বৃহস্পতিবার, ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

ভোলার চার আসনের ৫২৫টি কেন্দ্রে উৎসবমুখর পরিবেশে ভোট গ্রহন চলছে

মোঃ হাসনাইন আহম্মেদ,ভোলা প্রতিনিধি, উৎসবমূখর পরিবেশে ভোলার চারটি আসনে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোট গ্রহন শুরু হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ৭টা থেকে এক যোগে জেলার ৫২৫টি কেন্দ্রে ভোট গ্রহন শুরু হয়। চলবে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত ভোট গ্রহন চলবে। সকাল থেকে ভোলা-১ আসনের কয়েকটি ভোট কেন্দ্রে ঘুরে ভোটার দেখা গেছে, ভোর থেকেই […]

ভোলার চার আসনের ৫২৫টি কেন্দ্রে উৎসবমুখর পরিবেশে ভোট গ্রহন চলছে

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১২:৩৪

মোঃ হাসনাইন আহম্মেদ,ভোলা প্রতিনিধি,

উৎসবমূখর পরিবেশে ভোলার চারটি আসনে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোট গ্রহন শুরু হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ৭টা থেকে এক যোগে জেলার ৫২৫টি কেন্দ্রে ভোট গ্রহন শুরু হয়। চলবে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত ভোট গ্রহন চলবে।

সকাল থেকে ভোলা-১ আসনের কয়েকটি ভোট কেন্দ্রে ঘুরে ভোটার দেখা গেছে, ভোর থেকেই কেন্দ্রে কেন্দ্রে ভোটারদের দীর্ঘ লাইন। নারী-পুরুষ সবাই উৎসমূখর পরিবেশে ভোট দিতে কেন্দ্রে এসে লাইনে দাঁড়িয়েছেন। শান্তিপূর্ণ পরিবেশে পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিতে পেরে খুশি ভোটাররা।

ভোলা সদর উপজেলার পরানগঞ্জ মাধ্যমিক বিদ্যালয় ভোট কেন্দ্রের ভোটার মো. তাজুল ইসলাম জানান, তিনি শান্তিপূর্ণভাবে পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিয়েছেন। ভোটের পরিবেশ নিয়েও সন্তুষ্টি প্রকাশ করেন তিনি।

একই কেন্দ্রের নারী ভোটার নাছিমা বেগম জানান, অন্যবারের চেয়ে এবার পরিবেশ অনেক ভালো। তিনি কোনো প্রকার ঝামেলা ছাড়াই ভোট দিতে পেরে আনন্দিত।

পঞ্চাশোর্ধ রাবেয়া বেগম জানান, জীবনে অনেকবার ভোট দিয়েছেন। এবারই সুন্দর পরিবেশে ভোট দিতে পেরেছেন।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ভোলায় মোট ২৯জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এর মধ্যে ভোলা-১ আসনে ০৮জন, ভোলা-২ আসনে ০৮জন, ভোলা-৩ আসনে ০৬জন ও ভোলা-৪ আসনে ০৭জন। ভোলা জেলায় মোট ভোটার সংখ্যা ১৬লাখ ৯২ হাজার ৬৮৮জন। এর মধ্যে এর মধ্যে পুরুষ ০৮লাখ ৭৯ হাজার ৮৯৭জন, নারী ০৮লাখ ১২হাজার ৭৭৫জন ও তৃতীয় লিঙ্গের ১৬জন। 

জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কশান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোট গ্রহন ও সকল ধরণের সহিংসতা রোধে ভোলায় পুলিশ, নৌবাহিনী, র‌্যাব, কোস্ট গার্ড, বিজিবি ও আনসারের ১০ হাজার ১৭৩জন সদস্য মোতায়ন করা হয়েছে।

জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, ভোলা জেলার চারটি সংসদীয় আসনে মোট ৫২৫টি কেন্দ্রের মধ্যে ঝুঁকিপূর্ণ ১৩১টি কেন্দ্র। এর মধ্যে মেঘনা ও তেঁতুলিয়া নদীর মধ্যবর্তী চরে ৪৩টি কেন্দ্র রয়েছে। নির্বাচন সুষ্ঠু ও অবাদ করার জন্য পুলিশ, নৌবাহিনী, র‌্যাব, কোস্ট গার্ড, বিজিবি ও আনসার সদস্য মোতায়েন রয়েছে।

নির্বাচনী শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বঝায় রাখতে চারটি আসনে মোট ১০ হাজার ১৭৩জন আইনশৃঙ্খলারক্ষা বাহিনী মোতায়েন করা রয়েছে। প্রতিটি কেন্দ্রে অস্ত্রধারী পুলিশ ও আনসারসহ ১৩ জন আইনশৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর সদস্য দায়িত্ব পালন করছেন।

এছাড়াও নৌবাহিনী, কোস্টকার্ড, বিজিবি টহল টিম সার্বক্ষণিক নজরদারীতে রয়েছে। নির্বাচনী মাঠে ২৪জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্র্রেট নিয়োগ রয়েছে।

ভোলার জেলা প্রশাসক ও জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ডা. শামীম রহমান জানান, শান্তিপূর্ণ পরিবেশে নির্বাচন অনুষ্ঠানের লক্ষে সকল ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। প্রতিটি কেন্দ্রে কেন্দ্রে পর্যাপ্ত পুলিশ ও আনসার সদস্য মোতায়েনের পাশপাশি পুলিশের মোবাইল ও স্ট্রাইকিং ফোর্স রয়েছে।

নৌবাহিনী, বিজিবি, কোস্ট গার্ড ও প্রতিটি উপজেলায় দুই প্লাটুন করে ব্যাটালিয়ান আনসার নিয়োজিত রয়েছে। সুষ্ঠু পরিবেশে ভোট গ্রহনের লক্ষে পর্যাপ্ত আইনশৃঙ্খলা বাহিনী রয়েছে। আমার সমন্বিতভাবে সকল আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সাথে সমন্বয় করে একটি ডেপ্লয়মেন্ট প্লান করা হয়েছে।

এছাড়াও ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রেগুলোর জন্য আলাদাভাবে প্লান করা হয়েছে। এছাড়াও ভোটাররা যাতে ভোট কেন্দ্রের আসার পথে কোনো প্রকার বাঁধার সম্মুখিন না হয়, যে জন্য পুলিশসহ অন্যান্য বাহিনীর মোবাইল টিম রাখা হয়েছে। দুর্গম অঞ্চলের ভোট কেন্দ্রেগুলোতে কোস্ট গার্ড সদস্যরা রয়েছেন।

আবার ভোট শেষ হওয়ার পর কেন্দ্রগুলো থেকে নির্বাচনের ফলাফলসহ অন্যান্য সরঞ্জাম নিয়ে আসার জন্য আলাদা সিকিউরিটি দেওয়া হয়েছে। দুর্গম চরাঞ্চলে থেকে ভোটের মালামাল আনার জন্য নৌবাহিনীর সদস্যরা রয়েছেন।

ভোটাররা যাতে নির্বিগ্নে ভোট কেন্দ্রে যাতায়াত করতে পারে সে জন্য সহকারি রিটার্নিং কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আমার আশা করছি শান্তিপূর্ণ পরিবেশে একটি সুষ্ঠু নির্বাচন উপহার দিতে পারবো।

সারাদেশ

‘ফরহাদকে জামাই হিসেবে পেয়ে গর্বিত, আমাদের মেয়েও কম নয়’ : পৌর জামায়াতের আমির

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সাধারণ সম্পাদক এসএম ফরহাদ এবং চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (চাকসু) নির্বাহী সদস্য জান্নাতুল ফেরদৌস সানজিদা-এর বিয়ে সম্পন্ন হয়েছে। বুধবার দুপুর ১টা ১৫ মিনিটে রাজধানীর কাঁটাবন জামে মসজিদে জোহরের নামাজের পর পারিবারিক ও ঘনিষ্ঠজনদের উপস্থিতিতে আকদ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। ফরহাদের মামাতো ভাই লুৎফুর রহমান জানান, উভয় পরিবারের সদস্যদের পাশাপাশি […]

নিউজ ডেস্ক

২৪ ডিসেম্বর ২০২৫, ২২:৫৯

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সাধারণ সম্পাদক এসএম ফরহাদ এবং চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (চাকসু) নির্বাহী সদস্য জান্নাতুল ফেরদৌস সানজিদা-এর বিয়ে সম্পন্ন হয়েছে। বুধবার দুপুর ১টা ১৫ মিনিটে রাজধানীর কাঁটাবন জামে মসজিদে জোহরের নামাজের পর পারিবারিক ও ঘনিষ্ঠজনদের উপস্থিতিতে আকদ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

ফরহাদের মামাতো ভাই লুৎফুর রহমান জানান, উভয় পরিবারের সদস্যদের পাশাপাশি ইসলামী আন্দোলনের নেতৃবৃন্দের উপস্থিতিতে শান্ত ও সংক্ষিপ্ত পরিসরে আকদ সম্পন্ন হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরার সদস্য ও চট্টগ্রাম মহানগরীর আমির মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক ও চট্টগ্রাম-১০ আসনে জামায়াত মনোনীত প্রার্থী শামসুজ্জামান হেলালীসহ উভয় পরিবারের স্বজনরা।

এসএম ফরহাদ চট্টগ্রামের সন্তান। তার বাবা মাওলানা ফোরকান চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী বায়তুশ শরফ মাদ্রাসার প্রিন্সিপাল। ফরহাদ পরিবারের বড় ছেলে এবং ইসলামী ছাত্রশিবির ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সাবেক সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। বর্তমানে তিনি ডাকসুর সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্বে রয়েছেন।

অপরদিকে কনে জান্নাতুল ফেরদৌস সানজিদা ফেনীর সোনাগাজী পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডের চট্টগ্রাম সমাজ বড়বাড়ির সন্তান। তিনি স্থানীয় জামায়াত নেতা ও ব্যবসায়ী এমদাদুল্লাহ কাজলের বড় মেয়ে। সানজিদা চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের মেধাবী শিক্ষার্থী এবং চাকসুর নির্বাহী সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হন।

সোনাগাজী পৌর জামায়াতের আমির মাওলানা কালিম উল্যাহ বলেন, “ফরহাদকে জামাই হিসেবে পেয়ে আমরা গর্বিত। আমাদের মেয়েও কোনো অংশে কম নয়। চাকসু নির্বাচনে ছয় হাজার ভোট পেয়ে সানজিদা চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো সর্বোচ্চ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নির্বাচিত হয়েছে।”

উল্লেখ্য, জিএস ফরহাদের বাগদান অনুষ্ঠান ডিসেম্বরের মাঝামাঝি হওয়ার কথা থাকলেও ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শহীদ ওসমান হাদির হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় তা সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছিল। পরবর্তীতে পারিবারিক সিদ্ধান্তে বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয়।

সারাদেশ

ওসমান হাদি হত্যার মাস্টারমাইন্ড ‘শাহীন চেয়ারম্যান’

জুলাই অভ্যুত্থানের অন্যতম সম্মুখসারির সংগঠক ও ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ডের পেছনের পরিকল্পনাকারীদের বিষয়ে নতুন তথ্য সামনে আসছে। তদন্তে উঠে এসেছে, এই হত্যাকাণ্ডের মূল পরিকল্পনা ও বাস্তবায়নের সঙ্গে জড়িত হিসেবে ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান শাহীন আহমেদ ওরফে ‘শাহীন চেয়ারম্যান’-এর নাম। গোয়েন্দা সংস্থার ভাষ্য অনুযায়ী, অর্থ ও অস্ত্র—দুটোর ব্যবস্থাপনাতেই তার সরাসরি ভূমিকা […]

ওসমান হাদি হত্যার মাস্টারমাইন্ড ‘শাহীন চেয়ারম্যান’

ওসমান হাদি হত্যার মাস্টারমাইন্ড ‘শাহীন চেয়ারম্যান’

নিউজ ডেস্ক

২০ ডিসেম্বর ২০২৫, ১০:৫৭

জুলাই অভ্যুত্থানের অন্যতম সম্মুখসারির সংগঠক ও ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ডের পেছনের পরিকল্পনাকারীদের বিষয়ে নতুন তথ্য সামনে আসছে। তদন্তে উঠে এসেছে, এই হত্যাকাণ্ডের মূল পরিকল্পনা ও বাস্তবায়নের সঙ্গে জড়িত হিসেবে ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান শাহীন আহমেদ ওরফে ‘শাহীন চেয়ারম্যান’-এর নাম। গোয়েন্দা সংস্থার ভাষ্য অনুযায়ী, অর্থ ও অস্ত্র—দুটোর ব্যবস্থাপনাতেই তার সরাসরি ভূমিকা ছিল।

তদন্তসংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্র জানায়, এই হত্যাকাণ্ডে শাহীন চেয়ারম্যান একা ছিলেন না। তার সঙ্গে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ ও সহযোগিতায় ছিলেন আরও কয়েকজন ব্যক্তি, যাদের মধ্যে নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের সাবেক কয়েকজন নেতার সম্পৃক্ততার প্রাথমিক তথ্য মিলেছে। এরই মধ্যে কয়েকজন সন্দেহভাজনের ওপর নজরদারি বাড়ানো হয়েছে।

গোয়েন্দাদের দাবি, হাদির ওপর হামলার পর হামলাকারীদের ঢাকা থেকে সীমান্তের দিকে পালিয়ে যেতে সহায়তা করেন গোপালগঞ্জ জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি আব্দুল হামিদ। এ ঘটনায় তার সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে তাকে গ্রেপ্তারের জন্য অভিযান জোরদার করা হয়েছে। তদন্তে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, হামলার আগে ও পরে হত্যাকারীদের সঙ্গে তার একাধিকবার যোগাযোগ হয়েছিল।

তদন্তসংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন, জুলাই অভ্যুত্থানে শরিফ ওসমান হাদির সক্রিয় ভূমিকা এবং গত বছরের ৫ আগস্টের পর তার ধারাবাহিক বক্তব্য ও রাজনৈতিক অবস্থান আওয়ামী লীগকে চরমভাবে ক্ষুব্ধ করে তোলে। দলটির অভ্যন্তরীণ মূল্যায়নে হাদিকে ‘বড় ঝুঁকি’ হিসেবে দেখা হচ্ছিল। সেই প্রেক্ষাপটেই তাকে লক্ষ্য করে পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ডের ছক তৈরি হয়।

শাহীন আহমেদের রাজনৈতিক ও অপরাধী পরিচিতিও তদন্তে গুরুত্ব পাচ্ছে। তিনি দীর্ঘদিন দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি ছিলেন। স্থানীয়ভাবে তিনি একজন প্রভাবশালী নেতা হলেও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নথিতে বহুদিন ধরেই সন্ত্রাসী ও অস্ত্রধারী হিসেবে পরিচিত ছিলেন। অভিযোগ রয়েছে, শেখ হাসিনা সরকারের সময় সাবেক বিদ্যুৎ ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বিপুর ঘনিষ্ঠ হিসেবে তিনি ব্যাপক প্রভাব খাটিয়ে একাধিকবার উপজেলা চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন এবং নানা অভিযোগ সত্ত্বেও ছিলেন ধরাছোঁয়ার বাইরে।

স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, গত বছরের ৫ আগস্টের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর শাহীন চেয়ারম্যান সীমান্ত পেরিয়ে ভারতে চলে যান। প্রথম দিকে তিনি আত্মগোপনে থাকলেও গত কয়েক মাসে আবার সক্রিয় হয়ে ওঠেন। তদন্তে জানা গেছে, তিনি বিভিন্ন অ্যাপ ব্যবহার করে দেশে থাকা ‘স্লিপার সেল’-এর সদস্যদের সঙ্গে যোগাযোগ করে পরিকল্পনা বাস্তবায়নের চেষ্টা করছিলেন।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর এক কর্মকর্তা জানান, কয়েকটি হোয়াটসঅ্যাপ কল ও খুদেবার্তার সূত্র ধরে শাহীন চেয়ারম্যানের সম্পৃক্ততার প্রমাণ পাওয়া গেছে। একই সঙ্গে পলাতক ছাত্রলীগ নেতা হামিদের সঙ্গে হত্যাকারীদের যোগাযোগের তথ্যও মিলেছে। ভারতে অবস্থানরত কয়েকটি গ্রুপ থেকে অ্যাপভিত্তিক যোগাযোগের মাধ্যমে ঢাকায় থাকা সহযোগীদের কাজ সমন্বয় করা হচ্ছিল বলেও তদন্তে উঠে এসেছে।

সূত্র আরও জানায়, এই মামলার তদন্তে সন্দেহভাজনের তালিকায় কয়েকজন রাজনীতিকের নামও এসেছে। তাদের ভূমিকা যাচাইয়ে গ্রেপ্তার হওয়া আসামিদের যৌথভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। পাশাপাশি শাহীন চেয়ারম্যানের ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত কেরানীগঞ্জের দুজন ছাত্রলীগ নেতাকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

এ বিষয়ে ঢাকা মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার (ডিবি) শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘সব দিক বিবেচনায় নিয়ে অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত চলছে। আমরা আশাবাদী, খুব শিগগিরই এই হত্যাকাণ্ডের মাস্টারমাইন্ডসহ সংশ্লিষ্ট পরিকল্পনাকারীদের পরিচয় স্পষ্ট হবে।’

সারাদেশ

শেরপুর-৩ আসনের জামায়াতের প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল মারা গেছেন

জামায়াতে ইসলামীর শেরপুর জেলা শাখার সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী–ঝিনাইগাতী) আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল (৫১) মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত আনুমানিক ৩ টার দিকে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শেরপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি আবুল কালাম আজাদ। পরিবার সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার […]

শেরপুর-৩ আসনের জামায়াতের প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল মারা গেছেন

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৫:০৬

জামায়াতে ইসলামীর শেরপুর জেলা শাখার সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী–ঝিনাইগাতী) আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল (৫১) মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত আনুমানিক ৩ টার দিকে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শেরপুর জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি আবুল কালাম আজাদ।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার রাত ১০টার দিকে হঠাৎ শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যায় গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন নুরুজ্জামান বাদল। তাৎক্ষণিকভাবে তাকে শ্রীবরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। পরে সেখান থেকে দ্রুত ময়মনসিংহ স্বদেশ হাসপাতালে নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়।

ময়মনসিংহ নেওয়ার পথে রাত ৩ টার দিকে শহরের প্রবেশমুখ ব্রিজ এলাকায় পৌঁছালে তার অবস্থার অবনতি ঘটে এবং সেখানে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। পরে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।

পরিবারের পক্ষ থেকে মৃতের ভাই মাসুদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এছাড়াও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নিজেদের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে দেওয়া ওই পোস্টে বলা হয়, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী শেরপুর জেলা শাখার সম্মানিত সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ সংসদীয় আসনে জামায়াত মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী জনাব আলহাজ্ব নুরুজ্জামান বাদল আনুমানিক আজ রাত ৩টায় কিডনিজনিত রোগে হাসপাতালে ভর্তি অবস্থায় ইন্তেকাল করেছেন। ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।

পোস্টে আরও উল্লেখ করা হয়, আল্লাহ তা’য়ালা তাকে জান্নাতুল ফেরদাউস দান করুন এবং তার শোকসন্তপ্ত পরিবার-পরিজন ও সহকর্মীদের ধৈর্য ধারণের তৌফিক দান করুন।