সোমবার, ২৩ মার্চ ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

সাদামাটির নৈসর্গিক সৌন্দর্যে ভরা দুর্গাপুর

নূর আলম, দুর্গাপুর(নেত্রকোণা) প্রতিনিধি – নৈসর্গিক সাদামাটির পাহাড়ের সৌন্দর্যকে ঘিরে নেত্রকোণায় রয়েছে পর্যটনের অপার সম্ভাবনা। সাদামাটি ভৌগলিক নির্দেশক পণ্য (জিআই) হিসেবে স্বীকৃত পাওয়ায় এর কদর বেড়েছে সর্বত্র। এই স্বীকৃতি এ অঞ্চলকে দিয়েছে ভিন্ন মাত্রা। বিজয়পুরের সাদামাটি খনিজ প্রকল্প এলাকায় গোলাপী,কালো,খয়েরি, বেগুনী,নীল সহ আরও কয়েক রঙের মাটির স্তর রয়েছে। দেশ-বিদেশের পর্যটকদের কাছে দিনদিন স্থানটির গুরুত্ব বাড়ছে। […]

নিউজ ডেস্ক

০১ ডিসেম্বর ২০২৪, ১৬:০০

নূর আলম, দুর্গাপুর(নেত্রকোণা) প্রতিনিধি –
নৈসর্গিক সাদামাটির পাহাড়ের সৌন্দর্যকে ঘিরে নেত্রকোণায় রয়েছে পর্যটনের অপার সম্ভাবনা। সাদামাটি ভৌগলিক নির্দেশক পণ্য (জিআই) হিসেবে স্বীকৃত পাওয়ায় এর কদর বেড়েছে সর্বত্র। এই স্বীকৃতি এ অঞ্চলকে দিয়েছে ভিন্ন মাত্রা। বিজয়পুরের সাদামাটি খনিজ প্রকল্প এলাকায় গোলাপী,কালো,খয়েরি, বেগুনী,নীল সহ আরও কয়েক রঙের মাটির স্তর রয়েছে।
দেশ-বিদেশের পর্যটকদের কাছে দিনদিন স্থানটির গুরুত্ব বাড়ছে। এছাড়া অর্থনৈতিকভাবেও সম্ভাবনা দেখাচ্ছে সাদামাটি। এই সাদা মাটি চিনামাটি হিসেবেও পরিচিত।
ভারতের মেঘালয় রাজ্যের সীমান্তঘেঁষা নেত্রকোণার দুর্গাপুর উপজেলা। দুই সীমানায় পাহাড়,মাঝখান দিয়ে বয়ে চলেছে সোমেশ্বরী নদী। গত কয়েক বছরে এই অঞ্চলে এসেছে আমূল পরিবর্তন। ইন্টারনেট আর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পরিচিতি ঘটছে সবার কাছে। প্রতি বছর দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে লাখো পর্যটক ভিড় করেন আশপাশের বিভিন্ন স্পটে। তবে সবার আকর্ষণ সাদা মাটির পাহাড়। অক্টোবর থেকে মার্চের শেষ পর্যন্ত পর্যটকদের আনাগোনা থেকে সবচেয়ে বেশি। তাদের ঘিরে স্থানীয় অনেকের রোজগার।
স্থানীয়দের মতে,আগের চেয়ে যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নত হওয়ায় সহজেই মানুষ প্রাকৃতিক সৌন্দর্য উপভোগ করতে ছুটে যেতে পারছেন সীমান্তের কাছে। এখানে আসতে প্রায় প্রতিটি সড়ক এখন পাকা। সম্ভাবনাময় এই পর্যটনকে কেন্দ্র করে পর্যটন শিল্পের জন্য অবকাঠামোসহ পর্যটকদের থাকা-খাওয়ার সুব্যবস্থা করলে এ অঞ্চলের মানুষের কর্মসংস্থান বাড়বে। এছাড়া এলাকায় অর্থনৈতিক উন্নয়নের পাশাপাশি পর্যটন খাত থেকে বছরে অন্তত শত কোটি টাকার রাজস্ব আয়ও।
আরজ আলী (৬৫)। ঘুরতে আসা ওই পর্যটকদের গান শুনিয়ে মাতিয়ে তোলাই হচ্ছে তার পেশা। সারাদিনই সাদা মাটির পাহাড়ে বিচরণ তার। সে পর্যটকদের গান শুনিয়ে থাকে তার গানে মুগ্ধ হয়ে ১০-২০ টাকা করে বকশিস দেন। দিন শেষে যা পান তা দিয়েই চলে আরজ আলী বাউলের সংসার।
স্থানীয় ইজিবাইক চালক লিকত আলী (৩২)। পর্যটক ঘিরেই তার রোজগার। তবে শীত মৌসুম এলেই বাড়ে রোজগার। তিনি বলেন,আমি পর্যটকদের বিভিন্ন স্পষ্টে ঘুরাই। আমার রোজগার তাদের থেকেই। সারা বছরের মধ্যে  এই শীতকালেই বেশি আসেন। বাকি সময়টা অল্প সংখ্যক মানুষ আসেন তখন কিন্তু ইনকাম একদমই কম থাকে। আমার মতো অনেকেই অটো চালিয়ে সংসার চালান।
সাদা মাটির পাহাড়ে বেড়াতে আসা পর্যটকদের ছবি তুলে দেয় ফটোগ্রাফার দিদারুল ইসলাম (২৫)। গত দুই বছর ধরে এইখানে রয়েছেন। তিনি বলেন,এখানে ঘুরতে আসা পর্যটকদের ছবি তুলে দেয় আমি তারাও এখানকার সৌন্দর্যের সাথে নিজের ক্যামেরাবন্দি করে বাসায় নিয়ে যেতে পেরে অনেক আনন্দিত হয়।  শীতকালেই পর্যটকদের সিজন বলা যায় তখন আমাদের রোজগার বাড়ে।
কেবল আরজ আলী,ফটোগ্রাফার দিদারুল ইসলাম,ইজিবাইক চালক লিকত আলী নন কয়েক হাজার মানুষের রোজগার সেখানকার পর্যটক ঘিরেই। সম্ভাবনাময় এই উপজেলা ঘিরে স্থানীয় অর্থনীতির খাতের বৈপ্লবিক পরিবর্তন আনা সম্ভব বলে মনে করছেন স্থানীয় ও পর্যটকরা। শুধু প্রয়োজন পরিকল্পনা ও বাস্তবায়ন।
স্থানীয় বাসিন্দা প্রবীর পালোয়ান বলেন,এখানে প্রাকৃতিক সৌন্দর্য বিদ্যমান। আমাদের এলাকায় অনেক মানুষ ঘুরতে আসেন কিন্তু তারা একটু কষ্ট পড়েন যেমন টয়লেট ব্যবস্থা,ক্লান্ত হয়ে গেলে কোনোরকম বিশ্রাম নেয়ার ব্যবস্থা নাই। বিভিন্ন সময় তারা আমাদের বাড়িতে আসলে আমরাও সহযোগিতার কমতি রাখি না।
যশোর থেকে ঘুরতে আসা হাসিবুল হক বলেন,এখানে পর্যটনের মতো এতো সুন্দর সুন্দর উপাদান আছে, যা রাঙ্গামাটি কিংবা সিলেটের চেয়ে কোনো অংশে কম নয়। আমি কেবল মোবাইলে দেখেছি এই প্রথম আমি এসেছি কিন্তু এখানকার কিছু সমস্যা রয়েছে সেটা হলো পর্যাপ্ত সুযোগ সুবিধা ও নিরাপত্তা নেই। একটি পর্যটন এলাকায় যা যা থাকা দরকার তার অনেক কিছুই নেই। যদি এগুলোর সু-ব্যবস্থা করা যায় তাহলে এ এলাকাও পর্যটনে ব্যাপক ভূমিকা রাখবে সন্দেহ নেই।
অপর পর্যটক জামিউল হাসান পরিবার নিয়ে এসেছেন তিনি বলেন,সত্যিই চমৎকার জায়গা এই দুর্গাপুরে রয়েছে। যেকেউ আসলে বলতে পারবে না যে কোনো দিকে ভালো লাগেনি সব কিছুই মনোমুগ্ধকর। কিন্তু আমরা কিছু কষ্ট পোহাতে হয় যেমন দূর থেকে পরিবার নিয়ে এসে প্রয়োজনে টয়লেট,বিশ্রাম নেওয়ার জন্য স্থাপনাসহ নানা কারনে ভোগান্তির শিকার হচ্ছে। তাই আমাদের দাবী এইসব বিষয়গুলো প্রশাসন সঠিক উদ্যোগ নেওয়ার।
পর্যটকের কথা চিন্তা করে কাজ করা হচ্ছে বলে জানায় উপজেলা প্রশাসন। উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মো. নাভিদ রেজওয়ান কবীর বলেন, এই উপজেলায় পর্যটনের ব্যাপক সম্ভাবনা রয়েছে। আমি সদ্য যোগদান করেছি। আমি পর্যটন খাতের বিভিন্ন সমস্যা সম্পর্কে অবহিত হয়েছি। পর্যটকদের যে সমস্যায় পড়তে হয় তা লাঘব করার জন্য কাজ করছি। আশা করছি যে পর্যটকদের আমরা একটি সুন্দর পরিবেশ প্রদান করতে পারবো।
২০২১ সালের ১৭ জুন জিআই পণ্য সনদ পায় এ দুর্গাপুর উপজেলার বিজয়পুরের পর্যটন স্পষ্ট সাদা মাটি। সাদামাটির পাহাড় ছাড়াও পাহাড়ি কন্যা নামে খ্যাত সোমেশ্বরী নদী,বিজয়পুর জিরো পয়েন্ট,কমলা বাগান,রানীখং মিশন,কমরেড মণি সিংহ স্মৃতি জাদুঘর,সুসঙ্গ রাজবাড়ি, কমরেড মণি সিংহের বসত ভিটা,ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী কালচারাল একাডেমি,ভবানীপুর বটতলা,রাশি মনি স্মৃতিসৌধ,পাহাড়ি নৃ-গোষ্ঠির পাহাড়,ফান্দা ভ্যালিসহ রয়েছে ছোট-বড় অসংখ্য পর্যটন স্পট।

সারাদেশ

‘ফরহাদকে জামাই হিসেবে পেয়ে গর্বিত, আমাদের মেয়েও কম নয়’ : পৌর জামায়াতের আমির

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সাধারণ সম্পাদক এসএম ফরহাদ এবং চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (চাকসু) নির্বাহী সদস্য জান্নাতুল ফেরদৌস সানজিদা-এর বিয়ে সম্পন্ন হয়েছে। বুধবার দুপুর ১টা ১৫ মিনিটে রাজধানীর কাঁটাবন জামে মসজিদে জোহরের নামাজের পর পারিবারিক ও ঘনিষ্ঠজনদের উপস্থিতিতে আকদ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। ফরহাদের মামাতো ভাই লুৎফুর রহমান জানান, উভয় পরিবারের সদস্যদের পাশাপাশি […]

নিউজ ডেস্ক

২৪ ডিসেম্বর ২০২৫, ২২:৫৯

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সাধারণ সম্পাদক এসএম ফরহাদ এবং চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (চাকসু) নির্বাহী সদস্য জান্নাতুল ফেরদৌস সানজিদা-এর বিয়ে সম্পন্ন হয়েছে। বুধবার দুপুর ১টা ১৫ মিনিটে রাজধানীর কাঁটাবন জামে মসজিদে জোহরের নামাজের পর পারিবারিক ও ঘনিষ্ঠজনদের উপস্থিতিতে আকদ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

ফরহাদের মামাতো ভাই লুৎফুর রহমান জানান, উভয় পরিবারের সদস্যদের পাশাপাশি ইসলামী আন্দোলনের নেতৃবৃন্দের উপস্থিতিতে শান্ত ও সংক্ষিপ্ত পরিসরে আকদ সম্পন্ন হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরার সদস্য ও চট্টগ্রাম মহানগরীর আমির মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক ও চট্টগ্রাম-১০ আসনে জামায়াত মনোনীত প্রার্থী শামসুজ্জামান হেলালীসহ উভয় পরিবারের স্বজনরা।

এসএম ফরহাদ চট্টগ্রামের সন্তান। তার বাবা মাওলানা ফোরকান চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী বায়তুশ শরফ মাদ্রাসার প্রিন্সিপাল। ফরহাদ পরিবারের বড় ছেলে এবং ইসলামী ছাত্রশিবির ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সাবেক সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। বর্তমানে তিনি ডাকসুর সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্বে রয়েছেন।

অপরদিকে কনে জান্নাতুল ফেরদৌস সানজিদা ফেনীর সোনাগাজী পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডের চট্টগ্রাম সমাজ বড়বাড়ির সন্তান। তিনি স্থানীয় জামায়াত নেতা ও ব্যবসায়ী এমদাদুল্লাহ কাজলের বড় মেয়ে। সানজিদা চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের মেধাবী শিক্ষার্থী এবং চাকসুর নির্বাহী সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হন।

সোনাগাজী পৌর জামায়াতের আমির মাওলানা কালিম উল্যাহ বলেন, “ফরহাদকে জামাই হিসেবে পেয়ে আমরা গর্বিত। আমাদের মেয়েও কোনো অংশে কম নয়। চাকসু নির্বাচনে ছয় হাজার ভোট পেয়ে সানজিদা চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো সর্বোচ্চ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নির্বাচিত হয়েছে।”

উল্লেখ্য, জিএস ফরহাদের বাগদান অনুষ্ঠান ডিসেম্বরের মাঝামাঝি হওয়ার কথা থাকলেও ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শহীদ ওসমান হাদির হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় তা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছিল। পরবর্তীতে পারিবারিক সিদ্ধান্তে বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয়।

সারাদেশ

শেরপুর-৩ আসনের জামায়াতের প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল মারা গেছেন

জামায়াতে ইসলামীর শেরপুর জেলা শাখার সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী–ঝিনাইগাতী) আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল (৫১) মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত আনুমানিক ৩ টার দিকে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শেরপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি আবুল কালাম আজাদ। পরিবার সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার […]

শেরপুর-৩ আসনের জামায়াতের প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল মারা গেছেন

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৫:০৬

জামায়াতে ইসলামীর শেরপুর জেলা শাখার সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী–ঝিনাইগাতী) আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল (৫১) মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত আনুমানিক ৩ টার দিকে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শেরপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি আবুল কালাম আজাদ।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার রাত ১০টার দিকে হঠাৎ শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যায় গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন নুরুজ্জামান বাদল। তাৎক্ষণিকভাবে তাকে শ্রীবরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। পরে সেখান থেকে দ্রুত ময়মনসিংহ স্বদেশ হাসপাতালে নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়।

ময়মনসিংহ নেওয়ার পথে রাত ৩ টার দিকে শহরের প্রবেশমুখ ব্রিজ এলাকায় পৌঁছালে তার অবস্থার অবনতি ঘটে এবং সেখানে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। পরে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।

পরিবারের পক্ষ থেকে মৃতের ভাই মাসুদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এছাড়াও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নিজেদের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে দেওয়া ওই পোস্টে বলা হয়, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী শেরপুর জেলা শাখার সম্মানিত সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ সংসদীয় আসনে জামায়াত মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী জনাব আলহাজ্ব নুরুজ্জামান বাদল আনুমানিক আজ রাত ৩টায় কিডনিজনিত রোগে হাসপাতালে ভর্তি অবস্থায় ইন্তেকাল করেছেন। ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।

পোস্টে আরও উল্লেখ করা হয়, আল্লাহ তা’য়ালা তাকে জান্নাতুল ফেরদাউস দান করুন এবং তার শোকসন্তপ্ত পরিবার-পরিজন ও সহকর্মীদের ধৈর্য ধারণের তৌফিক দান করুন।

সারাদেশ

এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা আসাদুল্লাহ গ্রেপ্তার

চেক ডিজঅনারের একটি মামলায় পাবনা-২ আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ‘হ্যাঁ’ ভোটের অ্যাম্বাসেডর ও দলের যুব সংগঠন যুবশক্তির কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) গভীর রাতে সুজানগর উপজেলার হাটখালী ইউনিয়নের সৈয়দপুর গ্রামে নিজ বাড়ি থেকে তাকে আটক করে কামালপুর পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা। পরে তাকে সুজানগর থানায় হস্তান্তর করা হয়। তিনি […]

এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা আসাদুল্লাহ গ্রেপ্তার

এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতা আসাদুল্লাহ গ্রেপ্তার

নিউজ ডেস্ক

১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১১:০৫

চেক ডিজঅনারের একটি মামলায় পাবনা-২ আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ‘হ্যাঁ’ ভোটের অ্যাম্বাসেডর ও দলের যুব সংগঠন যুবশক্তির কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক মুহাম্মাদ আসাদুল্লাহকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) গভীর রাতে সুজানগর উপজেলার হাটখালী ইউনিয়নের সৈয়দপুর গ্রামে নিজ বাড়ি থেকে তাকে আটক করে কামালপুর পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা। পরে তাকে সুজানগর থানায় হস্তান্তর করা হয়। তিনি ওই গ্রামের আকমল শিকদারের ছেলে।

পুলিশ জানায়, ২০২৪ সালে জামালপুর জেলার একটি চেক ডিজঅনার মামলায় তিনি এক মাসের কারাদণ্ড ও তিন লাখ টাকা অর্থদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি ছিলেন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের গণভোটে ‘হ্যাঁ’ পক্ষে প্রচারণা শেষে বাড়িতে অবস্থানকালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরদিন আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

তবে গ্রেপ্তারকে হয়রানিমূলক দাবি করেছে আসাদুল্লাহর পরিবার। তার স্ত্রী নাঈমা আক্তার রিমা বলেন, গভীর রাতে বাসা থেকে তাকে তুলে নেওয়া হয়েছে এবং পারিবারিক ও রাজনৈতিকভাবে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।

সুজানগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জানান, তিনি ওই মামলার সাজাপ্রাপ্ত ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি ছিলেন বলেই আইনানুগভাবে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে।