শনিবার, ২৮ মার্চ ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

রাজধানী

বিচার না হওয়া পর্যন্ত রাজপথে থাকার ঘোষণা ইনকিলাব মঞ্চের

শহীদ শরিফ ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ডের বিচার নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত রাজপথে আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছে ইনকিলাব মঞ্চ। একই সঙ্গে হাদির হত্যার বিচার না হলে আগামী ৭ জানুয়ারির পর সরকার পতনের আন্দোলনে যাওয়ার হুঁশিয়ারিও দিয়েছেন আন্দোলনকারীরা। শুক্রবার (২ জানুয়ারি) জুমার নামাজের পর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ থেকে বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে ইনকিলাব মঞ্চের নেতাকর্মীরা রাজধানীর […]

বিচার না হওয়া পর্যন্ত রাজপথে থাকার ঘোষণা ইনকিলাব মঞ্চের

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০২ জানুয়ারী ২০২৬, ১৮:৪৪

শহীদ শরিফ ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ডের বিচার নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত রাজপথে আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছে ইনকিলাব মঞ্চ। একই সঙ্গে হাদির হত্যার বিচার না হলে আগামী ৭ জানুয়ারির পর সরকার পতনের আন্দোলনে যাওয়ার হুঁশিয়ারিও দিয়েছেন আন্দোলনকারীরা।

শুক্রবার (২ জানুয়ারি) জুমার নামাজের পর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ থেকে বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে ইনকিলাব মঞ্চের নেতাকর্মীরা রাজধানীর শাহবাগ মোড়ে অবস্থান নেন। সাধারণ শিক্ষার্থী ও বিভিন্ন শ্রেণিপেশার মানুষের অংশগ্রহণে এ সময় জমায়েতটি বড় আকার ধারণ করে।

অবরোধের কারণে শাহবাগের এক পাশের সড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়, তবে আশপাশের সংযোগ সড়কগুলো দিয়ে যান চলাচল স্বাভাবিক ছিল। সংবাদ লেখা পর্যন্ত বিকেল সাড়ে ৪টা নাগাদ বিক্ষোভ কর্মসূচি চলছিল।

কর্মসূচিতে অংশ নেওয়া নেতাকর্মীরা ‘তুমি কে, আমি কে—হাদি, হাদি’, ‘এক হাদি লোকান্তরে, লক্ষ হাদি ঘরে ঘরে’, ‘বইলা গেছে হাদি ভাই, আমার খুনের বিচার চাই’, ‘বিচার চাই, হাদি হত্যার বিচার চাই’, ‘আপস না বিপ্লব—বিপ্লব বিপ্লব’, ‘শাহবাগ না ইনসাফ—ইনসাফ ইনসাফ’, ‘লীগ ধর, জেলে ভর’ এবং ‘দিল্লি না ঢাকা—ঢাকা, ঢাকা’সহ নানা স্লোগান দেন।

সমাবেশে বক্তব্য রাখেন ইনকিলাব মঞ্চের সদস্যসচিব আব্দুল্লাহ আল জাবের। তিনি বলেন, শরিফ ওসমান হাদির হত্যাকাণ্ড নিয়ে সরকারের দেওয়া বক্তব্য বিভ্রান্তিকর এবং তা বিশ্বাসযোগ্য নয়। তাঁর ভাষায়, বাংলাদেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব এবং ভারতীয় সাংস্কৃতিক আধিপত্যের বিরুদ্ধে স্পষ্ট অবস্থান নেওয়ার কারণেই হাদিকে হত্যা করা হয়েছে।

তিনি অভিযোগ করে বলেন, ঘটনার ২১ দিন পেরিয়ে গেলেও সরকার প্রকৃত খুনিদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করতে পারেনি, যা সরকারের সদিচ্ছার অভাবেরই প্রমাণ। সরকার ৭ জানুয়ারির মধ্যে অভিযোগপত্র দেওয়ার কথা বললেও, যদি কেবল একজন ব্যক্তির বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দেওয়া হয়, তাহলে তা গ্রহণযোগ্য হবে না বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

আব্দুল্লাহ আল জাবের বলেন, এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত সকলকে আইনের আওতায় এনে পূর্ণাঙ্গ অভিযোগপত্র দিতে হবে। অন্যথায় ৭ জানুয়ারির পর সরকার পতনের আন্দোলনের ডাক দেওয়া হবে। তিনি দাবি করেন, নির্বাচন পর্যন্ত রাজপথে থেকেই রাষ্ট্র পাহারা দেবে ইনকিলাব মঞ্চ এবং হাদি হত্যার বিচার সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন অব্যাহত রাখাই সংগঠনের সুস্পষ্ট অবস্থান।

রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, কোনো বৈঠক হলে তা হতে হবে প্রকাশ্যে—গোপন বৈঠক নয়। দিল্লির সঙ্গে কোনো গোপন সমঝোতা মেনে নেওয়া হবে না বলেও তিনি হুঁশিয়ারি দেন।

এর আগে শুক্রবার দুপুরে ইনকিলাব মঞ্চের ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে শাহবাগের শহীদ হাদি চত্বরে আয়োজিত বিক্ষোভ সমাবেশে যোগ দেওয়ার জন্য দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানানো হয়।

উল্লেখ্য, শরিফ ওসমান হাদি ঢাকা–৮ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নেওয়ার ঘোষণা দিয়ে রাজনৈতিক প্রচারণায় সক্রিয় ছিলেন। গত ১২ ডিসেম্বর জুমার নামাজের কিছু সময় পর রাজধানীর পুরানা পল্টনের কালভার্ট রোডে ব্যাটারিচালিত রিকশায় থাকা অবস্থায় মোটরসাইকেলযোগে আসা দুর্বৃত্তরা তাঁকে গুলি করে পালিয়ে যায়। মাথায় গুলিবিদ্ধ অবস্থায় তাঁকে প্রথমে ঢাকায় এবং পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুরে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৮ ডিসেম্বর তিনি মারা যান।

রাজধানী

ইনকিলাব মঞ্চের আব্দুল্লাহ আল জাবের গুলিবিদ্ধ

ইনকিলাব মঞ্চের সদস্য সচিব আব্দুল্লাহ আল জাবের গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। বিস্তারিত আসছে…

ইনকিলাব মঞ্চের আব্দুল্লাহ আল জাবের গুলিবিদ্ধ

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৬:৩৪

ইনকিলাব মঞ্চের সদস্য সচিব আব্দুল্লাহ আল জাবের গুলিবিদ্ধ হয়েছেন।

বিস্তারিত আসছে…

রাজধানী

সব শঙ্কা কাটিয়ে মনোনয়ন টিকতেই আল্লাহর দরবারে প্রকাশ্যে সেজদায় লুটিয়ে পড়লেন তোজা

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মানিকগঞ্জ-১ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ও জেলা কৃষকদলের সাবেক আহ্বায়ক তোজাম্মেল হক তোজার মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণার খবরে আবেগে আপ্লুত হয়ে পড়েন তিনি। রোববার (৪ জানুয়ারি) দুপুরে মানিকগঞ্জ জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে এ দৃশ্যের অবতারণা হয়। মনোনয়ন বৈধ হওয়ার খবর জানার পর মহান আল্লাহর দরবারে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করতে প্রকাশ্যেই সেজদায় লুটিয়ে পড়েন তোজাম্মেল […]

নিউজ ডেস্ক

০৪ জানুয়ারী ২০২৬, ২২:৩৩

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মানিকগঞ্জ-১ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ও জেলা কৃষকদলের সাবেক আহ্বায়ক তোজাম্মেল হক তোজার মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণার খবরে আবেগে আপ্লুত হয়ে পড়েন তিনি। রোববার (৪ জানুয়ারি) দুপুরে মানিকগঞ্জ জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে এ দৃশ্যের অবতারণা হয়।

মনোনয়ন বৈধ হওয়ার খবর জানার পর মহান আল্লাহর দরবারে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করতে প্রকাশ্যেই সেজদায় লুটিয়ে পড়েন তোজাম্মেল হক তোজা। এ সময় তিনি আল্লাহর শুকরিয়া আদায় করেন। তার এই আবেগঘন প্রতিক্রিয়া সেখানে উপস্থিত নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের দৃষ্টি আকর্ষণ করে এবং মুহূর্তেই আলোচনার সৃষ্টি হয়।

তোজাম্মেল হক তোজা বলেন, সব প্রতিকূলতা ও শঙ্কা কাটিয়ে মনোনয়ন বৈধ হওয়া তার জন্য আল্লাহর বিশেষ রহমত। তিনি বলেন, জনগণের ভোট ও ভালোবাসার ওপর আস্থা রেখেই তিনি নির্বাচনে অংশ নিতে চান। একই সঙ্গে তিনি মানিকগঞ্জ-১ আসনের সার্বিক উন্নয়ন, গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার এবং মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

উল্লেখ্য, যাচাই-বাছাই শেষে মানিকগঞ্জ জেলার বিভিন্ন আসনে একাধিক প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল ঘোষণা করা হলেও তোজাম্মেল হক তোজার মনোনয়ন বৈধ হওয়ায় এই আসনে নির্বাচনী প্রতিদ্বন্দ্বিতা আরও তীব্র হবে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

রাজধানী

পল্লবীতে জামায়াতের পোলিং অফিসারসহ ২ জনের কারাদণ্ড, কেন্দ্র থেকে বহিষ্কার

পল্লবীর মিরপুর শহীদ স্মৃতি উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্র থেকে অবৈধভাবে প্রবেশ ও প্রভাব বিস্তারের অভিযোগে জামায়াত সমর্থিত ‘দাঁড়িপাল্লা’ প্রতীকের দুই এজেন্টকে দুই বছর সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। নির্বাচনী দায়িত্ব পালনকালে অনিয়মের অভিযোগে ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সারা ফারজানা হক বুধবার এ দণ্ড দেন। দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন—মেহেদি হাসান খাদেম (৩২) ও রাইহান হোসেন (২৩)। অভিযোগ অনুযায়ী, নির্বাচনের আগের […]

পল্লবীতে জামায়াতের পোলিং অফিসারসহ ২ জনের কারাদণ্ড, কেন্দ্র থেকে বহিষ্কার

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২১:১৯

পল্লবীর মিরপুর শহীদ স্মৃতি উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্র থেকে অবৈধভাবে প্রবেশ ও প্রভাব বিস্তারের অভিযোগে জামায়াত সমর্থিত ‘দাঁড়িপাল্লা’ প্রতীকের দুই এজেন্টকে দুই বছর সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।

নির্বাচনী দায়িত্ব পালনকালে অনিয়মের অভিযোগে ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সারা ফারজানা হক বুধবার এ দণ্ড দেন। দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন—মেহেদি হাসান খাদেম (৩২) ও রাইহান হোসেন (২৩)।

অভিযোগ অনুযায়ী, নির্বাচনের আগের রাতে ঢাকা-১৬ আসনের ওই কেন্দ্রে তারা নিয়মবহির্ভূতভাবে প্রবেশ করেন। তদন্তে জানা যায়, কেন্দ্রের দায়িত্বে থাকা পোলিং অফিসার মোছাঃ সুমনা ইসলাম (সহকারী শিক্ষিকা) তাদের প্রবেশে সহায়তা করেছিলেন। স্থানীয় সূত্রে দাবি করা হয়, তিনি স্থানীয় ৬ নম্বর ওয়ার্ড জামায়াতের সাধারণ সম্পাদকের স্ত্রী।

ঘটনার পর নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সারা ফারজানা হক সেখানে উপস্থিত হয়ে গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ, ১৯৭২-এর সংশ্লিষ্ট ধারায় তাৎক্ষণিক বিচার কার্যক্রম পরিচালনা করেন। অবৈধ প্রভাব বিস্তারের দায়ে দুই এজেন্টকে দুই বছর সশ্রম কারাদণ্ড ও ৫ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়। অর্থদণ্ড অনাদায়ে আরও ১৫ দিনের সশ্রম কারাদণ্ডের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

এ ঘটনায় অভিযুক্ত পোলিং অফিসার মোছাঃ সুমনা ইসলামকে তাৎক্ষণিকভাবে নির্বাচনী দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। প্রিজাইডিং অফিসার জানান, কেন্দ্রের শৃঙ্খলা ও স্বচ্ছতা বজায় রাখতে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।