মোঃ হাসনাইন আহম্মেদ , ভোলা প্রতিনিধি (ডিজিটাল)
ভোলার মনপুরা উপজেলায় এক গৃহবধূকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। একই ঘটনায় ভুক্তভোগীর বাবাকে কুপিয়ে হত্যাচেষ্টার অভিযোগও পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় প্রধান অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
পুলিশ ও মামলা সূত্রে জানা যায়, উপজেলার হাজিরহাট ইউনিয়নের চরযতিন এলাকার বাসিন্দা মো. কামালের ছেলে মিরাজ (২৫)সহ অজ্ঞাতনামা আরও ৩ থেকে ৪ জনের বিরুদ্ধে এ অভিযোগ ওঠে।
মামলার এজাহার অনুযায়ী, গত ১০ এপ্রিল দিবাগত রাতে অভিযুক্তরা ভুক্তভোগীর বসতঘরের দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে তাকে জিম্মি করে এবং পালাক্রমে ধর্ষণ করে। এ সময় তারা তার স্বর্ণালংকার ও একটি মোবাইল ফোন নিয়ে যায় বলে অভিযোগ করা হয়েছে, যার আনুমানিক মূল্য প্রায় ৬০ হাজার টাকা।
ভুক্তভোগী নারী পরবর্তীতে ঘটনাটি পরিবারের সদস্যদের জানান। এরপর পুনরায় হামলার আশঙ্কায় বাড়িতে পাহারার ব্যবস্থা করা হয়।
এজাহারে আরও উল্লেখ করা হয়, ১২ এপ্রিল দিবাগত রাতে অভিযুক্ত মিরাজ পুনরায় ওই এলাকায় এলে ভুক্তভোগীর বাবা তাকে আটক করার চেষ্টা করেন। এ সময় মিরাজ তার হাতে থাকা ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে গুরুতর জখম করে পালিয়ে যায় বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
পরে স্থানীয়রা আহত ব্যক্তিকে উদ্ধার করে মনপুরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। বর্তমানে তিনি চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগী নারী মনপুরা থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন।
এ বিষয়ে মনপুরা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মাহমুদ আল ফরিদ ভূঁইয়া বলেন, “১২ এপ্রিল আমরা ঘটনাটি জানতে পারি। পরবর্তীতে মামলা গ্রহণের পর প্রধান আসামি মিরাজকে গ্রেপ্তার করে আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। এ ঘটনায় আরও ৩ থেকে ৪ জন অজ্ঞাত আসামি রয়েছে, তাদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।”
পুলিশ জানায়, ঘটনাটি গুরুত্বসহকারে তদন্ত করা হচ্ছে এবং জড়িত অন্যান্যদের আইনের আওতায় আনতে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।