মোঃ মনিরুজ্জামান ভাঙ্গুড়া(পাবনা)প্রতিনিধি
পাবনার ভাঙ্গুড়ায় তিনটি দোকান থেকে শিল্প বৈদ্যুতিক মিটার চুরির ঘটনা ঘটেছে। চোর চক্রের চাহিদা অনুযায়ী বিকাশে টাকা পাঠিয়ে মিলছে চুরি যাওয়া মিটার।
শুক্রবার রাতে পৌর সদরের শরৎনগর বাজারে এ চুরির ঘটনা ঘটে। রবিবার সকালে ভুক্তভোগী গ্রাহকরা থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। তবে এ ঘটনায় আতঙ্কে রয়েছেন স্থানীয় বিদ্যুৎ গ্রাহকরা।
অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, গত ৪ এপ্রিল রাতে ভাঙ্গুড়া পৌর সদরের শরৎনগর বাজার বেইলী ব্রীজের পূর্ব পাশে মেসার্স আলহাজ্ব ট্রেডার্স ও হিমেল ট্রেডার্স থেকে তিনটি শিল্প বৈদ্যুতিক মিটার চুরি হয়। মিটার ফ্রেমের ভিতরে একটি করে চিরকুট রেখে যান চোর চক্র। সেখানে লেখা ছিল চক্রের একটি বিকাশ নাম্বার (০১৮৫৭-৪৬৯৯১১)। প্রতি মিটারের জন্য ৫ হাজার টাকা দাবি করা হয়।
সরেজমিনে দেখা যায়, চুরি হওয়া মিটারের পাশেই বসানো রয়েছে সিসিটিভি ক্যামেরা। তবে চোর চক্রের সদস্যরা ক্যামেরা নষ্ট করে ফেলেছে বলে ধারণা ভুক্তভোগী দোকান মালিকদের।
মেসার্স আলহাজ্ব ট্রেডার্সের মালিক ও ভুক্তভোগী শাহিনুর রহমান বলেন, শুক্রবার রাতে আমার দুটি শিল্প মিটার চুরি হয়। মিটার ফ্রেমে চোর চক্রের রেখে যাওয়া বিকাশ নাম্বারে যোগাযোগ করা হলে চক্রের এক সদস্য জানান যে প্রতি মিটারের জন্য ৫ হাজার টাকা দিতে হবে। পরে বাধ্য হয়ে ১০ হাজার টাকা বিকাশে দিলে সারুটিয়া এলাকায় মিটারগুলো রাখা আছে বলে জানায় চোর চক্রের সদস্য।
আরেক ভুক্তভোগী হিমেল বলেন, শনিবার সকালে দোকানে এসে দেখি মিটার নেই। বিষয়টি পল্লী বিদ্যুৎ অফিসকে জানালে তারা থানায় অভিযোগ করতে বলে। চোরের দেওয়া নাম্বারে ৪ হাজার টাকা পাঠানোর পর নষ্ট মিটার ফেরত পাই। নতুন মিটার এবং মিটার সংযোগের জন্য ১৭ হাজার ৬৭০ টাকা বিদ্যুৎ অফিসে জমা দিতে হয়েছে।
পাবনা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির ১ ভাঙ্গুড়া জোনাল অফিসের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার সেকেন্দার আলী বলেন, মিটার চুরির বিষয়টি জানানোর পর থানায় অভিযোগ করতে বলা হয়। পাশাপাশি গ্রাহককে এ বিষয়ে সচেতন হতে বলা হয়েছে।
এ বিষয়ে ভাঙ্গুড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এস.এম মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, মিটার চুরির ঘটনায় লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। পুলিশি তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে। খুব দ্রুত এই চোর চক্রের সদস্যদের শনাক্ত করে ব্যবস্থা