শুক্রবার, ০৩ এপ্রিল ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সংঘর্ষে তিনজন আহতের ঘটনায় পাঁচ দিন পেরিয়ে গেলেও গ্রেপ্তার হয়নি অভিযুক্ত

মেহেদী হাসান , বাঞ্ছারামপুর (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুর পৌরসভার দশদোনা ১নং ওয়ার্ডে সামান্য ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে একই পরিবারের তিনজন গুরুতর আহত হয়েছেন। ঘটনার পাঁচ দিন পেরিয়ে গেলেও এখনো অভিযুক্তরা ধরা-ছোঁয়ার বাইরে রয়েছে, যা নিয়ে এলাকাজুড়ে উদ্বেগ ও ক্ষোভ বিরাজ করছে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত রবিবার (২৯ মার্চ) […]

প্রতিনিধি ডেস্ক

০৩ এপ্রিল ২০২৬, ১৬:২৯

মেহেদী হাসান , বাঞ্ছারামপুর (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুর পৌরসভার দশদোনা ১নং ওয়ার্ডে সামান্য ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে একই পরিবারের তিনজন গুরুতর আহত হয়েছেন। ঘটনার পাঁচ দিন পেরিয়ে গেলেও এখনো অভিযুক্তরা ধরা-ছোঁয়ার বাইরে রয়েছে, যা নিয়ে এলাকাজুড়ে উদ্বেগ ও ক্ষোভ বিরাজ করছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত রবিবার (২৯ মার্চ) রাতে এলাকার একটি চায়ের দোকানে সিগারেট ধরানো নিয়ে কথাকাটাকাটির সূত্রপাত হয়। তর্ক-বিতর্ক একপর্যায়ে হাতাহাতিতে রূপ নেয় এবং পরে তা দুই পক্ষের মধ্যে বড় ধরনের সংঘর্ষে পরিণত হয়।

এ ঘটনায় একই পরিবারের তিনজন আহত হন। আহতরা হলেন—সাইফুল ইসলাম (২৩), সাইফুলের বাবা নজরুল ইসলাম, তার চাচা দেলোয়ার হোসেন। আহতদের প্রথমে বাঞ্ছারামপুর সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়। তবে সাইফুল ইসলামের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকার পঙ্গু হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

এ ঘটনায় আটজনকে আসামি করে বাঞ্ছারামপুর মডেল থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। আসামিরা হলেন, একই গ্রামের মাইনুউদ্দিন মাষ্টার (৫৮), সুমন মিয়া (২৯), আবদুল কাদের (২৬), আব্দুল রাজ্জাক (৩৫), আব্দুল্লাহ (২২), তানভীর (২৩), নাজমুল মিয়া (২২) ও সালাউদ্দিন (৩০)। তবে মামলা হওয়ার পরও এখনো পর্যন্ত কোনো আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়নি বলে অভিযোগ রয়েছে।

৫ম আসামি মো. আব্দুল্লাহর মা বলেন, আমার ছেলের সাথে ছোট একটা বিষয় নিয়ে সাইফুলের সাথে ঝামেলা হয়, পরে আমার ছেলের উপর সাইফুল তার পরিবার নিয়ে আক্রমণ করে, পরে আমার ছেলেও তার সাথে লোকদের নিয়ে আক্রমণ করে।

ভুক্তভোগী দেলোয়ার হোসেন বলেন, তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে মাইনুউদ্দিন মাষ্টার ও তার ছেলে আব্দুল রাজ্জাক এর হুকুমে আব্দুল্লাহ সহ আরো কয়েকজন আমাদের উপর দেশীয় অস্ত্র ধারালো ছুরি নিয়ে আমাদের উপর আক্রমণ চালায়, আমার ভাতিজা সাইফুল কে গুরুতর আহত করে এক হাত কোপ দিয়ে কেটে ফেলে, সে এখন ঢাকা পঙ্গু হাসপাতালে ভর্তি আছে। পরে আমরা আটজনের নামে বাঞ্ছারামপুর মডেল থানায় মামলা করি।

এদিকে ঘটনার পর থেকে অভিযুক্তরা এলাকায় প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়ালেও এখনো তাদের বিরুদ্ধে কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী পরিবার ও স্থানীয়রা। দ্রুত অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন তারা। তারা আরও জানান, আসামিদের অবাধ চলাফেরায় এলাকায় সাধারণ মানুষের মাঝে আতঙ্ক বিরাজ করছে।

এ বিষয়ে বাঞ্ছারামপুর মডেল থানার (ওসি) মোহাম্মদ ইয়াসিন বলেন, অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত কার্যক্রম চলমান রয়েছে এবং জড়িতদের দ্রুত আইনের আওতায় আনার জন্য চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।

সারাদেশ

শেরপুর-৩ আসনের জামায়াতের প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল মারা গেছেন

জামায়াতে ইসলামীর শেরপুর জেলা শাখার সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী–ঝিনাইগাতী) আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল (৫১) মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত আনুমানিক ৩ টার দিকে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শেরপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি আবুল কালাম আজাদ। পরিবার সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার […]

শেরপুর-৩ আসনের জামায়াতের প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল মারা গেছেন

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৫:০৬

জামায়াতে ইসলামীর শেরপুর জেলা শাখার সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী–ঝিনাইগাতী) আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল (৫১) মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত আনুমানিক ৩ টার দিকে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শেরপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি আবুল কালাম আজাদ।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার রাত ১০টার দিকে হঠাৎ শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যায় গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন নুরুজ্জামান বাদল। তাৎক্ষণিকভাবে তাকে শ্রীবরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। পরে সেখান থেকে দ্রুত ময়মনসিংহ স্বদেশ হাসপাতালে নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়।

ময়মনসিংহ নেওয়ার পথে রাত ৩ টার দিকে শহরের প্রবেশমুখ ব্রিজ এলাকায় পৌঁছালে তার অবস্থার অবনতি ঘটে এবং সেখানে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। পরে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।

পরিবারের পক্ষ থেকে মৃতের ভাই মাসুদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এছাড়াও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নিজেদের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে দেওয়া ওই পোস্টে বলা হয়, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী শেরপুর জেলা শাখার সম্মানিত সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ সংসদীয় আসনে জামায়াত মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী জনাব আলহাজ্ব নুরুজ্জামান বাদল আনুমানিক আজ রাত ৩টায় কিডনিজনিত রোগে হাসপাতালে ভর্তি অবস্থায় ইন্তেকাল করেছেন। ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।

পোস্টে আরও উল্লেখ করা হয়, আল্লাহ তা’য়ালা তাকে জান্নাতুল ফেরদাউস দান করুন এবং তার শোকসন্তপ্ত পরিবার-পরিজন ও সহকর্মীদের ধৈর্য ধারণের তৌফিক দান করুন।

সারাদেশ

নিখোঁজের ২ দিন পর মেঘনায় ভেসে উঠলো পুলিশ সদস্যের নিথর দেহ

লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি: ভোলার লালমোহন উপজেলায় মৎস্য অভিযানে গিয়ে লঞ্চের ধাক্কায় স্পিডবোট উল্টে নিখোঁজ হওয়ার দুইদিন পর পুলিশ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের সন্ধান মিলেছে। শুক্রবার বিকেলে দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পড়েছিল ওই পুলিশ কনস্টেবলের নিথর দেহ। তিনি লালমোহন উপজেলার মঙ্গলসিকদার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে কর্মরত ছিলেন। বিষয়টি নিশ্চিত করে লালমোহন থানার […]

নিখোঁজের ২ দিন পর মেঘনায় ভেসে উঠলো পুলিশ সদস্যের নিথর দেহ

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২০ মার্চ ২০২৬, ২৩:০২

লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি:

ভোলার লালমোহন উপজেলায় মৎস্য অভিযানে গিয়ে লঞ্চের ধাক্কায় স্পিডবোট উল্টে নিখোঁজ হওয়ার দুইদিন পর পুলিশ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের সন্ধান মিলেছে। শুক্রবার বিকেলে দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পড়েছিল ওই পুলিশ কনস্টেবলের নিথর দেহ। তিনি লালমোহন উপজেলার মঙ্গলসিকদার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে কর্মরত ছিলেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করে লালমোহন থানার ওসি মো. অলিউল ইসলাম বলেন, গত বুধবার সন্ধ্যার পর মঙ্গলসিকদার লঞ্চঘাট এলাকা থেকে মেঘনা নদীতে মৎস্য অভিযানের জন্য মৎস্য অফিসের ৩ সদস্য ও একজন পুলিশ অফিসারসহ ৩ জন কনস্টেবল স্পিডবোটে করে মেঘনা নদীতে রওয়ানা দেন।

এ সময় যাত্রীবাহী লঞ্চ কর্ণফুলী-১২ এর সঙ্গে ধাক্কা লেগে স্পিডবোটটি উল্টে যায়। এ ঘটনায় ওই স্পিডবোটে থাকা সবাই তীরে উঠতে পারলেও নদীতে ডুবে নিখোঁজ হয়ে যান কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলাম। তাকে উদ্ধার করতে গত দুইদিন ধরে কাজ করেছেন নৌবাহিনী, কোস্টগার্ড ও ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দলের সদস্যরা।

তিনি আরও বলেন, শুক্রবার বিকেলে খবর পাওয়া যায় দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পুলিশের পোশাক পরিহিত এক ব্যক্তির মরদেহ পড়েছিল।

স্থানীয়রা বিষয়টি দেখতে পেয়ে দৌলতখান থানায় খবর দেন। পরে পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করেন। দৌলতখান থানা পুলিশের দেওয়া তথ্যে আমরা নিশ্চিত হই ওই মরদেহটি নিখোঁজ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

সারাদেশ

এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা আসাদুল্লাহ গ্রেপ্তার

চেক ডিজঅনারের একটি মামলায় পাবনা-২ আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ‘হ্যাঁ’ ভোটের অ্যাম্বাসেডর ও দলের যুব সংগঠন যুবশক্তির কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) গভীর রাতে সুজানগর উপজেলার হাটখালী ইউনিয়নের সৈয়দপুর গ্রামে নিজ বাড়ি থেকে তাকে আটক করে কামালপুর পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা। পরে তাকে সুজানগর থানায় হস্তান্তর করা হয়। তিনি […]

এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা আসাদুল্লাহ গ্রেপ্তার

এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা আসাদুল্লাহ গ্রেপ্তার

নিউজ ডেস্ক

১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১১:০৫

চেক ডিজঅনারের একটি মামলায় পাবনা-২ আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ‘হ্যাঁ’ ভোটের অ্যাম্বাসেডর ও দলের যুব সংগঠন যুবশক্তির কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) গভীর রাতে সুজানগর উপজেলার হাটখালী ইউনিয়নের সৈয়দপুর গ্রামে নিজ বাড়ি থেকে তাকে আটক করে কামালপুর পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা। পরে তাকে সুজানগর থানায় হস্তান্তর করা হয়। তিনি ওই গ্রামের আকমল শিকদারের ছেলে।

পুলিশ জানায়, ২০২৪ সালে জামালপুর জেলার একটি চেক ডিজঅনার মামলায় তিনি এক মাসের কারাদণ্ড ও তিন লাখ টাকা অর্থদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি ছিলেন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের গণভোটে ‘হ্যাঁ’ পক্ষে প্রচারণা শেষে বাড়িতে অবস্থানকালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরদিন আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

তবে গ্রেপ্তারকে হয়রানিমূলক দাবি করেছে আসাদুল্লাহর পরিবার। তার স্ত্রী নাঈমা আক্তার রিমা বলেন, গভীর রাতে বাসা থেকে তাকে তুলে নেওয়া হয়েছে এবং পারিবারিক ও রাজনৈতিকভাবে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।

সুজানগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জানান, তিনি ওই মামলার সাজাপ্রাপ্ত ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি ছিলেন বলেই আইনানুগভাবে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে।