বুধবার, ১৭ ডিসেম্বর ২০২৫

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

অর্থনীতি

ভারতীয় বন্দর ব্যবহারে বাংলাদেশের অনীহা, বাণিজ্যিক সম্পর্ক তলানিতে

ভারতের বিমানবন্দর ও নৌবন্দর দিয়ে তৈরি পোশাক রপ্তানি বন্ধ করে দিয়েছে বাংলাদেশ। এর পরিবর্তে এখন মালদ্বীপের মাধ্যমে গার্মেন্ট পণ্য বিশ্বব্যাপী পৌঁছানো হচ্ছে। বাংলাদেশের এই সিদ্ধান্তের কারণে ভারতের নৌ ও বিমানবন্দর বিপুল রাজস্ব হারাচ্ছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট ভারতীয় কর্মকর্তারা। গতকাল শনিবার এক প্রতিবেদনে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম লাইভমিন্ট এ তথ্য জানিয়েছে। লাইভমিন্টকে এমএসসি এজেন্সি (ইন্ডিয়া) প্রাইভেট লিমিটেডের মহাপরিচালক […]

নিউজ ডেস্ক

০৩ নভেম্বর ২০২৪, ১১:২৬

ভারতের বিমানবন্দর ও নৌবন্দর দিয়ে তৈরি পোশাক রপ্তানি বন্ধ করে দিয়েছে বাংলাদেশ। এর পরিবর্তে এখন মালদ্বীপের মাধ্যমে গার্মেন্ট পণ্য বিশ্বব্যাপী পৌঁছানো হচ্ছে। বাংলাদেশের এই সিদ্ধান্তের কারণে ভারতের নৌ ও বিমানবন্দর বিপুল রাজস্ব হারাচ্ছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট ভারতীয় কর্মকর্তারা।

গতকাল শনিবার এক প্রতিবেদনে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম লাইভমিন্ট এ তথ্য জানিয়েছে।

লাইভমিন্টকে এমএসসি এজেন্সি (ইন্ডিয়া) প্রাইভেট লিমিটেডের মহাপরিচালক দীপক তিওয়ারি বলেছেন, “আগে বাংলাদেশের পণ্য ভারতীয় বিমানবন্দরের মাধ্যমে পরিবহন হতো। কিন্তু এখন তারা অন্যান্য রুটে তাদের পণ্য পরিবহন করছে। যার অর্থ আগে এসব পণ্যের কার্গো থেকে ভারত যে রাজস্ব পেত সেটি এখন পাচ্ছে না। এমএসসি এজেন্সি (ইন্ডিয়া) ভারতের অন্যতম বড় কার্গো পরিবহন সংস্থা।

 

দেশটির কর্মকর্তারা বলেছেন, বাংলাদেশ এখন তৈরি পোশাক পণ্য জাহাজে করে প্রথমে মালদ্বীপে পাঠাচ্ছে। এরপর সেখান থেকে বিমানে করে বিশ্বব্যাপী গন্তব্যে পৌঁছানো হচ্ছে পণ্যগুলো। যার মধ্যে রয়েছে এইচঅ্যান্ডএম এবং জারার মতো বিশ্বখ্যাত কম্পানির পোশাকও।

বাংলাদেশ বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহৎ তৈরি পোশাক রপ্তানিকারক দেশ।

যার অর্থ ভারত দিয়ে বিলিয়ন বিলিয়ন ডলারের পণ্য বিশ্বব্যাপী রপ্তানি করত ঢাকা। ভারতের বদলে অন্য দেশের মাধ্যমে বাংলাদেশ পণ্য রপ্তানি করলে বাংলাদেশ-ভারতের মধ্যে বাণিজ্যিক সম্পর্ক দুর্বল হয়ে যেতে পারে। এ ছাড়া লজিস্টিক এবং কাঠামোগত প্রজেক্টে থাকা সহযোগিতাপূর্ণ সুযোগগুলো শঙ্কায় পড়তে পারে বলে শঙ্কা প্রকাশ করেছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

এক কর্মকর্তা বলেছেন, “বাংলাদেশের এমন সিদ্ধান্তে ভারত সরকার একটি সামঞ্জস্যপূর্ণ সমাধানের পথ খুঁজছে। যেটি ভারত হয়ে বাংলাদেশের বিপুল পরিমাণ তৈরি পোশাক পণ্য রপ্তানির বিষয়টি নিশ্চিত করবে এবং ভারতের স্বার্থ রক্ষা করবে।

অন্য এক কর্মকর্তা বলেছেন, “বাংলাদেশের রপ্তানীকৃত এসব তৈরি পোশাক পণ্যের একটি বড় অংশ ভারতীয় অবকাঠামো বা কারখানায় উৎপাদিত হয়। যেগুলো বাংলাদেশে অবস্থিত ভারতীয় কম্পানিগুলোই পরিচালনা করে। এই বিষয়টি (ভারত) সরকারের নজরে রয়েছে। ভারতের ওপর এটির প্রভাব কেমন হতে পারে এখন আমরা সেটি নিরূপণের চেষ্টা করছি।”

তবে এক শিল্প বিশেষজ্ঞ অরুণ কুমার জানিয়েছেন, বাংলাদেশ ভারতের ওপর কোনো রাগ বা বিরাগ থেকে এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে তাঁর মনে হচ্ছে না। মূলত নিজেদের সাপ্লাই চেইনের ওপর নিয়ন্ত্রণ এবং ভারতীয় বন্দরগুলোর মাধ্যমে সময়মতো পণ্য রপ্তানি না হওয়ায় বাংলাদেশ এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে ধারণা তাঁর।

এই বিশেষজ্ঞ বলেছেন, “রপ্তানির ক্ষেত্রে নতুন রুটের মাধ্যমে কৌশলগত সুবিধা, সঙ্গে নিশ্চিত নির্ভরযোগ্যতা পাওয়ার সুযোগ পাচ্ছে বাংলাদেশ, যা আন্তর্জাতিক পোশাক বাজারের কঠোর সময়সীমার ক্ষেত্রে খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এ ছাড়া ভারতের বন্দরের ওপর থেকে নির্ভরতা কমিয়ে বাংলাদেশ তাদের সাপ্লাই চেইনের ওপর আরো নিয়ন্ত্রণ আরোপ করছে।”

অরুণ কুমার আরো বলেছেন, গার্মেন্ট পণ্যকে পচনশীল পণ্য হিসেবে বিবেচনা করা হয়। কারণ নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে চালান পৌঁছে দিতে না পারলে অর্ডার বাতিল হয়ে যায়। গার্মেন্ট পণ্য এমন পণ্য যেটি একটি নির্দিষ্ট মৌসুমের পর ভ্যালু হারায়।

তবে ভারতের অ্যাপারেল এক্সপোর্ট প্রমোশন কাউন্সিলের নির্বাহী সদস্য সংবাদমাধ্যম লাইভমিন্টের কাছে দাবি করেছেন, ভারতের মাধ্যমে বাংলাদেশ তৈরি পোশাক রপ্তানি বন্ধ করলেও তাদের খুব ক্ষতি হবে না। তাঁর দাবি,

ভারতীয় বন্দরগুলো এমনিতেই অনেক ব্যস্ত। এ কারণে তাঁরা তাঁদের বন্দর হয়ে বাংলাদেশের পণ্য রপ্তানি বন্ধের জন্য আগেই ভারত সরকারকে অনুরোধ জানিয়েছিলেন।

তিনি বলেছেন, “এ বিষয়টি খুব বড় কিছু নয়। ভারতীয় বিমানবন্দরগুলো এরই মধ্যে অনেক ব্যস্ত। আমরা বাংলাদেশের পণ্য ভারতীয় বিমানবন্দর দিয়ে রপ্তানির ক্ষেত্রে বিধি-নিষেধ আরোপ করতে সরকারকে অনুরোধ করেছি।”

ভারত হয়ে তৈরি পোশাক রপ্তানি বন্ধের সঙ্গে শেখ হাসিনা সরকারের পতন এবং তাঁকে আশ্রয় দেওয়ার কোনো সম্পর্ক নেই বলে জানিয়েছেন অন্য এক কর্মকর্তা। তিনি বলেছেন, “শেখ হাসিনাকে আশ্রয় দেওয়ার কারণে বাংলাদেশ এটি করছে বলে ভারত সরকার মনে করে না। টেক্সটাইল হলো বাংলাদেশের মেরুদণ্ড। যার অর্থ টেক্সটাইল পণ্য রপ্তানি বাড়াতেই তারা এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছে।”

অর্থনীতি

চীনের সঙ্গে বাণিজ্য সহজ করতে, বাংলাদেশকে করাচি বন্দর ব্যবহারের প্রস্তাব পাকিস্তানের

চীনের সঙ্গে বাণিজ্যিক যোগাযোগ সহজ করতে বাংলাদেশকে করাচি সমুদ্রবন্দর ব্যবহারের প্রস্তাব দিয়েছে পাকিস্তান। ইসলামাবাদ মনে করছে, করাচি পোর্ট ট্রাস্ট (কেপিটি) পরিচালিত এই বন্দর ব্যবহার করলে বাংলাদেশের ব্যবসায়ীদের জন্য নতুন সমুদ্রপথ উন্মুক্ত হবে এবং আঞ্চলিক সংযোগ আরও শক্তিশালী হবে।

নিউজ ডেস্ক

১৭ অক্টোবর ২০২৫, ১৯:২৮

চীনের সঙ্গে বাণিজ্যিক যোগাযোগ সহজ করতে বাংলাদেশকে করাচি সমুদ্রবন্দর ব্যবহারের প্রস্তাব দিয়েছে পাকিস্তান। ইসলামাবাদ মনে করছে, করাচি পোর্ট ট্রাস্ট (কেপিটি) পরিচালিত এই বন্দর ব্যবহার করলে বাংলাদেশের ব্যবসায়ীদের জন্য নতুন সমুদ্রপথ উন্মুক্ত হবে এবং আঞ্চলিক সংযোগ আরও শক্তিশালী হবে।

আগামী ২৭ অক্টোবর ঢাকায় অনুষ্ঠিতব্য বাংলাদেশ-পাকিস্তান যৌথ অর্থনৈতিক কমিশনের (জেইসি) নবম বৈঠকে এই প্রস্তাবটি আনুষ্ঠানিকভাবে আলোচনায় আসবে। প্রায় ২০ বছর পর এই কমিশনের বৈঠক অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। সর্বশেষ বৈঠক হয়েছিল ২০০৫ সালে

অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ (ইআরডি) সূত্রে জানা গেছে, সরাসরি সমুদ্রপথে বাণিজ্য বাড়ানোর লক্ষ্যে বাংলাদেশ শিপিং কর্পোরেশন (বিএসসি) ও পাকিস্তান ন্যাশনাল শিপিং কর্পোরেশনের (পিএনএসসি) মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) সইয়ের বিষয়টি বিবেচনায় রয়েছে। এই চুক্তি কার্যকর হলে চট্টগ্রাম ও করাচির মধ্যে নিয়মিত পণ্যবাহী জাহাজ চলাচল সম্ভব হবে, ফলে তৃতীয় দেশের বন্দর নির্ভরতা অনেকটাই কমে আসবে।

উল্লেখযোগ্য যে, ২০২৩ সালের নভেম্বরে করাচি বন্দর থেকে পাঁচ দশক পর প্রথমবারের মতো একটি সরাসরি কার্গো জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরে আসে। সেই ঘটনার পর থেকেই পাকিস্তান সামুদ্রিক সহযোগিতা বাড়াতে আগ্রহ প্রকাশ করে এবং একটি যৌথ ওয়ার্কিং গ্রুপ গঠনের প্রস্তাব দেয়।

ইআরডি জানিয়েছে, এবারের বৈঠকে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য সম্প্রসারণ, হালাল পণ্য মান নিয়ন্ত্রণ, ব্যাংকিং প্রশিক্ষণ, চিনি শিল্পে কারিগরি সহায়তা, গবাদিপশুর জাত উন্নয়ন, টিকা উৎপাদন, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা এবং শিক্ষা খাতে সহযোগিতাসহ একাধিক বিষয় নিয়ে আলোচনা হবে। একইসঙ্গে পাকিস্তান হালাল কর্তৃপক্ষ (পিএইচএ) ও বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন (বিএসটিআই)-এর মধ্যে একটি নতুন এমওইউ সইয়ের পরিকল্পনাও রয়েছে।

এছাড়া পাকিস্তান বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য ৫০০টি নতুন বৃত্তি, একটি পাকিস্তানি বিশ্ববিদ্যালয়ের শাখা ক্যাম্পাস স্থাপন এবং নিরাপত্তা সামগ্রী মুদ্রণের জন্য কাগজ ও কালি সরবরাহের প্রস্তাব দিয়েছে।

২০২৩-২৪ অর্থবছরে দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যের পরিমাণ ছিল প্রায় ৮০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। এর মধ্যে পাকিস্তান থেকে বাংলাদেশে রপ্তানি হয়েছে ৬৬১ মিলিয়ন ডলার, আর বাংলাদেশ থেকে পাকিস্তানে রপ্তানি হয়েছে মাত্র ৫৭ মিলিয়ন ডলার। বাংলাদেশ থেকে মূলত পাটজাত পণ্য, তৈরি পোশাক, সিরামিক ও ওষুধ রপ্তানি হয়; অন্যদিকে পাকিস্তান থেকে আসে তুলা, সুতা, রাসায়নিক দ্রব্য, ওষুধ ও লোহা-ইস্পাতজাত সামগ্রী।

পলিসি এক্সচেঞ্জ বাংলাদেশের চেয়ারম্যান ড. এম মাসরুর রিয়াজ বলেন, “করাচি বন্দর ব্যবহার করে সরাসরি রপ্তানি চালু হলে বাংলাদেশের জন্য নতুন বাজার উন্মুক্ত হবে। তৈরি পোশাক, চামড়া, কৃষিপণ্য ও তথ্যপ্রযুক্তি খাতে বড় সম্ভাবনা তৈরি হবে।”

তিনি আরও বলেন, “দুই দেশের মধ্যে ভিসা ও বিমান সংযোগ পুনরায় চালু হওয়ায় পর্যটন ও ব্যবসায়িক সম্পর্ক আরও জোরদার হচ্ছে। এতে দক্ষিণ এশিয়ায় একটি নতুন অর্থনৈতিক ধারা সৃষ্টি হতে পারে।”

অর্থনীতি

হঠাৎ বাংলাদেশিদের বিজনেস ভিসা দেওয়া শুরু করেছে ভারত

ভারতীয় হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মা জানিয়েছেন, সীমিত জনবল ও সক্ষমতার মধ্যেও বাংলাদেশের আবেদনকারীদের জন্য আবারও ব্যবসায়িক ভিসা ইস্যু শুরু হয়েছে এবং জরুরি প্রয়োজনের ভিসাগুলো অগ্রাধিকার দিয়ে দ্রুত প্রক্রিয়া করা হচ্ছে।

হঠাৎ বাংলাদেশিদের বিজনেস ভিসা দেওয়া শুরু করেছে ভারত

ছবি :সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২০ নভেম্বর ২০২৫, ০৫:২৯

ভারতীয় হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মা জানিয়েছেন, সীমিত জনবল ও সক্ষমতার মধ্যেও বাংলাদেশের আবেদনকারীদের জন্য আবারও ব্যবসায়িক ভিসা ইস্যু শুরু হয়েছে এবং জরুরি প্রয়োজনের ভিসাগুলো অগ্রাধিকার দিয়ে দ্রুত প্রক্রিয়া করা হচ্ছে।

বুধবার রাজধানীর বারিধারায় ভারতীয় হাইকমিশন প্রাঙ্গণে আয়োজিত নেটওয়ার্কিং ও জ্ঞান বিনিময় আয়োজন ‘ফার্মা কানেক্ট’ অনুষ্ঠানে তিনি এ তথ্য দেন। প্রণয় ভার্মা বলেন, সাম্প্রতিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ও কর্মীসংখ্যার সীমাবদ্ধতার কারণে কিছু ভিসা আবেদন কেন্দ্র সাময়িকভাবে বন্ধ রাখতে হয়েছিল। তবে এখন সীমিত জনবল নিয়েই প্রতিদিন উল্লেখযোগ্য পরিমাণ আবেদন প্রক্রিয়ায় আনা হচ্ছে।

হাইকমিশনার বলেন, বিজনেস ভিসা ইস্যুর কার্যক্রম আবারও চালু হয়েছে এবং জরুরি আবেদনের ক্ষেত্রে দ্রুত সাড়া দেওয়ার চেষ্টা চলছে। তিনি আরও জানান, ব্যবসায়িক ভিসার জন্য প্রয়োজন হলে আবেদনকারীরা সরাসরি হাইকমিশনের অর্থনৈতিক ও বাণিজ্য সচিবের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারবেন।

অনুষ্ঠানে দেশের শীর্ষস্থানীয় ফার্মাসিউটিক্যাল উদ্যোক্তা ও কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। তারা দীর্ঘদিন ধরে ভিসা প্রাপ্তিতে জটিলতা থাকার বিষয়টি উল্লেখ করে দ্রুত সমাধানের আহ্বান জানান। পাশাপাশি দুই দেশের মধ্যে সড়কপথে পণ্য পরিবহন আরও সহজ ও কার্যকর করার দাবি তুলেন।

ভারতের আন্তর্জাতিক ফার্মাসিউটিক্যাল প্রদর্শনী ‘সিপিএইচআই–পিএমইসি ইন্ডিয়া ২০২৫’–এ বাংলাদেশের অংশগ্রহণকে সামনে রেখে এই আয়োজন করা হয়। আগামী ২৫ থেকে ২৭ নভেম্বর নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠিত হবে প্রদর্শনীটি।

অর্থনীতি

হাসিনার পরিবারসহ ১১ শিল্প গ্রুপের ৪৬ হাজার কোটি টাকার সম্পদ জব্দ

ব্যাংক অ্যাকাউন্ট ছাড়াও ৭ হাজার ৭৭৪ কোটি টাকার স্থাবর সম্পত্তি এবং ৩৯ হাজার ৩০ কোটি টাকার অস্থাবর সম্পদ আদালতের নির্দেশে জব্দ করা হয়েছে। এর আগে স্থগিত হওয়া ব্যাংক ও বিও হিসাবও আদালতের মাধ্যমে জব্দের আওতায় আনা হয়

নিউজ ডেস্ক

২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ২০:২২

শেখ হাসিনার পরিবারসহ দেশের প্রভাবশালী ১১টি শিল্পগ্রুপের ব্যাংক হিসাব ও সম্পদ জব্দ করেছে বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ)। সংস্থার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মোট ১ হাজার ৬৭৯ কোটি টাকার ব্যাংক অ্যাকাউন্ট স্থগিত করা হয়েছে, পাশাপাশি স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদ মিলিয়ে প্রায় ৪৬ হাজার ৮০৫ কোটি টাকার সম্পত্তি জব্দ করা হয়েছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, ব্যাংক অ্যাকাউন্ট ছাড়াও ৭ হাজার ৭৭৪ কোটি টাকার স্থাবর সম্পত্তি এবং ৩৯ হাজার ৩০ কোটি টাকার অস্থাবর সম্পদ আদালতের নির্দেশে জব্দ করা হয়েছে। এর আগে স্থগিত হওয়া ব্যাংক ও বিও হিসাবও আদালতের মাধ্যমে জব্দের আওতায় আনা হয়।

উল্লেখ্য, শেখ হাসিনার পরিবারসহ ১১টি শিল্পগ্রুপের বিরুদ্ধে বিপুল পরিমাণ অর্থ পাচার এবং পাচারের টাকায় বিদেশে অঢেল সম্পদ গড়ে তোলার তথ্য প্রকাশ্যে আসে। পরবর্তীতে এসব প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ১০টির বিষয়ে বিএফআইইউ আন্তর্জাতিক সংস্থার সহায়তায় তদন্ত চালায় এবং সেই ভিত্তিতেই প্রাথমিক প্রতিবেদন তৈরি করে আদালতে দাখিল করা হয়।