রবিবার, ১২ এপ্রিল ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

বদলির আদেশের পরেও পুরনো কর্মস্থলে এসআই এনামুল, সাংবাদিককে ম্যানেজ করতে ওসির ঘুষ

কুমিল্লা প্রতিনিধি জুলাই-আগষ্টের গণ-অভ্যুত্থানের পর পুলিশ সুপারের বদলির আদেশকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে পুরনো কর্মস্থলে অন্তত চার মাস ধরে অবস্থান করার অভিযোগ উঠেছে দাউদকান্দি মডেল থানার এসআই এনামুলের বিরুদ্ধে। নিজ জেলা ও দাউদকান্দি মডেল থানার পার্শ্ববর্তী তথা ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার লোক হওয়ায় বদলিকৃত এই অফিসারকে না ছাড়ার পিছনে সরাসরি জড়িত রয়েছেন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জুনায়েত চৌধুরী নিজেই। সাম্প্রতিক […]

বদলির আদেশের পরেও পুরনো কর্মস্থলে এসআই এনামুল, সাংবাদিককে ম্যানেজ করতে ওসির ঘুষ

বদলির আদেশের পরেও পুরনো কর্মস্থলে এসআই এনামুল, সাংবাদিককে ম্যানেজ করতে ওসির ঘুষ

প্রতিনিধি ডেস্ক

২৯ জানুয়ারী ২০২৫, ২২:১৬

কুমিল্লা প্রতিনিধি

জুলাই-আগষ্টের গণ-অভ্যুত্থানের পর পুলিশ সুপারের বদলির আদেশকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে পুরনো কর্মস্থলে অন্তত চার মাস ধরে অবস্থান করার অভিযোগ উঠেছে দাউদকান্দি মডেল থানার এসআই এনামুলের বিরুদ্ধে। নিজ জেলা ও দাউদকান্দি মডেল থানার পার্শ্ববর্তী তথা ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার লোক হওয়ায় বদলিকৃত এই অফিসারকে না ছাড়ার পিছনে সরাসরি জড়িত রয়েছেন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জুনায়েত চৌধুরী নিজেই। সাম্প্রতিক সময়ে এ নিয়ে গত ৩ জানুয়ারি টাইমস নিউজে একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হলেও পুরনো কর্মস্থল ছাড়েননি অভিযুক্ত এই দাপুটে পুলিশ কর্মকর্তা। উল্টো এই দাপুটে পুলিশ কর্মকর্তাকে রক্ষা করতে সাংবাদিককে বার বার ম্যানেজ করতে ঘুষ দেওয়ার সরাসরি চেষ্টা করেছেন ওসি জুনায়েত চৌধুরী।

গত ৩ জানুয়ারি নিউজ প্রকাশিত হওয়ার পর রহস্যময়ভাবে সেই পুলিশ কর্মকর্তারকে না ছেড়ে উল্টো ৩ দিনের ছুটিতে পাঠান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা। এ নিয়ে ১১ জানুয়ারি (শনিবার) সরাসরি কথা বলতে আমরা মুখোমুখি হয় থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জুনায়েত চৌধুরীর। এ সময় দুই-তিন দিনের মধ্যে অভিযুক্ত সেই পুলিশ অফিসারকে ছেড়ে দিবেন বলে ১ম দফায় নিজ অফিসে বসে পকেট থেকে মানিব্যাগ বের করে সাংবাদিককে ৩,০০০/- (তিন হাজার) টাকা ঘুষ দিতে চেষ্টা করেন সেই ওসি। কিছুদিন পরে (গত শুক্রবার) ২য় দফায় সাংবাদিককে ম্যানেজ করতে আবারো চেষ্টা করেন থানার ওসি জানায়েত চৌধুরী। এজন্য দাউদকান্দি থেকে অন্তত ৫০ কিলোমিটার অদূরে অবস্থিত কুমিল্লা নগরীতে টাইমস নিউজের অফিসে পাঠান পুলিশের আরেক এসআইকে। আগত সেই পুলিশ অফিসার এ সময় সাংবাদিককে ১০,০০০/- (দশ হাজার) টাকা ঘুষ দিতে চেষ্টা করেন এবং বিষফোরক মন্তব্য করেন তিনি নানা বিষয়ে।

জুলাই-আগষ্টের গণ-অভ্যুত্থানের পর গত ০৯ অক্টোবর- ২০২৪ তারিখে কুমিল্লার পুলিশ সুপার একটি বদলির আদেশ দেন। সেখানে এসআই এনামুলকে দাউদকান্দি মডেল থানা থেকে লালমাই থানাধীন ভূচ্চি পুলিশ ফাঁড়িতে বদলির আদেশ দেন। কর্মজীবনে নানান ধরণের অপরাধে নিজেকে জড়িয়ে পত্রিকার পাতার হেডলাইন হয়েছেন বহুবার দাপুটে এই পুলিশ কর্মকর্তা। তবুও থেমে নেই তার অপকর্মের চাকা। এসআই এনামুল হক ২০১৩খ্রিঃ থেকে ২০১৫ খ্রিঃ সাল পর্যন্ত দীর্ঘদিন টানা দাউদকান্দি মডেল থানাধীন গৌরীপুর পুলিশ ফাঁড়িতে কর্মরত ছিলেন। সেখান থেকে তৎকালিন সময়ে অভিযোগের ভিত্তিতে ঢাকা রেঞ্জে বদলি হন তিনি। কিন্তু রহস্যময়ভাবে তিনি সেখান থেকে মাত্র ৬ মাসের ব্যবধানে আবারও বদলি হন কুমিল্লায়। কিছুদিন যেতে না যেতেই আবারও জড়িয়ে পড়েন নানান ধরণের অপরাধে। ফলে আবারও তাকে অভিযোগের ভিত্তিতে বদলি করা হয় নৌ-পুলিশের বিভিন্ন ইউনিটে।

তারপর পুলিশের হেডকোয়ার্টার এর নির্দেশে কুমিল্লা জেলা ব্যতীত অন্য জেলায় বদলি হতে পারবে মর্মে তাকে চট্টগ্রাম রেঞ্জে বদলি করা হয়। পরে তিনি নামমাত্র লক্ষীপুর জেলায় বদলি হলেও রহস্যজনকভাবে ১ মাসের ব্যবধানে তৎকালিন সময়ে দাউদকান্দি মডেল থানার ওসি মোজাম্মেল হক (বর্তমান কর্মস্থল দাউদকান্দির পার্শ্ববর্তী জেলা চাঁদপুরের একটি নৌ-পুলিশ ফাঁড়িতে) এর ইচ্ছেতে ও চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজিকে হাত করে আবারও বদলি হন কুমিল্লায়। এরপর ২০২৩ সালের শেষ দিকে তৎকালিন পুলিশ সুপার আব্দল মান্নানকে ম্যানেজ করতে সরাসরি ওসি মোজাম্মেল তদবির করেন তাকে দাউদকান্দি মডেল থানায় পদায়নের জন্য। পরে তিনি সে সময় আবারও যোগ দেন পুরনো কর্মস্থল দাউদকান্দি মডেল থানায়। এরপর তাকে পিছনে ফিরে আর তাকাতে হয়নি।

আওয়ামি লীগ সরকারের আমলে জড়িয়েছিলেন নানা অনিয়মে। নিজেকে জড়িয়েছিলেন আওয়ামীলীগের বিশ্বস্ত এক হাতিয়ার হিসেবে। ৫ আগষ্টের পরে সবকিছু পাল্টে গেলেও পাল্টেনি এসআই এনামুল। অভিযোগ রয়েছে, ৫ আগষ্টের পরে তার চিরচেনা পুরনো কর্মস্থল দাউদকান্দিতে অবস্থান করে আওয়ামী লীগের পলাতক বহু নেতাকমীর সাথে তার এখনো যোগাযোগ রয়েছে। অন্যদিকে আওয়ামী লীগ সরকারের সময় পদায়ন হওয়া দাউদকান্দি মডেল থানার সেকেন্ড অফিসার এসআই হারুন দীর্ঘ দুই বছরের উপরে সময় অতিবাহিত করলেও তার বদলির কোন সংবাদ পাওয়া যায়নি। এ নিয়ে স্থানীয়দের মাঝে রয়েছে এক ধরণের চাপা ক্ষোভ। অভিযোগ রয়েছে ৫ আগষ্টের পর পলাতক আসামীদের সাথে রয়েছে তারও গোপন যোগাযোগ। 

উল্লেখ যে, ওসি মোজাম্মেল যখন চট্টগ্রাম জেলার শীতাকুন্ড থানার তদন্ত ইন্সপেক্টে, তখন সে সময়ের চট্টগ্রাম জেলার এসপি ছিলেন নুরে আলম মিনা। সময়ের ব্যবধানে ২০২৩ সালে যখন নুরে আলম মিনা চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি হিসেবে যোগদান করেন তখনি ওসি মোজাম্মেল বিপুল পরিমাণ ঘুষ দিয়ে চট্টগ্রাম রেঞ্জে বদলি হয়ে বাগিয়ে নেন দাউদকান্দি মডেল থানার ওসির চেয়ারটি। এরপর ওসি মোজাম্মেল পুলিশ বাহিনীর আড়ালে আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে গড়ে তুলেন অপরাধের সাম্রাজ্য। আর এই অপরাধ সাম্রাজ্যের সিন্ডিকেট বাহিনীতে ছিলেন থানার এসআই এনামুল, থানার সেকেন্ড অফিসার এসআই হারুন ও থানাধীন গৌরিপুর পালিশ ফাঁড়ির এসআই সাইদুল ইসলাম অন্যতম। ৫ আগষ্টের পর অন্য সদস্যরা বদলি হলেও এই দুই ব্যক্তি এখনো রয়েছেন পুরনো কর্মস্থলেই। যা নিয়ে রহস্য যেন কিছুতেই থামছে না তাদেরকে নিয়ে।

৫ আগষ্টের আগে আওয়ামী লীগের নেতাদের সঙ্গে মিলিত হয়ে সাধারণ মানুষকে বিভিন্নভাবে হয়রানী, মামলার ভয় দেখিয়ে চাঁদাবাজি, ঘুষ কেলেঙ্কারী, নিরিহ মানুষদেরকে মাদক দিয়ে হয়রানি ও জব্দকৃত মালামাল আত্মসাৎসহ নানান ধরণের গুরুতর অপকর্মে জড়িত থাকার বিষয়ে গত বছরের ১৩ জুন ও ২৪ জুন দুটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয় থানা পুলিশের সেই সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে। ফলে পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের ২৪ জুন- ২৪ খিঃ, কুমিল্লার পুলিশ সুপারের ২৭ জুন- ২৪খিঃ ও ২৯জুন- ২৪ খিঃ তারিখে স্বারকের পেক্ষিতে সহকারী পুলিশ সুপার, দাউদকান্দি সার্কেলকে ৩০ জুন- ২০২৪ তারিখে পুলিশ সাদস্যদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রাথমিক অনুসন্ধানপূর্বক ২১ কার্য দিবসের মধ্যে জমা দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু সে সময় ২৪’র জুলাই-আগষ্টের গণ-অভ্যুত্থানের ঘটনার পেক্ষিতে সেই প্রতিবেদন আদৌ জমা দিতে পারেননি তদন্ত কর্তৃপক্ষ।

সারাদেশ

‘দুই মাসের মধ্যে ঢাকা ছাড়তে হতে পারে বিপুলসংখ্যক মানুষকে’

বর্তমান বৈশ্বিক যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন সংসদের হুইপ এবিএম আশরাফ উদ্দিন নিজান (এমপি)। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেছেন, চলমান বৈশ্বিক সংঘাত যদি দ্রুত বন্ধ না হয়, তবে আগামী দুই মাসের মধ্যে ঢাকা শহরের বিপুলসংখ্যক মানুষ নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে স্থানান্তরে বাধ্য হতে পারে। শুক্রবার (৩ এপ্রিল) ঢাকা থেকে লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলায় একটি প্রোগ্রামে […]

‘দুই মাসের মধ্যে ঢাকা ছাড়তে হতে পারে বিপুলসংখ্যক মানুষকে’

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৩ এপ্রিল ২০২৬, ২২:০৪

বর্তমান বৈশ্বিক যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন সংসদের হুইপ এবিএম আশরাফ উদ্দিন নিজান (এমপি)। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেছেন, চলমান বৈশ্বিক সংঘাত যদি দ্রুত বন্ধ না হয়, তবে আগামী দুই মাসের মধ্যে ঢাকা শহরের বিপুলসংখ্যক মানুষ নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে স্থানান্তরে বাধ্য হতে পারে।

শুক্রবার (৩ এপ্রিল) ঢাকা থেকে লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলায় একটি প্রোগ্রামে যাওয়ার পথে কুমিল্লার লাকসাম দক্ষিণ বাইপাস এলাকায় অবস্থিত ধামৈচা জামে মসজিদে জুমার নামাজের পূর্বে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

হুইপ আশরাফ উদ্দিন নিজান বলেন, বিশ্বজুড়ে চলমান এ অস্থিরতা ও যুদ্ধ পরিস্থিতি কেবল আন্তর্জাতিক নয়, বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ স্থিতিশীলতার ওপরও চরম প্রভাব ফেলতে পারে।

তিনি সতর্ক করে দিয়ে বলেন, বিশ্বব্যাপী এই সংঘাত অব্যাহত থাকলে বাংলাদেশের পরিস্থিতি ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের সময়ের চেয়েও ভয়াবহ আকার ধারণ করতে পারে। আমাদের এখনই সচেতন হতে হবে।

বক্তব্যে তিনি দেশের জনগণকে উদ্ভূত পরিস্থিতি মোকাবিলায় মানসিকভাবে প্রস্তুত এবং আগাম সতর্ক থাকার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে সবাইকে ধৈর্য ও সচেতনতার সঙ্গে বর্তমান পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করার পরামর্শ দেন হুইপ।

সারাদেশ

শেরপুর-৩ আসনের জামায়াতের প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল মারা গেছেন

জামায়াতে ইসলামীর শেরপুর জেলা শাখার সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী–ঝিনাইগাতী) আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল (৫১) মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত আনুমানিক ৩ টার দিকে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শেরপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি আবুল কালাম আজাদ। পরিবার সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার […]

শেরপুর-৩ আসনের জামায়াতের প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল মারা গেছেন

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৫:০৬

জামায়াতে ইসলামীর শেরপুর জেলা শাখার সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী–ঝিনাইগাতী) আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল (৫১) মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত আনুমানিক ৩ টার দিকে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শেরপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি আবুল কালাম আজাদ।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার রাত ১০টার দিকে হঠাৎ শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যায় গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন নুরুজ্জামান বাদল। তাৎক্ষণিকভাবে তাকে শ্রীবরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। পরে সেখান থেকে দ্রুত ময়মনসিংহ স্বদেশ হাসপাতালে নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়।

ময়মনসিংহ নেওয়ার পথে রাত ৩ টার দিকে শহরের প্রবেশমুখ ব্রিজ এলাকায় পৌঁছালে তার অবস্থার অবনতি ঘটে এবং সেখানে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। পরে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।

পরিবারের পক্ষ থেকে মৃতের ভাই মাসুদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এছাড়াও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নিজেদের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে দেওয়া ওই পোস্টে বলা হয়, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী শেরপুর জেলা শাখার সম্মানিত সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ সংসদীয় আসনে জামায়াত মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী জনাব আলহাজ্ব নুরুজ্জামান বাদল আনুমানিক আজ রাত ৩টায় কিডনিজনিত রোগে হাসপাতালে ভর্তি অবস্থায় ইন্তেকাল করেছেন। ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।

পোস্টে আরও উল্লেখ করা হয়, আল্লাহ তা’য়ালা তাকে জান্নাতুল ফেরদাউস দান করুন এবং তার শোকসন্তপ্ত পরিবার-পরিজন ও সহকর্মীদের ধৈর্য ধারণের তৌফিক দান করুন।

সারাদেশ

শাহজাদপুরে ২ সন্তানসহ গৃহবধূর বিষপানে আত্মহত্যার চেষ্টা

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর প্রতিনিধিঃ স্বামীর উপরে অভিমান করে নিজে কীটনাশক পান করার পর ২ শিশু সন্তানকেও সেই কীটনাশক পান করিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছে পাখি খাতুন (১৮) নামের এক গৃহবধূ। ঘটনাটি ঘটেছে সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর পৌর শহরের পারকোলা উত্তরপাড়া গ্রামে। পাখি খাতুন ওই গ্রামের আলম প্রামাণিকের মেয়ে, শিশু সন্তানরা হলো মুস্তাকিম (৮) ও মাহিম (৪)। ঘটনার […]

শাহজাদপুরে ২ সন্তানসহ গৃহবধূর বিষপানে আত্মহত্যার চেষ্টা

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

০৮ এপ্রিল ২০২৬, ২৩:৪৫

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর প্রতিনিধিঃ

স্বামীর উপরে অভিমান করে নিজে কীটনাশক পান করার পর ২ শিশু সন্তানকেও সেই কীটনাশক পান করিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছে পাখি খাতুন (১৮) নামের এক গৃহবধূ।

ঘটনাটি ঘটেছে সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর পৌর শহরের পারকোলা উত্তরপাড়া গ্রামে। পাখি খাতুন ওই গ্রামের আলম প্রামাণিকের মেয়ে, শিশু সন্তানরা হলো মুস্তাকিম (৮) ও মাহিম (৪)। ঘটনার পরপর স্বজনেরা আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়।

সেখানে তাদের অবস্থার অবনতি হলে দ্রুত সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়, বর্তমানে ২টি শিশু ও তাদের মা সেখানেই চিকিৎসাধীন রয়েছে।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, প্রায় ১০ বছর পূর্বে উল্লাপাড়া উপজেলার বালসাবাড়ি ইউনিয়নের মধুপুর গ্রামের বাসিন্দা মানিক চাঁদের সাথে তার বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই স্বামী তাকে নির্যাতন করতো। এই বিষয়ে একাধিকবার শালিস বৈঠকের মাধ্যমে বিষয়টি সমাধান করা হয়। এর মধ্যেই তাদের ঘর আলো করে মুস্তাকিম ও মাহিম নামের দুই ছেলে সন্তান। পারিবারিক কলহের জের ধরেই স্বামীর সাথে ঝগড়ার পর আজ সকালে বাবার বাড়িতে অবস্থানকালে পাখি খাতুন প্রথমে নিজে কীটনাশক পান করে এবং পরে ২ ছেলেকে কীটনাশক পান করায়। পরে তারা যন্ত্রাণায় চিৎকার করলে স্বজনেরা দ্রুত তাদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।

এই বিষয়ে শাহজাদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার জানান, দুপুর আনুমানিক ১২টার দিকে ৪ বছর ও ৮ বছর বয়সী ২টি শিশু ও তাদের মা’কে আশঙ্কাজনক অবস্থায় জরুরি বিভাগে নিয়ে আসে। পরে ৮ বছর বয়সী মুস্তাকিমকে ওয়াশ করা হয়, কীটনাশক পানের সময় বেশি হ‌ওয়ায় দ্রুত সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।

এই বিষয়ে শাহজাদপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ সাইফুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, কীটনাশক পান করা ২টি শিশু ও তাদের মা’কে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে।