শনিবার, ০৪ এপ্রিল ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সোশ্যাল মিডিয়া

প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা হলেন ডা. জাহেদ, যা বললেন ফাহাম আব্দুস সালাম

লেখক ও অনলাইন অ্যাক্টিভিস্ট এবং বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের মেয়ের জামাই ফাহাম আব্দুস সালাম বলেছেন, ডা. জাহেদের অগণিত ভিডিওর নিচে হয়তো একই কমেন্ট ২ লক্ষবার হয়েছে। জাহেদ তুমি বিএনপির দালাল। এখন উনি বিএনপি সরকারে ফর্মালি যোগ দিয়েছেন। এখনকার সেন্টিমেন্ট হোলো- হায় আল্লাহ! এই জাহেদকেই এতোদিন আমরা নিরপেক্ষ মনে করেছিলাম। অথচ সে ছিল গুপ্ত। […]

প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা হলেন ডা. জাহেদ, যা বললেন ফাহাম আব্দুস সালাম

প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা হলেন ডা. জাহেদ, যা বললেন ফাহাম আব্দুস সালাম

নিউজ ডেস্ক

১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১০:৫২

লেখক ও অনলাইন অ্যাক্টিভিস্ট এবং বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের মেয়ের জামাই ফাহাম আব্দুস সালাম বলেছেন, ডা. জাহেদের অগণিত ভিডিওর নিচে হয়তো একই কমেন্ট ২ লক্ষবার হয়েছে। জাহেদ তুমি বিএনপির দালাল। এখন উনি বিএনপি সরকারে ফর্মালি যোগ দিয়েছেন। এখনকার সেন্টিমেন্ট হোলো- হায় আল্লাহ! এই জাহেদকেই এতোদিন আমরা নিরপেক্ষ মনে করেছিলাম। অথচ সে ছিল গুপ্ত। কী সেই বিট্রেয়াল!

বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৭টার দিকে তিনি তার ভেরিফায়েড একাউন্টের এক পোস্টে এসব কথা বলেন।

পোস্টে ফাহাম আব্দুস সালাম লিখেছেন, কম্পিটেন্স জিনিসটাকে ডিল করার জন্য আমাদের সমাজে কোনো প্রস্তুতি নাই। প্রবাসে যদি কোনো বাংলাদেশি অনেক ওপরে ওঠে – সে সত্যিই গর্ব অনুভব করে – তার জন্য দোয়া করে। কিন্তু নিজের দেশে যদি ‘ওয়ান অব আস’ কেউ অনেক বিখ্যাত হয় বা ওপরে ওঠে – সে বিট্রেড ফিল করে, ভায়োলেটেড ফিল করে। এবং এই ফিলিংটা একদম ভিসেরাল। আমাদের নিজেদের ভেতরের কারো কম্পিটেন্সকে কীভাবে মূল্যায়িত করব – এ সম্বন্ধে আসলে সমাজে ‘হিংসা’ বাদে কোনো কনসেন্সাস নাই।

ফাহাম লেখেন, সফল ও বিখ্যাত হওয়ার আগেই প্রমাণিত হয়ে থাকতে হবে যে আপনি ওয়ান অব আস না। তা না হলে আপনার খবর আছে।

তিনি লেখেন, আমি জানি আপনি মনে করেন যে, এই ফেনোমেনন কী- সেটা আপনি জানেন। সম্ভবত না। বাংলার দেশে হিংসার ব্যাপ্তি কতোটা – আপনি নিজে বিখ্যাত/সফল না হলে কোনোদিনও বুঝতে পারবেন না।

ফাহাম আব্দুস সালাম লেখেন, উপার্জনকে ব্লাড মানি মনে করার এমন সদাপ্রস্তুতি পৃথিবীতে আর কোথাও আছে কিনা – আমি জানি না। আপনার সারা জীবনের পার্সোনাল রিলেশনশিপ ও অর্জনকে জলাঞ্জলি দিয়ে ওপরে উঠতে হবে। ভাত ও হিংসা – এই দুটো ড্রাইভ দিয়ে আপনি অন্তত আমাদের ৯০ শতাংশ কর্মকাণ্ডকে ব্যাখ্যা করতে পারবেন।

সোশ্যাল মিডিয়া

গণভোটে কেন ‘না’ ভোট দেবেন, জানালেন আসিফ মাহতাব

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠেয় গণভোটে ‘না’ ভোট দেবেন বলে জানিয়েছেন ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষক ও অনলাইন অ্যাক্টিভিস্ট আসিফ মাহতাব উৎস। সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) রাত সোয়া ৮টার দিকে দেওয়া এক ভিডিও বার্তায় এর কারণ স্পষ্ট করেছেন তিনি। আসিফ মাহতাব বলেন, আপনারা অনেকেই মেসেজ দিয়ে আমার কাছে জানতে চেয়েছেন যে জুলাই সনদে আমি ‘হাঁ’ ভোট দেব নাকি […]

গণভোটে কেন ‘না’ ভোট দেবেন, জানালেন আসিফ মাহতাব

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৩:০৭

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠেয় গণভোটে ‘না’ ভোট দেবেন বলে জানিয়েছেন ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষক ও অনলাইন অ্যাক্টিভিস্ট আসিফ মাহতাব উৎস।

সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) রাত সোয়া ৮টার দিকে দেওয়া এক ভিডিও বার্তায় এর কারণ স্পষ্ট করেছেন তিনি।

আসিফ মাহতাব বলেন, আপনারা অনেকেই মেসেজ দিয়ে আমার কাছে জানতে চেয়েছেন যে জুলাই সনদে আমি ‘হাঁ’ ভোট দেব নাকি ‘না’ ভোট দেব? বিভিন্ন ব্যস্ততার কারণে আমি অনলাইনে সক্রিয় থাকতে পারি না। আপনারা যেহেতু প্রচুর সংখ্যক মানুষ মেসেজ দিয়েছেন, তাই আমি ভিডিও বার্তায় তার উত্তর দিচ্ছি। আমার উত্তর হচ্ছে, জুলাই সনদে আমি ‘না’ ভোট দেব।

কেন ‘না’ ভোট দেবেন, কারণ ব্যাখ্যা করে তিনি বলেন, বিষয়টি আমি সংক্ষেপে বলার চেষ্টা করছি। জুলাই সনদের ৮৪ নম্বর ধারায় বলা আছে, জুলাই সনদ যদি বাস্তবায়ন হয়, তাহলে বাংলাদেশ ‘ওপেন গভর্মেন্ট পার্টনারশিপে’ যোগ দেবে। ওপেন গভর্মেন্ট পার্টনারশিপ জিনিসটা কী? জুলাইয়ে আমরা যে আন্দোলন করেছি তার সঙ্গে এর সম্পর্কটা কী? আমরা কি ওপেন গভর্মেন্ট পার্টনারশিপে যোগ দেওয়ার জন্য আন্দোলন করেছি?

‘ওপেন গভর্মেন্ট পার্টনারশিপের’ কার্যক্রম প্রসঙ্গে আসিফ মাহতাব উৎস বলেন, ওপেন গভর্মেন্ট পার্টনারশিপ হচ্ছে ‘এলজিবিটিকিউ রাইটস’-এর পক্ষে কাজ করা। অর্থাৎ এর মাধ্যমে এলজিবিটিকিউ রাইটস বাস্তবায়ন করা হবে। সুতরাং জুলাই সনদ পাস হলে তারা বলবে, এটা তো পাস হয়ে গেছে, আপনাকে এখন এলজিবিটিকিউ বাস্তবায়ন করতে হবে।

আসিফ মাহতাব বলেন, আমি তো ওপেন সোসাইটির জন্য সংগ্রাম করিনি, আপনিও করেননি। কিন্তু আপনাকে ভোট দেওয়ানো হবে এবং ভোট দেওয়ানোর পরে এগুলো (এলজিবিটিকিউ) বাস্তবায়নও করা হবে।

এরপর তিনি জুলাই সনদ থেকে এলজিবিটিকিউ সংশ্লিষ্ট আরও দুটি প্রসঙ্গ তুলে ধরেন। সেখানে ‘ইনক্লুসিভ’ এবং ‘সোশ্যাল জাস্টিস’ শব্দমালা তুলে ধরে ব্যাখ্যা করেন, কীভাবে এসব শব্দের মারপ্যাচে এলজিবিটিকিউকে আইন পর্যায়ে প্রতিষ্ঠিত করার পাঁয়তারা চালানো হচ্ছে।

ভিডিও বার্তায় এই অ্যাক্টিভিস্ট দাবি করেন, জুলাই সনদের সাথে ইসলামের কোনো সম্পর্কই নেই। তিনি এর স্বপক্ষে প্রমাণ হিসেবে রাজনৈতিক অ্যাক্টিভিস্ট ডা. জাহেদ উর রহমানের একটি টকশো আলোচনার খণ্ডিত অংশ তুলে ধরেন।

তিনি আরও বলেন, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বুঝানোর চেষ্টা করছে যে, জুলাই সনদে ‘হ্যাঁ’ ভোট দেওয়া হলে আওয়ামী লীগের ফেরার পথ রুদ্ধ করা যাবে। কিন্তু বাস্তবতা হলো এর মাধ্যমে আওয়ামী লীগের ফেরার পথ বন্ধ হবে না। এমনকি আওয়ামী লীগ যদি ফিরে আসে, তাহলে তারা এটি খুব সহজে বাতিলও করে দিতে পারবে।

এ ছাড়া জুলাই সনদের মাধ্যমে উন্নয়নের যে স্বপ্ন দেখানো হচ্ছে, সেটিও অবাস্তব বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন তিনি।

সোশ্যাল মিডিয়া

‘ভোরে উঠে দেখি জামায়াত আমিরের টুইটার স্ট্যাটাস নিয়ে আমার ইনবক্সে ঝড়’ : ঢাবি শিক্ষিকা মোনামি

‘মাইগ্রেনের ব্যথার কারণে কালকে আর্লি ঘুমিয়েছি। ভোরে উঠে দেখি জামায়াত আমিরের টুইটার স্ট্যাটাস নিয়ে আমার ইনবক্সে ঝড়। কি একটা অবস্থা। আপনারা একটু ধৈর্য ধরেন। আমার তো একটা সন্তান আছে, স্কুলে পাঠালাম। চাকরি আছে, সেখানে যাওয়ার জন্য রেডি হবো।’ রোববার (১ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৯টায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুক স্ট্যাটাসে এসব কথা লেখেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও সহকারী […]

নিউজ ডেস্ক

০১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১২:৩৬

‘মাইগ্রেনের ব্যথার কারণে কালকে আর্লি ঘুমিয়েছি। ভোরে উঠে দেখি জামায়াত আমিরের টুইটার স্ট্যাটাস নিয়ে আমার ইনবক্সে ঝড়। কি একটা অবস্থা। আপনারা একটু ধৈর্য ধরেন। আমার তো একটা সন্তান আছে, স্কুলে পাঠালাম। চাকরি আছে, সেখানে যাওয়ার জন্য রেডি হবো।’

রোববার (১ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৯টায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুক স্ট্যাটাসে এসব কথা লেখেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও সহকারী প্রক্টর শেহরীন আমিন ভূঁইয়া (মোনামি)। তিনি লেখেন, ‘তার আগে, আজকে দিনের রান্না, ঘরের কাজ গুছাবো। এরপরে গিয়ে, ফেসবুক নিয়ে বসবো। কে কি বললেন, কেন বললেন এসব চর্চা করতে। ততক্ষণ দয়া করে একটু ধৈর্য ধরে বসে থাকেন, যেহেতু আমার কাছে জবাবদিহিতা চাওয়া ছাড়া আপনাদের দিনে রাতে আর কোনো কাজ নাই।’

জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমানের টুইটার (এক্স) হ্যান্ডেল হ্যাক হয়েছে বলে দলের পক্ষ থেকে জানানো হয়। দলটির দাবি, এক্স হ্যান্ডেল নিয়ন্ত্রণে নিয়ে মিথ্যা তথ্য প্রচার করা হয়। এ ঘটনায় জামায়াতের পক্ষ থেকে নিন্দা জানিয়ে বিবৃতি দেওয়া হয়েছে। জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এবং কেন্দ্রীয় প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের প্রধান অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের এক বিবৃতিতে এ নিন্দা জানান।

বিবৃতিতে এহসানুল মাহবুব জুবায়ের বলেন, ‘বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় ক্যাম্পেইন টিম নিশ্চিত করেছে, সম্প্রতি ডা. শফিকুর রহমানের অফিসিয়াল টুইটার (এক্স) হ্যান্ডেলসহ দলের কয়েকজন সিনিয়র নেতার ফেসবুক অ্যাকাউন্টে সাইবার হামলার ঘটনা ঘটেছে।’

তিনি বলেন, এই স্বল্প সময়ের মধ্যে একটি অনাকাঙ্ক্ষিত পোস্ট প্রকাশিত হয়, যেখানে জামায়াত আমিরের নামে মিথ্যা বক্তব্য প্রচার করা হয়েছে। আমরা স্পষ্টভাবে জানাচ্ছি, ওই পোস্ট/কনটেন্ট জামায়াত আমিরের কোনো বক্তব্য, মতামত বা অবস্থানকে প্রতিফলিত করে না। এটি সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর। আমি এই মিথ্যা তথ্য ছড়ানোর নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।

মিডিয়া বিভাগের প্রধান অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের বলেন, অত্যন্ত সমন্বিত পদ্ধতি ব্যবহার করে হামলাকারীরা সাময়িকভাবে জামায়াত আমিরের এক্স (টুইটার) অ্যাকাউন্টের নিয়ন্ত্রণ নেয়। তবে দ্রুত পদক্ষেপ এবং বিদ্যমান নিরাপত্তা ব্যবস্থার মাধ্যমে আমাদের সাইবার টিম অল্প সময়ের মধ্যেই নিয়ন্ত্রণ ফিরে পেতে সক্ষম হয়। ফলে অন্যান্য অ্যাকাউন্ট এবং প্ল্যাটফর্মের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সম্ভব হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, আমরা সাধারণ জনগণ, গণমাধ্যমকর্মী এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারকারীদের অনুরোধ করছি, ভুয়া খবর, জাল উদ্ধৃতি এবং বিভ্রান্তিকর তথ্যের বিষয়ে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকুন। মিথ্যা তথ্য ছড়ানো, পরিচয় জালিয়াতি করা এবং বিকৃত কনটেন্ট তৈরি ও প্রচার করা আইনগতভাবে দণ্ডনীয় এবং নৈতিকভাবে নিন্দনীয়। এগুলো গণতান্ত্রিক পরিবেশকে ক্ষতিগ্রস্ত করে।

সবার প্রতি অনুরোধ, শুধু অফিসিয়াল ও বিশ্বস্ত সূত্র থেকে তথ্য যাচাই করুন- যাচাই ছাড়া কোনো কনটেন্ট শেয়ার করবেন না এবং সন্দেহজনক বা বিভ্রান্তিকর কনটেন্ট দেখলে তা রিপোর্ট করুন। ক্যাম্পেইন টিম স্বচ্ছতা, ডিজিটাল নিরাপত্তা এবং জনসাধারণের সাথে যোগাযোগের বিশ্বাসযোগ্যতা বজায় রাখতে সম্পূর্ণ প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। প্রয়োজন হলে পরবর্তীতে আরও তথ্য জানানো হবে বলে জানান এহসানুল মাহবুব জোবায়ের।

সোশ্যাল মিডিয়া

এক কলঙ্কময় রাত থেকে রক্ষা পেল ঢাবি : সর্ব মিত্র চাকমা

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) ক্যাম্পাসে এক পথশিশুকে ধর্ষণের চেষ্টাকালে এক যুবককে হাতেনাতে আটক করেছেন শিক্ষার্থীরা। ঢাবির সলিমুল্লাহ মুসলিম হলসংলগ্ন ফুটপাতে ঘটে যাওয়া এ ঘটনায় তাৎক্ষণিকভাবে অভিযুক্তকে শাহবাগ থানায় সোপর্দ করা হয়। এই ঘটনাকে একটি কলঙ্কময় রাত আখ্যা দিয়ে বুধবার (৪ মার্চ) রাতে একটি পোস্ট দিয়েছেন ডাকসুর কার্যনির্বাহী সদস্য সর্ব মিত্র চাকমা। তিনি পোস্টে লেখেন, ‘এক কলঙ্কময় […]

এক কলঙ্কময় রাত থেকে রক্ষা পেল ঢাবি : সর্ব মিত্র চাকমা

এক কলঙ্কময় রাত থেকে রক্ষা পেল ঢাবি : সর্ব মিত্র চাকমা

নিউজ ডেস্ক

০৫ মার্চ ২০২৬, ১১:০২

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) ক্যাম্পাসে এক পথশিশুকে ধর্ষণের চেষ্টাকালে এক যুবককে হাতেনাতে আটক করেছেন শিক্ষার্থীরা। ঢাবির সলিমুল্লাহ মুসলিম হলসংলগ্ন ফুটপাতে ঘটে যাওয়া এ ঘটনায় তাৎক্ষণিকভাবে অভিযুক্তকে শাহবাগ থানায় সোপর্দ করা হয়।

এই ঘটনাকে একটি কলঙ্কময় রাত আখ্যা দিয়ে বুধবার (৪ মার্চ) রাতে একটি পোস্ট দিয়েছেন ডাকসুর কার্যনির্বাহী সদস্য সর্ব মিত্র চাকমা।

তিনি পোস্টে লেখেন, ‘এক কলঙ্কময় রাত থেকে রক্ষা পেয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।’


‘মাহবুবুর রহমান, কাজ করেন পার্শ্ববর্তী পলাশী মার্কেটে, দুধ সাপ্লাইয়ের কাজ করেন। আজ রাতে সলিমুল্লাহ মুসলিম হলের পার্শ্ববর্তী ফুটপাতে এক পথশিশুকে ধর্ষণ চেষ্টায় হাতেনাতে ধরা পড়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী এবং প্রক্টরিয়াল টিমের সদস্যদের হাতে।’

‘সিভিল সোসাইটির শর্তানুযায়ী কোনো ধরনের শারীরিক আঘাত ছাড়াই তাকে শাহবাগ থানায় আনা হয়, সলিমুল্লাহ মুসলিম হলের আবাসিক শিক্ষার্থীরা আমাকে ফোন দিয়ে জানায় এবং তৎক্ষণাৎ থানায় যাই। অভিযুক্ত তার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগের সত্যতা স্বীকার করে। তিনি জানান, শয়তানের প্ররোচনায় তিনি এ কাজ করেছেন। তিনি জানেন না তিনি কীভাবে এ কাজ করতে গিয়েছিলেন।’

‘বাচ্চা শিশুটার নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করছি। সাধারণত ধর্ষণ চেষ্টায় খুব একটা সিগ্নিফিকেন্ট প্রমাণাদি থাকে না। কৌশলে জিজ্ঞেস করলে সে মোটামুটি স্বীকার করে, কিন্তু এটা কনক্রিট কোনো প্রমাণ না। মামলার খরচ চালানো, আইনি জটিলতা ইত্যাদির কারণে মামলার বাদী হিসেবে কেউ থাকতে না চাওয়ায় মামলা না দিয়ে মুচলেকা নিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়।’

‘যারা কথায় কথায় আইনের দোহাই দেন, এবার একটু চোখ খুলুন। দেখুন, আমি আইনের বাইরে যেতে পারিনি আজ! আইন কতভাবে আমাদের হাত-পা বেঁধে রেখেছে, দেখুন!’