শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

বানিজ্য

তিমুর-লেস্তে ভিসা ছাড়াই যাওয়া যাবে

ভিসা ছাড়াই তিমুর-লেস্তে যেতে পারবেন বাংলাদেশিরা। কূটনৈতিক, অফিসিয়াল বা সার্ভিস পাসপোর্টধারীরা ভিসা থেকে অব্যাহতি পেতে দুই দেশের মধ্যে একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৯ জানুয়ারি) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সুরক্ষা সেবা বিভাগের উদ্যোগের এই বিষয়টি সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানায় মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ জানায়, আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে দ্বিপাক্ষিক অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক সহযোগিতা সম্প্রসারণ এবং আন্তঃদেশীয় সম্পর্ককে অধিক ফলপ্রসূ করার […]

নিউজ ডেস্ক

০৯ জানুয়ারী ২০২৫, ১৯:৫৯

ভিসা ছাড়াই তিমুর-লেস্তে যেতে পারবেন বাংলাদেশিরা। কূটনৈতিক, অফিসিয়াল বা সার্ভিস পাসপোর্টধারীরা ভিসা থেকে অব্যাহতি পেতে দুই দেশের মধ্যে একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ জানুয়ারি) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সুরক্ষা সেবা বিভাগের উদ্যোগের এই বিষয়টি সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানায় মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ জানায়, আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে দ্বিপাক্ষিক অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক সহযোগিতা সম্প্রসারণ এবং আন্তঃদেশীয় সম্পর্ককে অধিক ফলপ্রসূ করার লক্ষ্যে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে বাংলাদেশের ভিসা অব্যাহতি চুক্তি সম্পাদন করা হয়ে থাকে। এ পর্যন্ত ২৯টি দেশের সঙ্গে বাংলাদেশের ভিসা অব্যাহতি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। চুক্তিবদ্ধ দেশসমূহের মধ্যে এশিয়ার ২১টি, ইউরোপের ৪টি, আফ্রিকার ১টি এবং আমেরিকার ৩টি দেশ রয়েছে।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, বাংলাদেশ ও তিমুর-লেস্তের মধ্যে কূটনৈতিক, অফিসিয়াল/সার্ভিস পাসপোর্টধারীদের জন্য ভিসা অব্যাহতি চুক্তি তিমুর-লেস্তের রাষ্ট্রপতি বাংলাদেশ সফরকালে উভয় দেশের প্রতিনিধির উপস্থিতিতে গত ১৫ ডিসেম্বর ঢাকায় স্বাক্ষরিত হয়। চুক্তিটি কার্যকর হলে উভয় দেশের কূটনৈতিক, অফিসিয়াল/সার্ভিস পাসপোর্টধারী নাগরিকগণ চুক্তিবদ্ধ অপর পক্ষের ভূ-খণ্ডে প্রবেশ, ট্রানজিট, অবস্থান এবং বহির্গমনের ক্ষেত্রে প্রবেশের তারিখ হতে অনধিক ৩০ দিনের জন্য ভিসার আবশ্যকতা হতে অব্যাহতি পাবেন। এই চুক্তিটি অনির্দিষ্টকালের জন্য বলবৎ থাকবে, তবে নোটিশ প্রদানের ৩০ দিনের মধ্যে যেকোনো পক্ষ চুক্তির অবসান ঘটাতে পারবে।

এর ফলে বাংলাদেশ ও তিমুর-লেস্তের মধ্যে অর্থনৈতিক, বাণিজ্যিক সহযোগিতা বৃদ্ধি, শ্রম বাজার সম্প্রসারণ ও পারস্পরিক সম্পর্ককে অধিক জোরদার করার জন্য ভ্রমণ প্রক্রিয়া সহজতর হবে বলে জানানো হয়।

বানিজ্য

নগদে বিনিয়োগে আগ্রহী জামায়াত এমপি আরমান, অডিটের অনুমতি চেয়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংকে চিঠি

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য মীর আহমাদ বিন কাসেম আরমান সমস্যায় থাকা মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস প্রতিষ্ঠান নগদে নতুন বিনিয়োগ আনার উদ্যোগ নিয়েছেন। এ লক্ষ্যে সম্ভাব্য বিনিয়োগের আগে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ও সার্বিক অবস্থা যাচাই করতে ফরেনসিক অডিটের অনুমতি চেয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের কাছে চিঠি দিয়েছেন তিনি। গত ৮ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তিন দিন […]

নগদে বিনিয়োগে আগ্রহী জামায়াত এমপি আরমান, অডিটের অনুমতি চেয়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংকে চিঠি

নগদে বিনিয়োগে আগ্রহী জামায়াত এমপি আরমান, অডিটের অনুমতি চেয়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংকে চিঠি

নিউজ ডেস্ক

২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১১:২৭

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য মীর আহমাদ বিন কাসেম আরমান সমস্যায় থাকা মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস প্রতিষ্ঠান নগদে নতুন বিনিয়োগ আনার উদ্যোগ নিয়েছেন। এ লক্ষ্যে সম্ভাব্য বিনিয়োগের আগে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক ও সার্বিক অবস্থা যাচাই করতে ফরেনসিক অডিটের অনুমতি চেয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের কাছে চিঠি দিয়েছেন তিনি।

গত ৮ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তিন দিন আগে পাঠানো ওই চিঠিতে নগদের বর্তমান অবস্থান মূল্যায়নের জন্য অডিট পরিচালনার সুযোগ চাওয়া হয়। বিষয়টি তিনি নিজেই নিশ্চিত করেছেন।

প্রয়াত জামায়াত নেতা মীর কাসেম আলীর ছেলে আরমান আওয়ামী লীগ সরকারের সময় প্রায় আট বছর গুম ছিলেন। ২০১৬ সালে মিরপুর থেকে অপহৃত হন এবং ২০২৪ সালের ৬ আগস্ট— শেখ হাসিনা সরকারের পতনের একদিন পর মুক্তি পান তিনি। যুক্তরাজ্যে আইন বিষয়ে প্রশিক্ষণ নেওয়া এই আইনজীবী কথিত ‘আয়নাঘর’-এ আটক থাকা ব্যক্তিদের একজন ছিলেন।

সংবাদ মাধ্যমকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে মীর আহমাদ বিন কাসেম আরমান বলেন, ‘বিনিয়োগে সহায়তা করা নাগরিক দায়িত্বের অংশ। দেশি-বিদেশি বহুজাতিক বিনিয়োগ প্রতিষ্ঠানের স্থানীয় সমন্বয়কারী হিসেবে কাজ করছেন এবং তারা সম্ভাব্য বিনিয়োগের আগে নগদের অডিট করতে চায়।’

চিঠিতে তিনি উল্লেখ করেন, উদীয়মান প্রযুক্তি ও ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে বৈশ্বিক আর্থিক খাতের সঙ্গে তাল মিলিয়ে একটি ডিজিটাল ব্যাংক গঠনের আগ্রহ রয়েছে। ইতোমধ্যে এ প্রকল্পে কয়েকজন বিদেশি বিনিয়োগকারী এতে আগ্রহ দেখিয়েছেন বলে জানান তিনি।

তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ ব্যাংকের সরাসরি তত্ত্বাবধানে থাকা নগদকে যথাযথ যাচাই-বাছাই শেষে নতুন মালিকানা ও ব্যবস্থাপনায় হস্তান্তরের পরিকল্পনার কথা তিনি জেনেছেন। সম্ভাব্য বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে আলোচনা করে ফরেনসিক অডিটের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক, পরিচালনাগত সক্ষমতা, ঝুঁকি, শক্তি ও দুর্বলতা সম্পর্কে পূর্ণাঙ্গ ধারণা নেওয়ার চেষ্টা করছেন।

এ বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আহসান এইচ মনসুর বলেন, নগদ নিয়ে বিভিন্ন প্রস্তাব পাওয়া গেলেও এখন পর্যন্ত কোনোটি গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনার মতো নয়। অন্তর্বর্তী সরকার নগদকে আবার বেসরকারি খাতে ফিরিয়ে দিতে চেয়েছিল, তবে এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে নতুন সরকার। নগদ বর্তমানে সরকারের মালিকানাধীন এবং বাংলাদেশ ব্যাংক কেবল এটি পরিচালনা করছে।

২০১৯ সালে বাংলাদেশ ডাক বিভাগের আর্থিক সেবা হিসেবে যাত্রা শুরু করা নগদ এখনও কেন্দ্রীয় ব্যাংকের অস্থায়ী লাইসেন্সে কার্যক্রম চালাচ্ছে। ২০২৪ সালের আগস্টে অনিয়মের অভিযোগে বাংলাদেশ ব্যাংক সেখানে প্রশাসক নিয়োগ করে। পরে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নিয়োগ দেওয়া ফরেনসিক অডিটর ও দুর্নীতি দমন কমিশনের তদন্তে আগের ব্যবস্থাপনার সময়ে প্রায় ২,৩০০ কোটি টাকার দুর্নীতি ও অর্থপাচারের প্রাথমিক প্রমাণ পায়।