শুক্রবার, ২৭ মার্চ ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

জোড় করে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান দখলে নিয়ে তালা ঝুলিয়ে দিলো ইউপি সদস্য

আক্কাছ আলী (মুন্সীগঞ্জ প্রতিনিধি): মুন্সীগঞ্জের টঙ্গিবাড়ীতে জোড় করে এক অসহায় ব্যাক্তির ব্যাবসা প্রতিষ্ঠান দখলে নিয়ে ওই ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে তালা ঝুলিয়ে দেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। টঙ্গিবাড়ী উপজেলার বেতকা নতুন বাজারের শাহ জামাল এর দোকন ঘরে তালা ঝুলিয়ে দিয়েছে বেতকা ইউনিয়নের ৪,৫,৬ নং ওয়ার্ড ইউপি সদস্য মনোয়ারা বেগম বলে ভুক্তভোগী ব্যবসায়ীর অভিযোগ। এ নিয়ে ওই এলাকায় বেশ […]

নিউজ ডেস্ক

১৮ ডিসেম্বর ২০২৪, ১৩:৫৮

আক্কাছ আলী (মুন্সীগঞ্জ প্রতিনিধি):

মুন্সীগঞ্জের টঙ্গিবাড়ীতে জোড় করে এক অসহায় ব্যাক্তির ব্যাবসা প্রতিষ্ঠান দখলে নিয়ে ওই ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে তালা ঝুলিয়ে দেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। টঙ্গিবাড়ী উপজেলার বেতকা নতুন বাজারের শাহ জামাল এর দোকন ঘরে তালা ঝুলিয়ে দিয়েছে বেতকা ইউনিয়নের ৪,৫,৬ নং ওয়ার্ড ইউপি সদস্য মনোয়ারা বেগম বলে ভুক্তভোগী ব্যবসায়ীর অভিযোগ। এ নিয়ে ওই এলাকায় বেশ চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

সরেজমিনে মঙ্গলবার বিকালে গিয়ে দেখা যায় ওই বাজারের শাহ জামাল এর দোকান ঘরের ৩টি শাটারে মোট ৬টি তালা ঝুলছে। ওই বাজারের কতিপয় ব্যাবসায়ী বলেন, সোমবার ( ১৬ ডিসেম্বর ) বেলা ১১ টার দিকে মনোয়ার বেগম লোকজন নিয়ে এসে ওই দোকান ঘরের আসবাব পত্র বের করে তালা ঝুলিয়ে দিয়ে গেছেন। এ সময় শাহ জামাল এর দোকানের ভারাটিয়া মোঃ মনির সেখকে ভয় ভীতি দেখিয়ে বের করে দিয়ে ওই দোকনঘরে তালা ঝুলিয়ে দেওয়ার অভিযোগ করেন কতিপয় ব্যবসায়ী।

এ ঘটনায় শাহ জামাল টঙ্গিবাড়ী থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেছেন। শাহ জামাল বলেন, প্রায় ২২ বছর যাবৎ আমি দক্ষিন বেতকা নতুন বাজারের দুই শতাংশ সরকারী জমিতে ঘর তুলে ব্যবসা করে আসছি। আমি জমিটি লিজ নেওয়ার জন্য মুন্সীগঞ্জ জেলা প্রশাসক বরাবরে আবেদন করেছি। কিন্তু আমাদের এলাকার মহিলা মেম্বার মনোয়ারা বেগম জোড় করে আমার দোকানের ভাড়াটিয়াকে বের করে দিয়ে আমার দোকানে তালা ঝুলিয়ে দিয়েছেন।

এ ব্যাপারে শাহ জামাল এর পার্শ্ববর্তী দোকানদার মোসলেম তালুকদার বলেন, ২২ বছর আগে এই বাজারের সরকারী খাস জমি বাজার কমিটি লটারির মাধ্যমে আমাদের ঘর তুলতে দেয়। এরপর হতে ঘর তুলে আমরা এই বাজারে ব্যবসা করছি। সরকারী সম্পত্তি লিজ এনে সরকারের টেক্র নিয়মিত পরিষোধ করছি। কিন্তু ইউপি সদস্য মনোয়ারা বেগম জোড় করে শাহ জামাল এর দোকানের মালামাল বের করে দিয়ে দোকান তালা লাগিয়ে দিয়ে গেছে।

এ ব্যাপারে ভাড়াটিয়া মনির হোসেন বলেন, শাহ-জামাল এর কাছ হতে আমি দোকানটি ৭ বছর আগে ভাড়া নেই। এর আগে সে নিজেই দোকান চালাতো। সোমবার বেলা ১১টার দিকে মহিলা মেম্বার মনোয়ারা তার মেয়ে জামাইসহ লোকজন নিয়ে এসে আমাকে দোকান হতে বের করে দিয়ে তাড়িয়ে দিয়েছে। আমাকে মনোয়ারা বলে তুই বের না হলে আমি এখান হতে চলে যাওয়ার পরে তোর যে কি দশা হবে তা তুই নিজেও ভাবতে পারবি না। আমি ভয়ে বের হয়ে যাই পরে সে শাহ জামাল এর দোকানে তালা ঝুলিয়ে দেয়।

স্থাণীয় রতন বলেন, আমরা দেখছি দোকান ঘরটি শাহ জামালের। এই বাজারের শুরু হতে সরকারী জমিতে এই দোকান তুলে ব্যবসা করে আসছে শাহ জামাল পরে সে দোকানটি ভাড়া দেয় মনির হোসেনকে। মনোয়ার বেগম গায়ের জোড়ে এই সম্পত্তির দোকান ঘরটি সে সোমবার দখল করে নিয়ে তালা ঝুলিয়ে দিয়েছে।

এ ব্যাপারে অভিযুক্ত মনোয়ারা বেগম বলেন, ২০০৩ সালে শাহ জামাল আমার স্বামীর কাছ হতে ওই জমিটি চেয়ে নিয়ে একটি দোকান উঠায়। পরে ২০১৫ সালে ওই দোকানের জমি আমার স্বামী আমার নামে লিখে দিয়েছে। তবে ওখানে সরকারী সম্পত্তিও কিছু রয়েছে বলে স্বীকার করেন মনোয়ারা বেগম। তালা দেওয়ার বিষয়ে অস্বিকার করে বলেন আমি দোকান হতে বের করে দিয়েছি তবে কোন তালা দেইনি।

এ ব্যাপারে টঙ্গিবাড়ী থানার এসআই আমিনুল ইসলাম বলেন, শাহ জামাল থানায় অভিযোগ দায়ের করলে আমি সরেজমিনে ঘটনাস্থল পরিদর্শণ করেছি। বিষয়টি তদন্ত চলছে।

সারাদেশ

শেরপুর-৩ আসনের জামায়াতের প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল মারা গেছেন

জামায়াতে ইসলামীর শেরপুর জেলা শাখার সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী–ঝিনাইগাতী) আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল (৫১) মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত আনুমানিক ৩ টার দিকে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শেরপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি আবুল কালাম আজাদ। পরিবার সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার […]

শেরপুর-৩ আসনের জামায়াতের প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল মারা গেছেন

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৫:০৬

জামায়াতে ইসলামীর শেরপুর জেলা শাখার সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী–ঝিনাইগাতী) আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল (৫১) মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত আনুমানিক ৩ টার দিকে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শেরপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি আবুল কালাম আজাদ।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার রাত ১০টার দিকে হঠাৎ শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যায় গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন নুরুজ্জামান বাদল। তাৎক্ষণিকভাবে তাকে শ্রীবরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। পরে সেখান থেকে দ্রুত ময়মনসিংহ স্বদেশ হাসপাতালে নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়।

ময়মনসিংহ নেওয়ার পথে রাত ৩ টার দিকে শহরের প্রবেশমুখ ব্রিজ এলাকায় পৌঁছালে তার অবস্থার অবনতি ঘটে এবং সেখানে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। পরে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।

পরিবারের পক্ষ থেকে মৃতের ভাই মাসুদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এছাড়াও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নিজেদের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে দেওয়া ওই পোস্টে বলা হয়, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী শেরপুর জেলা শাখার সম্মানিত সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ সংসদীয় আসনে জামায়াত মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী জনাব আলহাজ্ব নুরুজ্জামান বাদল আনুমানিক আজ রাত ৩টায় কিডনিজনিত রোগে হাসপাতালে ভর্তি অবস্থায় ইন্তেকাল করেছেন। ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।

পোস্টে আরও উল্লেখ করা হয়, আল্লাহ তা’য়ালা তাকে জান্নাতুল ফেরদাউস দান করুন এবং তার শোকসন্তপ্ত পরিবার-পরিজন ও সহকর্মীদের ধৈর্য ধারণের তৌফিক দান করুন।

সারাদেশ

নিখোঁজের ২ দিন পর মেঘনায় ভেসে উঠলো পুলিশ সদস্যের নিথর দেহ

লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি: ভোলার লালমোহন উপজেলায় মৎস্য অভিযানে গিয়ে লঞ্চের ধাক্কায় স্পিডবোট উল্টে নিখোঁজ হওয়ার দুইদিন পর পুলিশ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের সন্ধান মিলেছে। শুক্রবার বিকেলে দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পড়েছিল ওই পুলিশ কনস্টেবলের নিথর দেহ। তিনি লালমোহন উপজেলার মঙ্গলসিকদার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে কর্মরত ছিলেন। বিষয়টি নিশ্চিত করে লালমোহন থানার […]

নিখোঁজের ২ দিন পর মেঘনায় ভেসে উঠলো পুলিশ সদস্যের নিথর দেহ

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২০ মার্চ ২০২৬, ২৩:০২

লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি:

ভোলার লালমোহন উপজেলায় মৎস্য অভিযানে গিয়ে লঞ্চের ধাক্কায় স্পিডবোট উল্টে নিখোঁজ হওয়ার দুইদিন পর পুলিশ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের সন্ধান মিলেছে। শুক্রবার বিকেলে দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পড়েছিল ওই পুলিশ কনস্টেবলের নিথর দেহ। তিনি লালমোহন উপজেলার মঙ্গলসিকদার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে কর্মরত ছিলেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করে লালমোহন থানার ওসি মো. অলিউল ইসলাম বলেন, গত বুধবার সন্ধ্যার পর মঙ্গলসিকদার লঞ্চঘাট এলাকা থেকে মেঘনা নদীতে মৎস্য অভিযানের জন্য মৎস্য অফিসের ৩ সদস্য ও একজন পুলিশ অফিসারসহ ৩ জন কনস্টেবল স্পিডবোটে করে মেঘনা নদীতে রওয়ানা দেন।

এ সময় যাত্রীবাহী লঞ্চ কর্ণফুলী-১২ এর সঙ্গে ধাক্কা লেগে স্পিডবোটটি উল্টে যায়। এ ঘটনায় ওই স্পিডবোটে থাকা সবাই তীরে উঠতে পারলেও নদীতে ডুবে নিখোঁজ হয়ে যান কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলাম। তাকে উদ্ধার করতে গত দুইদিন ধরে কাজ করেছেন নৌবাহিনী, কোস্টগার্ড ও ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দলের সদস্যরা।

তিনি আরও বলেন, শুক্রবার বিকেলে খবর পাওয়া যায় দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পুলিশের পোশাক পরিহিত এক ব্যক্তির মরদেহ পড়েছিল।

স্থানীয়রা বিষয়টি দেখতে পেয়ে দৌলতখান থানায় খবর দেন। পরে পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করেন। দৌলতখান থানা পুলিশের দেওয়া তথ্যে আমরা নিশ্চিত হই ওই মরদেহটি নিখোঁজ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

সারাদেশ

এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা আসাদুল্লাহ গ্রেপ্তার

চেক ডিজঅনারের একটি মামলায় পাবনা-২ আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ‘হ্যাঁ’ ভোটের অ্যাম্বাসেডর ও দলের যুব সংগঠন যুবশক্তির কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) গভীর রাতে সুজানগর উপজেলার হাটখালী ইউনিয়নের সৈয়দপুর গ্রামে নিজ বাড়ি থেকে তাকে আটক করে কামালপুর পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা। পরে তাকে সুজানগর থানায় হস্তান্তর করা হয়। তিনি […]

এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা আসাদুল্লাহ গ্রেপ্তার

এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা আসাদুল্লাহ গ্রেপ্তার

নিউজ ডেস্ক

১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১১:০৫

চেক ডিজঅনারের একটি মামলায় পাবনা-২ আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ‘হ্যাঁ’ ভোটের অ্যাম্বাসেডর ও দলের যুব সংগঠন যুবশক্তির কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) গভীর রাতে সুজানগর উপজেলার হাটখালী ইউনিয়নের সৈয়দপুর গ্রামে নিজ বাড়ি থেকে তাকে আটক করে কামালপুর পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা। পরে তাকে সুজানগর থানায় হস্তান্তর করা হয়। তিনি ওই গ্রামের আকমল শিকদারের ছেলে।

পুলিশ জানায়, ২০২৪ সালে জামালপুর জেলার একটি চেক ডিজঅনার মামলায় তিনি এক মাসের কারাদণ্ড ও তিন লাখ টাকা অর্থদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি ছিলেন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের গণভোটে ‘হ্যাঁ’ পক্ষে প্রচারণা শেষে বাড়িতে অবস্থানকালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরদিন আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

তবে গ্রেপ্তারকে হয়রানিমূলক দাবি করেছে আসাদুল্লাহর পরিবার। তার স্ত্রী নাঈমা আক্তার রিমা বলেন, গভীর রাতে বাসা থেকে তাকে তুলে নেওয়া হয়েছে এবং পারিবারিক ও রাজনৈতিকভাবে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।

সুজানগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জানান, তিনি ওই মামলার সাজাপ্রাপ্ত ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি ছিলেন বলেই আইনানুগভাবে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে।