কৃষকদের তোপের মুখে লালমনিরহাটের কালীগঞ্জ উপজেলার উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা মোহাম্মদ আজাদ অবরুদ্ধ হন। তিনি সারের জন্য টোকেন দিতে গিয়ে চন্দ্রপুর ইউনিয়ন পরিষদে উপস্থিত কৃষকদের দ্বারা অবরুদ্ধ হন এবং পরে পালিয়ে রক্ষা পান।
কৃষকরা জানান, রবি মৌসুমে আলু, সরিষা, ভুট্টা ও তামাকসহ বিভিন্ন সবজি চাষের জন্য প্রচুর পরিমাণ সারের প্রয়োজন। কিছু অসাধু বিক্রেতা মজুদ করে কালোবাজারে বিক্রি করার কারণে সারের কৃত্রিম সংকট তৈরি হয়েছে। সরকারী নিবন্ধিত বিক্রেতাদের কাছে ন্যায্যমূল্যের সার না পাওয়ায় কৃষকরা উপ-সহকারী কর্মকর্তার টোকেনের জন্য ছুটছেন। টোকেন পেয়ে কিছুসংখ্যক কৃষক সার পেলেও বাকিরা সারের অভাবে বিক্ষোভে ফেটে পড়েন।
কৃষি কর্মকর্তা মোহাম্মদ আজাদ মাত্র ৩৫-৪০ জনকে টোকেন দেওয়ার পর সার শেষ বলে ঘোষণা করেন, এতে কৃষকরা ক্ষুব্ধ হয়ে তাকে অবরুদ্ধ করেন। পরে তিনি কৌশলে পালিয়ে যান। কৃষকরা জানান, সার কিনতে লাইনে দাঁড়িয়ে থেকেও সার না পেয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন।
কালীগঞ্জ উপজেলা কৃষি অফিসার তুষার কান্তি রায় জানান, “কিছু কৃষক প্রয়োজনের তুলনায় বেশি সার মজুদ করে সংকটের সৃষ্টি করেছে। তিনি কৃষকদের সঠিক পরিমাণে সার কিনে মজুদ না করার অনুরোধ জানান। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সিফাত আনোয়ার তুমপা জানান, চলতি মাসে চাহিদার অর্ধেক বরাদ্দ পাওয়ায় সংকট তৈরি হয়েছে, যা পর্যাক্রমে সমাধান হবে।”