রবিবার, ২৯ মার্চ ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

রাজধানী

জোবায়েদের বাঁচার আকুতিতে বর্ষার জবাব ‘তুমি না সরলে আমি মাহীরের হতে পারব না’

রাজধানীর পুরান ঢাকায় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও ছাত্রদল নেতা জোবায়েদ হোসাইন হত্যাকাণ্ডে মূল পরিকল্পনাকারী হিসেবে উঠে এসেছে তার ছাত্রী ও প্রেমিকা বারজিস সাবনাম বর্ষার নাম। এই পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করেন বর্ষার প্রথম প্রেমিক মাহীর রহমান।

নিউজ ডেস্ক

২১ অক্টোবর ২০২৫, ১৫:০৭

রাজধানীর পুরান ঢাকায় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও ছাত্রদল নেতা জোবায়েদ হোসাইন হত্যাকাণ্ডে মূল পরিকল্পনাকারী হিসেবে উঠে এসেছে তার ছাত্রী ও প্রেমিকা বারজিস সাবনাম বর্ষার নাম। এই পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করেন বর্ষার প্রথম প্রেমিক মাহীর রহমান।

পুলিশ জানিয়েছে, হত্যার সময় ঘাতক মাহীরের ছুরিকাঘাতে গুরুতর আহত জোবায়েদ রক্তাক্ত অবস্থায় সিঁড়িতে লুটিয়ে পড়ে প্রাণভিক্ষা চাইলে বর্ষা ঠান্ডা মাথায় বলে ওঠে,

“তুমি না সরলে আমি মাহীরের হতে পারব না।”

কিছুক্ষণের মধ্যেই অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে মারা যান ছাত্রদল নেতা জোবায়েদ।

মঙ্গলবার দুপুরে রাজধানীর মিন্টো রোডে ডিএমপির মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশন) এসএন নজরুল ইসলাম।

তিনি বলেন, জোবায়েদ জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ছিলেন এবং পুরান ঢাকার বংশাল থানার নুরবক্স লেনের একটি বাসায় টিউশন করতে যেতেন। সেখানে তার ছাত্রী বর্ষার সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। কিন্তু একই সময়ে বর্ষা মাহীর রহমান নামের এক তরুণের সঙ্গেও সম্পর্কে ছিলেন। দুই সম্পর্কের টানাপোড়েনে পড়ে বর্ষা নিজেই হত্যার পরিকল্পনা সাজান।

পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, এই ঘটনায় বর্ষা, তার প্রথম প্রেমিক মাহীর রহমান এবং মাহীরের বন্ধু ফারদিন আহমেদ আইলানকে গ্রেফতার করা হয়েছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে মাহীর স্বীকার করেছে, প্রথমে শুধু জোবায়েদকে ভয় দেখানোর পরিকল্পনা ছিল, কিন্তু বর্ষার অনুরোধে হত্যার সিদ্ধান্ত নেয় তারা।

২৬ সেপ্টেম্বর বর্ষা ও মাহীর পরিকল্পনা চূড়ান্ত করে। পরে ১৯ অক্টোবর মাহীর ও আইলান ছুরি নিয়ে বর্ষার বাসায় অবস্থান নেয়। বর্ষা নিজেই শিক্ষক ও প্রেমিক জোবায়েদকে বাসায় আসতে বলেন। সেখানে পৌঁছানোর পর তাকে বর্ষা থেকে সরে যাওয়ার জন্য হুমকি দেওয়া হয়। কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে মাহীর ছুরি দিয়ে গলায় আঘাত করলে ঘটনাস্থলেই মারা যান জোবায়েদ।

অতিরিক্ত কমিশনার এসএন নজরুল ইসলাম জানান, মাহীর ও বর্ষা একই ভবনে ভাড়া থাকতেন এবং দেড় বছর ধরে প্রেমের সম্পর্কে ছিলেন। অন্যদিকে জোবায়েদ প্রায় এক বছর ধরে বর্ষাকে পড়াতেন। বর্ষা যখন যার সঙ্গে সম্পর্ক রাখতেন, তাকেই প্রাধান্য দিতেন। এই অবস্থায় মাহীরকে তিনি বলেন, “জোবায়েদকে না সরালে আমি তোমার হতে পারব না।” সেই কথাই পরিণত হয় হত্যার নৃশংস বাস্তবতায়।

তিনি আরও জানান, মাহীরকে গ্রেফতারে পুলিশের কৌশল ছিল আলাদা। পুলিশের চাপের মুখে মাহীরের মা তাকে থানায় হস্তান্তর করেন, যদিও এটি স্বেচ্ছায় নয়, বরং পুলিশের কৌশলগত পরিকল্পনার অংশ।

অতিরিক্ত কমিশনার বলেন, “এই হত্যাকাণ্ডের পরিকল্পনা পুরোপুরি বর্ষার। বরগুনার মিন্নি ঘটনার সঙ্গে এর মিল আছে। এখানে কোনো রাজনৈতিক উদ্দেশ্য নেই, এটি নিছক ত্রিভুজ প্রেমের পরিণতি।”

রাজধানী

ইনকিলাব মঞ্চের আব্দুল্লাহ আল জাবের গুলিবিদ্ধ

ইনকিলাব মঞ্চের সদস্য সচিব আব্দুল্লাহ আল জাবের গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। বিস্তারিত আসছে…

ইনকিলাব মঞ্চের আব্দুল্লাহ আল জাবের গুলিবিদ্ধ

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৬:৩৪

ইনকিলাব মঞ্চের সদস্য সচিব আব্দুল্লাহ আল জাবের গুলিবিদ্ধ হয়েছেন।

বিস্তারিত আসছে…

রাজধানী

সব শঙ্কা কাটিয়ে মনোনয়ন টিকতেই আল্লাহর দরবারে প্রকাশ্যে সেজদায় লুটিয়ে পড়লেন তোজা

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মানিকগঞ্জ-১ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ও জেলা কৃষকদলের সাবেক আহ্বায়ক তোজাম্মেল হক তোজার মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণার খবরে আবেগে আপ্লুত হয়ে পড়েন তিনি। রোববার (৪ জানুয়ারি) দুপুরে মানিকগঞ্জ জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে এ দৃশ্যের অবতারণা হয়। মনোনয়ন বৈধ হওয়ার খবর জানার পর মহান আল্লাহর দরবারে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করতে প্রকাশ্যেই সেজদায় লুটিয়ে পড়েন তোজাম্মেল […]

নিউজ ডেস্ক

০৪ জানুয়ারী ২০২৬, ২২:৩৩

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মানিকগঞ্জ-১ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ও জেলা কৃষকদলের সাবেক আহ্বায়ক তোজাম্মেল হক তোজার মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণার খবরে আবেগে আপ্লুত হয়ে পড়েন তিনি। রোববার (৪ জানুয়ারি) দুপুরে মানিকগঞ্জ জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে এ দৃশ্যের অবতারণা হয়।

মনোনয়ন বৈধ হওয়ার খবর জানার পর মহান আল্লাহর দরবারে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করতে প্রকাশ্যেই সেজদায় লুটিয়ে পড়েন তোজাম্মেল হক তোজা। এ সময় তিনি আল্লাহর শুকরিয়া আদায় করেন। তার এই আবেগঘন প্রতিক্রিয়া সেখানে উপস্থিত নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের দৃষ্টি আকর্ষণ করে এবং মুহূর্তেই আলোচনার সৃষ্টি হয়।

তোজাম্মেল হক তোজা বলেন, সব প্রতিকূলতা ও শঙ্কা কাটিয়ে মনোনয়ন বৈধ হওয়া তার জন্য আল্লাহর বিশেষ রহমত। তিনি বলেন, জনগণের ভোট ও ভালোবাসার ওপর আস্থা রেখেই তিনি নির্বাচনে অংশ নিতে চান। একই সঙ্গে তিনি মানিকগঞ্জ-১ আসনের সার্বিক উন্নয়ন, গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার এবং মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

উল্লেখ্য, যাচাই-বাছাই শেষে মানিকগঞ্জ জেলার বিভিন্ন আসনে একাধিক প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল ঘোষণা করা হলেও তোজাম্মেল হক তোজার মনোনয়ন বৈধ হওয়ায় এই আসনে নির্বাচনী প্রতিদ্বন্দ্বিতা আরও তীব্র হবে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

রাজধানী

পল্লবীতে জামায়াতের পোলিং অফিসারসহ ২ জনের কারাদণ্ড, কেন্দ্র থেকে বহিষ্কার

পল্লবীর মিরপুর শহীদ স্মৃতি উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্র থেকে অবৈধভাবে প্রবেশ ও প্রভাব বিস্তারের অভিযোগে জামায়াত সমর্থিত ‘দাঁড়িপাল্লা’ প্রতীকের দুই এজেন্টকে দুই বছর সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। নির্বাচনী দায়িত্ব পালনকালে অনিয়মের অভিযোগে ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সারা ফারজানা হক বুধবার এ দণ্ড দেন। দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন—মেহেদি হাসান খাদেম (৩২) ও রাইহান হোসেন (২৩)। অভিযোগ অনুযায়ী, নির্বাচনের আগের […]

পল্লবীতে জামায়াতের পোলিং অফিসারসহ ২ জনের কারাদণ্ড, কেন্দ্র থেকে বহিষ্কার

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২১:১৯

পল্লবীর মিরপুর শহীদ স্মৃতি উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্র থেকে অবৈধভাবে প্রবেশ ও প্রভাব বিস্তারের অভিযোগে জামায়াত সমর্থিত ‘দাঁড়িপাল্লা’ প্রতীকের দুই এজেন্টকে দুই বছর সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।

নির্বাচনী দায়িত্ব পালনকালে অনিয়মের অভিযোগে ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সারা ফারজানা হক বুধবার এ দণ্ড দেন। দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন—মেহেদি হাসান খাদেম (৩২) ও রাইহান হোসেন (২৩)।

অভিযোগ অনুযায়ী, নির্বাচনের আগের রাতে ঢাকা-১৬ আসনের ওই কেন্দ্রে তারা নিয়মবহির্ভূতভাবে প্রবেশ করেন। তদন্তে জানা যায়, কেন্দ্রের দায়িত্বে থাকা পোলিং অফিসার মোছাঃ সুমনা ইসলাম (সহকারী শিক্ষিকা) তাদের প্রবেশে সহায়তা করেছিলেন। স্থানীয় সূত্রে দাবি করা হয়, তিনি স্থানীয় ৬ নম্বর ওয়ার্ড জামায়াতের সাধারণ সম্পাদকের স্ত্রী।

ঘটনার পর নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সারা ফারজানা হক সেখানে উপস্থিত হয়ে গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ, ১৯৭২-এর সংশ্লিষ্ট ধারায় তাৎক্ষণিক বিচার কার্যক্রম পরিচালনা করেন। অবৈধ প্রভাব বিস্তারের দায়ে দুই এজেন্টকে দুই বছর সশ্রম কারাদণ্ড ও ৫ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়। অর্থদণ্ড অনাদায়ে আরও ১৫ দিনের সশ্রম কারাদণ্ডের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

এ ঘটনায় অভিযুক্ত পোলিং অফিসার মোছাঃ সুমনা ইসলামকে তাৎক্ষণিকভাবে নির্বাচনী দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। প্রিজাইডিং অফিসার জানান, কেন্দ্রের শৃঙ্খলা ও স্বচ্ছতা বজায় রাখতে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।