর রব এতে বাঁধা দেয়।

এ নিয়ে তিন ভাইয়ের মধ্যে দ্বন্ধ হয়। এ মাছ ধরাকে কেন্দ্র করে ছোট দুই ভাই বড় ভাইকে হত্যার পরিকল্পনা করেন বলে অভিযোগ করেন বড় ভাই মফিজ উদ্দিন হাওলাদার। বুধবার দুপুরে ওই বাড়ীতে কেউ ছিল না। এ সুযোগে ছোট দুই ভাই আব্দুর রব হাওলাদার ও মিলন হাওলাদার ভাড়াটে সন্ত্রাসীরা বড় ভাই মফিজ উদ্দিন হাওলাদারকে হত্যা করতে তার ওপর হামলা চালায়।

তাকে রক্ষায় তার স্ত্রী হেলেনা বেগম এগিয়ে এলে তাকেও কুপিয়ে জখম করে। খবর পেয়ে তার ছেলে রিয়াজ হাওলাদার বাড়ীতে আসলে তাকেও কুপিয়ে জখম করে। তার জামাতা শিবলী শরীফ ও তার মেয়ে মাহফুজা বেগম ঘটনার পরপর শ্বশুর বাড়ীতে আসলে তাদেরও সন্ত্রাসীরা কুপিয়ে জখম করেছে। পাঁচজনকে পিটিয়ে ও কুপিয়ে সন্ত্রাসীরা বীর দর্পে চলে যায়।

পরে স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে আমতলী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। ওই হাসপাতালের চিকিৎসক ডাঃ রাসেদ মাহমুদ রোকনুজ্জামান গুরুতর আহত শিবলী শরীফ (৪৩), মাহফুজা (২৫) ও রিয়াজ হাওলাদারকে (৩৬) উন্নত চিকিৎসার জন্য পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরন করেছেন। তারা ওই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

মফিজ উদ্দিন হাওলাদার বলেন, গত বছর আমার পুুকুরের দুই লক্ষাধীক টাকার মাছ ছোট ভাই মিলনের পুকুরে ফেলে রাখি। গত এক বছর ধরে ওই মাছ চাষাবাদ করে আসছি। গত জানুয়ারী মাসে মাছ শিকার করতে গেলে দুই ভাই আমাকে বাঁধা দেয়। এ নিয়ে আমার সঙ্গে তাদের দ্বন্ধ হয়।

এ ঘটনার জের ধরে দুই ভাই আমাকে হত্যা করতে বহিরাগত সন্ত্রাসী ভাড়া আনেন। বুধবার আমাকে বাড়ীতে একা পেয়ে সন্ত্রাসীসহ আমার দুই ভাই আমাকে মারধর করেন। আমি আমার ঘরে আশ্রয় নেই। পরে আমার স্ত্রীকে কুপিয়ে জখম করে। আমাকে রক্ষায় আমার ছেলে, মেয়ে ও জামাতা এগিয়ে আসলে তাদেরকে কুপিয়ে জখম করেছে। দ্রæত ওই সন্ত্রাসীসহ আশ্রয়দাতা আব্দুর রব ও মিলন হাওলাদারের শাস্তি দাবী করেছেন তিনি।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন বলেন, ডাকাডাকির শব্দ শুনে এসে দেখি অপরিচিত কয়েকজন লোক মফিজ হাওলাদার ও তার স্ত্রীকে মারধর করছেন। খবর পেয়ে তাদের রক্ষায় ছেলে রিয়াজ হাওলাদার ও মেয়ে মাহফুজা ও জামাতা শিবলী শরীফ এগিয়ে তাদেরকেও কুপিয়ে জখম করেছে।

আহত শিবলী শরীফ বলেন, ওরশ থেকে শ্বশুর বাড়ী গিয়ে দেখতে পাই শ্বশুর ও শ্বাশুড়ীকে বহিরাগত সন্ত্রাসীদের সহযোগীতায় আব্দুর রব ও মিলন হাওলাদার কোপাচ্ছেন। তাদের রক্ষায় আমি ও আমার স্ত্রী এগিয়ে গেলে আমাদেরকে কুপিয়ে জখম করেছে। আমরা এগিয়ে না এলে আমার শ্বশুরকে সন্ত্রাসীরা হত্যা করে ফেলতো।

ছোট ভাই মিলন হাওলাদার মারধরের স্বীকার করে বলেন, বড় ভাই মফিজ উদ্দিনের মাছ আমার পুকুরে গত একবছর ধরে চাষাবাদ করছেন। এনিয়ে দ্বন্ধ হয়েছে। তিনি আরো বলেন, আমার বড় ভাই আমাকে মারধর করেছে।

আমতলী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার ডাঃ রাশেদ মাহমুদ রোকনুজ্জামান বলেন, গুরুতর আহত তিনজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

আমতলী থানার ওসি মোঃ আরিফুল ইসলাম আরিফ বলেন, অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

সারাদেশ

শেরপুর-৩ আসনের জামায়াতের প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল মারা গেছেন

জামায়াতে ইসলামীর শেরপুর জেলা শাখার সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী–ঝিনাইগাতী) আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল (৫১) মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত আনুমানিক ৩ টার দিকে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শেরপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি আবুল কালাম আজাদ। পরিবার সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার […]

শেরপুর-৩ আসনের জামায়াতের প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল মারা গেছেন

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৫:০৬

জামায়াতে ইসলামীর শেরপুর জেলা শাখার সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী–ঝিনাইগাতী) আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল (৫১) মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত আনুমানিক ৩ টার দিকে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শেরপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি আবুল কালাম আজাদ।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার রাত ১০টার দিকে হঠাৎ শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যায় গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন নুরুজ্জামান বাদল। তাৎক্ষণিকভাবে তাকে শ্রীবরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। পরে সেখান থেকে দ্রুত ময়মনসিংহ স্বদেশ হাসপাতালে নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়।

ময়মনসিংহ নেওয়ার পথে রাত ৩ টার দিকে শহরের প্রবেশমুখ ব্রিজ এলাকায় পৌঁছালে তার অবস্থার অবনতি ঘটে এবং সেখানে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। পরে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।

পরিবারের পক্ষ থেকে মৃতের ভাই মাসুদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এছাড়াও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নিজেদের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে দেওয়া ওই পোস্টে বলা হয়, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী শেরপুর জেলা শাখার সম্মানিত সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ সংসদীয় আসনে জামায়াত মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী জনাব আলহাজ্ব নুরুজ্জামান বাদল আনুমানিক আজ রাত ৩টায় কিডনিজনিত রোগে হাসপাতালে ভর্তি অবস্থায় ইন্তেকাল করেছেন। ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।

পোস্টে আরও উল্লেখ করা হয়, আল্লাহ তা’য়ালা তাকে জান্নাতুল ফেরদাউস দান করুন এবং তার শোকসন্তপ্ত পরিবার-পরিজন ও সহকর্মীদের ধৈর্য ধারণের তৌফিক দান করুন।

সারাদেশ

নিখোঁজের ২ দিন পর মেঘনায় ভেসে উঠলো পুলিশ সদস্যের নিথর দেহ

লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি: ভোলার লালমোহন উপজেলায় মৎস্য অভিযানে গিয়ে লঞ্চের ধাক্কায় স্পিডবোট উল্টে নিখোঁজ হওয়ার দুইদিন পর পুলিশ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের সন্ধান মিলেছে। শুক্রবার বিকেলে দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পড়েছিল ওই পুলিশ কনস্টেবলের নিথর দেহ। তিনি লালমোহন উপজেলার মঙ্গলসিকদার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে কর্মরত ছিলেন। বিষয়টি নিশ্চিত করে লালমোহন থানার […]

নিখোঁজের ২ দিন পর মেঘনায় ভেসে উঠলো পুলিশ সদস্যের নিথর দেহ

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২০ মার্চ ২০২৬, ২৩:০২

লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি:

ভোলার লালমোহন উপজেলায় মৎস্য অভিযানে গিয়ে লঞ্চের ধাক্কায় স্পিডবোট উল্টে নিখোঁজ হওয়ার দুইদিন পর পুলিশ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের সন্ধান মিলেছে। শুক্রবার বিকেলে দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পড়েছিল ওই পুলিশ কনস্টেবলের নিথর দেহ। তিনি লালমোহন উপজেলার মঙ্গলসিকদার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে কর্মরত ছিলেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করে লালমোহন থানার ওসি মো. অলিউল ইসলাম বলেন, গত বুধবার সন্ধ্যার পর মঙ্গলসিকদার লঞ্চঘাট এলাকা থেকে মেঘনা নদীতে মৎস্য অভিযানের জন্য মৎস্য অফিসের ৩ সদস্য ও একজন পুলিশ অফিসারসহ ৩ জন কনস্টেবল স্পিডবোটে করে মেঘনা নদীতে রওয়ানা দেন।

এ সময় যাত্রীবাহী লঞ্চ কর্ণফুলী-১২ এর সঙ্গে ধাক্কা লেগে স্পিডবোটটি উল্টে যায়। এ ঘটনায় ওই স্পিডবোটে থাকা সবাই তীরে উঠতে পারলেও নদীতে ডুবে নিখোঁজ হয়ে যান কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলাম। তাকে উদ্ধার করতে গত দুইদিন ধরে কাজ করেছেন নৌবাহিনী, কোস্টগার্ড ও ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দলের সদস্যরা।

তিনি আরও বলেন, শুক্রবার বিকেলে খবর পাওয়া যায় দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পুলিশের পোশাক পরিহিত এক ব্যক্তির মরদেহ পড়েছিল।

স্থানীয়রা বিষয়টি দেখতে পেয়ে দৌলতখান থানায় খবর দেন। পরে পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করেন। দৌলতখান থানা পুলিশের দেওয়া তথ্যে আমরা নিশ্চিত হই ওই মরদেহটি নিখোঁজ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

সারাদেশ

এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা আসাদুল্লাহ গ্রেপ্তার

চেক ডিজঅনারের একটি মামলায় পাবনা-২ আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ‘হ্যাঁ’ ভোটের অ্যাম্বাসেডর ও দলের যুব সংগঠন যুবশক্তির কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) গভীর রাতে সুজানগর উপজেলার হাটখালী ইউনিয়নের সৈয়দপুর গ্রামে নিজ বাড়ি থেকে তাকে আটক করে কামালপুর পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা। পরে তাকে সুজানগর থানায় হস্তান্তর করা হয়। তিনি […]

এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা আসাদুল্লাহ গ্রেপ্তার

এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা আসাদুল্লাহ গ্রেপ্তার

নিউজ ডেস্ক

১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১১:০৫

চেক ডিজঅনারের একটি মামলায় পাবনা-২ আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ‘হ্যাঁ’ ভোটের অ্যাম্বাসেডর ও দলের যুব সংগঠন যুবশক্তির কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) গভীর রাতে সুজানগর উপজেলার হাটখালী ইউনিয়নের সৈয়দপুর গ্রামে নিজ বাড়ি থেকে তাকে আটক করে কামালপুর পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা। পরে তাকে সুজানগর থানায় হস্তান্তর করা হয়। তিনি ওই গ্রামের আকমল শিকদারের ছেলে।

পুলিশ জানায়, ২০২৪ সালে জামালপুর জেলার একটি চেক ডিজঅনার মামলায় তিনি এক মাসের কারাদণ্ড ও তিন লাখ টাকা অর্থদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি ছিলেন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের গণভোটে ‘হ্যাঁ’ পক্ষে প্রচারণা শেষে বাড়িতে অবস্থানকালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরদিন আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

তবে গ্রেপ্তারকে হয়রানিমূলক দাবি করেছে আসাদুল্লাহর পরিবার। তার স্ত্রী নাঈমা আক্তার রিমা বলেন, গভীর রাতে বাসা থেকে তাকে তুলে নেওয়া হয়েছে এবং পারিবারিক ও রাজনৈতিকভাবে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।

সুজানগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জানান, তিনি ওই মামলার সাজাপ্রাপ্ত ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি ছিলেন বলেই আইনানুগভাবে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে।