বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩-কে বরণ করে নিতে রঙ, উৎসব আর প্রাণের উচ্ছ্বাসে ভরে উঠেছিল নর্দান ইউনিভার্সিটি অব বিজনেস অ্যান্ড টেকনোলজি, খুলনার স্থায়ী ক্যাম্পাস। সোমবার (১৩ এপ্রিল) বিকাল ৩টা ৩০ মিনিট থেকে শুরু হওয়া বর্ণাঢ্য ঘুড়ি উৎসব চলে বিকাল ৫টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত, আর এই স্বল্প সময়েই যেন ছড়িয়ে পড়ে এক অনন্য আনন্দের আবহ।
সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত এ আয়োজনে খুলনার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে শিশু, কিশোর, তরুণ ও প্রবীণ-সব বয়সী মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশ নেন। নীল আকাশজুড়ে রঙিন ঘুড়ির উড়াউড়ি যেন নতুন বছরের স্বপ্ন, আশা আর সম্ভাবনার প্রতীক হয়ে ধরা দেয়। প্রতিটি ঘুড়ি যেন বহন করছিল নতুন শুরুর বার্তা, নতুন দিনের প্রত্যাশা।
অনুষ্ঠানটির উদ্বোধন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অব.) কে এম ইমাম আহসান। এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন অনুষদের ডিন, বিভাগীয় প্রধান, শিক্ষকবৃন্দ এবং কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত থেকে উৎসবের আনন্দে শরিক হন।
উৎসবের আবেগঘন পরিবেশে রেজিস্ট্রার লে. কর্নেল (অব.) কে এম ইমাম আহসান বলেন,বাংলা নববর্ষ শুধু একটি তারিখ নয়, এটি আমাদের শেকড়ের সাথে গভীর এক আত্মিক বন্ধন। এই ঘুড়ি উৎসবের মাধ্যমে আমরা শুধু আনন্দই ভাগাভাগি করছি না, বরং আমাদের সংস্কৃতি, ঐতিহ্য এবং ভালোবাসার বন্ধনকে আরও দৃঢ় করছি। তরুণ প্রজন্ম যেন এই ঐতিহ্য ধারণ করে সামনে এগিয়ে যায় সেই প্রত্যাশাই করি।
দিনের শেষে যখন সূর্য পশ্চিম আকাশে ঢলে পড়ে, তখনও আকাশে ভেসে বেড়ানো রঙিন ঘুড়িগুলো যেন জানিয়ে দিচ্ছিল-নতুন বছর মানেই নতুন আশা, নতুন স্বপ্ন আর একসাথে এগিয়ে যাওয়ার অঙ্গীকার।
এই আয়োজন অংশগ্রহণকারীদের হৃদয়ে আনন্দের রঙ ছড়িয়ে দিয়ে নববর্ষের আগমনী বার্তাকে করে তোলে আরও প্রাণবন্ত ও স্মরণীয়।