বুধবার, ০১ এপ্রিল ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

মেহেরপুরে ছাত্রলীগ নেতা থেকে সার ডিলারের সভাপতি

মজনুর রহমান আকাশ মেহেরপুরঃ  শেখ হাসিনা সরকারের আমলে মেহেরপুরের সংসদ সদস্য ও সাবেক জনপ্রশাসন মন্ত্রীর আস্থাভাজন ছাত্রলীগ নেতা খুচরা সার ডিলার সমিতির সভাপতি শাহিনুল ইসলাম শাহীন রয়েছে। স্বৈরাচারের পতন হলেও এখনো বহল তবিয়তে রয়েছে ছাত্রলীগ নেতা শাহিনুজ্জামান শাহিন। নিয়মিত ডাকপান জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে। সেখানে বর্তমান অন্তর্বতী সরকারকে বেকায়দায় ফেলতে সার নিয়ে নানামুখি কাজরসাজির মুল হোতা […]

নিউজ ডেস্ক

২২ ডিসেম্বর ২০২৪, ১৯:১০

মজনুর রহমান আকাশ মেহেরপুরঃ
 শেখ হাসিনা সরকারের আমলে মেহেরপুরের সংসদ সদস্য ও সাবেক জনপ্রশাসন মন্ত্রীর আস্থাভাজন ছাত্রলীগ নেতা খুচরা সার ডিলার সমিতির সভাপতি শাহিনুল ইসলাম শাহীন রয়েছে। স্বৈরাচারের পতন হলেও এখনো বহল তবিয়তে রয়েছে ছাত্রলীগ নেতা শাহিনুজ্জামান শাহিন। নিয়মিত ডাকপান জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে। সেখানে বর্তমান অন্তর্বতী সরকারকে বেকায়দায় ফেলতে সার নিয়ে নানামুখি কাজরসাজির মুল হোতা এই শাহিনুল ইসলামের এমন অভিযোগ পাওয়া গেছে।
জেলা প্রশাসন সুত্রে জানা গেছে, শেখ হাসিনার আওয়ামী লীগের অনেক সরকারি কর্মকর্তা আবারো সক্রিয় হয়ে ওঠেছে। গোপনে তারা আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগ নেতা কর্মীদের পুনর্বাশন করার চেষ্টা করে যাচ্ছে।
জেলা কৃষি সম্প্রসারন অধিদপ্তর সুত্রে জানা গেছে, পতিত স্বৈরাচার শেখ হাসিনা সরকার ২০২৩ সালে রাসায়নিক সার বিতরণে সুবিধার জন্য একটি ইউনিয়নে ৯ জন করে সাব ডিলার হিসাবে লাইসেন্স প্রদান করে। আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে এসব সাব ডিলার বেশিরভাগ রাজনৈকি বিবেচনায় নিয়োগ দেওয়া হয়। তারা মুলত ব্যবসায়ী ছিলেন না। তাদের মাল মজুদ রাখারও কোন কাগজপত্র পাওয়া যায়নি। এসব কারণে খুচরা বাজারে সরকারি নির্ধারিত ‍মুল্যে কৃষকেরা সার পাচ্ছে না।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বিসিআইসি সার ডিলার বলেন, পতিত সরকারের আমলে বেশিরভাগ সাব ডিলার রাজনৈতিক বিবেচনায় নিয়োগ পেয়েছে। তারা সাব ডিলার কমিটি তৈরি করে ছাত্রলীগ নেতা শাহিনুল ইসলামকে সভাপতি করেছে। শাহিনুল ইসলাম মুলত ডেকোরেটর ব্যবসায়ী। সার কিটনাশক ব্যবসা করে না। ডিলারের কাছ থেকে সার বরাদ্দ অনুযায়ী উত্তোলন করে বেশি দামে অনিবন্ধিত ব্যবসায়ীদের কাছে বিক্রি করে দিচ্ছে। সাব ডিলার সিন্ডিকেট মুলত সারের দাম বৃদ্ধিতে কাজ করছে। এদের দ্রুত দমানো না গেলে সরকারের ভাবমুর্তি ক্ষুন্ন হবে।
পৌর শহরের বাসিন্দা তাবারক হোসেন বলেন, ছাত্রলীগ নেতা শাহিনুল ইসলামের সারের দোকানটি পৌরশহরের কাথুলী সড়ক সংলগ্ন বাজারে অবস্থিত। বিগত সরকারের আমলে এলাকায় ত্রাসের রাজত্ত কায়েম করেছিলো তিনি। তার ভয়ে এলাকায় কেও কথা বলতো পারতো না। যারা এরকম দুর্ধর্ষ রকমের নেতা ছিলো তারা স্বৈরাচার সরকার পতন হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে এলাকা ছেড়ে পালিয়েছে। শুধুমাত্র শাহিনুল ইসলাম এখনো বহাল তবিয়তে স্বপদে রয়েছে। তাকে জেলা প্রশাসন সহযোগিতা করছে।
ওই এলাকার কৃষক মোহাম্মদ জানে আলম বলেন, শাহিনুল ইসলামের দোকান থেকে এক বস্তা ডিএপি সার কিনতে হয়েছে ১ হাজার ৫০০ টাকায়। সরকারি দামে কোনদিন সার পাওয়া যায়না তার কাছে। এলাকার ছাত্রলীগ ক্যাডার হওয়ায় কেও ভয়ে কথা বলতে পারে না।
জানতে চাইলে শাহিনুল ইসলাম বলেন, ছাত্রলীগ করতাম এক সময়। এখন ব্যবসা করি। ডেকোরেটরের পাশাপাশি সার বিক্রি করা হয়। বেশিরভাগ সময় দোকান বন্ধ থাকে এমন অভিযোগে ব্যপারে জানতে  চাইলে তিনি বলেন, দোকানে সার না থাকলে তখন দোকান বন্ধ করে রাখি।
কৃষি সম্প্রসারন অধিদপ্তরের উপপরিচালক বিজয় কৃঞ্চ হালদার বলেন, শাহিনুল ইসলাম নিয়মিত ব্যবসা করেন না। সার ও বীজ মনিটর কমিটিতে কেন তাকে ডাকা হয়। কোন নিয়মে তাকে ডাকা হচ্ছে তা আমার জানা নেই। তার বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ রয়েছে। সরকারি নির্ধারিত দামের অধিক মুৃল্যে তিনি সরকারি সার বিক্রি করেন। তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।

সারাদেশ

শেরপুর-৩ আসনের জামায়াতের প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল মারা গেছেন

জামায়াতে ইসলামীর শেরপুর জেলা শাখার সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী–ঝিনাইগাতী) আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল (৫১) মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত আনুমানিক ৩ টার দিকে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শেরপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি আবুল কালাম আজাদ। পরিবার সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার […]

শেরপুর-৩ আসনের জামায়াতের প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল মারা গেছেন

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৫:০৬

জামায়াতে ইসলামীর শেরপুর জেলা শাখার সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী–ঝিনাইগাতী) আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল (৫১) মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত আনুমানিক ৩ টার দিকে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শেরপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি আবুল কালাম আজাদ।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার রাত ১০টার দিকে হঠাৎ শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যায় গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন নুরুজ্জামান বাদল। তাৎক্ষণিকভাবে তাকে শ্রীবরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। পরে সেখান থেকে দ্রুত ময়মনসিংহ স্বদেশ হাসপাতালে নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়।

ময়মনসিংহ নেওয়ার পথে রাত ৩ টার দিকে শহরের প্রবেশমুখ ব্রিজ এলাকায় পৌঁছালে তার অবস্থার অবনতি ঘটে এবং সেখানে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। পরে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।

পরিবারের পক্ষ থেকে মৃতের ভাই মাসুদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এছাড়াও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নিজেদের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে দেওয়া ওই পোস্টে বলা হয়, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী শেরপুর জেলা শাখার সম্মানিত সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ সংসদীয় আসনে জামায়াত মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী জনাব আলহাজ্ব নুরুজ্জামান বাদল আনুমানিক আজ রাত ৩টায় কিডনিজনিত রোগে হাসপাতালে ভর্তি অবস্থায় ইন্তেকাল করেছেন। ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।

পোস্টে আরও উল্লেখ করা হয়, আল্লাহ তা’য়ালা তাকে জান্নাতুল ফেরদাউস দান করুন এবং তার শোকসন্তপ্ত পরিবার-পরিজন ও সহকর্মীদের ধৈর্য ধারণের তৌফিক দান করুন।

সারাদেশ

নিখোঁজের ২ দিন পর মেঘনায় ভেসে উঠলো পুলিশ সদস্যের নিথর দেহ

লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি: ভোলার লালমোহন উপজেলায় মৎস্য অভিযানে গিয়ে লঞ্চের ধাক্কায় স্পিডবোট উল্টে নিখোঁজ হওয়ার দুইদিন পর পুলিশ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের সন্ধান মিলেছে। শুক্রবার বিকেলে দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পড়েছিল ওই পুলিশ কনস্টেবলের নিথর দেহ। তিনি লালমোহন উপজেলার মঙ্গলসিকদার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে কর্মরত ছিলেন। বিষয়টি নিশ্চিত করে লালমোহন থানার […]

নিখোঁজের ২ দিন পর মেঘনায় ভেসে উঠলো পুলিশ সদস্যের নিথর দেহ

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২০ মার্চ ২০২৬, ২৩:০২

লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি:

ভোলার লালমোহন উপজেলায় মৎস্য অভিযানে গিয়ে লঞ্চের ধাক্কায় স্পিডবোট উল্টে নিখোঁজ হওয়ার দুইদিন পর পুলিশ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের সন্ধান মিলেছে। শুক্রবার বিকেলে দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পড়েছিল ওই পুলিশ কনস্টেবলের নিথর দেহ। তিনি লালমোহন উপজেলার মঙ্গলসিকদার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে কর্মরত ছিলেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করে লালমোহন থানার ওসি মো. অলিউল ইসলাম বলেন, গত বুধবার সন্ধ্যার পর মঙ্গলসিকদার লঞ্চঘাট এলাকা থেকে মেঘনা নদীতে মৎস্য অভিযানের জন্য মৎস্য অফিসের ৩ সদস্য ও একজন পুলিশ অফিসারসহ ৩ জন কনস্টেবল স্পিডবোটে করে মেঘনা নদীতে রওয়ানা দেন।

এ সময় যাত্রীবাহী লঞ্চ কর্ণফুলী-১২ এর সঙ্গে ধাক্কা লেগে স্পিডবোটটি উল্টে যায়। এ ঘটনায় ওই স্পিডবোটে থাকা সবাই তীরে উঠতে পারলেও নদীতে ডুবে নিখোঁজ হয়ে যান কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলাম। তাকে উদ্ধার করতে গত দুইদিন ধরে কাজ করেছেন নৌবাহিনী, কোস্টগার্ড ও ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দলের সদস্যরা।

তিনি আরও বলেন, শুক্রবার বিকেলে খবর পাওয়া যায় দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পুলিশের পোশাক পরিহিত এক ব্যক্তির মরদেহ পড়েছিল।

স্থানীয়রা বিষয়টি দেখতে পেয়ে দৌলতখান থানায় খবর দেন। পরে পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করেন। দৌলতখান থানা পুলিশের দেওয়া তথ্যে আমরা নিশ্চিত হই ওই মরদেহটি নিখোঁজ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

সারাদেশ

এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা আসাদুল্লাহ গ্রেপ্তার

চেক ডিজঅনারের একটি মামলায় পাবনা-২ আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ‘হ্যাঁ’ ভোটের অ্যাম্বাসেডর ও দলের যুব সংগঠন যুবশক্তির কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) গভীর রাতে সুজানগর উপজেলার হাটখালী ইউনিয়নের সৈয়দপুর গ্রামে নিজ বাড়ি থেকে তাকে আটক করে কামালপুর পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা। পরে তাকে সুজানগর থানায় হস্তান্তর করা হয়। তিনি […]

এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা আসাদুল্লাহ গ্রেপ্তার

এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা আসাদুল্লাহ গ্রেপ্তার

নিউজ ডেস্ক

১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১১:০৫

চেক ডিজঅনারের একটি মামলায় পাবনা-২ আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ‘হ্যাঁ’ ভোটের অ্যাম্বাসেডর ও দলের যুব সংগঠন যুবশক্তির কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) গভীর রাতে সুজানগর উপজেলার হাটখালী ইউনিয়নের সৈয়দপুর গ্রামে নিজ বাড়ি থেকে তাকে আটক করে কামালপুর পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা। পরে তাকে সুজানগর থানায় হস্তান্তর করা হয়। তিনি ওই গ্রামের আকমল শিকদারের ছেলে।

পুলিশ জানায়, ২০২৪ সালে জামালপুর জেলার একটি চেক ডিজঅনার মামলায় তিনি এক মাসের কারাদণ্ড ও তিন লাখ টাকা অর্থদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি ছিলেন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের গণভোটে ‘হ্যাঁ’ পক্ষে প্রচারণা শেষে বাড়িতে অবস্থানকালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরদিন আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

তবে গ্রেপ্তারকে হয়রানিমূলক দাবি করেছে আসাদুল্লাহর পরিবার। তার স্ত্রী নাঈমা আক্তার রিমা বলেন, গভীর রাতে বাসা থেকে তাকে তুলে নেওয়া হয়েছে এবং পারিবারিক ও রাজনৈতিকভাবে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।

সুজানগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জানান, তিনি ওই মামলার সাজাপ্রাপ্ত ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি ছিলেন বলেই আইনানুগভাবে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে।