সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

ভোলায় ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন

মোঃ হাসনাইন আহমেদ ভোলা সদর উপজেলার ভেলুমিয়া ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য হিরন বাকলাই ও তার ভাইদের বিরুদ্ধে জমি জবরদখল, অসদাচরণ ও নারীদেরকে শ্লীলতাহানির অভিযোগ তুলে সংবাদ সম্মেলন করেছেন ইউনূস ডাকুয়া নামের এক ভুক্তভোগীর পরিবার। মঙ্গলবার (২৮ জানুয়ারি) দুপুরে শহরের একটি পত্রিকা অফিসে ওই ভুক্তভোগী পরিবার সংবাদ সম্মেলন করেন। ভুক্তভোগী পরিবার এবং অভিযুক্তরা একই […]

প্রতিনিধি ডেস্ক

২৯ জানুয়ারী ২০২৫, ০৮:১৯

মোঃ হাসনাইন আহমেদ

ভোলা সদর উপজেলার ভেলুমিয়া ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য হিরন বাকলাই ও তার ভাইদের বিরুদ্ধে জমি জবরদখল, অসদাচরণ ও নারীদেরকে শ্লীলতাহানির অভিযোগ তুলে সংবাদ সম্মেলন করেছেন ইউনূস ডাকুয়া নামের এক ভুক্তভোগীর পরিবার।

মঙ্গলবার (২৮ জানুয়ারি) দুপুরে শহরের একটি পত্রিকা অফিসে ওই ভুক্তভোগী পরিবার সংবাদ সম্মেলন করেন।

ভুক্তভোগী পরিবার এবং অভিযুক্তরা একই গ্রামের বাসিন্দা। তাদের সবার বাড়ি ভেলুমিয়া ইউনিয়নের চন্দ্র প্রসাদ গ্রামে।

সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগী পরিবার দাবি করেন, দীর্ঘ প্রায় ৭০ বছর যাবত ইউনূস ডাকুয়া ওই গ্রামের চন্দ্র প্রসাদ মৌজার ৯০ শতাংশ জমিতে শান্তিপূর্নভাবে বসবাস করে আসছেন। ৫ আগষ্ট সরকার পতনের পর স্থানীয় ইউপি সদস্য হিরন বাকলাই গংরা ওই জমি থেকে জমি পাবেন মর্মে জবরদস্তি শুরু করেন এবং ইউনূস ডাকুয়ার পরিবারকে গ্রাণনাশের হুমকি ধামকি দিয়ে আসছেন। এরপর ভুক্তভোগী পরিবার নিজেদের নিরাপত্তার স্বার্থে গেল কয়েকমাস আগে ভোলা সদর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন এবং কোস্টগার্ড দক্ষিণ জোনের কাছে একটি লিখিত অভিযোগ করেন।

জিডির তদন্তে গিয়ে ভেলুমিয়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের উপপরিদর্শক (এসআই) মো. সাইদুর রহমান উভয়পক্ষকে নিয়ে গেল মাসে ভেলুমিয়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে বসেন। সেখানে দু’পক্ষের উপস্থিতি একটি সালিসি বৈঠক হয়। কিন্তু, ওই বৈঠকে সুষ্ঠু কোনো ফয়সাল হয়নি।

গেল ২৪ জানুয়ারি সকালে ইউনূস ডাকুয়া তার পুকুর পাড়ে টিনের বেড়া দিতে গেলে হিরন, হারুন, জাহিদুল ও আনোয়ার বাকলাইয়ের সঙ্গে ইউনূস ডাকুয়ার পরিবারের সঙ্গে তর্কবিতর্কের সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে তা সংঘর্ষে রুপ নেয়। দু’পক্ষ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। ইউনূস ডাকুয়ার অভিযোগ প্রতিপক্ষরা ঘাবের লাঠি এবং দেশীয় অস্ত্র নিয়ে তার পরিবারের উপর হামলা চালায়।

এরপর কোস্টগার্ড খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে উত্তপ্ত পরিস্থিতি শান্ত করেন এবং ঘটনাস্থল থেকে সকল তথ্য প্রমাণের ভিত্তিতে হিরন বাকলাইকে আটক করা হয়। এরপর কোস্টগার্ড তাকে সদর থানায় হস্তান্তর করেন। ইউনূস ডাকুয়া এ ঘটনায় থানায় মামলা করতে গেলে হিরনের ভাই আনোয়ার ডাকুয়া সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাসনাইন পারভেজের উপস্থিতিতে ক্ষমা চান এবং বিষয়টি স্থানীয় পর্যায়ে নিয়ে ফয়সাল করবেন মর্মে পুলিশকে মুচলেকা দেন।

সংবাদ সম্মেলনে রাবেয়া আক্তার ময়না নামের এক নারী অভিযোগ তুলে বলেন, থানা থেকে মুচলেকা নিয়ে হিরন বাকলাই হাসপাতালে গিয়ে ভর্তি হয়ে নাটকীয় মোড় নেন। মূল ঘটনা অন্যখাতে প্রবাহিত করতে নানা ষড়যন্ত্র করার চেষ্টা করছেন বলেও তিনি অভিযোগ তোলেন।

এবিষয়ে জানতে চাইলে প্রতিপক্ষ গ্রুপের ফোরকান বাকলাই বলেন, আমরা ইউনূস ডাকুয়ার কাছ থেকে জমি পাই। তিনি সে জমি দিচ্ছেন না। যাঁর কারনে জমি নিয়ে এই দ্বন্দ্ব। থানা থেকে মুচলেকা নিয়ে কেন নানা ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে, এমন প্রশ্নের কোনো সদুত্তর তিনি দিতে পারেননি।

ভোলা সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হাসনাইন পারভেজ জানান, কোস্টগার্ড হিরনকে থানায় সোপর্দ করার পর আমরা মামলা নিতে চেয়েছি। কিন্তু হিরনের ভাই আনোয়ার বাকলাই ইউনূস ডাকুয়ার কাছে ক্ষমা চেয়ে মামলা না দিতে অনুরোধ করেন। পরে ইউনূস ডাকুয়ার কথায় মুচলেকা নিয়ে হিরনকে ছেড়ে দেয়া হয়। ইউনূস মানবিক দিক বিবেচনা করে মামলা দেয়নি।

সারাদেশ

শেরপুর-৩ আসনের জামায়াতের প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল মারা গেছেন

জামায়াতে ইসলামীর শেরপুর জেলা শাখার সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী–ঝিনাইগাতী) আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল (৫১) মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত আনুমানিক ৩ টার দিকে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শেরপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি আবুল কালাম আজাদ। পরিবার সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার […]

শেরপুর-৩ আসনের জামায়াতের প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল মারা গেছেন

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৫:০৬

জামায়াতে ইসলামীর শেরপুর জেলা শাখার সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী–ঝিনাইগাতী) আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল (৫১) মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত আনুমানিক ৩ টার দিকে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শেরপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি আবুল কালাম আজাদ।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার রাত ১০টার দিকে হঠাৎ শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যায় গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন নুরুজ্জামান বাদল। তাৎক্ষণিকভাবে তাকে শ্রীবরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। পরে সেখান থেকে দ্রুত ময়মনসিংহ স্বদেশ হাসপাতালে নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়।

ময়মনসিংহ নেওয়ার পথে রাত ৩ টার দিকে শহরের প্রবেশমুখ ব্রিজ এলাকায় পৌঁছালে তার অবস্থার অবনতি ঘটে এবং সেখানে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। পরে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।

পরিবারের পক্ষ থেকে মৃতের ভাই মাসুদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এছাড়াও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নিজেদের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে দেওয়া ওই পোস্টে বলা হয়, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী শেরপুর জেলা শাখার সম্মানিত সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ সংসদীয় আসনে জামায়াত মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী জনাব আলহাজ্ব নুরুজ্জামান বাদল আনুমানিক আজ রাত ৩টায় কিডনিজনিত রোগে হাসপাতালে ভর্তি অবস্থায় ইন্তেকাল করেছেন। ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।

পোস্টে আরও উল্লেখ করা হয়, আল্লাহ তা’য়ালা তাকে জান্নাতুল ফেরদাউস দান করুন এবং তার শোকসন্তপ্ত পরিবার-পরিজন ও সহকর্মীদের ধৈর্য ধারণের তৌফিক দান করুন।

সারাদেশ

নিখোঁজের ২ দিন পর মেঘনায় ভেসে উঠলো পুলিশ সদস্যের নিথর দেহ

লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি: ভোলার লালমোহন উপজেলায় মৎস্য অভিযানে গিয়ে লঞ্চের ধাক্কায় স্পিডবোট উল্টে নিখোঁজ হওয়ার দুইদিন পর পুলিশ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের সন্ধান মিলেছে। শুক্রবার বিকেলে দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পড়েছিল ওই পুলিশ কনস্টেবলের নিথর দেহ। তিনি লালমোহন উপজেলার মঙ্গলসিকদার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে কর্মরত ছিলেন। বিষয়টি নিশ্চিত করে লালমোহন থানার […]

নিখোঁজের ২ দিন পর মেঘনায় ভেসে উঠলো পুলিশ সদস্যের নিথর দেহ

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২০ মার্চ ২০২৬, ২৩:০২

লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি:

ভোলার লালমোহন উপজেলায় মৎস্য অভিযানে গিয়ে লঞ্চের ধাক্কায় স্পিডবোট উল্টে নিখোঁজ হওয়ার দুইদিন পর পুলিশ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের সন্ধান মিলেছে। শুক্রবার বিকেলে দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পড়েছিল ওই পুলিশ কনস্টেবলের নিথর দেহ। তিনি লালমোহন উপজেলার মঙ্গলসিকদার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে কর্মরত ছিলেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করে লালমোহন থানার ওসি মো. অলিউল ইসলাম বলেন, গত বুধবার সন্ধ্যার পর মঙ্গলসিকদার লঞ্চঘাট এলাকা থেকে মেঘনা নদীতে মৎস্য অভিযানের জন্য মৎস্য অফিসের ৩ সদস্য ও একজন পুলিশ অফিসারসহ ৩ জন কনস্টেবল স্পিডবোটে করে মেঘনা নদীতে রওয়ানা দেন।

এ সময় যাত্রীবাহী লঞ্চ কর্ণফুলী-১২ এর সঙ্গে ধাক্কা লেগে স্পিডবোটটি উল্টে যায়। এ ঘটনায় ওই স্পিডবোটে থাকা সবাই তীরে উঠতে পারলেও নদীতে ডুবে নিখোঁজ হয়ে যান কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলাম। তাকে উদ্ধার করতে গত দুইদিন ধরে কাজ করেছেন নৌবাহিনী, কোস্টগার্ড ও ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দলের সদস্যরা।

তিনি আরও বলেন, শুক্রবার বিকেলে খবর পাওয়া যায় দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পুলিশের পোশাক পরিহিত এক ব্যক্তির মরদেহ পড়েছিল।

স্থানীয়রা বিষয়টি দেখতে পেয়ে দৌলতখান থানায় খবর দেন। পরে পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করেন। দৌলতখান থানা পুলিশের দেওয়া তথ্যে আমরা নিশ্চিত হই ওই মরদেহটি নিখোঁজ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

সারাদেশ

এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা আসাদুল্লাহ গ্রেপ্তার

চেক ডিজঅনারের একটি মামলায় পাবনা-২ আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ‘হ্যাঁ’ ভোটের অ্যাম্বাসেডর ও দলের যুব সংগঠন যুবশক্তির কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) গভীর রাতে সুজানগর উপজেলার হাটখালী ইউনিয়নের সৈয়দপুর গ্রামে নিজ বাড়ি থেকে তাকে আটক করে কামালপুর পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা। পরে তাকে সুজানগর থানায় হস্তান্তর করা হয়। তিনি […]

এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা আসাদুল্লাহ গ্রেপ্তার

এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা আসাদুল্লাহ গ্রেপ্তার

নিউজ ডেস্ক

১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১১:০৫

চেক ডিজঅনারের একটি মামলায় পাবনা-২ আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ‘হ্যাঁ’ ভোটের অ্যাম্বাসেডর ও দলের যুব সংগঠন যুবশক্তির কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) গভীর রাতে সুজানগর উপজেলার হাটখালী ইউনিয়নের সৈয়দপুর গ্রামে নিজ বাড়ি থেকে তাকে আটক করে কামালপুর পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা। পরে তাকে সুজানগর থানায় হস্তান্তর করা হয়। তিনি ওই গ্রামের আকমল শিকদারের ছেলে।

পুলিশ জানায়, ২০২৪ সালে জামালপুর জেলার একটি চেক ডিজঅনার মামলায় তিনি এক মাসের কারাদণ্ড ও তিন লাখ টাকা অর্থদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি ছিলেন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের গণভোটে ‘হ্যাঁ’ পক্ষে প্রচারণা শেষে বাড়িতে অবস্থানকালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরদিন আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

তবে গ্রেপ্তারকে হয়রানিমূলক দাবি করেছে আসাদুল্লাহর পরিবার। তার স্ত্রী নাঈমা আক্তার রিমা বলেন, গভীর রাতে বাসা থেকে তাকে তুলে নেওয়া হয়েছে এবং পারিবারিক ও রাজনৈতিকভাবে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।

সুজানগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জানান, তিনি ওই মামলার সাজাপ্রাপ্ত ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি ছিলেন বলেই আইনানুগভাবে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে।