“যেখানেই অন্যায়, সেখানেই প্রতিবাদ” এই কথাটা শুধু একটা স্লোগান না, এটা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। যারা অন্যায়ের বিরুদ্ধে আওয়াজ তুলেছেন, তারাই সমাজে পরিবর্তন এনেছেন।”
-ভুক্তভোগী
ময়মনসিংহের তারাকান্দা উপজেলা ৯নং কামারগাঁও ইউনিয়নে চলছে ত্রাসের রাজত্ব, অদৃশ্য শক্তির ফাঁকফুকুরে বেড়েই চলেছে অপরাধ।
সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজি আর ভূমি দস্যুতায় আতংকিত এলাকাবাসী। ভয়ভৃতি, চুরি, দাঙ্গাবাজিতে ঝুকিপূর্ণ জীবন নিয়ে চলাচল এখন ঐ এলাকার প্রতিদিনের চিত্র। কখন কি হয়ে যায় এমন সব ভয়ে অতিষ্ঠ এলাকাবাসী। ভুক্তভোগী কাওছার আহমেদ জানান, সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজি, বালু উত্তোলন, নদী দখল আর ভূমি দস্যুতায় অতিষ্ঠ এলাকাবাসী, কার খুঁটির জোড়ে এই সব করছে যুবদল নেতা সাইফুল ইসলাম এমন সব প্রশ্ন এখন কামারগাঁও ইউনিয়ন তথা আশেপাশের সকল মানুষের ক্ষু্দ্ধ প্রতিবাদ।
সরেজমিনে জানা যায়, এই সাইফুল ইসলামের রয়েছে কিশোর গ্যাং টিম । ক্লাস দ্বিতীয় শ্রেনিতে না পড়েও সে রাজনৈতিক ব্যানারে লিখেন সাবেক ছাত্রনেতা, এখন যুবদলের নাম ভাঙ্গিয়ে করছে ত্রাসের রাজত্ব। ঐ এলাকার একজন প্রবীণ শিক্ষক জানান, তার কারণে আমাদের বিএনপির অনেক ক্ষতি হয়েছে কিন্তু সব কিছু জেনেও বিএনপির উচ্চ পর্যায়ের নেতারা কেন চুপ তা আমার জানা নাই।
কে এই সাইফুল?
ময়মনসিংহের তারাকান্দা উপজেলার ৯ নং কামারগাঁও ইউনিয়নের রায়জান নিবাসী যুবদল নেতা সাইফুল ইসলাম(৫০)। তার পিতা ফয়েজ উদ্দিন। অদৃশ্য শক্তির কালো ছাঁয়ায় সকল স্তরে বেপরোয়া হয়ে উঠেছে বলে জানান এলাকাবাসীর।
নিয়ামুল ইসলাম নামের একজন জানান, “সর্বাঙ্গে ব্যথা মালিশ করি কোথায়? লুটপাট সবখানে’ই। কোথায় হচ্ছে-না? এমন প্রশ্নে জনগণ অস্থির হয়ে পড়েছে।” – আমাদের এই এলাকায়।
থানায় আর কত অভিযোগ করবো! অদৃশ্য শক্তির কালো ছায়ায় আমাদের আজ ঝুকিপূর্ণ জীবন নিয়ে চলাচল করতে হয়। নিজ পরিবার নিয়ে আতংকে থাকতে হয় ঐ চক্রের বেড়াজালের ভয়ে।
ভুক্তভোগীরা জানান, দলের প্রভাবশালীদের হাত করে কখনও সাবেক ছাত্রদল নেতা, কখনও যুবদল
নেতা দাবি করে মানুষকে ভয়ভৃতি প্রদর্শন করে চাঁদাবাজি, ভূমি দখল, খাসজমি দখল, দখল বিক্রি,
নদীর বালু উত্তোলনসহ একের পর এক ঘটনা ঘটিয়ে যাচ্ছে। তার বিরুদ্ধে প্রশাসনসহ থানায় অভিযোগে ফল হচ্ছে না বলে এলাকাবাসীর অভিযোগ রয়েছে। কেউ অভিযোগ দিলে তার উপরে অত্যাচারের মাত্রা আরও বেড়ে যায়। তার বিরুদ্ধে কেউ প্রকাশ্যে এলাকায় মুখ খুললে তার দলবল নিয়ে দা, বল্লম নিয়ে মানুষকে খুন জখমের হুমকি দেয়, মানুষকে মামলার ভয় দেখায়। ইদানীং রায়জান বাজারস্থ আবুল বাহার ও নুর জাহানের একটি দোকানে তালা লাগিয়ে দেয়। তাদের দাবি থানা পুলিশের কাছে অভিযোগ দিলেও কোন সুফল পাচ্ছে না। রায়জান বাজারস্থ ৪টি দোকানে
জোর আমলে রাতের আধারে দখল করে নেয়। তাদের সকল কর্মকান্ড রাতের আধারে পরিচালনা করে থাকে -এমন সব দাবি তুলেন ভুক্তভোগী।
তিনি জানান, উক্ত বিষয়ে জানতে চাইলে, তদন্তকারী কর্মকর্তা ও অফিসার ইনচার্জ জানান সাইফুল ইসলাম ভূমির মামলার ডিগ্রী পেয়েছে। ভুক্তভোগী জানান, আদো সাইফুল ইসলামের নামে আদালতে কোন প্রকার ডিগ্রি জারি হয় নাই। সাইফুল ইসলামসহ তার দলবলের কাছে এলাকাবাসী জিম্মি অবস্থায় আছে বলে দাবি জানান তিনি।