সোমবার, ০৬ এপ্রিল ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

আন্তর্জাতিক

বিএনপির জয়ে আমরা খুবই আনন্দিত! নতুন করে আশা জাগিয়েছে বিশ্বভারতী ও শান্তিনিকেতনে

“প্রতিষ্ঠিত রাজনৈতিক দল হিসেবে বিএনপি বিপুল জনসমর্থন নিয়ে বাংলাদেশে ক্ষমতায় এসেছে—এতে আমরা খুবই আনন্দিত। আমরা আশা করি, নতুন সরকার বাংলাদেশের সংস্কৃতির ভিত্তিকে রক্ষা করবে। সেই সংস্কৃতির অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে রবীন্দ্রনাথকেও মর্যাদা দেবে।”

নিউজ ডেস্ক

১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১১:৩৮

সীমান্তের ওপারে বাংলাদেশের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের বিপুল বিজয়ের পর নতুন করে আশার আলো দেখছে বিশ্বভারতী ও শান্তিনিকেতন। সংশ্লিষ্ট মহলের প্রত্যাশা, এই রাজনৈতিক পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ ও পশ্চিমবঙ্গের মধ্যে বিশেষ করে বিশ্বভারতী ও শান্তিনিকেতনকেন্দ্রিক সাংস্কৃতিক ও শিক্ষাগত সম্পর্ক আবারও গতিশীল হয়ে উঠবে।

২০২৪ সালের আগস্টে শেখ হাসিনার পতনের পর থেকে ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারির নির্বাচন পর্যন্ত অন্তর্বর্তী সময়ে দুই দেশের সাংস্কৃতিক যোগাযোগ প্রায় স্থবির হয়ে পড়ে। বিশেষ করে রবীন্দ্রনাথকে ঘিরে দুই বাংলার যে ঐতিহ্যগত সাংস্কৃতিক সেতুবন্ধন ছিল, তা দৃশ্যত দুর্বল হয়ে যায়।

শান্তিনিকেতনে ঠাকুর পরিবারের বংশধর সুদৃপ্ত ঠাকুর বলেন, শেখ হাসিনার ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর এই সীমান্তের এপারে, বিশেষ করে শান্তিনিকেতনের সঙ্গে রবীন্দ্রনাথের সাংস্কৃতিক উপস্থিতি ও সম্পর্কের ক্ষেত্রে বড় ধরনের অবনতি লক্ষ্য করা গিয়েছিল।

তিনি বলেন,

“প্রতিষ্ঠিত রাজনৈতিক দল হিসেবে বিএনপি বিপুল জনসমর্থন নিয়ে বাংলাদেশে ক্ষমতায় এসেছে—এতে আমরা খুবই আনন্দিত। আমরা আশা করি, নতুন সরকার বাংলাদেশের সংস্কৃতির ভিত্তিকে রক্ষা করবে। সেই সংস্কৃতির অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে রবীন্দ্রনাথকেও মর্যাদা দেবে।”

২০১৮ সালে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও বাংলাদেশের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যৌথভাবে শান্তিনিকেতনের বাংলাদেশ ভবনের উদ্বোধন করেন। বিশ্বভারতী ও বাংলাদেশের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মধ্যে শিক্ষা ও গবেষণা বিনিময়ের উদ্দেশ্যে এই ভবনটি নির্মিত হয়। বাংলাদেশ সরকারের অর্থায়নে নির্মিত ভবনটিতে রয়েছে সম্মেলনকক্ষ, গ্রন্থাগার ও জাদুঘর। সম্মেলনকক্ষ ও গ্রন্থাগার চালু থাকলেও ২০২০ সালের কোভিড-১৯ লকডাউনের সময় বন্ধ হওয়া জাদুঘরটি আর খোলা হয়নি।

সূত্রের দাবি, ২০২৩ ও ২০২৪ সালে বাংলাদেশের একদল কর্মকর্তা জাদুঘরটি নতুন করে সাজান। কিন্তু ২০২৪ সালের জুনে শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে রাজনৈতিক অস্থিরতা শুরু হওয়ার পর তা আর উদ্বোধন করা যায়নি। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বিশ্বভারতীর এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা বলেন,

“জাদুঘরে শেখ মুজিবুর রহমানের অনেক স্মারক ছিল। বাংলাদেশে আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে আন্দোলন জোরদার হওয়ার পর বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন জাদুঘরটি না খোলার সিদ্ধান্ত নেয়। কারণ এতে দুই দেশের সম্পর্কের ওপর প্রভাব পড়তে পারত। এরপর বাংলাদেশে যা ঘটেছে, তা সবার জানা। মৌলবাদী শক্তিগুলো ভারতবিরোধী এবং এমনকি রবীন্দ্রনাথবিরোধী হয়ে উঠেছিল।”

তিনি আরও বলেন,

“এখন আমরা (বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত) তারেক রহমানের বক্তব্য শুনেছি। তিনি সম্প্রীতির বার্তা দিয়েছেন এবং আশ্বাস দিয়েছেন, ইউনূস আমলের অস্থিরতা শেষ হবে। আমরা আশা করি, এখন জাদুঘরটি পুনরায় খোলার প্রক্রিয়া নিয়ে আলোচনা করা যাবে। অবশ্যই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির দপ্তরের সম্মতি নিয়ে।” ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বিশ্বভারতীর আচার্য।

বাংলাদেশে ছায়ানটসহ বিভিন্ন সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠানের ওপর হামলার ঘটনা এবং রবীন্দ্রনাথ-সংক্রান্ত স্থাপনা ভাঙচুরের অভিযোগ দুই বাংলার সাংস্কৃতিক অঙ্গনকে নাড়া দেয়। রবীন্দ্রনাথ শুধু দুই বাংলার সাহিত্যিক ঐতিহ্যের কেন্দ্রবিন্দু নন, তাঁর লেখা “আমার সোনার বাংলা” বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত। ফলে রবীন্দ্রচর্চার ওপর আঘাতকে অনেকেই বৃহত্তর সাংস্কৃতিক সংকট হিসেবে দেখেছেন।

বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের ভারতের বিশ্বভারতী ও রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনার দীর্ঘ ঐতিহ্য রয়েছে। ড. ইউনূস নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে ভিসা প্রাপ্তির ক্ষেত্রে বিধিনিষেধের অভিযোগ ওঠে। অনেক শিক্ষার্থী দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করেও ভিসা পাননি।

বিশ্বভারতীর সংগীত ভবনের পিএইচডি গবেষক অমৃতা সরকার বলেন,

“এক মাস আগে আমি ভিসা পেয়েছি। তার আগে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হয়েছে। বিশ্বভারতীতে পড়া অনেক বাংলাদেশি শিক্ষার্থী একই সমস্যায় পড়েছিল। বিএনপি নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে জেতায় আমরা খুবই আশাবাদী। আগের মতো পরিস্থিতি আর থাকবে না বলে মনে করছি।”

অমৃতার বাড়ি বাংলাদেশের মেহেরপুরে।

বিশ্বভারতীর দীর্ঘদিনের কর্মকর্তাদের মতে, ২০০০ সালের শুরুর দিকে বিএনপি সরকারের সঙ্গে তাদের কাজের অভিজ্ঞতা ইতিবাচক ছিল। জনসংযোগ কর্মকর্তা অতিগ ঘোষ বলেন,

“বিএনপি সরকারের আগের মেয়াদে আমাদের অভিজ্ঞতা খুবই ভালো ছিল। দলটি আবার গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় ক্ষমতায় এসেছে। আমরা আশাবাদী। ২০০০ সালের শুরুর দিকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে খালেদা জিয়ার আমলে সরকারের সঙ্গে বিশ্বভারতীর খুব ভালো সম্পর্ক ছিল। আমরা নিশ্চিত, সম্পর্ক আবারও সৌহার্দ্যপূর্ণ হবে।”

২০ জুন ২০২৫
poll_title
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

মোট ভোট: ৪৫৩৯

আন্তর্জাতিক

পৃথিবীর প্রথম দেশ হিসেবে ইলন মাস্কের স্টারলিংক অচল করে দিলো ইরান

ইরানে সরকারিভাবে ইন্টারনেট বন্ধ করে দেওয়ার পর সেখানে স্টারলিংক ইন্টারনেট পাঠান মার্কিন ধনকুবের ইলন মাস্ক। তবে সামরিক জ্যামার ব্যবহার করে সেই স্টারলিংক সংযোগ কার্যত অচল করে দিয়েছে ইরান। স্যাটেলাইটভিত্তিক এই ইন্টারনেট ব্যবস্থাকে লক্ষ্য করে রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে নেওয়া পদক্ষেপে দেশজুড়ে ব্ল্যাকআউট আরও গভীর হয়েছে বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।

নিউজ ডেস্ক

১২ জানুয়ারী ২০২৬, ১৬:৪৩

ইরানে সরকারিভাবে ইন্টারনেট বন্ধ করে দেওয়ার পর সেখানে স্টারলিংক ইন্টারনেট পাঠান মার্কিন ধনকুবের ইলন মাস্ক। তবে সামরিক জ্যামার ব্যবহার করে সেই স্টারলিংক সংযোগ কার্যত অচল করে দিয়েছে ইরান। স্যাটেলাইটভিত্তিক এই ইন্টারনেট ব্যবস্থাকে লক্ষ্য করে রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে নেওয়া পদক্ষেপে দেশজুড়ে ব্ল্যাকআউট আরও গভীর হয়েছে বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।

ইরান ওয়্যারের তথ্যের বরাতে মার্কিন বিজনেস ম্যাগাজিন ফোর্বস জানায়, ইরানের ভেতরে হাজার হাজার স্টারলিংক ইউনিট চালু রয়েছে এমন দাবি শোনা গেলেও বাস্তবে ইন্টারনেট ব্ল্যাকআউট স্যাটেলাইট সংযোগকেও গ্রাস করেছে। প্রতিবেদনে বলা হয়, শুরুতে স্টারলিংকের আপলিংক ও ডাউনলিংক ট্র্যাফিকের প্রায় ত্রিশ শতাংশ ব্যাহত হয়েছিল। তবে কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই দেখা যায়, স্টারলিংক ইন্টারনেটের আশিরও বেশি শতাংশ ট্র্যাফিক কার্যক্রম বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।

টাইমস অব ইসরায়েল জানায়, আগের ব্ল্যাকআউটগুলোর তুলনায় বর্তমানে ইরানে স্টারলিংক রিসিভারের ব্যবহার অনেক বেড়েছে। তবে একই প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, ইরান সরকার কখনোই স্টারলিংক ব্যবহারের অনুমোদন দেয়নি। ফলে এই সেবাটি চালু রাখা ও ব্যবহার করা দেশটির আইনে অবৈধ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

স্টারলিংক রিসিভার স্যাটেলাইটের সঙ্গে সংযোগ স্থাপনে জিপিএস ব্যবস্থার ওপর নির্ভরশীল। টাইমস অব ইসরায়েলের প্রতিবেদনে বলা হয়, গত জুনে ইসরায়েলের সঙ্গে বারো দিনের যুদ্ধের পর থেকেই ইরান জিপিএস সিগন্যাল ব্যাহত করে আসছে। এর ফলে শাটডাউনগুলো অঞ্চলভেদে ভিন্নভাবে কার্যকর হচ্ছে এবং স্টারলিংক সংযোগে খণ্ডিত পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। কিছু গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় প্রায় সম্পূর্ণ ব্ল্যাকআউট দেখা যাচ্ছে।

মিয়ান গ্রুপের আমির রাশিদি টেকরাডারকে বলেন, ‘আমি গত বিশ বছর ধরে ইন্টারনেট অ্যাক্সেস নিয়ে পর্যবেক্ষণ ও গবেষণা করছি, কিন্তু জীবনে এমন কিছু কখনো দেখিনি।’ স্টারলিংক ডেটা প্যাকেট পর্যবেক্ষণকারী প্রযুক্তিবিদরাও জানান, স্যাটেলাইট সংযোগ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় ইরানে স্টারলিংকের ইন্টারনেট পরিষেবা কার্যত ব্যাহত হচ্ছে।

সাম্প্রতিক ইন্টারনেট শাটডাউন নিয়ে বিস্তৃত প্রতিবেদন প্রস্তুত করা সাইমন মিগলিয়ানো ফোর্বসের প্রতিবেদককে বলেন, ‘এই কিল সুইচ পদ্ধতির খরচ অত্যন্ত ভয়াবহ। ইন্টারনেট বন্ধ থাকলে প্রতি ঘণ্টায় ইরানের অর্থনীতি থেকে পনেরো লাখ ষাট হাজার ডলার খসে যাচ্ছে।’ এই তথ্য ইরানে চলমান যোগাযোগ নিয়ন্ত্রণের অর্থনৈতিক প্রভাবকেও স্পষ্টভাবে সামনে এনেছে।

২০ জুন ২০২৫
poll_title
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

মোট ভোট: ৪৫৩৯

আন্তর্জাতিক

‘আমরা কাতার নই, ওদের নরক দেখিয়ে ছাড়ব’: ইসরায়েলকে কড়া হুঁশিয়ারি দিল পাকিস্তান

সম্প্রতি ইরানে পাকিস্তান দূতাবাসের কাছে ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ হামলার খবরে ফুঁসে উঠেছে ইসলামাবাদ। সরকার-সংশ্লিষ্ট পাকিস্তান স্ট্র্যাটেজিক ফোরাম এক বিবৃতিতে বলেছে, ‘ইসরায়েল মনে রাখবে, পাকিস্তান কাতার নয়। আমাদের কূটনীতিকদের ক্ষতি হলে আমরা কঠোর জবাব দেব।’ শুক্রবার (২৭ মার্চ) পাকিস্তানের সংবাদমাধ্যমগুলোতে প্রকাশিত প্রতিবেদনে জানা গেছে এ খবর। এর আগে বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) ইজরায়েল ও আমেরিকার যৌথ আক্রমণে ক্ষতিগ্রস্ত […]

নিউজ ডেস্ক

২৭ মার্চ ২০২৬, ২১:০০

সম্প্রতি ইরানে পাকিস্তান দূতাবাসের কাছে ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ হামলার খবরে ফুঁসে উঠেছে ইসলামাবাদ। সরকার-সংশ্লিষ্ট পাকিস্তান স্ট্র্যাটেজিক ফোরাম এক বিবৃতিতে বলেছে, ‘ইসরায়েল মনে রাখবে, পাকিস্তান কাতার নয়। আমাদের কূটনীতিকদের ক্ষতি হলে আমরা কঠোর জবাব দেব।’

শুক্রবার (২৭ মার্চ) পাকিস্তানের সংবাদমাধ্যমগুলোতে প্রকাশিত প্রতিবেদনে জানা গেছে এ খবর।

এর আগে বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) ইজরায়েল ও আমেরিকার যৌথ আক্রমণে ক্ষতিগ্রস্ত হয় তেহরানের আশেপাশের অনেক এলাকা। এতে কেঁপে ওঠে পাকিস্তানের দূতাবাসের পাশাপাশি রাষ্ট্রদূতের বাসভবনও। এর পরিপ্রেক্ষিতে ইসরায়েলকে এমন হুঁশিয়ারি দিল ইসলামাবাদ ।

জানা গেছে, দূতাবাস বা পাকিস্তানি কূটনীতিকদের কোনো ক্ষতি হয়নি। কিন্তু বিস্ফোরণে আশপাশের ভবনগুলো কেঁপে ওঠে। এদিকে মধ্যপ্রাচ্যের এই যুদ্ধ ২৮ দিনে গড়িয়েছে। বিভিন্ন স্থানে হামলা-পাল্টা হামলা চলছে।

এই পরিস্থিতিতে ইসলামাবাদ একদিকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে আলোচনায় ভূমিকা রাখতে চাচ্ছে। পাকিস্তান জানিয়েছে, দুই পক্ষ চাইলে তারা আলোচনার আয়োজন করতেও প্রস্তুত।

এদিকে ইরানের সঙ্গে চলমান উত্তেজনার মধ্যেই দেশটির বিদ্যুৎ গ্রিডে হামলার পরিকল্পনা আবারও স্থগিত করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। নতুন করে নির্ধারিত সময়সীমা অনুযায়ী, এই হামলার সম্ভাব্য সময়সীমা ১০ দিনের জন্য স্থগিত করে আগামী ৬ এপ্রিল পর্যন্ত করা হয়েছে।

২০ জুন ২০২৫
poll_title
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

মোট ভোট: ৪৫৩৯

আন্তর্জাতিক

ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে নামছে আরেক মুসলিম দেশ

ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে নামছে সংযুক্ত আরব আমিরাত। দেশটি জানিয়েছে, ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক পদক্ষেপের কথা বিবেচনা করছে তারা। মঙ্গলবার (০৩ মার্চ) চ্যানেল ১২-এর বরাতে ইরান ইন্টারন্যাশনালের এক প্রতিবদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই) ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা ঠেকাতে সামরিক পদক্ষেপ নেওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করছে। সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ার সঙ্গে পরিচিত […]

নিউজ ডেস্ক

০৪ মার্চ ২০২৬, ০২:৩৫

ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে নামছে সংযুক্ত আরব আমিরাত। দেশটি জানিয়েছে, ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক পদক্ষেপের কথা বিবেচনা করছে তারা।

মঙ্গলবার (০৩ মার্চ) চ্যানেল ১২-এর বরাতে ইরান ইন্টারন্যাশনালের এক প্রতিবদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই) ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা ঠেকাতে সামরিক পদক্ষেপ নেওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করছে। সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ার সঙ্গে পরিচিত সূত্রের বরাতে এ তথ্য প্রকাশ করা হয়।

চ্যানেল ১২ জানিয়েছে, চলমান সংঘাতে সরাসরি জড়িত না থাকা সত্ত্বেও ইউএই ইতোমধ্যে প্রায় ৮০০টি ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার শিকার হয়েছে। সংশ্লিষ্ট ‍সূত্র জানিয়েছে, যদিও ইউএই কোনোভাবেই এই যুদ্ধে অংশ নেয়নি, তবুও দেশটি ৮০০টি হামলা মোকাবিলা করেছে।

সূত্রটি আরও জানিয়েছে, এমন পরিস্থিতিতে বিশ্বের এমন কোনো দেশ নেই, যারা নিজেদের নীতিমালা পুনর্বিবেচনা করবে না। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এ বিষয়ে এখনো সংযুক্ত আরব আমিরাত বা ইরানের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো বিবৃতি পাওয়া যায়নি।

এর আগে শিয়া ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ কামাল আল-হাইদারি মঙ্গলবার যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বিরুদ্ধে জিহাদের আহ্বান জানিয়েছেন। তার কার্যালয়ের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, এই আক্রমণগুলো ইরানের সভ্যতা ও ধর্মীয় কর্তৃত্বকে লক্ষ্য করে করা হয়েছে। খবর শাফাক নিউজের।

আল-হাইদারি মুসলমানদের সতর্ক করেছেন, নিজেদের ভূমি, মর্যাদা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় প্রস্তুত থাকতে হবে এবং ইহুদি ও আমেরিকানদের অহংকারের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ করতে হবে।

শিয়া ধর্মমতে, এই ধরনের জিহাদ সাধারণত প্রতিরক্ষা ভিত্তিক এবং আক্রমণাত্মক নয়। দ্বাদশ শিয়াদের মধ্যে এই ধরনের সিদ্ধান্ত দেওয়ার ক্ষমতা একজন মারজা’ আল-তাকলিদ বা সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতার কাছে সীমাবদ্ধ।

এর আগে ২০১৪ সালে ইরাকের শীর্ষ শিয়া নেতা আয়াতুল্লাহ আলি আল-সিস্তানি আইএসআইএসের বিরুদ্ধে লড়াই করার আহ্বান করেছিলেন, যা পরে পপুলার মোবিলাইজেশন ফোর্সেসে (পিএমই) পরিণত হয়।

২০ জুন ২০২৫
poll_title
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

মোট ভোট: ৪৫৩৯