বৃহস্পতিবার, ০২ এপ্রিল ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

বানিজ্য

চট্টগ্রাম বন্দরে ৩ লাখ ৫৬ হাজার লিটার চোরাই তেল জব্দ

চট্টগ্রাম বন্দরে পোর্টল্যান্ড নামে একটি প্রতিষ্ঠানের জাহাজ থেকে ৩ লাখ ৫৬ হাজার লিটার চোরাই তেল এমটি ডলফিন-১৯ নামে আরেকটি জাহাজে পাচারের সময় দুটি জাহাজই আটক করেছে কোস্টগার্ড। বর্তমানে জাহাজ দুটি কুতুবদিয়ায় নোঙ্গররত আছে। বন্দর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, গতকাল (২ ফেব্রুয়ারি) পানামা পতাকাবাহী এমটি ডলফিন-১৯ নামে জাহাজ পাকিস্তান থেকে মোলাসেস দ্রব্য নিয়ে মোংলা বন্দরের উদ্দেশে যাওয়ার কথা […]

নিউজ ডেস্ক

০৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৫, ১০:৫৩

চট্টগ্রাম বন্দরে পোর্টল্যান্ড নামে একটি প্রতিষ্ঠানের জাহাজ থেকে ৩ লাখ ৫৬ হাজার লিটার চোরাই তেল এমটি ডলফিন-১৯ নামে আরেকটি জাহাজে পাচারের সময় দুটি জাহাজই আটক করেছে কোস্টগার্ড। বর্তমানে জাহাজ দুটি কুতুবদিয়ায় নোঙ্গররত আছে।

বন্দর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, গতকাল (২ ফেব্রুয়ারি) পানামা পতাকাবাহী এমটি ডলফিন-১৯ নামে জাহাজ পাকিস্তান থেকে মোলাসেস দ্রব্য নিয়ে মোংলা বন্দরের উদ্দেশে যাওয়ার কথা থাকলেও জাহাজটি গোপনে চট্টগ্রামের বহিঃনোঙরে এসে অবৈধভাবে পোর্টল্যান্ড নামের একটি প্রতিষ্ঠান থেকে আনুমানিক ৩ লাখ ৫৬’হাজার লিটার জ্বালানি তেল সংগ্রহ করে।

একপর্যায়ে বেআইনিভাবে তেল সংগ্রহ করায় কোস্টগার্ড সদস্যরা জাহাজ কর্তৃপক্ষকে জিজ্ঞাসাবাদ করে। পরে পোর্ট ও কাস্টমস থেকে বাংকারিং এর বৈধ কাগজপত্র দেখাতে না পারায় জাহাজ দুটিকে আটক করা হয়।

জানা গেছে, পোর্টল্যান্ড প্রতিষ্ঠানটির মালিক ফেনীর ছাগলনাইয়া উপজেলা চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান মজুমদার এবং তার তেল সরবরাহকারী ওটি ইউনিয়ন জাহাজটির মালিক বরিশাল এর সাবেক মেয়র খোকন সেরনিয়াবাত।

বানিজ্য

নগদে বিনিয়োগে আগ্রহী জামায়াত এমপি আরমান, অডিটের অনুমতি চেয়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংকে চিঠি

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য মীর আহমাদ বিন কাসেম আরমান সমস্যায় থাকা মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস প্রতিষ্ঠান নগদে নতুন বিনিয়োগ আনার উদ্যোগ নিয়েছেন। এ লক্ষ্যে সম্ভাব্য বিনিয়োগের আগে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ও সার্বিক অবস্থা যাচাই করতে ফরেনসিক অডিটের অনুমতি চেয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের কাছে চিঠি দিয়েছেন তিনি। গত ৮ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তিন দিন […]

নগদে বিনিয়োগে আগ্রহী জামায়াত এমপি আরমান, অডিটের অনুমতি চেয়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংকে চিঠি

নগদে বিনিয়োগে আগ্রহী জামায়াত এমপি আরমান, অডিটের অনুমতি চেয়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংকে চিঠি

নিউজ ডেস্ক

২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১১:২৭

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য মীর আহমাদ বিন কাসেম আরমান সমস্যায় থাকা মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস প্রতিষ্ঠান নগদে নতুন বিনিয়োগ আনার উদ্যোগ নিয়েছেন। এ লক্ষ্যে সম্ভাব্য বিনিয়োগের আগে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ও সার্বিক অবস্থা যাচাই করতে ফরেনসিক অডিটের অনুমতি চেয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের কাছে চিঠি দিয়েছেন তিনি।

গত ৮ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তিন দিন আগে পাঠানো ওই চিঠিতে নগদের বর্তমান অবস্থান মূল্যায়নের জন্য অডিট পরিচালনার সুযোগ চাওয়া হয়। বিষয়টি তিনি নিজেই নিশ্চিত করেছেন।

প্রয়াত জামায়াত নেতা মীর কাসেম আলীর ছেলে আরমান আওয়ামী লীগ সরকারের সময় প্রায় আট বছর গুম ছিলেন। ২০১৬ সালে মিরপুর থেকে অপহৃত হন এবং ২০২৪ সালের ৬ আগস্ট— শেখ হাসিনা সরকারের পতনের একদিন পর মুক্তি পান তিনি। যুক্তরাজ্যে আইন বিষয়ে প্রশিক্ষণ নেওয়া এই আইনজীবী কথিত ‘আয়নাঘর’-এ আটক থাকা ব্যক্তিদের একজন ছিলেন।

সংবাদ মাধ্যমকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে মীর আহমাদ বিন কাসেম আরমান বলেন, ‘বিনিয়োগে সহায়তা করা নাগরিক দায়িত্বের অংশ। দেশি-বিদেশি বহুজাতিক বিনিয়োগ প্রতিষ্ঠানের স্থানীয় সমন্বয়কারী হিসেবে কাজ করছেন এবং তারা সম্ভাব্য বিনিয়োগের আগে নগদের অডিট করতে চায়।’

চিঠিতে তিনি উল্লেখ করেন, উদীয়মান প্রযুক্তি ও ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে বৈশ্বিক আর্থিক খাতের সঙ্গে তাল মিলিয়ে একটি ডিজিটাল ব্যাংক গঠনের আগ্রহ রয়েছে। ইতোমধ্যে এ প্রকল্পে কয়েকজন বিদেশি বিনিয়োগকারী এতে আগ্রহ দেখিয়েছেন বলে জানান তিনি।

তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ ব্যাংকের সরাসরি তত্ত্বাবধানে থাকা নগদকে যথাযথ যাচাই-বাছাই শেষে নতুন মালিকানা ও ব্যবস্থাপনায় হস্তান্তরের পরিকল্পনার কথা তিনি জেনেছেন। সম্ভাব্য বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে আলোচনা করে ফরেনসিক অডিটের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক, পরিচালনাগত সক্ষমতা, ঝুঁকি, শক্তি ও দুর্বলতা সম্পর্কে পূর্ণাঙ্গ ধারণা নেওয়ার চেষ্টা করছেন।

এ বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আহসান এইচ মনসুর বলেন, নগদ নিয়ে বিভিন্ন প্রস্তাব পাওয়া গেলেও এখন পর্যন্ত কোনোটি গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনার মতো নয়। অন্তর্বর্তী সরকার নগদকে আবার বেসরকারি খাতে ফিরিয়ে দিতে চেয়েছিল, তবে এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে নতুন সরকার। নগদ বর্তমানে সরকারের মালিকানাধীন এবং বাংলাদেশ ব্যাংক কেবল এটি পরিচালনা করছে।

২০১৯ সালে বাংলাদেশ ডাক বিভাগের আর্থিক সেবা হিসেবে যাত্রা শুরু করা নগদ এখনও কেন্দ্রীয় ব্যাংকের অস্থায়ী লাইসেন্সে কার্যক্রম চালাচ্ছে। ২০২৪ সালের আগস্টে অনিয়মের অভিযোগে বাংলাদেশ ব্যাংক সেখানে প্রশাসক নিয়োগ করে। পরে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নিয়োগ দেওয়া ফরেনসিক অডিটর ও দুর্নীতি দমন কমিশনের তদন্তে আগের ব্যবস্থাপনার সময়ে প্রায় ২,৩০০ কোটি টাকার দুর্নীতি ও অর্থপাচারের প্রাথমিক প্রমাণ পায়।