সোমবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

রৌমারীতে বাল্য বিবাহ মুক্ত ও হতদরিদ্র পরিবারের পাশে

জুয়েল রানা,রৌমারী(কুড়িগ্রাম)প্রতিনিধি: রৌমারীতে বিভিন্ন প্রশিক্ষণ নিয়ে স্বাবলম্বী ১৫৬টি পরিবার। একটু স্বাচ্ছন্দ্যে জীবন চালানোর স্বপ্ন দেখে সবাই। কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে কেউ কেউ পৌঁছে যায়তার স্বপ্নের দুয়ারে। কেউ সুখের দেখা পায়, কেউ পায় না। চরম দরিদ্রতা বহু মানুষকে ঠেলে দেয় অসহায়ত্বের দিকে। একটুখানি স্বাবলম্বী হওয়ার চেষ্টায় নিয়মিত জীবনযুদ্ধ চালিয়ে যাওয়া অনেক অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে আরডিআরএস বাংলাদেশ […]

নিউজ ডেস্ক

০৩ ডিসেম্বর ২০২৪, ০০:৪৪

জুয়েল রানা,রৌমারী(কুড়িগ্রাম)প্রতিনিধি:
রৌমারীতে বিভিন্ন প্রশিক্ষণ নিয়ে স্বাবলম্বী ১৫৬টি পরিবার। একটু স্বাচ্ছন্দ্যে জীবন চালানোর স্বপ্ন দেখে সবাই। কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে কেউ কেউ পৌঁছে যায়তার স্বপ্নের দুয়ারে। কেউ সুখের দেখা পায়, কেউ পায় না। চরম দরিদ্রতা বহু মানুষকে ঠেলে দেয় অসহায়ত্বের দিকে।
একটুখানি স্বাবলম্বী হওয়ার চেষ্টায় নিয়মিত জীবনযুদ্ধ চালিয়ে যাওয়া অনেক অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে আরডিআরএস বাংলাদেশ এজিও কর্তৃক বাস্তবায়িত চাইল্ড, নট ব্রাইড (সিএনবি) প্রকল্পের আওতায় কুড়িগ্রাম জেলার রৌমারী উপজেলায় বাল্য বিবাহ বন্ধসহ অসহায় পরিবার খুঁজে বের করে তাদের স্বাবলম্বী করার উদ্যোগ নেয় এই প্রকল্পটি। এ প্রকল্পটি গত ২০২৩ সালের প্রথম মাস থেকে অদ্যবদি পর্যন্ত রৌমারী উপজেলা ৬টি ইউনিয়নে ১৫৬টি বাল্য বিবাহ বন্ধসহ ১৫৬টি পরিবারকে স্বাবলম্বী হওয়ার পথ করে দিয়েছে দেশের বৃহত্তম এই সংস্থাটি।
বন্দবেড় ইউনিয়নের জয়নব আক্তার বলেন, আমার পরিবারের অ-সচ্ছলতার জন্য আমার পরিার আমাকে বিয়ের জন্য চাপ প্রয়োগ করলেও আমি রাজি না হয়ে আমার পরিবার কে বুঝাতে থাকি এক সময় আমি আমর পরিবার কে বোঝাতে সক্ষম হই এবং আমি আমার বাল্য বিয়ে বন্ধ করি।
সিএনবি প্রকল্প আমার চোখ খুলে দিয়েছে। কারণ আমি যেদিন  আরডিআরএস ক্যাম্পাসে সিএনবি প্রকল্পের মাধ্যমে ব্রেভ গার্লস প্রশিক্ষনে অংশ নিই, সেদিনই আমি শপথ করি, এবং রৌমারী উপজেলাকে বাল্য বিবাহ বন্ধে নিরলস ভাবে আমরা গ্রুপ ওয়ারী কাজ করে যাচ্ছি। এবং আমরা সবাই একদিন এ উপজেলা কে বাল্য বিবাহ মুক্তসহ পরিবর্তনের হাতিয়ার হিসেবে নিজেদেরকে গড়ে তুলবো।
রৌমারী উপজেলার যাদুরচর ইউনিয়নে একেবারে প্রত্যন্ত অঞ্চলে বাস করেন চায়না বেগম। তার দুই মেয়ে কিছুটা মানসিক প্রতিবন্ধী হওয়ায় স্বামী জাকির হোসেন তাকে দুই মেয়েসহ প্রায় ১৬ বছর আগে ডিফোর্স দিয়ে দেয়। পরে তার দুই মেয়েকে নিয়ে চলে আসেন বাবার বাড়ী তার পরে দুই প্রতিবন্ধী মেয়ে কে নিয়ে চলে তিন বেলা ভাত জোটানোর যুদ্ধ এক পর্যায়ে অন্যের বাড়িতে ঝিয়ের কাজ করে কোনো রকমে জীবনযুদ্ধে টিকে ছিল এ পরিবারটি।
তবে ২০২৩ সালে চাইল্ড, নট ব্রাইড (সিএনবি) প্রকল্পের জরিপের আওতায় আসে এ পরিবারটি। পরে আরডিআরএস বাংলাদেশ ও চাইল্ড, নট ব্রাইড (সিএনবি) এর প্রকল্পর মাধ্যমে গরু, ছাগল ও হঁাস-মুরগীর প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। পরে এ পরিবারটিকে স্বাবলম্বী করতে ১৬ হাজার টাকা দিয়ে দুইটি ছাগল ও ছয়টি মুরগীসহ প্রয়োজনীয় কিছু আসবাবপত্র কিনে দেওয়া হয়। এগুলো সে হাতে পেয়ে আনন্দে চোখে জল আসে চায়নার।  এই সামান্য সঞ্চয় পেয়ে খুলে যায় তার ভাগ্য। তার পরে তাকে আর ফিরে তাকাতে হয়নী পিছনে।
  বর্তমানে বাবার দেওয়া ২ শতাংশ জায়গায় দুই মেয়েকে নিয়ে বসবাস করছেন চায়না বেগম। মেয়ে ফাতেমা, ফারজানা জরাজীর্ণ কন্ঠে আক্ষেভ করে বলেন, বাবা থেকেউ নেই, মা সহ তিন সদস্যের পরিবার আমরা থাকি খুবই জরাজীর্ণ একর্টি দুচালা টিনের ঘরে। আমাদের লেখাপড়া বন্ধছিলো তবে চাইল্ড, নট ব্রাইড (সিএনবি) এর প্রকল্পর মাধ্যমে আমাদের ভাগ্য খুলে যায়। বর্তমানে আমরা দুই বোন জামিয়া ইসলামিয়া মিফতাহুল জান্নাদ মহিলা মাদ্রাসায় দাওরায় (বিএ) পড়ি। আগেআমাগরে না খেয়ে থাকলেও এখন চাইল্ড, নট ব্রাইড (সিএনবি) এর অর্থে এখন আমাদের আর না খেয়ে থাকতে হয় না। আমরাও এখন পুষ্টিকর খাবার খাইতে পারি। এ প্রকল্পটি সুধু আমাদেরই না আমাদের মতো অনেকেরই ভাগ্য বদলিয়ে দিয়েছে এই চাইল্ড, নট ব্রাইড (সিএনবি)।
চাইল্ড নট ব্রাইড (সিএনবি) এর প্রকল্পর উপজেলা সমন্বয়কারী আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, রৌমারী উপজেলাকে বাল্য বিবাহ মুক্ত করাসহ অসহায় পরিবারদেরকে স্বাবলম্বী করতে তাদের পাশে দাঁড়িয়েছে চাইল্ড, নট ব্রাইড (সিএনবি)। এতেকরে তৈরি হয়েছে অনেক নতুন জীবনের গল্প। খুলে দিয়েছে অনেক অসহায়ের স্বপ্নের দুয়ার। এই পরিবারগুলো স্বাবলম্বী হয়ে নিজেদের সন্তানদের মানুষের মতো মানুষ করবে।
তাদের সন্তানরা দেশ ও মানুষের কল্যাণে কাজ করবে, যেই শ্লোগান নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে এই সংস্থা রৌমারীতে আয়বৃদ্ধিমূলক কর্মকান্ডে বদলে যাচ্ছে দারিদ্রতা রৌমারীতে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে ত্রাণ সহায়তা সহ সব সময় পাশে দাড়ায় তাদের।

সারাদেশ

‘ফরহাদকে জামাই হিসেবে পেয়ে গর্বিত, আমাদের মেয়েও কম নয়’ : পৌর জামায়াতের আমির

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সাধারণ সম্পাদক এসএম ফরহাদ এবং চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (চাকসু) নির্বাহী সদস্য জান্নাতুল ফেরদৌস সানজিদা-এর বিয়ে সম্পন্ন হয়েছে। বুধবার দুপুর ১টা ১৫ মিনিটে রাজধানীর কাঁটাবন জামে মসজিদে জোহরের নামাজের পর পারিবারিক ও ঘনিষ্ঠজনদের উপস্থিতিতে আকদ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। ফরহাদের মামাতো ভাই লুৎফুর রহমান জানান, উভয় পরিবারের সদস্যদের পাশাপাশি […]

নিউজ ডেস্ক

২৪ ডিসেম্বর ২০২৫, ২২:৫৯

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সাধারণ সম্পাদক এসএম ফরহাদ এবং চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (চাকসু) নির্বাহী সদস্য জান্নাতুল ফেরদৌস সানজিদা-এর বিয়ে সম্পন্ন হয়েছে। বুধবার দুপুর ১টা ১৫ মিনিটে রাজধানীর কাঁটাবন জামে মসজিদে জোহরের নামাজের পর পারিবারিক ও ঘনিষ্ঠজনদের উপস্থিতিতে আকদ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

ফরহাদের মামাতো ভাই লুৎফুর রহমান জানান, উভয় পরিবারের সদস্যদের পাশাপাশি ইসলামী আন্দোলনের নেতৃবৃন্দের উপস্থিতিতে শান্ত ও সংক্ষিপ্ত পরিসরে আকদ সম্পন্ন হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরার সদস্য ও চট্টগ্রাম মহানগরীর আমির মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক ও চট্টগ্রাম-১০ আসনে জামায়াত মনোনীত প্রার্থী শামসুজ্জামান হেলালীসহ উভয় পরিবারের স্বজনরা।

এসএম ফরহাদ চট্টগ্রামের সন্তান। তার বাবা মাওলানা ফোরকান চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী বায়তুশ শরফ মাদ্রাসার প্রিন্সিপাল। ফরহাদ পরিবারের বড় ছেলে এবং ইসলামী ছাত্রশিবির ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সাবেক সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। বর্তমানে তিনি ডাকসুর সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্বে রয়েছেন।

অপরদিকে কনে জান্নাতুল ফেরদৌস সানজিদা ফেনীর সোনাগাজী পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডের চট্টগ্রাম সমাজ বড়বাড়ির সন্তান। তিনি স্থানীয় জামায়াত নেতা ও ব্যবসায়ী এমদাদুল্লাহ কাজলের বড় মেয়ে। সানজিদা চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের মেধাবী শিক্ষার্থী এবং চাকসুর নির্বাহী সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হন।

সোনাগাজী পৌর জামায়াতের আমির মাওলানা কালিম উল্যাহ বলেন, “ফরহাদকে জামাই হিসেবে পেয়ে আমরা গর্বিত। আমাদের মেয়েও কোনো অংশে কম নয়। চাকসু নির্বাচনে ছয় হাজার ভোট পেয়ে সানজিদা চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো সর্বোচ্চ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নির্বাচিত হয়েছে।”

উল্লেখ্য, জিএস ফরহাদের বাগদান অনুষ্ঠান ডিসেম্বরের মাঝামাঝি হওয়ার কথা থাকলেও ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শহীদ ওসমান হাদির হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় তা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছিল। পরবর্তীতে পারিবারিক সিদ্ধান্তে বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয়।

সারাদেশ

ওসমান হাদি হত্যার মাস্টারমাইন্ড ‘শাহীন চেয়ারম্যান’

জুলাই অভ্যুত্থানের অন্যতম সম্মুখসারির সংগঠক ও ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ডের পেছনের পরিকল্পনাকারীদের বিষয়ে নতুন তথ্য সামনে আসছে। তদন্তে উঠে এসেছে, এই হত্যাকাণ্ডের মূল পরিকল্পনা ও বাস্তবায়নের সঙ্গে জড়িত হিসেবে ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান শাহীন আহমেদ ওরফে ‘শাহীন চেয়ারম্যান’-এর নাম। গোয়েন্দা সংস্থার ভাষ্য অনুযায়ী, অর্থ ও অস্ত্র—দুটোর ব্যবস্থাপনাতেই তার সরাসরি ভূমিকা […]

ওসমান হাদি হত্যার মাস্টারমাইন্ড ‘শাহীন চেয়ারম্যান’

ওসমান হাদি হত্যার মাস্টারমাইন্ড ‘শাহীন চেয়ারম্যান’

নিউজ ডেস্ক

২০ ডিসেম্বর ২০২৫, ১০:৫৭

জুলাই অভ্যুত্থানের অন্যতম সম্মুখসারির সংগঠক ও ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ডের পেছনের পরিকল্পনাকারীদের বিষয়ে নতুন তথ্য সামনে আসছে। তদন্তে উঠে এসেছে, এই হত্যাকাণ্ডের মূল পরিকল্পনা ও বাস্তবায়নের সঙ্গে জড়িত হিসেবে ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান শাহীন আহমেদ ওরফে ‘শাহীন চেয়ারম্যান’-এর নাম। গোয়েন্দা সংস্থার ভাষ্য অনুযায়ী, অর্থ ও অস্ত্র—দুটোর ব্যবস্থাপনাতেই তার সরাসরি ভূমিকা ছিল।

তদন্তসংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্র জানায়, এই হত্যাকাণ্ডে শাহীন চেয়ারম্যান একা ছিলেন না। তার সঙ্গে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ ও সহযোগিতায় ছিলেন আরও কয়েকজন ব্যক্তি, যাদের মধ্যে নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের সাবেক কয়েকজন নেতার সম্পৃক্ততার প্রাথমিক তথ্য মিলেছে। এরই মধ্যে কয়েকজন সন্দেহভাজনের ওপর নজরদারি বাড়ানো হয়েছে।

গোয়েন্দাদের দাবি, হাদির ওপর হামলার পর হামলাকারীদের ঢাকা থেকে সীমান্তের দিকে পালিয়ে যেতে সহায়তা করেন গোপালগঞ্জ জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি আব্দুল হামিদ। এ ঘটনায় তার সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে তাকে গ্রেপ্তারের জন্য অভিযান জোরদার করা হয়েছে। তদন্তে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, হামলার আগে ও পরে হত্যাকারীদের সঙ্গে তার একাধিকবার যোগাযোগ হয়েছিল।

তদন্তসংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন, জুলাই অভ্যুত্থানে শরিফ ওসমান হাদির সক্রিয় ভূমিকা এবং গত বছরের ৫ আগস্টের পর তার ধারাবাহিক বক্তব্য ও রাজনৈতিক অবস্থান আওয়ামী লীগকে চরমভাবে ক্ষুব্ধ করে তোলে। দলটির অভ্যন্তরীণ মূল্যায়নে হাদিকে ‘বড় ঝুঁকি’ হিসেবে দেখা হচ্ছিল। সেই প্রেক্ষাপটেই তাকে লক্ষ্য করে পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ডের ছক তৈরি হয়।

শাহীন আহমেদের রাজনৈতিক ও অপরাধী পরিচিতিও তদন্তে গুরুত্ব পাচ্ছে। তিনি দীর্ঘদিন দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি ছিলেন। স্থানীয়ভাবে তিনি একজন প্রভাবশালী নেতা হলেও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নথিতে বহুদিন ধরেই সন্ত্রাসী ও অস্ত্রধারী হিসেবে পরিচিত ছিলেন। অভিযোগ রয়েছে, শেখ হাসিনা সরকারের সময় সাবেক বিদ্যুৎ ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বিপুর ঘনিষ্ঠ হিসেবে তিনি ব্যাপক প্রভাব খাটিয়ে একাধিকবার উপজেলা চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন এবং নানা অভিযোগ সত্ত্বেও ছিলেন ধরাছোঁয়ার বাইরে।

স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, গত বছরের ৫ আগস্টের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর শাহীন চেয়ারম্যান সীমান্ত পেরিয়ে ভারতে চলে যান। প্রথম দিকে তিনি আত্মগোপনে থাকলেও গত কয়েক মাসে আবার সক্রিয় হয়ে ওঠেন। তদন্তে জানা গেছে, তিনি বিভিন্ন অ্যাপ ব্যবহার করে দেশে থাকা ‘স্লিপার সেল’-এর সদস্যদের সঙ্গে যোগাযোগ করে পরিকল্পনা বাস্তবায়নের চেষ্টা করছিলেন।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর এক কর্মকর্তা জানান, কয়েকটি হোয়াটসঅ্যাপ কল ও খুদেবার্তার সূত্র ধরে শাহীন চেয়ারম্যানের সম্পৃক্ততার প্রমাণ পাওয়া গেছে। একই সঙ্গে পলাতক ছাত্রলীগ নেতা হামিদের সঙ্গে হত্যাকারীদের যোগাযোগের তথ্যও মিলেছে। ভারতে অবস্থানরত কয়েকটি গ্রুপ থেকে অ্যাপভিত্তিক যোগাযোগের মাধ্যমে ঢাকায় থাকা সহযোগীদের কাজ সমন্বয় করা হচ্ছিল বলেও তদন্তে উঠে এসেছে।

সূত্র আরও জানায়, এই মামলার তদন্তে সন্দেহভাজনের তালিকায় কয়েকজন রাজনীতিকের নামও এসেছে। তাদের ভূমিকা যাচাইয়ে গ্রেপ্তার হওয়া আসামিদের যৌথভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। পাশাপাশি শাহীন চেয়ারম্যানের ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত কেরানীগঞ্জের দুজন ছাত্রলীগ নেতাকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

এ বিষয়ে ঢাকা মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার (ডিবি) শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘সব দিক বিবেচনায় নিয়ে অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত চলছে। আমরা আশাবাদী, খুব শিগগিরই এই হত্যাকাণ্ডের মাস্টারমাইন্ডসহ সংশ্লিষ্ট পরিকল্পনাকারীদের পরিচয় স্পষ্ট হবে।’

সারাদেশ

শেরপুর-৩ আসনের জামায়াতের প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল মারা গেছেন

জামায়াতে ইসলামীর শেরপুর জেলা শাখার সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী–ঝিনাইগাতী) আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল (৫১) মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত আনুমানিক ৩ টার দিকে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শেরপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি আবুল কালাম আজাদ। পরিবার সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার […]

শেরপুর-৩ আসনের জামায়াতের প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল মারা গেছেন

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৫:০৬

জামায়াতে ইসলামীর শেরপুর জেলা শাখার সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী–ঝিনাইগাতী) আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল (৫১) মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত আনুমানিক ৩ টার দিকে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শেরপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি আবুল কালাম আজাদ।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার রাত ১০টার দিকে হঠাৎ শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যায় গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন নুরুজ্জামান বাদল। তাৎক্ষণিকভাবে তাকে শ্রীবরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। পরে সেখান থেকে দ্রুত ময়মনসিংহ স্বদেশ হাসপাতালে নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়।

ময়মনসিংহ নেওয়ার পথে রাত ৩ টার দিকে শহরের প্রবেশমুখ ব্রিজ এলাকায় পৌঁছালে তার অবস্থার অবনতি ঘটে এবং সেখানে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। পরে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।

পরিবারের পক্ষ থেকে মৃতের ভাই মাসুদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এছাড়াও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নিজেদের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে দেওয়া ওই পোস্টে বলা হয়, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী শেরপুর জেলা শাখার সম্মানিত সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ সংসদীয় আসনে জামায়াত মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী জনাব আলহাজ্ব নুরুজ্জামান বাদল আনুমানিক আজ রাত ৩টায় কিডনিজনিত রোগে হাসপাতালে ভর্তি অবস্থায় ইন্তেকাল করেছেন। ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।

পোস্টে আরও উল্লেখ করা হয়, আল্লাহ তা’য়ালা তাকে জান্নাতুল ফেরদাউস দান করুন এবং তার শোকসন্তপ্ত পরিবার-পরিজন ও সহকর্মীদের ধৈর্য ধারণের তৌফিক দান করুন।