শনিবার, ০৪ এপ্রিল ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

রাজনীতি

নির্বাচন-পরবর্তী সহিংসতা রুখতে কঠোর ব্যবস্থার দাবি নাহিদ ইসলামের

নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার পর দেশব্যাপী শুরু হওয়া সহিংসতা, প্রতিহিংসা ও দখলদারিত্বের রাজনীতির তীব্র নিন্দা ও গভীর উদ্বেগ জানিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম এমপি। শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার পর থেকেই সারা দেশে নির্দিষ্ট রাজনৈতিক মদতে সন্ত্রাস ও দখলদারিত্বের রাজনীতি শুরু হয়েছে-যা গণতন্ত্রের জন্য সরাসরি হুমকি। […]

নিউজ ডেস্ক

১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৫:৩৮

নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার পর দেশব্যাপী শুরু হওয়া সহিংসতা, প্রতিহিংসা ও দখলদারিত্বের রাজনীতির তীব্র নিন্দা ও গভীর উদ্বেগ জানিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম এমপি।

শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার পর থেকেই সারা দেশে নির্দিষ্ট রাজনৈতিক মদতে সন্ত্রাস ও দখলদারিত্বের রাজনীতি শুরু হয়েছে-যা গণতন্ত্রের জন্য সরাসরি হুমকি। ক্ষমতার উল্লাসে ভিন্ন মত ও প্রতিদ্বন্দ্বী শক্তির ওপর হামলা চালিয়ে তারা প্রমাণ করছে যে, তাদের লক্ষ্য গণতান্ত্রিক সহাবস্থান নয় বরং ভয়ের পরিবেশ সৃষ্টি করা।

বিবৃতিতে নাহিদ ইসলাম উল্লেখ করেন, দেশের বিভিন্ন স্থানে এগারো দলীয় জোটের নেতাকর্মী এবং স্বতন্ত্র প্রার্থীদের সমর্থকদের ওপর ধারাবাহিক হামলা চালানো হয়েছে। এতে বহু মানুষ আহত হয়েছেন এবং প্রাণহানির ঘটনাও ঘটেছে। এটি কোনো বিচ্ছিন্ন উচ্ছৃঙ্খলতা নয়; বরং সংগঠিত শক্তি প্রদর্শন এবং রাজনৈতিক আধিপত্য কায়েমের অপচেষ্টা।

তিনি বলেন, নির্বাচনের পর সন্ত্রাস চালিয়ে মাঠ দখলের রাজনীতি সফল হবে না। জনগণের ম্যান্ডেটকে ঢাল বানিয়ে যারা গণভয় তৈরি করছে, তারা ইতিহাসের ভুল পাশে দাঁড়াচ্ছে। রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতা দমন করে নয়, বরং ন্যায়সংগত প্রতিযোগিতার মধ্যদিয়েই টিকে থাকে।

প্রশাসনকে কঠোর হওয়ার দাবি জানিয়ে তিনি বলেন, অবিলম্বে সব সহিংসতা বন্ধ করতে হবে, জড়িতদের দ্রুত গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনতে হবে এবং ক্ষতিগ্রস্তদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। প্রশাসনের নীরবতা, গড়িমসি বা পক্ষপাত এই সংকটকে আরও গভীর করবে এবং রাষ্ট্রের নিরপেক্ষতাকে প্রশ্নবিদ্ধ করবে।

চব্বিশ-পরবর্তী বাংলাদেশ আর ভীত-সন্ত্রস্ত নয় উল্লেখ করে নাহিদ ইসলাম হুঁশিয়ারি দেন যে, নতুন করে সন্ত্রাস ও দখলদারিত্ব কায়েমের চেষ্টা হলে ছাত্র-জনতা ও সচেতন নাগরিক সমাজ গণতান্ত্রিক উপায়ে তার কঠোর জবাব দেবে।

তিনি সহিংসতা বন্ধ করে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা এবং জনগণের আস্থা ও অংশগ্রহণের ওপর ভিত্তি করে গণতন্ত্র গড়ার আহ্বান জানান।

নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার পর দেশব্যাপী শুরু হওয়া সহিংসতা, প্রতিহিংসা ও দখলদারিত্বের রাজনীতির তীব্র নিন্দা ও গভীর উদ্বেগ জানিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম এমপি।

শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার পর থেকেই সারা দেশে নির্দিষ্ট রাজনৈতিক মদতে সন্ত্রাস ও দখলদারিত্বের রাজনীতি শুরু হয়েছে-যা গণতন্ত্রের জন্য সরাসরি হুমকি। ক্ষমতার উল্লাসে ভিন্ন মত ও প্রতিদ্বন্দ্বী শক্তির ওপর হামলা চালিয়ে তারা প্রমাণ করছে যে, তাদের লক্ষ্য গণতান্ত্রিক সহাবস্থান নয় বরং ভয়ের পরিবেশ সৃষ্টি করা।

বিবৃতিতে নাহিদ ইসলাম উল্লেখ করেন, দেশের বিভিন্ন স্থানে এগারো দলীয় জোটের নেতাকর্মী এবং স্বতন্ত্র প্রার্থীদের সমর্থকদের ওপর ধারাবাহিক হামলা চালানো হয়েছে। এতে বহু মানুষ আহত হয়েছেন এবং প্রাণহানির ঘটনাও ঘটেছে। এটি কোনো বিচ্ছিন্ন উচ্ছৃঙ্খলতা নয়; বরং সংগঠিত শক্তি প্রদর্শন এবং রাজনৈতিক আধিপত্য কায়েমের অপচেষ্টা।

তিনি বলেন, নির্বাচনের পর সন্ত্রাস চালিয়ে মাঠ দখলের রাজনীতি সফল হবে না। জনগণের ম্যান্ডেটকে ঢাল বানিয়ে যারা গণভয় তৈরি করছে, তারা ইতিহাসের ভুল পাশে দাঁড়াচ্ছে। রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতা দমন করে নয়, বরং ন্যায়সংগত প্রতিযোগিতার মধ্যদিয়েই টিকে থাকে।

প্রশাসনকে কঠোর হওয়ার দাবি জানিয়ে তিনি বলেন, অবিলম্বে সব সহিংসতা বন্ধ করতে হবে, জড়িতদের দ্রুত গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনতে হবে এবং ক্ষতিগ্রস্তদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। প্রশাসনের নীরবতা, গড়িমসি বা পক্ষপাত এই সংকটকে আরও গভীর করবে এবং রাষ্ট্রের নিরপেক্ষতাকে প্রশ্নবিদ্ধ করবে।

চব্বিশ-পরবর্তী বাংলাদেশ আর ভীত-সন্ত্রস্ত নয় উল্লেখ করে নাহিদ ইসলাম হুঁশিয়ারি দেন যে, নতুন করে সন্ত্রাস ও দখলদারিত্ব কায়েমের চেষ্টা হলে ছাত্র-জনতা ও সচেতন নাগরিক সমাজ গণতান্ত্রিক উপায়ে তার কঠোর জবাব দেবে।

তিনি সহিংসতা বন্ধ করে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা এবং জনগণের আস্থা ও অংশগ্রহণের ওপর ভিত্তি করে গণতন্ত্র গড়ার আহ্বান জানান।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭১৮৭

রাজনীতি

আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন গণঅধিকার পরিষদের নুর

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন মৌলভীবাজার-১ আসনের গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. আব্দুন নুর। তিনি ট্রাক প্রতীক নিয়ে বড়লেখা ও জুড়ী উপজেলায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন। শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নাসির উদ্দিন আহমদ–কে সমর্থন দেওয়ার ঘোষণা দেন। এ […]

নিউজ ডেস্ক

০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৭:০২

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আকস্মিকভাবে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন মৌলভীবাজার-১ আসনের গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. আব্দুন নুর। তিনি ট্রাক প্রতীক নিয়ে বড়লেখা ও জুড়ী উপজেলায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন।

শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নাসির উদ্দিন আহমদ–কে সমর্থন দেওয়ার ঘোষণা দেন। এ সময় তিনি জানান, দলীয় প্রধান নুরুল হক নুর–এর নেওয়া রাজনৈতিক সমঝোতার সিদ্ধান্তকে সম্মান জানিয়ে তিনি ধানের শীষের প্রার্থীকে পূর্ণ সমর্থন দিচ্ছেন।

সংবাদ সম্মেলনে আব্দুন নুর বলেন, নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর আগে তিনি কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে ব্যাপক গণসংযোগ চালিয়েছেন। ভোটারদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তিনি বলেন, পরিবর্তনের যে আকাঙ্ক্ষা জনগণের মধ্যে সৃষ্টি হয়েছে, তা বাস্তবায়নে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।

তবে প্রার্থীতা প্রত্যাহারের পেছনে নিরাপত্তাজনিত শঙ্কার কথাও তুলে ধরেন তিনি। তার অভিযোগ, ২০১৮ সালের নির্বাচনে কেন্দ্র দখলের সঙ্গে জড়িত একটি প্রভাবশালী মহল তাকে দীর্ঘদিন ধরে হুমকি দিয়ে আসছে। এমনকি টার্গেট কিলিংয়ের আশঙ্কাও প্রকাশ করেন তিনি।

তবে এসব হুমকির পরও মানুষের অধিকার ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে আজীবন রাজপথে থাকার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন এই তরুণ নেতা।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪২৬৩

রাজনীতি

কুমিল্লা–৪ আসনে এবার হাসনাতের আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিএনপির নতুন মুখ

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে কুমিল্লা–৪ আসনে নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ তৈরি হয়েছে। জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ–এর বিপরীতে এবার নতুন মুখকে প্রার্থী হিসেবে মাঠে নামাচ্ছে বিএনপি জোট। বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার মনজুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বাতিল হওয়ায় জোটগত সিদ্ধান্তে গণঅধিকার পরিষদ–এর নেতা জসিমউদ্দিন–কে প্রার্থী করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। নির্বাচন কমিশন ঋণখেলাপি সংক্রান্ত […]

নিউজ ডেস্ক

২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১৪:১৫

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে কুমিল্লা–৪ আসনে নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ তৈরি হয়েছে। জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ–এর বিপরীতে এবার নতুন মুখকে প্রার্থী হিসেবে মাঠে নামাচ্ছে বিএনপি জোট।

বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার মনজুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বাতিল হওয়ায় জোটগত সিদ্ধান্তে গণঅধিকার পরিষদ–এর নেতা জসিমউদ্দিন–কে প্রার্থী করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

নির্বাচন কমিশন ঋণখেলাপি সংক্রান্ত তথ্য গোপনের অভিযোগে মনজুরুল আহসান মুন্সীর মনোনয়ন বাতিল করলে এই আসনে বিএনপি প্রার্থী সংকটে পড়ে। বিষয়টি আদালতে গড়ালেও এখন পর্যন্ত তার প্রার্থিতা ফিরে আসেনি। যদিও বিএনপির একাংশ নেতাকর্মী আশা করছেন, আপিল শুনানির মাধ্যমে পরিস্থিতি বদলাতে পারে। আগামী সোমবার এ বিষয়ে শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে।

মনোনয়ন বাতিলের সুযোগে এনসিপির প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ রাজনৈতিকভাবে বেশ চাঙা অবস্থানে রয়েছেন। এর মধ্যেই বিএনপি জোটের পক্ষ থেকে বিকল্প হিসেবে জসিমউদ্দিনকে নির্বাচনী মাঠে নামানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নূর বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, জোটগত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী জসিমউদ্দিনই কুমিল্লা–৪ আসনে বিএনপি জোটের প্রার্থী হবেন। নতুন প্রার্থী যুক্ত হওয়ায় এই আসনের নির্বাচনী লড়াই আরও জমে উঠবে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪২৬৩

রাজনীতি

১১ দলীয় জোটেই যাচ্ছে জামায়াত, শিগগিরই ঘোষণা

১০ দলীয় নির্বাচনী ঐক্য থেকে ফের ১১ দলীয় জোটে যাচ্ছে জামায়াতে ইসলামী৷ আগামীকাল আসতে পারে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা। এমনটিই জানিয়েছেন দলের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা আব্দুল হালিম। বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় ঠাকুরগাঁও সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে জনসভার মাঠ পরিদর্শন শেষে তিনি এ কথা জানান। মাওলানা আব্দুল হালিম বলেন, আমাদের ইশতেহারে উত্তরাঞ্চলকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। পিছিয়ে […]

নিউজ ডেস্ক

২২ জানুয়ারী ২০২৬, ২১:০৬

১০ দলীয় নির্বাচনী ঐক্য থেকে ফের ১১ দলীয় জোটে যাচ্ছে জামায়াতে ইসলামী৷ আগামীকাল আসতে পারে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা। এমনটিই জানিয়েছেন দলের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা আব্দুল হালিম।

বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় ঠাকুরগাঁও সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে জনসভার মাঠ পরিদর্শন শেষে তিনি এ কথা জানান।

মাওলানা আব্দুল হালিম বলেন, আমাদের ইশতেহারে উত্তরাঞ্চলকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

পিছিয়ে পড়া জেলাগুলোকে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হবে। জামায়াতের আমিরের এই জনসভা আরও বেশি ত্বরান্বিত করবে।

একটি দল শিরক করছে তারেক রহমানের এমন বক্তব্য সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন, সবার কথা বলার সুযোগ রয়েছে। তিনি নির্দিষ্ট করে কোনো দলের নাম বলেননি৷ আর জামায়াতে ইসলাম কিভাবে পরিচালনা হয়, দেশের মানুষ তা জানেন।

এসময় জেলা জামায়াতের আমির অধ্যাপক বেলাল উদ্দীন প্রধান, জামায়াত মনোনীত ঠাকুরগাঁও-১ আসনের প্রার্থী-দেলাওয়ার হোসেনসহ দলের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭১৮৭