মনিরুল ইসলাম , নাটোর প্রতিনিধিঃ
জাতীয় সংসদের হুইপ ও নাটোর-২ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু বলেছেন, “আপনারা জানেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান সাহেব ক্ষমতায় থাকা অবস্থায় আমি বহু জায়গায় তার সঙ্গে খাল কাটায় অংশগ্রহণ করেছিলাম। সেই খাল কাটা দীর্ঘদিন বন্ধ ছিল। আজকে প্রমাণিত হয়েছে, জিয়াউর রহমান স্যার কেন এই খাল কাটতে চেয়েছিলেন। আপনারা জানেন, ফারাক্কা বন্ধ করে দেয়; তিস্তা ব্যারেজ রংপুর-দিনাজপুর ওই অঞ্চলে পানি বন্ধ করে দেয়।
সেখানে পানি থাকে না। এই উত্তর অঞ্চলের মানুষের পানি রিজার্ভ থাকা খুব প্রয়োজন। এজন্য উনি বলেছিলেন, বিএনপি ক্ষমতায় গেলে খাল খনন শুরু হবে। আপনারা দেখেছেন, গতকাল তারেক রহমান সাহেব খাল খননের মাধ্যমে এই কর্মসূচি শুরু করেছেন। আপনাদের মনে করিয়ে দিতে চাই, জিয়াউর রহমান সাহেব যখন ক্ষমতায় ছিলেন, খাল খনন করেছিলেন—তখন বাংলাদেশ খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ ছিল। ইনশাআল্লাহ, আগামী দিনে আর বাংলাদেশে খাদ্যের অভাব থাকবে না।
এদেশের মসজিদের ইমাম-মুয়াজ্জিন সবচেয়ে অবহেলিত ও নির্যাতিত। এই মসজিদের ইমাম হচ্ছেন আমাদের নেতা; এদেশের সকল শ্রেণির মানুষের নেতা হচ্ছেন মসজিদের ইমাম। বাংলাদেশের সকল মসজিদের ইমাম-মুয়াজ্জিন সম্মানিত ভাতা পাবেন, ইনশাআল্লাহ।”
তিনি আজ মঙ্গলবার বিকেলে নাটোর শহরের এন.এস. কলেজ সরকারি মাঠে জেলা বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের আয়োজনে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ও আরাফাত রহমান কোকোসহ সকল শহীদের রুহের মাগফিরাত কামনায় ইফতার ও দোয়া মাহফিলে এসব কথা বলেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা পরিষদের প্রশাসক ও জেলা বিএনপির আহ্বায়ক রহিম নেওয়াজ, সদস্য সচিব আসাদুজ্জামান আসাদ, নাটোর জেলা জামায়াতের আমীর ড. মীর নূরল ইসলাম, যুগ্ম আহ্বায়ক মোস্তাফিজুর রহমান শাহিন ও সাইফুল ইসলাম আফতাব, জেলা বিএনপির সদস্য নাসিম উদ্দিন নাসিম, যুবদলের সভাপতি এ. হাই তালুকদার ডালিম প্রমুখ।