মনিরুল ইসলাম ডাবলু, নাটোর প্রতিনিধিঃ
নলডাঙ্গায় যথাযোগ্য মর্যাদায় মহান স্বাধীনতা দিবস পালিত হয়েছে। দিবসটি উপলক্ষ্যে উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন কর্মসূচী গ্রহণ করেছেন।
২৬ তারিখ বৃহস্পতিবার ভোরে ৩১ বার তোপধ্বনির মাধ্যমে দিবসের কর্মসূচির শুভ সূচনার পর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে উপজেলা চত্বরে স্মৃতিসৌধে পুষ্পমাল্য অর্পণ করেন উপজেলা প্রশাসনের পক্ষে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আল এমরান খাঁন,
সকাল ৮ টায় নলডাঙ্গা হাইস্কুল মাঠে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আল এমরান খাঁন,
জাতীয় সংসদের হুইপ ও নাটোর ২ সদর ও নলডাঙ্গা আসনের সংসদ সদস্য আ্যাডভোকেট রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু, এসময় জাতীয় সংগীত পরিবেশন ও জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়। এরপর শান্তির প্রতীক পায়রা ও বেলুন উড়িয়ে পরবর্তী কর্মসূচি শুরু হয়।
প্রধান অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন, জাতীয় সংসদের হুইপ ও নাটোর ২ সদর ও নলডাঙ্গা আসনের সংসদ সদস্য আ্যাডভোকেট রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু, তিনি বলেন, আজকে দীর্ঘদিন পর স্বাধীন পরিবেশে স্বাধীনতা দিবস আজকে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল উদযাপন করছে।
স্বাধীন এবং রাষ্ট্রীয়ভাবে গত ১৮-২০ বছর এই সুযোগ আমরা পাই নাই। বিশেষ করে বাংলাদেশের জনগণ বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি রাষ্ট্রীয়ভাবে এবং স্বাধীনভাবে বিএনপি এই স্বাধীনতা দিবস উদযাপন করছে, পুলিশ প্রশাসন এবং সকলের সঙ্গে।
আমরা কৃতজ্ঞতা জানাই আমরা বিশ্বাস করি আজ থেকে ৭১ সালে এই দিনে বীর মুক্তিযোদ্ধা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার ঘোষণা কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে দিয়েছিলেন।সেই আলোকে বাংলাদেশ যতদিন থাকবে জাতীয় দিবস স্বাধীনতা দিবস উদযাপিত হবে।
আমরা আল্লাহর কাছে কৃতজ্ঞতা জানাই যে দীর্ঘদিন পর বাংলাদেশের মানুষ স্বাধীনভাবে স্বাধীনতা দিবস পালন করতে পারছে। আমরা কৃতজ্ঞতা জানাই আল্লাহর কাছে।
এসময় সভাপতির বক্তব্য রাখেন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আল এমরান খাঁন তিনি বলেন,
আজ ২৬শে মার্চ যথাযোগ্য মর্যাদা ও ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে দিবসটি পালিত হচ্ছে। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চের কালরাতে নিরস্ত্র বাঙালির ওপর বর্বর হামলার পরপরই ২৬ মার্চের প্রভাতে শুরু হয় সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধ।
দীর্ঘ ৯ মাসের রক্তক্ষয়ী সংগ্রাম ও ৩০ লাখ শহীদের আত্মত্যাগের মধ্য দিয়ে একই বছরের ১৬ ডিসেম্বর অর্জিত হয় বাংলাদেশের স্বাধীনতা। এই স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ব ধরে রাখতে আমাদের সকলকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।
এসময় উপস্থিত ছিলেন, সহকারী কমিশনার (ভুমি) মোঃ আশিকুর রহমান, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোঃ হাসিবুল হাসান, উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মোঃ সানা উল্লাহ, সমাজসেবা অফিসার সুমন সরকার,
ফায়ার সার্ভিস স্টেশন মাস্টার মোঃ গোলাম মোস্তফা, বিএনপি সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক শফিকুল ইসলাম বুলবুল, জেলা বিএনপির সদস্য এম এ হাফিজসহ অনেকে।